Breaking News

একজন ভেট ডাক্তারকে যে বিষয় গুলো জানা উচিত

মেজর টিপস(একজন ডাক্তারকে যে বিষয় গুলো জানা উচিত)
১.বিভিন্ন ডিজিজের ক্ষেত্রে বিভিন্ন অর্গানে লেসন পাওয়া যাবে বলে পড়ে আসছি সেভাবে লেসন পাওয়া যায় না । আমরা পড়ে আসছি এই এই অর্গানে এই এই লেসন পাওয়া যাবে বাস্তবে তা ৫০% এর ক্ষেত্রে পাওয়া যায় না তবে কোন না কোন অর্গানে লেসন পাওয়া যাবে।
ব্যতিক্রমও আছে।
যেমন রানিক্ষেতের ক্ষেত্রে প্রভেন্টিকোলাস,সিকাম,ট্রাকিয়া,অন্ত্র,প্রভেন্টিকোলাস ও ইসোফেগাসের মাঝে রক্ত,অনেক মারা যাবে।
এসব পড়ে আসছি বাস্তবে হয়ত শুধু একটা বা ২ টা অর্গানে লেসন পাব।সেটা দিয়ে অন্যান্য হিস্ট্রি মিলিয়ে ডায়াগ্নোসিস করতে হবে।
২.অনেক সময় হাজারে একটা মুরগি মারা যায় এবং কোন লেসন পাওয়া যায় না বা পাওয়া গেলেও তা অনেক রোগের কারণে হতে পারে সেই ক্ষেত্রে কয়েক দিন দেখতে হবে। মারা যায় কিনা গেলে পি এম করতে হবে।তাই
অপেক্ষা করেও ডিজিজ ডায়াগ্নোসিস করা যায়।
অনেক সময় চিকিৎসা করেও ডায়াগনোসিস করা যায় যেমন অনেক মারা যাচ্ছে কলেরা নাকি এইচ ৫ নাকি গরমে মারা যাচ্ছে বুঝা যাবে না
সেই ক্ষেত্রর এন্টিবায়োটিক ইঞ্জেকশন দিলে যদি ভাল হয়ে যায় তাহলে কলেরা। ভাল না হলে এইচ ৫.এমনিতে যদি মরা বন্ধ হয়ে যায় তাহলে গরম এর কারণে মারা গেছে।
৩.বিভিন্ন ডিজিজে একই অর্গানে একই লেসন পাওয়া যায় সেসব ক্ষেত্রে আন কমন অর্গান দেখে ডায়াগ্নোসিস করতে হবে।
৩.
পোল্ট্রিতে প্যাথোগ্নোমোনিক লেসন নাই।
তাই একটা অর্গান দেখে ডায়াগ্নোসিস করা যাবে না।
৪.হিস্ট্রি ছাড়া ডায়াগ্নোসিস করা যাবে না তাই হিস্ট্রি ছাড়া প্রশ্ন করা ঠিক না।
৫.নরমাল অর্গানের কালার,সাইজ,লোকেশন জানতে হবে।না জানলে ডায়াগ্নোসিস করা যাবে না।
৬.আমরা ফিল্ডে মেরেক্স খুজতে গিয়ে সায়াটিক নার্ভ খুজি আসলে এই স্ট্রেইনের মেরেক্স আমাদের দেশে মনে হয় না কারণ কেউ পায়নি।
৬.মেরেক্স হলে লিভার বড় হতে হবে এমন কোন শর্ত নাই।
৭.প্রভেন্টিকোলাসে লেসন দেখেই রানিক্ষেত,আর বার্সায় হেমোরেজ দেখেই গাম্বোরু বলা যাবে না।অন্য ডিজিজেও পাওয়া যায়।তাছাড়া এবডোমিনাল ফ্যাটে হেমোরেজ ও অনেক কারণে হতে পারে।সব অর্গানের ক্ষেত্রেই এমন হতে পারে তাই বেশি জানতে হবে।
৮.শ্বাসকস্ট,ডিমের কালার,সবুজ/সাদা পায়খানা,হাচি কাশি,শুকিয়ে যাওয়া,খাবার কম খাওয়া,ডিম কমে যাওয়া প্রতিটা ক্ষেত্রে ৫-১০ টা কারণ আছে তাই ১বা২ টা কারণ জানলেই হবে না।
