Breaking News

সমগোত্রীয় রোগ এবং ভাইরাসে কার্যকিরী চিকিৎসা কি,মুরগি সুস্থ না অসুস্থ এটা জানা কেন গুরুত্বপূর্ন

ট্রেনিং মডিউল:

ডিফারেন্সিয়াল ডায়াগ্নোসিসই একজন ডাক্তারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেই বিষয়গুলি আলোচনা করে আলাদা করা হবে।

সমগোত্রীয় রোগ:(হিস্ট্রি ও পি এম ছাড়া যাদের আলাদা করা যায় না)

রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সমস্যা হল কাছাকাছি রোগ থেকে সঠিক টাকে আলাদা করা মানে ডিফারেন্সিয়াল ডায়াগ্নোসিস। এটা পি এম এবং হিস্ট্রি ২টার ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ।

গ্রুপ১।ঠান্ডা

এইচ ৯,আই বি,আই এল টি,

রানিক্ষেত,মাইকোপ্লাজমোসিস

গ্রুপ ২।বেশি মারা যাচ্ছে।এইচ৫/৭,রানিক্ষত,কলেরা,

টাইফয়েড,নেক্রোটিক এন্টারাইটিস,একিউট মাইকোটক্সিন।

গ্রুপ।৩ হঠাত মারা যায়

আই বি এইচ,মকিকোটক্সিন,

হিটস্টোক,সি আই এ,কলেরা,এ আই।

গ্রুপ ৪.

দীর্ঘ দিন ধরে মারা যাচ্ছে

মারেক্স,লিউকোসিস,ওয়েট পক্স,কৃমি,ক্রমিক রানিক্ষেত

,এন্টারাইটিস,সালমোনেলা,

আন্ডার ওয়েট বাচ্চা খাচায় উঠানো।ক্রনিক রানিক্ষেত।ফিড রিলেটেড সমস্যা(অভার ক্যালসিয়াম ৬-৮%)।ঘাটতিজনিত(বিশেষ করে এডিই)

গ্রুপ ৫।চোখ ফূলে যায়

করাইজা,রানিক্ষেত,এইচ ৯,

ফ্রল্ট ভ্যাক্সিনেশন(করাইজা)

গ্রুপ ৬।টুকটাক মারা যায়

এগ পেরিটোনাইটিস,এগ বাউন্ড,এসাইটিস(লেয়ার),আই বি(সিস্ট)

গ্রুপ ৭।হটাত মর্টালিটি:

শিকারী প্রানী,ফাস/প্যাচ লেগে,

পাইলিং,সাডেন ডেথ সিন্ড্রম।ফ্যাটি লিভার হেমোরেজিক সিন্ড্রম।

গ্রুপ৮।কাশি,হাচি,ঠান্ডা:

লেন্টোজেনিক রানিক্ষেত,আই বি,মাইকোপ্লাজমা,স্ট্রেস/এলার্জি/ভ্যাক্সিন রিয়েকশন

গ্রুপ৯।ক্রনিক কেস

ইকলাই,সালমোনেলোসিস,

ক্রনিক রানিক্ষেত,ক্রনিক মাইকোপ্লাজমা,ক্রনিক স্ট্রেস।

গ্রুপ ১০।স্পোরাডিক কেস

ইক্লাই,এসাইটিস

গ্রুপ১১।নরমাল মর্টালিটি

সাডেন ডেথ সিন্ড্রম,১-৫%

গ্রুপ১২

গাউট,কলিব্যাসিলোসস

গ্রুপ১৩।১ম সপ্তাহের রোগ

পুলোরাম এবং ব্রুডার নিউমোনিয়া

গ্রুপ১৪।গাম্বোরু এবং রানিক্ষেত( পি এম ছাড়া)

