Breaking News
ইনফেকশাস এনিমিয়া
ইনফেকশাস এনিমিয়া

চিকেন ইনফেকশাস এনিমিয়া,এপিডিমিওলোজি,লক্ষণ,প্যাথোজেনেসিস,পোস্টমর্টেম,প্রতিরোধ।

এপিডিমিওলোজিঃ

একে বিভিন্ন নামে ডাকা হয় এবং সারা পৃথিবীতে দেখা যায়।

ব্লু উয়িং ডিজিজ,এনিমিয়া ডার্মাটাইটিস সিনড্রম,হেমোরেজিক এপ্লাস্টিক এনিমিয়া সিনড্রম ।১৯৭৯ সালে জাপানে প্রথম আইসোলেট করা হয়।

এজেন্টঃ

ফ্যামিলি সারকোভিরিডি,জেনাস গ্রাইরোভাইরাস।এটি পরিবেশের প্রতি খুব রেজিস্ট্যান্ট যা পি এইচ ৩ এবং ক্লোরোফর্মে বেঁচে থাকে।৭০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট তাপমাত্রায় ১ঘন্টা বেচে থাকে ও ৮০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ৫ মিনিচ বাঁচে।এটি লিপিড সলভেন্ট,কোয়াটারনারী এমোনিয়াম কম্পাউন্ড,অরথোডাইক্লোরু বেঞ্জিন এর প্রতিও রেজিস্ট্যান্ট।এটি সিংগেল স্ট্যান্ডেড  ননডেভেলপ ডি এন এ ভাইরাস।

হোস্টঃ

এটি ব্রয়লারে হয়।বিভিন্ন বয়সে হয় তবে ক্লিনিকেল লক্ষণ ১-২ সপ্তাহে দেখা যায়।চিকেন হল ন্যাচারাল হোস্ট যা ৩ সপ্তাহের নিচে হয়।ইনকিউবেশন পিরিয়ড ৭ দিন।এন্টিবডি নেগেটিভ  বাচ্চায় বেশি হয়।এই রোগ হলে মেরেক্স ও আই বি ডি টিকা কাজ করেনা।মর্বিডিটি ভেরিএবল।মর্টালিটি ৬-১০%,তবে ৭০% হতে পারে।

ক্লিনিকেল লক্ষণ নির্ভর করেঃম্যাটারনাল এন্টিবডি,অন্য রোগ(মেরেক্স,আই বি ডি,রিও ভাইরাস,আই বি),বয়স,ভাইরাসের পরিমাণের উপর।

লক্ষণ প্রকাশের ৩-৬ সপ্তাহের পর জীবানূ ছড়াতে থাকে।এর টার্গেট জায়গা হলো থাইমাস যা টি লিম্পোসাইটের ম্যাচুরেশনে বাধা দেয় ফলে ইমোনটি নষ্ট হয়ে যায়।এতে ব্রয়লারের পারফরমেন্স খারাপ হয় এবং মুরগি মারা যায়।সেকেন্ডারি ইনফেকশন হয়।ব্রিডার থেকে বাচ্চাতে রোগ চলে আসে।

কিভাবে ছড়ায়ঃ

হরিজোন্টাল ( পাখি থেকে পাখিতে ছড়ায়।)ভার্টিকেল ( ব্রিডার থেকে ডিমের মাধ্যমে বাচ্চাতে আসে)

প্যাথোজেনেসিসঃ

Anaemia is due to interfere with production of haemopoietic cell in bonemarrow and due to destruction of thymic cortical lymphocytes,which are necessary for the production of erythrocytic cells in bonemarrow.

লক্ষণঃ

হেমাটোক্রিট ভ্যালো কমে  ৬-২৭% হয়  (নরমাল হল ৩৫%)।১২-১৭ দিনে লক্ষণ ভাল বুঝা যায়।চিকেন এনোরেক্টিক,লেথারজিক হয়।(এনিমিয়া ও দুর্বল )রক্ত পাতলা হয়ে যায় এবং সহজে জমাট বাধেনা।

পোস্ট মর্টেমঃ

৫-৬ দিন ধরে মারা যায় তারপর স্বাভাবিক হয়ে যায়।পাখার চামড়ায় একাইমোটিক হেমোরেজ হয়।বার্সা ছোট হয়ে যায়।লিভার বড় হয় সাথে সেকেন্ডারি ইনফেকশন।বোন ম্যারো পেল বা হলুদ হয়।চামড়ার নিচে,মাংসে বা অন্য কোন অংগে রক্ত পাওয়া যায়,সেরোসেংগোনাস এক্সোডেট বের হয়,সেকেন্ডারি ইনফেকশন হয়ে গ্রেংগ্রিনাস ডার্মাটাইটিস  হয়।Subcutaneous and intramuscular haemorrhages with atrophy of lymphoid system.বোন ম্যারোর হেমাটোপয়টিক টিস্যু এডিপোস টিস্যু দ্বারা রিপ্লেস হয় ফলে পেল বা হলুদ কালার হয়।

ইকোনোমিক লসঃ

এটি ইমোনোসাপ্রেসিভ রোগ,ফলে বিভিন্ন রোগের কারণে এফ সি আর বেড়ে যায়,ওজন কম আসে,মারা যায়,চিকিৎসায় খরচ বেশি হয়।Affected flock will show poor growth reflected in economic losses.

চিকিৎসাঃ

সেকেন্ডারি ইনফেকশনের জন্য( ক্লোস্টিডিয়াম ও স্টেফাইলোকক্কাস)

এন্টিবায়োটিক।ইমোনোস্টিমোলেটর।

ভিটামিন।

প্রতিরোধ

ব্রিডারে টিকা দিতে হবে।ব্যবস্থাপনা ভাল রাখা।

বায়োসিকিউরিটি মেনে চলা।আক্রান্ত হলে আই বি ডি টিকা দেয়া যাবেনা।

 blue wing
Please follow and like us:

About admin

Check Also

বাচ্চা মুরগিতে ১ম সপ্তাহে কেন রোগ কম হয়,২সপ্তাহের দিকে কেন বেশি হয়।

বাচ্চাতে ম্যাটার্নাল এম ডি এ নয়ে আসে যা প্রটেকশন দেয়।আবার ২ সপ্তাহে বা পরের দিকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Translate »
error: Content is protected !!