Breaking News

ভেটেরিনারি_সার্ভিসকে_জরুরি_ঘোষণার_দাবি_জানালো_ডেইরি_খামারিদের_এসোসিয়েশন

#ভেটেরিনারি_সার্ভিসকে_জরুরি_ঘোষণার_দাবি_জানালো_ডেইরি_খামারিদের_এসোসিয়েশন
দেশ এখন চরম সংকটের মধ্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। মহামারি করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার নানা মুখী পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। দেশের প্রানীজ আমিষের সবচেয়ে বড় যোগানদাতা প্রানিসম্পদ। এই সংকট কালীন মুহুর্তে বড় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে বিকাশমান এ সেক্টর টি। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় ভেটেরিনারি সার্ভিস পৌছে দেওয়াটা খুবই জরুরী। সাথে সাথে ভেটেরিনারি সার্ভিস কে জরুরী হিসাবে ঘোষণার দাবি করেছেন দেশের ডেইরী শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট সাধারণ খামারিরা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডেইরী ফার্মাস এসোসিয়েশন সম্প্রতি গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর এ আবেদন করেন। সংগঠনের সভাপতি ডাঃ মোঃ সাইফুদ্দিন খান শুভ্র ও সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর এগ্রিবার্তা ২৪ ডট কম কে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

করোনা ভাইরাস সংক্রমনের কারনে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রানিসম্পদ খাতের বিপর্যয় রক্ষায় করণীয় সম্পর্কে জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডেইরি ফার্মার্স এসোসিয়েশনের উদ্যোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে সম্প্রতি এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। লকডাউন জনিত কারনে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের পূনর্বাসন, দুধ, ডিম, মাংসের বাজারজাত নিশ্চিতকরণ, পশুখাদ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ, সরকারিভাবে প্রণোদনা ও ক্ষতিপূরণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ এবিএম সাইফুজ্জামান, সদর উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা পংকজ বড়ুয়া, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এমএএইচ মাহবুব আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডেইরি এসোসিয়েশনের সভাপতি ডাঃ সাইফুদ্দিন, সাধারন সম্পাদক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া চেম্বার অব কমার্স এর সিনিয়র সহসভাপতি কাজী জাহাঙ্গীর, সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিব হাসান সহ প্রশাসন ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

দাবিসমুহ বাস্তবায়ন করতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে ডেইরি ফার্মার্স এসোসিয়েশন এর সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিব হাসান। জেলা প্রশাসক এর নিকট জোরালো ভাবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন তিনি। হাসিব বলেন “নিজ উদ্যোগে প্রশাসন ও এসোসিয়েশনের সাথ সমন্বয় রেখে দাবি সমূহ বাস্তবায়ন ও অনলাইনে হোম ডেলিভারি সহ দুধ বিক্রির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই সাথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ক্ষতিগ্রস্ত খামারের স্টাফদের তালিকা করে ডিসি মহোদয়ের কাছে ত্রানের জন্য জমা দেয়া হয়”

সভায় উপস্থিত খামারিরা সংকটময় পরিস্থিতিতে এরকম সভার আয়োজন করার জন্য জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ এবিএম সাইফুজ্জামান ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডেইরি এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিব হাসানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

সভার সার্বিক সমন্বয়ক হিসেবে ছিলেন ডাঃ মোঃ নূরে আলম, ভেটেরিনারি সার্জন, ডিএলএস।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডেইরী ফার্মাস এসোসিয়েশন এর সভাপতি ডাঃ মোঃ সাইফুদ্দিন খান শুভ্র বলেন, “দুধ, ডিম, মাংস বিক্রি আশংকাজনকভাবে কমে যাওয়ায় খামার বন্ধ হয়ে প্রাণিসম্পদ খাতের সাথে সংশ্লিষ্ট বিশাল জনগোষ্টি নিঃস্ব হওয়ার পথে ও বেকারত্বের শিকার হচ্ছে”

