Breaking News

প্লাস্টিক ড্রামে কাঁচা ঘাস বা সাইলেস সংরক্ষন”

প্লাস্টিক ড্রামে কাঁচা ঘাস বা সাইলেস সংরক্ষন”

বাজার থেকে রং বা ক্যেমিক্যেলের ব্যবহারিত খালি প্লাস্টিকের ড্রাম ক্রয় করতে হবে। খেয়ার রাখতে হবে যেন ড্রামের মুখটা গোলাকার ও প্রশস্ত হয় যেন।

কিনে আনা ড্রাম ভালো করে পরিস্কার করে ধুয়ে রোদে শুকাতে হবে, যাতা ড্রামের মধ্যে ক্ষতিকারক রং বা ক্যেমিক্যেলের কোন অংশ না থাকে।

ড্রাম শুকানোর পর মাঠ থেকে কাঁচা ঘাস কেটে এনে এমন ভাবে পরতে পরতে ড্রামের মধ্যে সাজতে হবে যেন ঘাসের ভিতরে বাতাস না থাকে।

এই নিয়মে যে কোন ঘাস চিটাগুড় সহ বা চিটাগুড় ব্যতিত সংরক্ষন করা যাবে।

চিটাগুড় দিয়ে সংরক্ষন করতে হলে, কাঁচা ঘাসের (৪ বা ৫)% চিটাগুড় মেপে একটি বড় পাত্রে রেখে তাহার সাথে ১:১ বা ৩:৪ পরিমানে পানি মিশিয়ে দ্রবন তৈরি করতে হবে।

তৈরিকৃত দ্রবন ড্রামের মধ্যে সাজান কাঁচা ঘাসের ওপর হাত বা ঝর্নার মাধ্যমে ছিটিয়ে দিতে হবে। ড্রামের তলায় কোন প্রকার পলিথিন দিতে হবে না।

এর পর পরতে পরতে কাঁচা ঘাস বিছিয়ে তৈরিকৃত দ্রবন একই নিয়মে ছিটিয়ে দিতে হবে।
তবে কাঁচা ঘাস যদি অধিক কচি হয় তাহলে এর সাথে শুকনো খড় মেসানো যেতেপারে, প্রতি ১০০ কেজি কচি ঘাসের সাথে ৫ কেজি শুকনো খড়। তবে খড়ের মধ্যে কোন চিটাগুড় দিতে হবে না।

অাগের নিয়মে পরতে পরতে কাঁচা ঘাস ও খড় সাজিয়ে পা দিয়ে পাড়িয়ে যথাসম্ভব বাতাস বের করে দিতে হবে। ড্রামের মধ্যে যত এটেসেটে সাজানো হবে সাইলেস ততো ভালো হবে। যে পর্যন্ত সাইলেস ধরানো যায় পা দিয়ে পাড়িয়ে। তার পরে ডাকনা দিয়ে ড্রামের মুখে পলিথিন দিয়ে ভালোভাবে আটকিয়ে দিতে হবে, যাতে বাতাস ড্রামের ভেতরে ডুকতে না পারে।

এভাবে ৫-৭ দিন পর ড্রামের মুখ খুললে দেখা যাবে ঘাস ফার্মেন্টেশন হয়ে ড্রামের ওপরের কিছু অংশ ফাঁকা হয়ে গেছে। এমতাবস্থায় আরো অতিরিক্ত কাঁচা ঘাস খালি স্থান পুরন করে ভালো ভাবে ড্রামের মুখে পলিথিন দিয়ে ডাকনা লাগিয়ে সেলোটেপ দিয়ে মুড়ে দিতে হবে যেন বাতাস ডুকতে না পারে।

এভাবে তৈরিকৃত সাইলেস ১ বছবের অধিক সময় পজন্ত সংরক্ষন করা যায়।

🍀👍ড্রাম পদ্ধতির সুবিধা সমুহঃ-

👉 সাইলেজ এক স্থান থেকে অন্য জায়গাতে সহজে পরিবহন করা যায়।
👉 ইঁদুর বা অন্য কোন ক্ষতিকর প্রানী ক্ষতি করতে পারেনা।
👉 জায়গা কম লাগে।
👉এই পদ্ধতিতে কোন সাইলেস নষ্ট হয়না।
👉 চাইলে বিক্রয় করা যায়।
👉মাটি বা আবর্জনা দ্বারা নষ্ট হবার সম্ভাবনা নেই।
👉 ছোট খামারিদের জন্য খুব উপযোগী।

📢🍀সাবধানতাঃ-
👉 কোন ভাবেই যেন ড্রামের মধ্যে বাতাস প্রবেশ না করে।
👉 চিটাগুড় পাতলা হলে পানির পরিমান কমিয়ে দিতে হবে, দ্রবন বেশী পাতলা হলে ঘাস থেকে চুইয়ে চুইয়ে দ্রবন নিচে চলে যাবে।
👉 দ্রবন এমন ভাবে বানাতে হবে যাতে দ্রবন ঘাসের সাথে আঠারমত লেগে থাকে।

📢তথ্যসংগ্রহ বি এল আর আই।কপি

Please follow and like us:

About admin

Check Also

ষাঁড় গরুর আদর্শ খাদ্য তালিকা : টি এম আর –

পাঠ ১। ষাঁড় গরুর আদর্শ খাদ্য তালিকা : টি এম আর গরুর লাইভ ওয়েট :- …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Translate »
error: Content is protected !!