গ্রুপ১৫।আই বি এইচ, নেক্রোটিক এন্টারাইটিস,ফ্যাটি লিভার।।মাইকোটক্সিন

গ্রুপ১৬।পি এম ডায়াগ্নোসিস করা যায় না।

রিও,করাইজা,এস ডি এস,এইচ৯,লেন্টোজেনিক রানিক্ষেত,ভ্যাক্সিন রিয়েকশন,এইচ ৫,পক্স,

গ্রুপ ১৭।হিট স্টোক/কলেরা/এইচ৫/৭/দুর্ঘটনা।শব্দ/ভয়।

গ্রুপ১৮।আমাশয় এবং নেক্রোটিক এন্টারাইটিস

গ্রুপ১৯।সিজনাল এবং কমন কিছু রোগ।

গ্রুপ২০।এক স্পিসিস থেকে অন্য স্পিসিসের মধ্যে রোগের পার্থক্য।সি আই এ,আই বি এইচ,এসাইটিস,রিও,এস ডি এস,কলেরা,মারেক্স

গ্রুপ ২১:প্যারালাইসিস

রানিক্ষেত, মারেক্স,ঘাটতি জনিত,মাইকোটক্সিন,এনসেফালোমাইলাইটিস।

গ্রুপ২২:লিভার এবং প্রভেন্টিকোলাসে লেসন বিভিন্ন রোগের কারণে হয়।বয়স অনুযায়ী লিভারের কালারও নরমালী বিভিন্ন হয়।

গ্রুপ ২৩।চোখের ফোলা দেখেও কয়েকটা রোগ বুঝা যায়

গ্রুপ:২৪।১ম সপ্তাহের রোগ নির্ধারিত মাত্র ৩টা নাভিকাচা,সাল্মোনেলোসিস,

নিউমোনিয়া।তাছাড়া ঘাটতিজনিত। বাকি সব এক্সিডেন্ট,পাইলিং এবং শিকারী প্রানী।অন্য রোগ হয় না।

গ্রুপ ২৫। শুধু একটা অর্গান দেখে/ছবি দেখে রোগ নির্ণয় করা যায়না করলে ১০০% ভুল ডায়াগ্নোসিস হবে।কারণ একই রকম লেসন কয়েক টা রোগের জন্য হয়।হিস্ট্রি নিতে হবে অথবা পি এম করে সব অর্গানের লেসন কে সমন্বয় করে রোগ নির্ণয় করতে হবে।ব্রুডার নিউমোনিয়া,অন্ত্রে আলসার/প্লাগ হলে রানিক্ষেত,শ্যাংকে হেমোরেজ এবং ঝুটি নীল/লাল হলে এইচ ৫, ড্রাই পক্স,লিউকোসিসে বার্সায় টিউমার।এই কয়টা রোগে কোন কোন সময় প্যাথোগ্নোমিক লেসন আছে তবে সব সময় এমন পাওয়া যায় না।বাকি সব গুলো রোগ কোন একটা অর্গান দেখে নির্নয় করা যাবেনা।সব গুলো অর্গান দেখতে হবে এবং হিস্ট্রি নিতে হবে।

গ্রুপ ২৬।

স্পিসিস

কতদিন ধরে অসুস্থ

মরা মুরগির ওজন

ঠান্ডা আছে কিনা

প্যারালাইসিস আছে কিনা

মর্টালিটি কত%

মর্বিডিটি%

বয়স

প্রডাকশন/খাবার কমছে কিনা।

গ্রুপ ২৭।বয়স অনুযায়ী রোগ।

গ্রুপ ২৮।

সালমোনেলার প্রকারভেদ।

কলিব্যালোসিসের প্রকারভেদ

কক্সির প্রকারভেদ

রানিক্ষেতের প্রকারভেদ

এ আইয়ের প্রকারভেদ

মারেক্সের প্রকারভেদ

মাইকোপ্লাজমার প্রকারভেদ

ফাংগাসের প্রকারভেদ

এই ৮টার বিস্তারিত জানা লাগবে।

রোগ নির্ণয় করতে হলে দাড়িপাল্লা নিয়ে মেপে দেখতে হবে কোন দিকে ওজন বেশি/যুক্তি বেশি।কারণ কয়েকটা রোগের ক্ষেত্রেই একই লেসন হয়।হিস্ট্রি এবং অর্গানের ভার কোন দিকে বেশি সেই বিবেচনায় রোগ নির্ণয় করতে হবে।