বাংলাদেশ ভেটেরিনারি এসোসিয়েশন (বিভিএ), কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মহাসচিব ড মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান মোল্লা বলেন, ” হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষুধা, দারিদ্রতা মুক্ত, স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের লক্ষ্যে মেধাবী প্রজন্মের বিকল্প নাই। দেশের মেধাবী সুস্থ সবল জাতি গঠনে প্রানিজ প্রোটিনের সবচেয়ে বড় যোগানদাতা প্রানিসম্পদ বিভাগ। এই সেক্টরের উন্নয়নের স্বার্থে ভেটেরিনারি সেবাকে জরুরী হিসাবে ঘোষণা এখন সময়ের দাবী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি অনুরোধ রইলো দেশের প্রানিসম্পদের উন্নয়নের স্বার্থে ভেটেরিনারি সার্ভিস কে ইমার্জেন্সি সার্ভিস হিসেবে ঘোষণা করুন”

সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর বলেন, “যে দেশের মোট প্রোটিন চাহিদার ৭৬% সরবরাহ করছে প্রাণিসম্পদ খাত। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়তোবা কয়েক বছরে কাটিয়ে উঠতে পারলেও অপুষ্টিজনিত ক্ষতি কাঠিয়ে উঠতে বংশপরম্পরায় অপেক্ষা করতে হবে। এমতাবস্থায় উক্ত শিল্পকে বাচিয়ে রাখতে জরুরি ব্যবস্থা নেয়া অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। তাই বিদ্যমান পরিস্থিতি ও বিগত (০২/০৪/২০২০) তারিখে জেলা প্রশাসক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত আলোচনা সভার আলোকে আমরা নিম্নলিখিত প্রস্তাবসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য ব্যবস্থাসমূহ এবং স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে বাস্তবায়নযোগ্য ব্যবস্থাসমূহ তালিকা আকারে পেশ করছি-

দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য ব্যবস্থাসমূহঃ

১। চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ খামারি ও বেকার প্রাণিসম্পদ শ্রমিকদের সরকারি ত্রান সহায়তার আওতায় নিয়ে আসা
(উপজেলা ভিত্তিক)।
২। চলমান খামারগুলোর বিদ্যুত বিল মওকুফ করা ।
৩। চলমান খামারগুলোর ব্যাংক লোনের কিস্তি স্থগিত করন ও সুদ মওকুফ করন।
৩। পশুখাদ্যের দাম যেনো কেউ বাড়াতে না পারে সেজন্য বাজার মনিটরিং করা।
৪। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্টান ও মিডিয়া কর্তৃক গবাদিপ্রানি ও পোল্ট্রি নিয়ে চলমান অপপ্রচার বন্ধ
করা এবং সকল অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া।

স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে বাস্তবায়নযোগ্যঃ

১। বন্ধ হয়ে যাওয়া খামারগুলোকে চালু করতে বিশেষ প্রণোদনার আওতায় খামারিদের আর্থিক অনুদান নিশ্চিত করা।
২। বিদ্যমান লোনের সুদ মওকুফ করা।
৩। সহজ প্রক্রিয়ায় সুদমুক্ত লোনের ব্যবস্থা করা ও যথাযথ বিতরনের ব্যবস্থা করা।
৪। বিদ্যুত বিলের ধরনকে শিল্প থেকে কৃষিতে রুপান্তরিত করা – বর্তমানে কৃষিখাতে বিদ্যুত বিলের চেয়ে প্রাণিসম্পদখাতে তিন (৩) গুন হারে শিল্প বিল দিতে হচ্ছে অথচ কৃষির অন্যতম উপখাত হচ্ছে প্রাণিসম্পদখাত। তাই প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র ডেইরি খামারের (সর্বোচ্চ ১০০গরু বিশিষ্ট) বিদ্যুত বিলের ধরনকে শিল্প থেকে কৃষিতে রুপান্তরিত করা।

