Breaking News

টিপস ২৭

১দিনের বাচ্চা্র ওজন ৫গ্রাম কম হলে ১৪দিন পর ৬০গ্রাম কম হবে.১৪দিনে ৫০গ্রাম কম হলে ২১দিনে ১০০গ্রাম কম হবে.২১দিনে ১০০গ্রাম কম হলে ৩০দিনে ১৫০-২০০গ্রাম কম হবে।কুসুম না শুকালে ইমোনিটি ভাল হয়না।নিপল লাইন ৪৫ডিগ্রি এংগেলে সেট করতে হবে।শীতের জন্য পেস্টি ভেন্ট হতে পারে। বাচ্চা আসার আগে লিটারের তাপমাত্রা ৩৯ডিগ্রি হওয়া উচিত।আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৬০% ভাল।পিলেট ফিডে ওজন ৭০গ্রাম বেশি আসে।বাচ্চা আসার ২৪ ঘন্টার পর যদি ওজন ২গ্রাম কমে যায় তাহলে বুঝতে হবে বাচ্চা ধকলে আছে।বাচ্চা ৪ঘন্টা পর পর নাড়িয়ে/তাড়িয়ে দিতে হবে যাতে সবাই খেতে পারে.১ম সপ্তাহে ৩০-৬০লাক্স আলো দরকার.১ সপ্তাহ পর ১০-১৫লাক্স হলেই হবে।মুরগির জন্য ২০-২২ ডিগ্রি সবচেয়ে ভাল।পানির তাপমাত্রা ১৮-২০ ডিগ্রি.২৪ ঘ ন্টা আলো দিলে ইমোনিটি কমে যায়২ সপ্তাহ থেকে বিক্রির আগ পর্যন্ত ২-৩ ঘ ন্টা অন্ধকার রাখা ভাল।ওজন ভাল আসে।

প্রলাপ্স কেন হয়

গ্রোয়িং পিরিয়ডে আলো বেশি দিলে।খাবারে এন্টি নিউট্রিশনাল ফ্যাক্টর/টক্সিন থাকলে।খাবারে ফাইবার এবং এনার্জি কম থাকলে।ইউনিফর্মিটি ভাল না হলে।খাবারে লবণ,ক্যালসিয়াম ও মেথিওনিনের ঘাটতি হলে।ডিমের ওজন বেশি হলে,মুরগি বেশি ঘন হলে,ক্যানাবলিজম হলে।সমাধানঃছোট মুরগি কালিং করতে হবে।তুতে এবং ভিনেগার দিতে হবে।

ভিটামিন সি ,ই এর সাথে ক্রোমিয়াম অক্সাইড দিলে ওজন বাড়ে এবং স্ট্রেস কমায়।

আর্দ্রতায় রাইস ব্রানের রাখা যাবে ১৫দিন,সিদ্ধ চাল ১মাস,গরমে গাউন্ড নাট কেক ৬মাস,বাজরা ৮মাস,ফিস ৩ মাস।সয়াবিন ৩মাস।ডি অয়েল রাইস ব্রান ৭-৮মাস।আর্দ্রতা ৮-৯।ডি সি পি ও মার্বেল চিপস নস্ট হয় না।

এলাম এন্টারাইটিস,আমাশয় এবং পানি স্যানিটেশনে কাজ লাগে।জিংক অক্সাইড আফ্লাটক্সিন কন্টোলে কাজে লাগে।ইমোনোমডোলেটর।

লোজ ড্রপিংঃ২০% এর বেশি স্ট্রাচ (রাইস) যেখানে এন এস পি থাকে।নতুন ভুট্রা,গম,কাচা রাইস।মাইকোটক্সিন।ওট,বার্লি,সান ফ্লাওয়ার বেশি দিলে।অধিক আর্দ্রতায় ক্লোস্টইডিয়া।অতিরিক্ত প্রোটিন/আন ডাইজেস্টেড প্রোটিন।

তাপমাত্রা যদি ২০-২৬ডিগ্রি থাকে এবং খাদ্য উপাদানের আর্দ্রতা যদি ১২% থাকে টক্সিন বাইন্ডার দেয়ার দরকার নাই বা অল্প দিলেই হবে।ডিসেম্ব্র থেকে ফেব্রুযারি মাস।

অনেকে সময় টনে ৫০০গ্রাম লাইসিন ও ৫০০গ্রাম মেথিওনিন দিয়ে থাকে এতে অপচয় হয় এবং সাডেন ডেথ সিনড্রম হয়,এসাইটিস হয়,লেমনেস হয়।শীতে মাস্টার্ড অয়েল কেক দেয়া ভাল।

