Breaking News
সোনালী ব্রিডার
সোনালী ব্রিডার

সোনালী ব্রিডার লাভ লস বিস্তারিত( ২২০০ ব্রিডার )

২২০০ মোরগ মুরগির জন্য

সেডের মাপ

দৈর্ঘ্য ১৭০ ফুট,প্রস্থ ২৪ ফুটঃ৪০৮০ বর্গফুট
উচ্চতা ৮.৫ -১০ফুট.

সেডের খরচ

১. পিলার ৬৪টি ৫৪০০০ টাকা
২.মাটিকাটা ২০০০০ টাকা
৩. এংগেল ২৪০০কেজি ১৩২০০০টাকা
৪.স্কু,রড ১২০০০ টাকা
৫.টিন ১৫৪০০০টা
৬.ইট (২২০০০) ১৭০০০০টা
৭.বালি ১৬গাড়ি ২৮০০০ টা
৮.সিমেন্ট ১৮০ব্যাগ ৭০০০০টা
৯.পাইপ,মটর,সেটিং ২৮০০০টা
১০ রাজমিস্ত্রি ৮০০০০টা
১১.নেট ৯০০০০টা(ফুল নেট,উপর থেকে নিচ পর্যন্ত)
১ পর্দা ১৮০০০টা
১৩.টিন মজুরী ৪৮০০টা
১৪.ব্রডার,খাবার,পানির পাত্র ৪০০০০টা
১৫.বালব,তার,সুইচ+সেটিং ২০০০০টা
১৬.টিউব ওয়েল,বালতি,মগ ৭০০০টা
১৭.রং,তারপিন,তালা ১৫০০০টা
১৮.জেনারেটর ২৫০০০টা(অনেকে জেনারেটর ব্যবহার করেনা ৯০% খামারী)
২০.স্টোর,কর্মচারী রোম। ৭০০০০টা(নিজে পালন করলে লাগবে না)
২১.ফ্যান। ৪০০০০টা
২২.ওয়েট মেশিন ২৫০০(আধিকাংশ ফার্মে নেই)
২৩.স্পে মেশিন। ২০০০(আধিকাংশ ফার্মে নেই)
৩৪.ট্রে ৩৫০০ টাকা

মোটঃ ১০লাখ ৮৫ হাজার ৮০০ শ টাকা

এখানে মোটা কালো কালির পয়েন্ট গুলো সেডের খরচ থেকে  বাদ দিলে হবে
মোট। ৯,০২,৮০০টাকা.

নোট: কেউ ইচ্ছে করলে ৬-৭ লাখ টাকায় করতে পারবে আবার বেশি দিয়েও করতে পারে.

## ## ##
  পালন খরচ ২১ সপ্তাহ পযন্ত(৫০% ডিম).(২০০০ মুরগি)

১ বাচ্চা ৭০০০০টাকা( এখানে ৩৫ টাকা রেট দেখানো হয়েছে,রেট বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম)

২ মেডিসিন ৭০০০০টা
৩.টিকা ৮০০০০টা
৪.কর্মচারী বেতন( 2জন) ৭০০০০টা
৫.পেট্রোল৭৫০০টা
৬.বিদ্যৎ বিল। ৪০০০টা

৭.তুষ ৭০০০টা
৮.ভ্যান ভাড়া ৪০০০টা
৯.খাবার ৩৬০বস্তা ৬১২০০০টা

মোট। ৮,৫৪,৫০০টা.

নোট: কেউ ইচ্ছে করলে ৮ লাখেও করতে পারবে

মোট খরচ ৯০২৮০০+৮৫৪৫০০ঃ১৭৫৭৩০০

২০০০ মুরগির দিনে লাভ কত:

প্রডাকশন ৭০ সপ্তাহ পর্যন্ত ৫৫ ধরে কারণ প্রথম দিকে ৩০-৫০ সপ্তাহ পর্যন্ত ৬৫ থাকে

গড়ে ৫৫% ডিম মানে ১১০০ ডিম, রেট গড়ে ১৩ হলে মোট :১৪৩০০টাকা
বস্তা বিক্রি দিনে ৫ টি*১০:৫০টাকা