৫। খামারিদের প্রণোদনা- ভারত সহ বিশ্বে দুগ্ধ উৎপাদনকারি রাষ্ট্রসমূহ সরাসরি খামারিদেও প্রনোদনা দিয়ে থাকে যেনো প্রান্তিক খামারিরা প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে। ভারতে এই প্রণোদনার পরিমান ১.৫বিলিয়ন ডলার,কানাডা ১.২ বিণিয়ন ডলার, আমেরিকা ২২বিলিয়ন ডলার, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ৫.৬ বিরিয়ন ডলার।

৬। প্রাণিস্বাস্থ্য সেবাকে (ভেটেরিনারি সার্ভিস) জরুরি ঘোষনা করা, প্রতি উপজেলায় ভেটেরিনারি হাসপাতাল নির্মাণ করে- ২৪ঘন্টা ও প্রতিদিন সেবা নিশ্চিত করা। উল্লেখ্য যে কেন্দ্রীর ভেটেরিনারি হাসপাতাল, ঢাকা ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ ব্যাতীত কোন উপজেলায় ভেটেরিনারি হাসপাতাল, অপারেশন থিয়েটার ও রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই বরং উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে একজন মাত্র ভেটেরিনারি সার্জন দিয়ে চিকিৎসা কার্যক্রম চালানো হয়। একটি উপজেলায় যেখানে কমপক্ষে ৪-৫ লক্ষ গবাদিপ্রাণি আছে সেখানে একজন ভেটের পক্ষে সেবা নিশ্চিত করা একেবারেই সম্ভব হচ্ছেনা। অতীব দুঃখজনক হলেও সত্য অফিস সময়ের পর কিংবা সরকারি বন্ধের দিন খামারির সেবা পাবার কোন ব্যবস্থা নেই যদিও অসুখ ও চিকিৎসা কোন সময় বা অফিস সময় মানেনা। এতে খামারিগন প্রায়ই অপচিকিৎসার স্বীকার হচ্ছেন ও আর্থিকভাবে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন । তাই প্রানিসম্পদ সেবাকে জরুরি সেবার আওতায় এনে এর লোকবল কাঠামো আধুনিকায়ন করার জন্য দাবি জানাচ্ছি।

৭। জাতীয় ডেইরি ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন, জাতীয় পোল্ট্রি ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন, জাতীয় মিট ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন গঠন করে প্রতিটি বিষয়ের বিশেষায়িত গবেষণা, মান নিয়ন্ত্রন, প্রকল্প প্রণয়ন করে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জরুরি ব্যবস্থা গ্রহন করা। উল্লেখ্য যে কৃষি খাতে বাংলাদেশ এগ্রিকালচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (বিএডিসি), ইক্ষু/চা/তুলা/হর্টিকালচার/ধান/পাট/ফলসমূহ প্রভৃতির জন্য বিশেষায়িত প্রতিষ্টান থাকলেও কৃষির অন্যতম উপখাত হলেও প্রাণিসম্পদ খাতে এমন কোন প্রতিষ্টান গড়ে উঠেনি। ফলে নীতিনির্ধারন সহ বানিজ্যিকভাবে বিশেষ গোষ্টীর কাছে প্রাণিসম্পদ খাত জিম্মি হয়ে আছে ও বিদ্যমান বানিজ্যিক ব্যবস্থাপনা খামারিবান্ধব না হয়ে সেসব গোষ্টী বান্ধব হয়ে আছে। ভারতসহ বিশ্বের উন্নত সকল দেশে এরকম প্রতিষ্টানের মাধ্যমে পশুখাদ্যের দাম, মান নিয়ন্ত্রন, বাজার ব্যবস্থাপনা, প্রনোদনা, অঞ্চলভিত্তিক প্রকল্প পরিচালনা সহ দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, খামারীদের স্বার্থসমূহ তদারকি করা হয়। বাংলাদেশে কাঁচামালের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার, ভ্যাট কমালেও পশুখাদ্যের দাম খামারিদের জন্য কমেনা বরং মুনাফা লুট করে গোষ্টীভিত্তিক কোম্পানির মালিকগণ, তাই ডেভেলপমেন্ট বোর্ড গঠন করে পশুখাদ্যের ন্যায্য মূল্য নির্ধারন সহ খামারি বান্ধব সরকারি পলিসি প্রণয়ন করা উচিত।