ভিটামিন বি ৯ ব্লাড ফর্মেশন,অভোলেশন এবং ক্লোলিন সিন্থেসিসে সাহায্য করে।টমেটোতে ২০% প্রোটিন ,৫.৫% ফ্যাট।স্পার্ম ফর্মেশন এবং এন্টিওক্সিডেন্ট হিসাবে কাজ করে।

বাচ্চার ইয়কের ওজন প্রায় ৬গ্রাম.২৪ঘন্টার মধ্যে খাবার দিলে ০.৭গ্রাম হবে আর ৪৮ ঘন্টা পর খাবার দিলে ১.৫গ্রাম হবে।ঠান্ডা বা হ্যাচারীর কারণে ইয়ক স্যাক ইনফেকশন হয়।তাছাড়া খাবার আগে দিলে কুসুম তাড়াতাড়ি শুকায়।

আয়রন বি ৬ ছাড়া কাজে লাগেনা।জিংক ভিটামিন এ শোষণে কাজে লাগে।ভিটামিন ্সি,ম্যাংগানিজ এর সাথে কে দিতে হবে ডিমের ব্লাড স্পট দূর করার জন্য।

বাচ্চা ব্রুডিং এর কেন মারা যায়ঃব্রুডিং এ অধিক তাপ দিলে বাচ্চা ডিহাইড্রেটেড হয় এবং পানি বেশি খায় কিন্তু খাবার কম খায়।এতে বাচ্চা মারা যায়।তাছাড়া পেস্টি ভেন্ট হয়ে মারা যায়।তাপমাত্রা খুব কম হলে ইমোনিটি কমে যায় এবং রোগে আক্রান্ত হয়।শীতে এক সাথে জমা হয়ে সাফোকেশনে মারা যায়।লিটার(কাঠের গুড়া )খেয়েও বাচ্চা মারা যায় (gastrointestinal impact)বাচ্চা খাবার না খেয়েও মারা যায় কারণ বাচ্চাতে ডিপোজিট ফ্যাট থাকেনা।খাবার ও পানির পাত্র কম দিলে খাবার না খেয়ে মারা যায়।পানির পাত্র লিক হলে লিটার ভিজে রোগ হয়।আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি হলেও রোগ বেশি হয়।ইদুর,কুকুর বিড়াল,বেজির আক্রমণে বাচ্চা মারা যায়।পানি যদি আন হাইজিনিক হয় তাহলেও মর্টালিটি হয়।ফ্যাট স্লুবল এবং ওয়াটার সলুবল ভিটামিন এর ঘাটতি হলেও মারা যায়।কোন শব্দ বা কোন প্রানীর আক্রমণে সাফোকেশনে মারা যায়।

ডি সি পির আর্দ্রতা ৪-৫% ভাল কিন্তু ১০-১৫% পাওয়া যায়।ফিশ্মিল ও মিট এন্ড বোন মিলের ফাইবার টেস্ট করা উচিত।সয়াবিনের এবং গাউন্ড নাক কেকের পি এইচ টেস্ট করা হয়।

ডিম স্টোর করলে এল্বোমিনের পি এইচ ৭এর বেশি হয়ে যায় যার(৯-১০) কারণে জীবানূ(মোল্ড ও ব্যাক্টেরিয়া) দ্বারা বেশি আক্রান্ত হয় ডিম সবুজ ও কালো হয়ে যেতে পারে।,৪০ডিগ্রি তাপে ২-৩দিন রাখলে ডিমের এলবোমিন পানির মত হয়ে যায়,২-৩ডিগ্রিতে ডিম ৪মাস ভাল থাকে.২১ডিগ্রিতে ২০দিন রাখা যায়।