তাহলে  দিনে লাভ  ১৪৩৫০ টাকা

বাচ্চার রেট যদি কম থাকে তাহলে যারা শুধু হ্যাচিং ডিম বিক্রি করে তারা মহা বিপদে পড়ে যায় কারণ হ্যাচিং ডিম কেউ কিনে না এমন কি কমার্শিয়াল ডিম হিসাবে ও বিক্রি করা যায় না কারণ এই ডিমের কালার দেশি মুরগির ডিমের মত সাদা এবং ছোট হয় না হয় না আবার ফার্মের মুরগির ডিমের মত বাদামী হয় না।

তাই শুধু হ্যাচিং ডিমের জন্য সোনালী ব্রিডার করা রিক্স বেশি।করলে হ্যাচারী সহ করা ভাল।

খরচ:

কর্মচারী মাসে ১০০০০ দিনে ৩৩০টাকা
মেডিসিন ( টিকা,কৃমি,ওষধ) মাসে
১০০০০,দিনে ৩৩০
বিদ্যুৎ মাসে ১৫০০,দিনে ৫০
খাবার ৫ বস্তা*১৬৫০:৮২৫০

টোটাল দিনে খরচ ৮৯৬০ টাকা.

অতএব দিনে লাভ ১৪৩৫০-৮৯৬০:৫৩৪০ টাকা.

৭৫ সপ্তাহে হয় ৪৫সপ্তাহ*৭:৩১৫ দিন(৭০-২৫ঃ৪৫সপ্তাহের ডিম হিসেব করতে হবে।১ম ২৫ সপ্তাহ আর পরের ৫ সপ্তাহ বাদ দিয়েছি)
৩১৫ দিন মানে ১ ব্যাচে  লাভ ৩১৫*৫৩৪০:১্‌৬,৮২,১০০

মুরগি বিক্রি সময়-২০০০(২০০ মুরগি মৃত ধরা হয়েছে) বাদামি  মুরগি৩০০ টাকা ধরে ২০০০ * ৩০০:৬ লাখ ( রিজেক্ট মুরগির দাম ৩০০-৪০০টাকার মত থাকে)

গ্রান্ড টোটাল লাভ: ১৬ লাখ ৮২ হাজার ১০০টাকা+৬ লাখ ঃ ২২ লাখ ৮২ হাজার ১০০টাকা

১ ব্যাচে লাভ ২২৮২১০০-১৭৫৭৩০০ঃ, ৫,২৪,০০০টাকা

পরবর্তী ব্যাচে স্থায়ী খরচ লাগবে না মানে ১৬ লাখ ৮২ হাজার ১০০ টাকাই লাভে থাকবে।

মুরগি যদি বেশি দিন ডিম দেয় তাহলে লাভ একটু বেশি হবে।

হ্যাচিং ডিমের রেট ৭-১৫টাকার মত থাকে।

হ্যাচিং % ৮৫-৯২

হাচিং লস  প্রায় ১০%।

প্রডাকশন শুরু করে ১৮-১৯ সপ্তাহে

পিক প্রডাকশন শুরু করে ২৮-২৯ সপ্তাহে এবং পি প্রডাকশন ৭০-৭৫।

২৫ সপ্তাহের আগের ডিম দেশি মুরগির ডিম হিসেবে ১০টাকা করে বিক্রি করা যায়।

বুঝে শুনে করলে পিক প্রডাকশন  ৭৫% ।না বুঝে করলে ৬৫%।

হ্যাচিং ডিম নেয়া যায় ২৬ সপ্তাহ থেকে(বেচে বেচে বড় ডিম)

সব ডিম নেয়া যায় ৩২ সপ্তাহ থেকে।

প্রতি ডিমের খরচ পড়ে ১০টাকা( ভাড়া ও বক্স ২ টাকাফোটানো ৩টাকা)

ডিম কিনে ফোটালে প্রতি বাচ্চায় লাভ (ডিম ১৩টাকা +খরচ ১০টাকাঃ২৩টাকা ,বাচ্চা বিক্রি ৩০টাকা) ৭টাকা