৯.পোল্ট্রির ক্ষেত্রে হতে পারে শব্দ টা বেশি সময় ব্যবহার হবে। ১০০% বলতে কোন কথা অনেক সময় বলা যায় না।
১০.পোল্ট্রি ডিজিজ গুলো হিস্ট্রি,লক্ষণ ও পি এম করে আলাদা করতে হয়।মিনিমাম ২টি অপশন লাগবে।
কোন সময় হয়ত টেস্ট লাগতে পারে তা হিস্টি নিয়েই করতে হবে।
১১.ডিফারেন্সিয়াল ডায়াগ্নোসিস কঠিন এটাই সবাই বলে অথচ এটা ভুল বরং ডায়াগ্নোসিস অনেক সহজ।
১২.কম জানলে ভুল হয় বেশি,জানলে সমাধান হয়।
১৩.পোল্ট্রির সব গুলো ডিজিজের এ টু জেট জানতে হবে।এপিডিমিওলজি,প্যাথোজেনেইসিস,লক্ষণ,পি এম,চিকিৎসা।
এপিডিমিওলজি অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু আমরা সেটাকে গুরুত্ব দিচ্ছি না যার কারণে ডায়াগ্নোসিস করতে পারছি না।
১৪.এনালগ মানে পুরাতন সিস্টেম থেকে বের হয়ে ভি টি এসের সিস্টেমে আসতে হবে সহজে শিখতে এবং ডায়াগ্নোসিস করার জন্য।
১৫.যিনি হিস্ট্রি নিতে পারেন এবং ডিজিজ সম্পর্কে ভাল ধারণা রাখেন তিনি ডায়াগনোসিসও করতে পারেন।
তাই অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সঠিক হিস্টি দিয়ে পোস্ট করতে পারে না অনেকেই।
১৬.শুধু ক্যাম্পাসের পড়াশুনা দিয়ে ফিল্ডে কাজ করা কঠিন।
১৭.মুখস্থ না করে মেকানিজম শিখতে হবে।এতে লক্ষণ,লেসন ও চিকিৎসা মুখস্থ করতে হয় না।
সহজ পদ্ধতিতে শিখতে হবে।
১৮.আমরা শুধু ডিজিজ ডায়াগ্নোসিস করে আসছি বা পড়ে আসছি।
যেমন রানিক্ষেত বা এ আই বা আই বি।
শুধু ডিজিজ ডায়াগ্নোসিস করলে হবে না
কোন স্ট্রেইনের অর্গানিজম দিয়ে হয়েছে সেটা ডায়াগনোসিস করতে হবে।
বলতে হবে এটা কোন স্ট্রেইনের রানিক্ষেত বা এ আই।
রানিক্ষেত আছে লেন্টোজেনিক,মেসোজেনিক,ভেলোজেনিক,ভি ভি এন ডি।এই আছে ১৪৪ স্ট্রেইনের তবে এইচ ৫, ৯ বা ৭ আলাদা করা উচিত।
এই রকম ডিজিজ আরো আছে।
আমরা অর্গানের যুগ থেকে বেরিয়ে এসে সেল লেবেলে কাজ করতে হবে।
শিরা/ধমনী থেকে ক্যাপিলারীতে চলে যেতে হবে।
১৮.ভি টি এস এসব বিষয় নিয়ে কাজ করে।
১৯.ভি টি এসে একবার ট্রেনিং নিলে আবার নিতে চায় মানে ভাল শিখতে পারছে যা আগে শিখেনি।
২০.ভি টি এসের মেম্বাররা একটু বেশি জানে এবং দক্ষতার সাথে আনন্দ নিয়ে কাজ করে।তাদের দ্বারা ভুল ডায়াগনোসিস বা চিকিৎসা হবে না তাই কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।সব প্রাণি ভাল থাকবে ইনশাল্লাহ।