৮। প্রানিসম্পদের জন্য আলাদা মন্ত্রনালয় গঠন– ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি প্রাণিসম্পদ খাতের সাথে দেশের মোট শ্রমশক্তির ২০% প্রত্যক্ষভাবে ও ৪৫% পরোক্ষভাবে জড়িত (২০১৭-১৮)।
দেশের শিক্ষিত বেকার বিশাল জনগোষ্টির কর্মসংস্থানের অপার সম্ভাবনাময় এ খাতকে কাজে লাগিয়ে বেকার সমস্যার কার্যকর সমাধান সম্ভব। অন্যদিকে মৎস্য খাতও বিশাল একটি সেক্টর। দুটো বিশাল সেক্টরের উন্নয়ন ও কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছে একটি মন্ত্রনালয় তথা একজন মন্ত্রী ও সচিব মহোদয়ের তত্ত্বাবধানে, ফলে দুটি বিকাশমান সেক্টর বঞ্চিত হচ্ছে। আশা করা যায় আলাদা মন্ত্রনালয় গঠন হলে দুটো সেক্টরই লাভবান হবে এবং দেশের প্রভূত উন্নয়ন সাধন হবে।

৯। বিনামূল্যে টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা– বিভিন্ন সংক্রামক রোগ প্রাণিসম্পদের যেমন মারাত্বক ক্ষতি করছে তেমনি জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাতœক ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। মানুষের ক্ষেত্রে যেভাবে জাতীয়ভাবে টিকাদান কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে তেমনিভাবে প্রাণির ক্ষেত্রেও জাতীয়ভাবে টিকা দান কার্যক্রম গ্রহণ করে প্রাণিসম্পদ খাতকে সংক্রামক রোগ হতে বাঁচানো অতীব জরুরি।

১০। দুধ আমদানি বন্ধ করা, ভারত থেকে গরু আমদানি বন্ধ করার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া। দেশে এখন পর্যাপ্ত মাংস উৎপন্ন হচ্ছে এবং প্রাণিসম্পদেও শিল্পায়ন শুরু হয়েছে, এমতাবস্থায় ভারত থেকে গরু আমদানি সহ বিভিন্ন দেশ হতে মাংস ও পাউডার দুধ আমদানি খামারিদের আর্থিক ক্ষতির কারণ হচ্ছে।

১১। কনডেন্সড মিল্ক নিষিদ্ধ করা– প্রাকৃতিক দুধের অস্তিত্ববিহীন সম্পূর্ণ কৃত্রিমভাবে তৈরি কনডেন্সড মিল্ক যেমন মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তেমনি বিকাশমান ডেইরি খাতকে ক্ষতিগ্রস্থ করছে। উল্লেখ্য যে পার্শবর্তী দেশ ভারত সহ উন্নত বিশ্বে প্রচলিত কনডেন্সড মিল্ক নিষিদ্ধ

Please follow and like us:

About admin

Check Also

খাদ্য নিরাপত্তায় প্রাণিসম্পদের গুরুত্বঃ বর্তমান ও ভবিষ্যৎ (ডা মো ইব্রাহিম খলিল)

খাদ্য নিরাপত্তায় প্রাণিসম্পদের গুরুত্বঃ বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বর্তমান বিশ্ব বড্ড পরিবর্তনশীল, এ পরিবর্তনের ছোঁয়া জাগতিক …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Translate »
error: Content is protected !!