মার্কেটিং লোক পায় বাচ্চা  প্রতি  ১টাকা।যদি মালিক কাউকে দিয়ে বাচ্চা বিক্রি করতে চায়।

৩ ভাবে বাচ্চা বিক্রি করা যায়

সরাসরি হ্যাচিং ডিম বিক্রি

অন্যের হ্যাচারীতে ডিম ফোটিয়ে বাচ্চা নিজে বিক্রি

নিজের হ্যাচারীতে নিজের ও অন্যের ডিম ফোটিয়ে বাচ্চা বিক্রি।

বাচ্চা নিজে বা কেউ কেউ মার্কেটিং লোক দিয়ে বাচ্চা বিক্রি করে।

 .কেন লস হয়
১. ব্যবস্থাপনা ভাল না হলে
২. বাচ্চার  রেট ১৫ টাকার নিচে হলে এবং প্রডাকশন খারাপ হলে
৩. রোগ বালাই হলে( আই বি,ই ডি এস,টাইফয়েড ,পেথোজেনিক রানিক্ষত,এ আই,কলের।এসব রোগের কারণে হাজার হাজার খামারী ধ্বংস হয়ে গেছে।২০০০ লেয়ার প্রডাকশনে আনতে যে ৯-১০ লাখ খরচ হয়েছে তা  কয়েক দিনে শেষ হয়ে যেতে পারে)

তাই লাভের দিকে না তাকিয়ে লসের দিকে ও তাকাতে হবে।

তাছাড়া অনেক সময় মুরগি রোগে আক্রান্ত হবার পর ডিম কমে ৫০-৬০% চলে আসে  এবং হ্যাচিং% কমে যায়।
৪. রোগ বালাই দমন করতে না পারলে
৫. ঘর ঠিক ভাবে তৈরি না করলে
৬. বর্ষা, শীত এবং গীষ্মকালে সঠিক ব্যবস্থাপনা না থাকেল.
৭. দক্ষতা না থাকলে
৮. ভাল কর্মচারী না থাকলে
১০. দক্ষ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া  কোয়াক দিয়ে ফার্ম পরিচালনা করলে.
১১. বাচ্চার রেট কম থাকলে, বাচ্চার রেট ১০ -৩৫ টাকার মধ্যে থাকে  ।
১২.খাবারের দাম বেশি এবং দাম উঠানামা করে
১৩. মুক্তবাজারনীতি মানে দামের উপর সরকারের কোন নজর নেই যে যার মত করে খাবার এবং বাচ্চার দাম বাড়ায়. তাই লসের সম্বাবনা থাকে
.১৪. আল্লাহ যদি না চায়.

সব ঠিক থাকলে লাভ অনেক, আবার ২০০০ মুরগিতে ৫-১০ লাখ টাকা লস ও হতে পারে.তাই জেনে শুনে বুঝে দক্ষ ডাক্তারের পরামর্শে ফার্ম করা উচিত.

এখানে লাভ এবং লসের গ্যাপ্টা অনেক বেশি.

খাবার এবং পানির পাত্র ও জায়গা( বয়স অনুসারে) লেয়ার মুরগি, (লিটারে)

বয়স ১ -৬ সাপ্তাহ
পানির পাত্র১টি ৫০ টির জন্য( ১ম সপ্তাহে ১০০জন্যর ১টা খাবার ও পানির পাত্র দিলেই হয়)
খাবার পাত্র ১ টি ৫০টির জন্য
জায়গা ০.৬ বগ’ফুট প্রতি মুরগির জন্য

৭- ১৮ সপ্তাহ
পানির পাত্র ১টি ৪০ টির জন্য
খাবার পাত্র ১টি ৩০ টির জন্য
জায়গা ১.৫ বর্গফুট প্রতি মুরগির জন্য
১৯ -১০০ সাপ্তাহ
জায়গা ২ ফুট ( বাদামি মুরগি) প্রতি মুরগির জন্য,
পানির পাত্র ১ টি ২৫-৩০ টির জন্য
খাবার পাত্র ১ টি ১৫ -২০টার জন্য

(সব কিছু পরিবরতনশীল)

ব্রুডিং,ব্রুডিং এর উদ্দেশ্য,ভাল বাচ্চার বৈশিষ্ট্য, সুস্থ বাচ্চা কি করে,বাচ্চার টিপস,দেখুন বিস্তারিত.