১.বিভিন্ন ডিজিজের ক্ষেত্রে বিভিন্ন অর্গানে লেসন পাওয়া যাবে বলে পড়ে আসছি সেভাবে লেসন পাওয়া যায় না । আমরা পড়ে আসছি এই এই অর্গানে এই এই লেসন পাওয়া যাবে বাস্তবে তা ৫০% এর ক্ষেত্রে পাওয়া যায় না তবে কোন না কোন অর্গানে লেসন পাওয়া যাবে।
ব্যতিক্রমও আছে।
যেমন রানিক্ষেতের ক্ষেত্রে প্রভেন্টিকোলাস,সিকাম,ট্রাকিয়া,অন্ত্র,প্রভেন্টিকোলাস ও ইসোফেগাসের মাঝে রক্ত,অনেক মারা যাবে।
এসব পড়ে আসছি বাস্তবে হয়ত শুধু একটা বা ২ টা অর্গানে লেসন পাব।সেটা দিয়ে অন্যান্য হিস্ট্রি মিলিয়ে ডায়াগ্নোসিস করতে হবে।
২.অনেক সময় হাজারে একটা মুরগি মারা যায় এবং কোন লেসন পাওয়া যায় না বা পাওয়া গেলেও তা অনেক রোগের কারণে হতে পারে সেই ক্ষেত্রে কয়েক দিন দেখতে হবে। মারা যায় কিনা গেলে পি এম করতে হবে।তাই
অপেক্ষা করেও ডিজিজ ডায়াগ্নোসিস করা যায়।
অনেক সময় চিকিৎসা করেও ডায়াগনোসিস করা যায় যেমন অনেক মারা যাচ্ছে কলেরা নাকি এইচ ৫ নাকি গরমে মারা যাচ্ছে বুঝা যাবে না
সেই ক্ষেত্রর এন্টিবায়োটিক ইঞ্জেকশন দিলে যদি ভাল হয়ে যায় তাহলে কলেরা। ভাল না হলে এইচ ৫.এমনিতে যদি মরা বন্ধ হয়ে যায় তাহলে গরম এর কারণে মারা গেছে।
৩.বিভিন্ন ডিজিজে একই অর্গানে একই লেসন পাওয়া যায় সেসব ক্ষেত্রে আন কমন অর্গান দেখে ডায়াগ্নোসিস করতে হবে।
৩.
পোল্ট্রিতে প্যাথোগ্নোমোনিক লেসন নাই।
তাই একটা অর্গান দেখে ডায়াগ্নোসিস করা যাবে না।
৪.হিস্ট্রি ছাড়া ডায়াগ্নোসিস করা যাবে না তাই হিস্ট্রি ছাড়া প্রশ্ন করা ঠিক না।
৫.নরমাল অর্গানের কালার,সাইজ,লোকেশন জানতে হবে।না জানলে ডায়াগ্নোসিস করা যাবে না।
৬.আমরা ফিল্ডে মেরেক্স খুজতে গিয়ে সায়াটিক নার্ভ খুজি আসলে এই স্ট্রেইনের মেরেক্স আমাদের দেশে মনে হয় না কারণ কেউ পায়নি।
৬.মেরেক্স হলে লিভার বড় হতে হবে এমন কোন শর্ত নাই।
৭.প্রভেন্টিকোলাসে লেসন দেখেই রানিক্ষেত,আর বার্সায় হেমোরেজ দেখেই গাম্বোরু বলা যাবে না।অন্য ডিজিজেও পাওয়া যায়।তাছাড়া এবডোমিনাল ফ্যাটে হেমোরেজ ও অনেক কারণে হতে পারে।সব অর্গানের ক্ষেত্রেই এমন হতে পারে তাই বেশি জানতে হবে।
৮.শ্বাসকস্ট,ডিমের কালার,সবুজ/সাদা পায়খানা,হাচি কাশি,শুকিয়ে যাওয়া,খাবার কম খাওয়া,ডিম কমে যাওয়া প্রতিটা ক্ষেত্রে ৫-১০ টা কারণ আছে তাই ১বা২ টা কারণ জানলেই হবে না।
৯.পোল্ট্রির ক্ষেত্রে হতে পারে শব্দ টা বেশি সময় ব্যবহার হবে। ১০০% বলতে কোন কথা অনেক সময় বলা যায় না।
