Breaking News

ভেড়ার প্রতিদিন ২৫-১৫০ গ্রাম হারে ওজন বৃদ্ধির জন্য যা করা উচিত

#ভেড়ার প্রতিদিন ২৫-১৫০ গ্রাম হারে ওজন বৃদ্ধি

ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হবার জন্য ভেড়ার গ্রোথ সঠিক রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গ্রোথ সঠিক রাখতে প্রয়োজন পরিমানে সঠিক এবং গুণমানে যথাযথ খাবারের প্রয়োগ। এ জন্য প্রথমেই দরকার পশুকে ওজন দিয়ে নেয়া। তার পর জানতে হবে ভেড়ার জন্য কি পরিমান শুস্ক পদার্থ, শক্তির চাহিদা, ও ক্রড প্রোটিন দরকার।

আমরা অনেকেই বিভিন্ন খাবারের মিশ্রণে ভেড়ার খাবার তৈরী করে ভেড়াকে খেতে দিচ্ছি। কিন্তু আসলে কি পরিমান খাদ্য দরকার তার হিসাব করে দিচ্ছি না। ফলে হয় খাদ্যে কোন উপাদান বেশি হচ্ছে। না হয় কম হচ্ছে। দু’ ক্ষেত্রেই ব্যবসায়িকভাবে লস।

বেশি হলে ভেড়ার স্বাস্থ্য ভাল থাকতে পারে (?) কিন্তু খাদ্য খরচ বেড়ে যাচ্ছে। আবার কম হলে ভেড়ার স্বাস্থ্য ভেঙ্গে যাবে। তার মানে ভেড়ার ওজন ভেদে খাদ্য উপাদান হিসাব করে সঠিকটা দেওয়া দরকার। কিন্তু এই হিসাব আমরা ক’জনে করছি। আর না করলে যা হবার তাই হচ্ছে।

এখন দেখা যাক ২০ কেজি ওজনের একটা ভেড়িকে যদি প্রতিদিন ২৫ গ্রাম, ৫০ গ্রাম, ১০০ গ্রাম ও ১৫০ গ্রাম হারে ওজন বৃদ্ধি করতে চাই, তাহলে তাদের প্রতিদিন কতুটুকু খাদ্য দিতে হবে এবং সেই খাদ্যে কোন উপাদান কতটুকু থাকবে।

২০ কেজি ওজনের একটা ভেড়িকে যদি প্রতিদিন ২৫ গ্রাম হারে ওজন বৃদ্ধি করতে হয়। তাহলে শুস্ক পদার্থ দরকার ৬১০ গ্রাম, বিপাকীয় শক্তি দরকার ৪.৫২ মেগাজুল, টিডিএন ৩০০ গ্রাম, মোট ক্রড প্রোটিন ৫২ গ্রাম যেখানে হজমযোগ্য ক্রড প্রোটিন হতে হবে কম পক্ষে ২৬ গ্রাম।

২০ কেজি ওজনের একটা ভেড়িকে যদি প্রতিদিন ৫০ গ্রাম হারে ওজন বৃদ্ধি করতে হয়। তাহলে শুস্ক পদার্থ দরকার ৬৬০ গ্রাম, বিপাকীয় শক্তি দরকার ৫.৪০ মেগাজুল, টিডিএন ৩৬০ গ্রাম, মোট ক্রড প্রোটিন ৫৯ গ্রাম যেখানে হজমযোগ্য ক্রড প্রোটিন হতে হবে কম পক্ষে ৩১ গ্রাম।

২০ কেজি ওজনের একটা ভেড়িকে যদি প্রতিদিন ১০০ গ্রাম হারে ওজন বৃদ্ধি করতে হয়। তাহলে শুস্ক পদার্থ দরকার ৭১০ গ্রাম, বিপাকীয় শক্তি দরকার ৭.০৭ মেগাজুল, টিডিএন ৪৭০ গ্রাম, মোট ক্রড প্রোটিন ৭২ গ্রাম যেখানে হজমযোগ্য ক্রড প্রোটিন হতে হবে কম পক্ষে ৪১ গ্রাম।

২০ কেজি ওজনের একটা ভেড়িকে যদি প্রতিদিন ১৫০ গ্রাম হারে ওজন বৃদ্ধি করতে হয়। তাহলে শুস্ক পদার্থ দরকার ৬৫০ গ্রাম, বিপাকীয় শক্তি দরকার ৮.৭৯ মেগাজুল, টিডিএন ৫৮০ গ্রাম, মোট ক্রড প্রোটিন ৮১ গ্রাম যেখানে হজমযোগ্য ক্রড প্রোটিন হতে হবে কম পক্ষে ৫০ গ্রাম।

উপরের খাদ্য উপাদানের এলোমেলো হলে ভেড়ার উৎপাদন ও এলোমেলো হবে। #নাজ ফার্মের হিসাব মতে খাদ্য উপাদান (শুস্ক পদার্থ, শক্তি ও প্রোটিন মাত্রা) সঠিক রাখলে উৎপাদনের সাথে তুলনা করলে ভেড়ার খাদ্য খরচ কোন প্রকারেই বেশি হবে না। বরং আপনার হিসাবের মধ্যেই রাখতে পারবেন। সে জন্য আগে জানা দরকার আপনি কি কি খাবার দিচ্ছেন এবং তাতে কোন উপাদান কি পরিমানে আছে। মনে রাখবেন- ভেড়ার প্রয়োজনীয় খাদ্যের বেশি দিলেও লস, কম দিলেও লস। হিসাবের জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, প্রজ্ঞাপন-২০১৩ এর চার্ট ব্যবহার করা হয়েছে।

NAZ FARM

Please follow and like us:

About admin

Check Also

গবাদিপশুর খামারের জন্য পুষ্টিকর খাদ্যের তালিকা:

গবাদিপশুর খামারের জন্য পুষ্টিকর খাদ্যের তালিকা: গবাদিপশুর খামারের জন্য পুষ্টিকর খাদ্যের তালিকা সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Translate »
error: Content is protected !!