ব্রুডিং:

কৃত্রিম বা প্রাকৃতিকভাবে বাচ্চা মুরগির তাপায়ন,বাতাস চলাচল,খাবার,পানি এবং সর্বোপরি ভালো আরামদায়ক অবস্থার নামই ব্রুডিং.

সাধারণত ১-৪ সপ্তাহ পর্যন্ত বাচ্চার ব্রুডিং করা হয়.বাচ্চা অবস্থায় মুরগি তাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনা কারণ তাপ নিয়ন্ত্রণকারী অংগ গুলি পরিপূরণতা পায়না. মূলত ব্রুডিং কতদিন তা নির্ভর করে বাচ্চার ঘাড়ের পালকের রং দেখে, বাচ্চার পালকের হলুদ রং যতদিন না সাদা হয় ততদিন ব্রুডিং করতে হয়.

বাচ্চা মুরগির তাপমাত্রা ১০৩’ এবং বয়স্ক মুরগির তাপমাত্রা ১০৬’ ফারেনহাইট.

ব্রুডিং ঘরে লিটারের তাপমাত্রা ২৯-৩১’ সেন্টিগেট এবং আর্দ্রতা২০-২৫%.

লিটারের উচ্চতা তুষ হলে ৩-৪”(শীতে)
কাঠের গুড়া ২”(শীতে)

ব্রুডারের তাপমাত্রা

১ম সপ্তাহ ৯৫’ ফারেনহাইট
২য়        ৯০’
৩য়        ৮৫
৪থ       ৮০
৫ম       ৭৫
৬ম        ৭০’

আপেক্ষিক আর্দ্রতা
১ম সপ্তাহ -৩ সপ্তাহ ৫৫-৬০%
৩-৪ সপ্তাহ ৬০-৬৫%
৪-৫ সপ্তাহ ৬৫-৭০%

ব্রুডিং এর উপকরণ(৫০০ মুরগি)

১.চিকগাড:
বাচ্চা যাতে নিদ্ধিষ্ট জায়গায় আবদ্ধ থাকে এবং উপযুক্ত পরিবেশ পায়.

লম্বা ৩০-৩৫ ফুট,ব্যাস ১০-১২ফুট,
উচ্চতা গরমের সময় ১.৫ফূট,শীতের সময় ২.৫ ফুট,ক্ষেত্রফল ১১৩ বর্গফুট,প্রতি বাচ্চার জায়গা ০.২১৮ বর্গফুট (১ম সপ্তাহ).
৭দিন পর দিগুণ জায়গা
৭-১০দিন পর চিকগাড তুলে দেয়া যায়.

১৪দিন পর তিনগুণ,
২১-৫৭ তম দিন ০.৭৫ বর্গফুট প্রতি বাচ্চার জন্য,
৫৭দিন থেকে ১২সপ্তাহ :১বর্গফুট প্রতি মুরগির জন্য,
১২-১৬ সপ্তাহ ১.৫বর্গফুট,

ডিপ লিটার হলে ১.৮,

এবং মাচায় হলে ১.৫-১.৭ বরগবর্গফুট.

ব্রুডার  চিকথেকে ২.৫-৩ ফুট দূরে চাটাই,তারের জাল বা হাডবোড দিয়ে চিকগার্ডদেয়া হয়.

২.হোবার : তাপ যাতে উপরের দিকে না যায়
ব্যাস ৫ ফিট

৩.লিটার

৪।ব্রুডার :মুরগির ঘরের তাপের উৎসকে ব্রুডার বলে.

বৈদ্যতিক হিটার,বালব,কেরোসিন বাতি এবং গ্যাস ব্রুডার,ইনফ্রারেড বাল্ব দিয়ে ব্রুডিং করা হয়.

