টিপস: বিভিন্ন রোগের পার্থক্য করবো কিভাবে:

টিপস:পার্থক্য করবো কিভাবে:

আই বি এইচ,সালমোনেলা,

মাইকোটক্সিন,হিটস্টোক,ফুসারিয়াম টক্সিসিটি ও আই বি ডি।

সালমোনেলা:

পি এম করলে মাংসে হেমোরেজ এবং লিভার নরম ও বড়।লিভারে ব্যতিক্রমী স্পট নেক্রোসিস দেখা যায়।মারা যায় হাজারে ৩-৫টা।অসুস্থ কম।

এই রকম হলে আমি সাল্মোনেলাই মনে করি।

আই বি এইচ:

পি এম করলে লিভার, কিড়নি নরম ও বড়।লিভারের নেক্রোসিস স্পট দেখা তেমন যায় না।মাংসে হেমোরেজ থাকতে পারে।মুরগি কাটার আগেই অনেক সময় পেট টা কালো দেখা যায় মানে ভিতরে লিভার বড় হয়ে বের হয়ে যাবার অবস্থা।এটা আই বি এইচ।

হাট লিচির মতে হতে পারে তবে সব সময় এমন পাওয়া যায় না।

ফুসারিয়াম টক্সিসিটি:

ফুসারিওটক্সিসিটি হলে সিস্ট পাওয়া যায়।মর্টালিটি নাই।হলেও রেয়ার।

মাইকোটক্সিন:

মাইকোটক্সিন ত উপরের গুলোর সাথেও জড়িত তবে যদি অল্প মারা যায়।একিউট না হলে তেমন কিছুই না।যদি একিউট ফর্মে হয় তাহলে অনেক মারা যায় লিভার এবং কিড়নিতে পরিবর্তন আসে।অন্য কোন লেসন পাওয়া যায় না।মনে হয় সবই ঠিক আছে।এই ক্ষেত্রে খাবারের হিস্ট্রি নিলে অন্য ফার্মেও পাওয়া যায়।

হিট স্টোক:

গরমে মুরগি মারা যাবে।তাপমাত্রা ৩৫ডিগ্রির বেশি।

মুরগির বয়স ব্রয়লার হলে ২০দিনের বেশি।লেয়ার হলে ডিম পাড়া মুরগি।

পি এম করলে মাংস সাদা,ফ্যাটে ও হার্টে হেমোরেজ পাওয়া যেতে পারে।আবার নাও পারে।।ফ্রেস রক্ত লিভারের আশপাশে থাকতে পারে।অন্য লেসন তেমন পাওয়া যায় না।

তাপমাত্রা এবং সেডের উচ্চতা ও ভেন্টিলেশনের দিকে খেয়াল করে দেখতে হবে।

আই বি ডি:

আই বি ডি বিভিন্ন স্ট্রেইন, স্ট্রেস ও মিক্স ইনফেকশনের উপর ভিত্তি করে মর্বিডিটি ও মর্টালিটি বিভিন্ন হয়।

কাজের অনেক বিষয়ের উপর খেয়াল করে ডায়াগ্নোসিস করতে হবে।

নরমালী মর্বিড়িটি বেশি হয় ৫-৭০%. হাজারে ৩-৫০টারা যায়।খাবার কমে যায়।নরমালী কাশি থাকে না।

নোট: গাম্বোরু এবং রানিক্ষেতের মধ্যে পার্থক্য হল কাশি/সর্দি।পি এম করলে ট্রাকিয়া,প্রভেন্টিকোলাস,অন্ত্রে আলসাররের দিকে গুরুত্ব দিয়ে রানিক্ষেত ডায়াগ্নোসিস করতে হয়।

Scroll to Top