১০.পোল্ট্রি ডিজিজ গুলো হিস্ট্রি,লক্ষণ ও পি এম করে আলাদা করতে হয়।মিনিমাম ২টি অপশন লাগবে।
কোন সময় হয়ত টেস্ট লাগতে পারে তা হিস্টি নিয়েই করতে হবে।
১১.ডিফারেন্সিয়াল ডায়াগ্নোসিস কঠিন এটাই সবাই বলে অথচ এটা ভুল বরং ডায়াগ্নোসিস অনেক সহজ।
১২.কম জানলে ভুল হয় বেশি,জানলে সমাধান হয়।
১৩.পোল্ট্রির সব গুলো ডিজিজের এ টু জেট জানতে হবে।এপিডিমিওলজি,প্যাথোজেনেইসিস,লক্ষণ,পি এম,চিকিৎসা।
এপিডিমিওলজি অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু আমরা সেটাকে গুরুত্ব দিচ্ছি না যার কারণে ডায়াগ্নোসিস করতে পারছি না।
১৪.এনালগ মানে পুরাতন সিস্টেম থেকে বের হয়ে ভি টি এসের সিস্টেমে আসতে হবে সহজে শিখতে এবং ডায়াগ্নোসিস করার জন্য।
১৫.যিনি হিস্ট্রি নিতে পারেন এবং ডিজিজ সম্পর্কে ভাল ধারণা রাখেন তিনি ডায়াগনোসিসও করতে পারেন।
তাই অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সঠিক হিস্টি দিয়ে পোস্ট করতে পারে না অনেকেই।
১৬.শুধু ক্যাম্পাসের পড়াশুনা দিয়ে ফিল্ডে কাজ করা কঠিন।
১৭.মুখস্থ না করে মেকানিজম শিখতে হবে।এতে লক্ষণ,লেসন ও চিকিৎসা মুখস্থ করতে হয় না।
সহজ পদ্ধতিতে শিখতে হবে।
১৮.আমরা শুধু ডিজিজ ডায়াগ্নোসিস করে আসছি বা পড়ে আসছি।
যেমন রানিক্ষেত বা এ আই বা আই বি।
শুধু ডিজিজ ডায়াগ্নোসিস করলে হবে না
কোন স্ট্রেইনের অর্গানিজম দিয়ে হয়েছে সেটা ডায়াগনোসিস করতে হবে।
বলতে হবে এটা কোন স্ট্রেইনের রানিক্ষেত বা এ আই।
রানিক্ষেত আছে লেন্টোজেনিক,মেসোজেনিক,ভেলোজেনিক,ভি ভি এন ডি।এই আছে ১৪৪ স্ট্রেইনের তবে এইচ ৫, ৯ বা ৭ আলাদা করা উচিত।
এই রকম ডিজিজ আরো আছে।
আমরা অর্গানের যুগ থেকে বেরিয়ে এসে সেল লেবেলে কাজ করতে হবে।
শিরা/ধমনী থেকে ক্যাপিলারীতে চলে যেতে হবে।
১৮.ভি টি এস এসব বিষয় নিয়ে কাজ করে।
১৯.ভি টি এসে একবার ট্রেনিং নিলে আবার নিতে চায় মানে ভাল শিখতে পারছে যা আগে শিখেনি।
২০.ভি টি এসের মেম্বাররা একটু বেশি জানে এবং দক্ষতার সাথে আনন্দ নিয়ে কাজ করে।তাদের দ্বারা ভুল ডায়াগনোসিস বা চিকিৎসা হবে না তাই কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।সব প্রাণি ভাল থাকবে ইনশাল্লাহ।

Please follow and like us:

About admin

Check Also

লেখক পরিচিতি

লেখক পরিচিতি ডা মোঃ সোহরাব হুসাইন ১৯৮৫ সালের ১০ই জুলাই নরসিংদী জেলার বেলাবো থানায় বটেশ্বর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »
error: Content is protected !!