গ্যাস ব্রুডার দিয়ে ১০০০ মুরগি এক সাথে ব্রুডিং করা যায়.

৫.বালব:
গরমের সময় প্রতি মুরগির জন্য ২-৩ ওয়াট
কিন্তু শীতের সময় দুই থেকে তিন গুন লাগতে পারে,আবহাওয়ার উপর নিরভর করবে.
৬.খাবার পাত্র:
প্রতি বাচ্চার জন্য ৫০গ্রাম খাবার দেয়া উচিত প্রথম ২-৩ দিন যাতে সহযেই খাবার পেতে পারে.
বাচ্চার ওজনের ২০-২৫% খাবার খাবে.

পানি খাবে ওজনের ৪০-৫০গ্রাম.

এবং ৭দিনে ওজন হবে ১মদিনের ওজনের ৪-৫ গুন ।

মৃত্যহার ১ম সপ্তাহে ১% বেশি হবেনা
১তম সপ্তাহে এবং ২য় সপ্তাহে ১.৫% এর বেশি হবেনা.

প্রথম ১- ২ দিন কাগজের উপর খাবার দেয়া হয়.
৩০ ইঞ্চি লম্বা ১ টি পাত্র ৩০-৫০টি বাচ্চার জন্য.
বাচ্চা আনার পর ২-৩ ঘন্টা পানি দেয়ার পর খাবার দিতে হবে আর যদি কাছা কাছি হ্যাচারী থেকে আসে তাহলে এক সাথে কাবার পানি দেয়া যায়।

খাবার হিসেবে লেয়ার স্টাটার বা চিকব্রুস্ট বা ভুট্টার দানা বা সুজি দেয়া যায়.

ভুট্টার দানা দেয়ার নিয়ম হল

১ম দিন ১০০%
২য় দিন ৫০% দানা ৫০% লেয়ার স্টাটার বা প্রিস্টাটার
৩য় দিন ২৫% দানা ৭৫% লেয়ার স্টাটারবা প্রিস্টাটার
৪থ দিন থেকে লেয়ার স্টাটারবা প্রিস্টাটার.

অধিকংশ লোক লেয়ার স্টাটার খাওয়ায়
.
অনেকে ব্রয়লার স্টাটার খাওয়ায় তারপর লেয়ার স্টাটার খাওয়ায়.তবে ৭ দিনের বেশি ব্রয়লার খাবার খাওয়ানো ঠিক না।

কোন কোন কোম্পানির প্রিস্টাটার আছে.

এটা ও চলে.

৭.পানির পাত্র:
১ম ২৪ঘন্টায় প্রতি মুরগি ২৪ এম এল পানি পান করা উচিত.

২লিটার ধারণ ক্ষমতা ১টি পাত্র ৪০-৫০টি বাচ্চার জন্য
১ম সপ্তাহে
৫০গ্রাম চিনিবা গুড় প্রতি লিটার পানিতে ১ম দিন,
২য় দিন থেকে ১০গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে ৫ দিন.
পানিতে ১ দিন প্রবায়োটিক দেয়া উচিত.

ভিটামিন সি ১গ্রাম ৩লিটার পানিতে ৫দিন

স্যালাইন ২ দিন

এন্টিবায়োটিক লাগলে ১দিন পর থেকে দেয়া যায়.

ক.তাপমাত্রা
ফ্লোর শুকনা হতে হবে কারণ বাচ্চাদের অনেক তাপ বের হয়ে যায় যদি ভিজা ফ্লোর থাকে.
বাচ্চার শরীরে ডাউন ফেদার থাকে যা বাচ্চার তাপ ধরে রাখতে পারেনা.

র‍্যাডিয়েশন এবং কনডাকশনের মাধ্যমে তাপ বের যায়.
বাচ্চা আসার ১দিন আগে ব্রুডার জালিয়ে ঘরের তাপমাত্রা ৩০’ সেন্টিগেট করে রাখতে হবে.
কতক্ষণ আগে ব্রুডার জালাতে হবে তা নির্ভর করে এরিয়া,বাহিরের তাপমাত্রা এবং সিজনের উপর.

২৪ ঘন্টায় বাচ্চা প্রায় ১-২ গ্রাম ময়েশচার হারায় যা কুসুমের মধ্যে থাকে.

ঠান্ডায় বাচ্চারা জড়াজড়ি করে বা খাবার থেকে তৈরিকৃত তাপ দিয়ে শরীরের তাপ বজায় রাখে.

ফলে এফ সি আর কমে যায়.

আবার অতিরিক্ত গরমে বাচ্চা হাপায় এবং কম খায়,ফলে ৫-১০গ্রাম ময়েশচার হারায় প্রায় ২৪ ঘন্টায় এবং ডিহাইড্রেশন হয়.

উপযুক্ত তাপমাত্রায় ভাল ইমোনিটি এবং ভাল স্বাস্থ্য হয়।

কম তাপমাত্রায় রোগের প্রতি সেনসিটিভ হয় এবং ইমুনিটি ভাল হয়না
কেয়ারটাকারের জন্য যে তাপমাত্রা বেশি মনে হয় সেই তাপমাত্রাই বাচ্চা মুরগির জন্য ভাল.

খ.বিশুদ্ধ বায়ু
ভ্যান্টলেশন ভাল থাকলে তাপ সব জায়গায় সমান ভাবে থাকে এবং গ্যাস বের হয়ে যায়.

অক্সিজেনের  পরিমাণ ১৯.৫%

Co2 3000 পিপিএম এর কম

co এবং এমোনিয়া ১০ পিপিএম এর কম
ডাস্ট ৩.৪এম জি পার ঘন মিটার.

স্বাভাবিক co2 ৪০০ পিপিএম.

কার্বনডাই অক্সাইড বেশি হলে বাচ্চা দেয়ালের পাশে চলে যায়.

কারণ সেখানে অক্সিজেন বেশি.
এমোনিয়া ২০পিপিএম এর বেশি হলে মানুষ বুঝতে পারে কিন্তু মুরগির জন্য ১০পিপিএম ই ক্ষতিকর.
এগুলোর সাথে জীবাণূ চলে আসে ফলে সি আর ডির জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়.

আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৭০% হলে ডিহাইডেশন রোধ হয় এবং শ্বাস তন্ত্র ভাল থাকে,রোগজীবাণূ আক্রমণ করতে পারেনা.

ভাল মুরগির বাচ্চার বৈশিষ্ট্য:

১.গড় ওজন ৩৩-৩৬গ্রাম (লেয়ার) ৩৮-৪০(ব্রয়লার)

২.লম্বা ১৭.৫ সে.মি

৩.ওজন এবং আকৃতিতে সমান হবে

৪.তরতরে,ঝরঝরে এবং শুষ্ক হবে

৫.কিচিরমিচির শব্দ করবে

৬.নাভীর চারিপাশ শুষ্ক এবং ডাউন ফেদারবিহীন হবে না.মানে পশম থাকবে

৭.ডাউনফেদার শুষ্ক, নরম এবং সমস্ত শরীরকে ডেকে রাখবে.

৮.বাচ্চার আচরণ হবে সতর্কমূলক এবং শব্দের প্রতি সংবেদনশীল

৯.পা এবং ঠোট কোকড়ানো এবং বাকা হবেনা

১০.পায়ুপথ শুকনা হবে

১১.হক জয়েন্ট ফোলা বা লাল হবেনা কিন্তু হলুদ হবে

১২.পায়ের অনাবৃত অংশ সচ্ছ এবং চকচকে হবে

১৩.প্রথম সপ্তাহে মৃত্যহার ১% বেশী হবে না এবং দ্বিতীয় সপ্তাহে তা ১.৫% এর বেশী হবেনা.

ব্রুডিং এর উদ্দেশ্য:

১.শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা

২.তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ  কেন্দ্রের বৃদ্ধি ঘটানো

৩.দ্রুত কুসুম শুকানোর জন্য

৪.ঠান্ডা,গরম,বৃষ্টি ও প্রতিকুল আবহাওয়া ইত্যাদি থেকে বাচ্চাকে করার জন্য.

৫.সঠিক সময়ে সঠিক শারীরিক বৃদ্ধি গঠনের জন্য

৬.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে.

৭.ভ্যাক্সিনের প্রতি  পূর্ণ সাড়া প্রদানের জন্য

৮.ওজনের সমতা আনার জন্য

৯.অস্বাভাবিক মৃত্যহার রোধ করার জন্য.

ফার্মে মুরগির বাচ্চা কি করে:

# ২০% বাচ্চা খাবার খাবে

#২০% পানি খাবে

#২০% খেলা করবে

# ২০% বিশ্রাম করবে

#২০% কিচিরমিচির করবে

* সব জায়গায় ছড়ানু ছিটানু থাকবে*

বাচ্চা প্রতি ২৪ ঘন্টায় ২ গ্রাম করে ওজন কমতে থাকে,গরমকাল হলে পরিবহণের  জন্য আরো বেশি কমতে পারে মানে হ্যাচারিতে ওজন ৪০গ্রাম হলে ২৪ ঘন্টা পর বাচ্চা আসলে ওজন হবে ৩৮ গ্রাম.

একটি সোনালীর আত্নজীবনী:

# ২০ সপ্তাহ পর্যন্ত খায় ৮ কেজি

#৮০ সপ্তাহ পর্যন্ত খায় ৫০কেজি

#প্রায় ১৫ কেজি ডিম পাড়ে ৮০ সপ্তাহ পযন্ত. (৩৫০-৩৬০ টি)

#দৈহিক ওজনের ৭ গুন.

# ১১০গ্রাম খাবার খেয়ে ৫৫ গ্রাম ওজনের ডিম পাড়ে.

# খাবারের ৩০-৪০% মাংস এবং ডিম তৈরিতে ব্যবহিত হয়.

#দৈনিক গ্রোয়িং পিরিয়ডে প্রোটিন লাগে প্রায় ৩গ্রাম  কিন্তু ডিম পাড়া অবস্থায় লাগে প্রায় ১৭ গ্রাম.

# গড়ে দৈনিক ওজন বাড়ে ১০ গ্রাম করে.

#প্রোটিন এবং ক্যালরির অনুপাত ১:১৭৫।

সোনালী  মুরগি:

১.ডিম পাড়া অবস্থায় খাবার হজম হতে সময় লাগে প্রায় ২.৫ ঘন্টা.
২.গ্রোয়িং পিরিয়ডে লাগে প্রায় ১০-১২ ঘন্টা.

#মুরগি দিনে প্রায় ১০০-১০৫ গ্রাম বিস্টা (feces) বের করে দেয়.
.

২০০ হলো পুরুষ(মেল)

শট কাট হিসেব

 

লাভ ঃ

যদি ডিম বিক্রি করি

প্রতি ডিম এখন ১৫টাকা

যদি বাচ্চা ফোটায় প্রতি বাচ্চা ৩০-৩২টাকা

ডিম ফোটাতে খরচ  প্রতি ডিম ২-৩টাকা

প্রডাকশন খরচ ৫টাকা

ডিমের পিক  প্রডাকশন ৭০-৭৫% যারা ভাল বুঝে শুনে পালন করে।

৭০-৭৫ সপ্তাহ পর্যন্ত লাভ জনক ডিম পাড়ে মানে ৫০% ।

বাচ্চার দাম ২৫টাকার বেশি হলে ৪০% ডিম পাড়লেও লাভ হবে।

সোনালী ব্রিডারের ভবিষ্যৎ কেমন ?

এর ভবিষ্যৎ ভাল কারণ

এখানে বড় বিনিয়োগ এখনো কেউ করে নাই।

সবই ছোট ছোট হ্যাচারী বা খামারী লেভেলের ফার্ম ।

ব্রয়লার নিয়ে অপপ্রচারের কারণে মানুষ আগের মত ব্রয়লার খায় না( যদিও ভুল তথ্য দিয়ে অপ প্রচার চালানো হয়েছে)

সোনালী মুরগি সবাই পছন্দ করে

দেশী মুরগির মত মনে হয়।

দিন দিন সোনালীর প্রতি সবার আগ্রহ বেড়ে যাচ্ছে।

সোনালী ব্রিডার করতে কি কি সমস্যা বা বাঁধা 

রিক্স লেয়ারের মত ই তবে মেরেক্স বেশি হয়।

ভাল মানের ব্রিডারের বাচ্চা  পাওয়া যায় না।

এর ব্যবস্থপনা সম্পর্কে সবার ধারণা নেই

ইনব্রিডিং বা আন্ত প্রজনন সমস্যা।

ভাল ফিড ফরমুলেশনের অভাব

টিকার সিডিউল

দিন                          টিকা
১ম দিন                মেরেক্স***(লাইভ ইঞ্জেকশন))

হ্যাচারীতে দিতে হয়।

৩-৫ম দিন             আই বি +এন ডি***

৬-৮ তমদিন         এন ডি + আইবিডি**(মৃত)

১০-১২ দিন        আইবিডি***

১৩তম দিন            মেরেক্সস**(লাইভ)

১৭-১৯তম দিন    আই বি ডি***

২৫-২৭তম দন      এন ডি + আইবি***

৪-৫ সপ্তাহ            পক্স**

৪২-৪৫ তমদিন        করাইজা**(মৃত)

৪৯-৫০দিন           টাইফয়েড  (লাইভ,কিল্ড)

৫২-৫৫তম দিন।        কলেরা( মৃত)

৬০-৬৫তম দিন          আই বি + এন ডি ***

৭০-৭৫তম দিন।              পক্স*

প্রচলিত না।

৭৭-৮০তম দিন।        করাইজা*( মৃত)

৯০-৯৫তম দিন।            কলেরা(মৃত)

১০০তম দিন             টাইফয়েড

১৫-১৬ সপ্তাহ।                আই বি +এন ডি +ই ডি এস(মৃত)*** সাথে এন ডি লাইভ

 

সোনালি ব্রিডারের ফিড ফরমোলেশন

প্রডাকশন মুরগির জন্য ১০০ কেজি খাবার

ভুট্রা                        ৪০-৬০ কেজি
গম                     ১৫-২০ কেজি
সয়াবিন মিল        ১৮-২৫কেজি
প্রোটিন কনসেন্ট   ৬-৮কেজি
রাইচ পোলিশ    ৮-১৫কেজি
লাইম স্টোন।     ৮-১০ কেজি
ভিটা-মিনা প্রিমিক্স ২০০-৩০০ গ্রাম
মেথিওনিন           ১০০-২০০গ্রাম
লাইসিন                ৮০-১৫০ গ্রাম
ক্লোলিন ক্লোরাইড   ৬০% ৭৫-১৫০ গ্রাম
লবন                   ৪০০-৬০০ গ্রাম
ডি সি পি               ৬০০-৮০০ গ্রাম
সালমোনেলা ইনহিবিটর ১০০-৪০০ গ্রাম
টক্সিন বাইন্ডার        ১০০-৪০০ গ্রাম
ফাইটেজ ৬০০        ৭৫-১০০ গ্রাম
মাল্টি এনজাইম        ৭৫-১৫০ গ্রাম
ইমোনোপাউডার        ২০০ গ্রাম
বাইওজাইম ভেট        ৭৫-১০০ গ্রাম

খাবার হিসেবে লেয়ার খাবার দিলেই হবে।

প্রি স্টাস্টার, স্টাস্টার , গ্রোয়ার ,প্রিলেয়ার,লেয়ার ১, লেয়ার ২।

ইঙ্কোশান লেভেল

এনার্জিঃ

ভুট্রা ৬০%

পালিশ ২৫

পালিশ ডি ওয়েল ১০-২০%

এনিমেল ও ভেজিটেবল  তেল ১০%

প্রোটিন%

সয়াবিন উদ্ভিজ প্রোটিন ৩০

ফিস্মিল এনিমেল  প্রোটিন১০%

মিট ও বোন মিল ১০%

 

 

 

 

 

 

Please follow and like us:

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Translate »
error: Content is protected !!