কোন প্রডাক্টস এক্সপাইয়ার্ড হবার কত দিন পর কত % নস্ট হয়

ভিটামিন ২মাস পর ১০% নস্ট হয়।

ট্রেস মিনারেলস ১-১.৫ বছির পর ৪০%

এন্টিবায়োটিক ১-১.৫ বছর পর ২০-৩০%

ক্যারোটিন্যেডস ৫০ এবং এঞ্জাইম ৭০% মাস পর।

ভিটামিন সি ৬মাস পর ৯০%,প্রোবায়োটিকস ৬০-৯০% নস্ট হয়।

বাচ্চার হক জয়েন্ট লালা মানে হ্যাচারীতে তাপমাত্রা বেশি।বাচ্চার পেট যদি শক্ত থাকে ইয়ক স্যাক ইনফেকশন।বাচ্চার পালক যদি উজ্জ্বল সাদা হয়া তাহলে ইনকিউবেটরে তাপমাত্রা বেশি বুঝায়।এতে বাচ্চার লিভার ও ফুস ফুস ছোট থাকে যার কারণে বাচ্চার পারফর্মেন্স খারাপ হয়।।্বাচ্চার ঠোঁট থেকে পা পর্যন্ত ১৭.৫ সেন্টিমিটার হবে।বাচ্চা ৩ফুট উপর থেকে ছেড়ে দিলে সাথে সাথে উঠে যাবে।বাচ্চা খাবে,৮ঘন্টা পর পেটে খাবার থাকলে,জমা হবে না।চোখ বন্ধ থাকবে না।

খাবারে যদি ব্রোকেন রাইস,সূর্যমুখীর খৈল,গম,সরিষার খৈল দেয়া হয় তাহলে জাইলানেজ ও এমাইলেজ এনজাইম বেশি দিতে হবে কারণ এতে এন এস পি এরাবিনোক্সালান বেশি থাকে।এতে হজম কম হয়,পুস্টির ঘাটতি হয়।

মিট্মিলঃএটা বাদামি কালার,প্রোটিন ৮০%,ফ্যাট ৪-৫%,এরোমেটিকের গন্ধ,এটা অন্ত্র,লিভার,মাংস,লিগামেন্ট থেকে প্রসেস করা হয়।এর ডাইজেস্টিবিলিটি ৮০%।ক্রোমিয়াম ৩০ পি পি এর কম থাকে।ব্যাক্টেরিয়াল লোড কম থাকে ৫-৮% ব্যবহার করা যায়।এতে শিং ও ক্ষুর থাকেনা।

লেদারমিলঃ

এটা কালো কালার,প্রোটিন ৮৫% কিন্তু ডাইজেস্টিবিলিটি ৫০%।ক্রোমিয়াম ৫০ পি পি এমের বেশি।এটা ৪% দেয়া যায় যদি ক্রোমিয়াম কম থাকে।গরমে খাবার কম খায় তাই এনার্জি যথেস্ট পরিমাণ পায়না।তাই খাবারে ৫-৭% তেল দেয়া উচিত।

প্রোটিন বেশি দিলে প্রোটিন মেটাবলিজম বেশি হবে,মেটাবলিজম বেশি হলে হিট স্টোক বেশি হয়।

খাবারে তেল হিসাবে সয়াবিন,রাইস ব্রান অয়েল,পাম অয়েল,মাটন ট্যালো,লার্ড,বিফ ট্যালো,সরিষার তেল,সান ফ্লাওয়ার অয়েল,কটন সিল অয়েল,রাইস গ্লোটেন,এম বি এম।

রাইস লেসিথিন অয়েল,সয়াবিন অয়েল দিলে ক্লোলিন ও ইমালসিফায়ার কম লাগে।

ডি ডি জি এস ১০% দিলে ক্লোলিন কম লাগে টনে ২৫০গ্রাম

গমঃ

গমে লাইসিন ও থিওনিন বেশি থাকে।হারভেস্টিং এর সময় গমে ২৫% আর্দ্রতা থাকে কিন্তু শুকালে ১০দিন পর ১০% এ চলে আসে।গমে ডন টক্সিন থাকে যার কারণে সাদা গম হলুদ বা কমলা কালার হয়ে যায়।এনার্জি ৩২৩০-৩২৫০।গ্ম বেশি দিলে ভিস্কোসিটি বেড়ে যায় এতে নেক্রোটিক এন্টারাইটিস হয়। মুরগিতে ভিটামিন বায়োটিন ও এ এর ঘাটতি হতে পারে . নতুন গম ১০% এর বেশি দেয়া ঠিক না।

হ্লুদ,গোল মরিচ,মাছের তেল খাবারের রুচি বাড়ায়।

গরমে প্রোটিনের তুলনায় এমাইনো এসিড বেশি ভাল

প্যারাসিটামল হিটস্টোক কমায় কিন্তু এস্পিরিন/ডিস্পিরিন বেশি ভাল।

Please follow and like us:

About admin

Check Also

টিপস ৩২

ডিমের কোয়ালিটির সাথে জড়িত বিষয় ক্রোমিয়াম ও কপার(Pluming process in uterus) এস কর্বিক এসিড ক্টন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »