Breaking News

ব্রয়লা্র এবং লেয়ারের লেমনেসের (খোড়ানোর)কারণ বিস্তারিত

ব্রয়লা্র এবং লেয়ারের লেমনেসের (খোড়ানোর)কারণ বিস্তারিত

ব্রয়লারের খোড়ানোর কারণ ৭টি।

নিচে আলোচনা করা হলো

১।ব্যবস্থাপনা;

ভেজা ও কেক লিটার হলে ফুট প্যাড লেশন হ্য় এবং স্ট্যাফাইলোকক্কসাস ইনফেকশন হয়।ব্রুডিং এ কম তাপমাত্রা

আর্দ্রতা ও তাপ যদি সঠিক না হয় তাহলে কম খাবে,কম ক্যালসিয়াম পাবে ফলে  লেমনেস হবে।সসৃণ জায়গায় যদি বাচ্চা ছাড়া হয় তাহলে হতে পারে,(spraddle leg problem)।

ব্রুডিং এ বাচ্চা যদি বেশি ঘন হয় তাহলে বাচ্চা খাবার,পানির জন্য প্রতিযোগিতা করবে এবং স্টেস পড়বে এবং হক ডিজ অর্ডার(Hock disorder) হবে এবং প্যারালাইসি হবে।

২।খাবার

মাইকোটক্সিন ও ব্যাক্টেরিয়াযুক্ত খাবার।ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের  (এম সি পি ও ডি সি পি) এর উৎস যদি ভাল না হয়।

ডি সি পি প্রাণিজ উৎস হলে ক্লোস্টিডিয়া,ব্যাসিলাস ও ই- কলাই থাকতে পারে।রক সোর্স থেকে ফ্লোরিন টক্সিসিট হতে পা্রে।

১৫ দিন হাই এনার্জি ও প্রোটিনযুক্ত খাবার দিতে হবে তারপর লো এনার্জি ও প্রোটিনযুক্ত খাবার দিতে হবে।সব সময় যদি হাই এনার্জি ও প্রোটিন যুক্ত খাবার দেয়া হয় ।

খাবারের মাধ্যমে যদি বটুলিজম এর টক্সিসিটি হয় তাহলে প্যারালাইসি হবে।

 ৩।ডিজিজ(রোগ)

রিও ভাইরাস।চিকেন ইনফেকশাস এনিমিয়া

মাইকোটক্সিন( মাইকোটক্সিন ডি২ হতে ডি৩ তৈরিতে বাধা দেয় ফলে Dyscondroplasia,chondronecrosis and osteomyelitis হয়)

স্ট্যাফাইলোকক্কাস ও স্টেপ্টোকক্কাস।ক্রনিক কক্সিডিওসিস

সাবক্লিনিকেল আই বি ডি।এভিয়ান এন্সেফালোমাইলাইটিস

মাইকোপ্লাজমোসিস,ফুট প্যাড লেশন।পুলোরাম

জীবানূ মুখ দিয়ে ইনটেস্টাইনে যায় তারপর জয়েন্টে যায় (স্টেফাইলোকক্কাস ও মাইকোপ্লাজমা সাইনোবি)

 ৪।পুস্টি

ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের রেশিও,ডি৩ ও ফসফরাসে্র রেশিও যদি ঠিকনা থাকে,ক্যালসিয়াম যদি ১ % এর বেশি হয়।ফাইটেজের কোয়ালিটি ও  মিক্সিং যদি ভাল না হয়।

ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এর ঘাটতি বিশেষ করে ব্রিডারে যদি ঘাটতি থাকে।ভিটামিনে ই এর অভাবে crazy chick diseases  হচ্ছে।প্যারালাইসিস হলে বাচ্চা খাবারে কাছে যেতে পারেনা ফলে মারা যাচ্ছে।

৫।জেনেটিক

দ্রুত বৃদ্ধি,গ্রোথ প্রেশার অফ ফিমার,টিবিয়া,মেটাটারসাল ও ভার্টিবেট।Genetic modification and selection that increase growth rate 200%(25-120 gram/day).This over weight causes unable to supportthe bodywt by leg.২৫০টা বাচ্চার মধ্যে ১টি বাচ্চা লেমনেস এটি স্বাভাবিক ।

৬।ব্রিডার

ব্রিডারে যদি এভিয়ান এন্সেফালোমায়েইটিস,ইনফেকশাস এনিমিয়া,রিও ও মাইকোপ্লাজমা সাইনোবির টিকা সঠিক ভাবে না দেয়।ব্রিডার মুরগির খাবারে যদি ভিটামিন ও মিনারেলের ঘাটতি হয় তাহলে বাচ্চাতে ঘাটতি দেখা যাবে এবং বাচ্চা প্যারালাইসিস হবে।

৭।হ্যাচারী

আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা যদি সঠিক না হয়,আর্দ্রতা যদি কম হয় তাহলে বাচ্চা খোসার সাথে লেগে থাকে এবং পরে প্যারালাইসি হয়।ইনকিউবেটরে তাপ যদি খুব বেশি হয় তাহলে লেমনেস হতে পারে।অক্সিজেনের ঘাটতি হলেও হতে পারে।স্ট্যাফাইলোকক্কাস ইনফেশন।হ্যাচারীতে ডিম যদি ৩-৭দিনের বেশি রাখা হয় তাহলে বাচ্চা প্যারালাইসিস হতে পারে বিশেষ করে সোনালী হ্যাচারীতে ডিমের পরিমাণ হলে বেশি দিন রেখে দেয় ফলে বাচ্চাতে প্যারালাইসি হয়।হ্যাচিং ডিমের কোয়ালিটি যদি ভাল না হয় বা ডিমের মান যদি নস্ট হয়ে যায় তাহলে প্যারালাইসি বাচ্চা হতে পারে।

৮।এন্টিবায়োটিক।গরম আবহাওয়ায় যদি ৫দিন এন্রোফ্লোক্সাসিলিন পানিতে দেয়া হয় তাহলে লেমনেস হতে পারে।গরম সিজনে পানি বেশি খাওয়ার কারণে ওভার দোজ হয়ে লেমনেস হতে পারে।

সমাধানঃ

কারণ গুলো দূর করতে হবে ।

পানিতে ক্যালসিয়াম ও ডি৩ বা এডি৩এ দিতে হবে।মাল্টি ভিটামিন দিতে হবে।

ইলেক্টোলাইট দিতে হবে।ভাল কোম্পানীর বাচ্চা নিতে হবে।

খাবার পাত্র ও পানির পাত্র এবং লিটার ভাল রাখতে হবে।

গরমের সময় ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে,মাল্টিভিটামিন দেয়া যায়।

ব্যালেন্স ফিড দিতে হবে।ব্রিডারে যাতে ভ্যক্সিন সিডিউল মেনে চলে।

এনরোফ্লক্সসিলিস এন্টিবায়োটিক দেয়া যাবে না,বা অন্য কোন এন্টিবায়োটিক প্রয়োজন না হলে দেয়া যাবে না।

লেয়ারে পা দূর্বল  এবং অবশ হবার কারণ

১।ভাইরাসের আক্রমণে খাবার শোষণ না হওয়া।ভাইরাস জনিত রোগঃরানিক্ষেত,এভিয়ান এনসেফালোমাইলাইটিস,মারেক্স,ভাইরাল আর্থাইটিস,বটুলিজম

২।মাইকোটক্সিকোসিস বিশেষ করে আলফাটক্সকোসিস

৩।ক্যালসিয়াম ও ডি৩ এর ঘাটতি

৪।খাবারে ফসফরাসের পরিমাণ বেশি হলে

৫।মাইকোপ্লজমোসিস

৬।স্টেফাইলোকক্কোসিস ও  ই -কলাই

৮।স্পাইরোকিটোসিস

৯।খাবারে এ ডি,বি১,বি২,নায়াসিন,নিকোটিনিক এসিড এর অভাব হলে

১০।ম্যাংগানিজ,জিংক,ক্যালসিয়াম,ফসফরাস,নায়াসিন,ফলিক এসিড,ক্লোলিন এর অভাব হলে

নোটঃ

আমাদের দেশে যখন ব্যাপক হারে দেখা দেয় তখন এটি আবহাওয়া,বাচ্চা,হ্যাচারী বা খাবার এর যে কোন একটি  জড়িত থাকার সম্বাবনা বেশি।একই খাবারে যদি অধিকাংশ ফার্মে দেখা দেয় তখন সেটাকে খাবারে সমস্যা মনে করা হয়।আবার যদি একই কোম্পানীর বাচ্চা অধিকাংশ ফার্মে দেখা দেয় তখন এটি বাচ্চার সমস্যা।আর যদি একই হ্যাচারীর বাচ্চা সব ফার্মে দেখা দেয় তখন হ্যাচারীর সমস্যা।আর যদি সব কোম্পানীর বাচ্চা এবং খাবারে  দেখা যায় তাহলে আবহাওয়া জড়িত থাকার সম্বাবনা(শীতের কারণে)

Please follow and like us:

About admin

Check Also

বাচ্চা মুরগিতে ১ম সপ্তাহে কেন রোগ কম হয়,২সপ্তাহের দিকে কেন বেশি হয়।

বাচ্চাতে ম্যাটার্নাল এম ডি এ নয়ে আসে যা প্রটেকশন দেয়।আবার ২ সপ্তাহে বা পরের দিকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Translate »
error: Content is protected !!