ডায়াগ্মোসিসের পদ্ধতি এবং গুরুত্ব।

ফিল্ডের অভিজ্ঞতা থেকে যা মনে হল তা নিচের মত

১।হিস্ট্রি ৭৫%

২।পি এম১৫%

৩।টেস্ট ৫%

৪।সময়/অপেক্ষা করে ৩%

৫।চিকিৎসা দ্বারা।২%

রোগ নির্ণয়ে হিস্ট্রির ভূমিকা /এমনি ৭৫% রোগ শুধু হিস্ট্রি দিয়ে নির্নয় করা সম্ভব।

তেমনি পি এম এর গুরুত্ব দেখানো হয়েছে ১৫%.অনেক রোগ আছে মারা যায় না।তখন হিস্ট্রি নিয়ে রোগ নির্ণয় করতে হয়।আবার কোন কোন লেসন ক্লিয়ার থাকেনা।

মর্টালিটি/মর্বিডিটি দেখে রোগ নির্ণয় করা হয়।তাই কয়েকদিন অপেক্ষা করলেও রোগ বুঝা যায়।

নোট:

প্রতিটি বিষয়ের বিজ্ঞান ভিত্তিক

ব্যাখ্যা সহকারে জানার সুযোগ আছে।

প্রচলিত/তথাকথিত পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে ভিন্ন আংগিকে ইউনিক/ব্যতিক্রম পয়েন্ট ধরে বুঝানো হয়।

ফিল্ডের প্র‍্যাক্টিকেল অবস্থা এবং রোগের আপডেট প্যাথোজেনেসিস অনুযায়ী ডায়াগ্নোসিস করা হয়।

রোগ নির্ণয়ের মেরুদণ্ড ডিফারেন্সিয়াল ডায়াগ্নোসিস কে সহজভাবে উত্থাপন করা হয়।

অনেক কঠিন এবং জটিল বিষয় অথচ ১ মিনিটেই সমাধান/ডায়াগ্নোসিস করার সিস্টেম শিখানো হয়।

একদিনেই টোটাল ট্রেনিং যা দক্ষতারই চূড়ান্ত সারাংশ।প্রযুক্তি আজ কত এগিয়ে গেছে সেখানে রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতি পিছিয়ে থাকবে কেন।

ডাটা ইনপুট করবে রোগ নির্ণয় আউটপুট হিসাবে বের হবে।

তথ্যই রোগ নির্ণয়ের মূল নিয়ামক।এই শ্লোগানই ভি টি এসের মূল থিম।

সমগোত্রীয় রোগ এবং ভাইরাসে কার্যকিরী চিকিৎসা কি

সমগোত্রীয় রোগ।

সমগোত্রীয় রোগের ধারণা থাকলে সহজে রোগ নির্ণয় করা যায়। নাহলে সাগরে সুই খোজার মত অবস্থা হয়।

ঠান্ডা লাগা:

আই বি,মাইকোপ্লাজমা, এইচ ৯,রানিক্ষেত

হঠাত মারা যায়:

এইচ ৫,কলেরা,আই বি এইচ,গাউট,কক্সি(রক্ত আমাশয়),সাডেন ড্রেথ সিন্ড্রম।

মর্টালিটি হয় না:

আই বি, ড্রাই পক্স,লেয়ারে মাইকোপ্লাজমা,করাইজা,রিও

প্যারালাইসিস:

এনসেফালোমায়েলাইটিস,

মারেক্স,রানিক্ষেত,

মাইকোপ্লাজমা সাইনোভি।

মর্টালিটি এবং মর্বিডিটি সমান।

মারেক্স,লিউকসিস,আই বি এইচ।এইচ ৫/৭

গ্রোয়িং পিরিয়ডে মারা যায়:

গাম্বোরু,রানিক্ষেত,কক্সি(টেনেলা,ব্রনেট্রি এবং নেকাট্রিক্স),কলিব্যাসিলোসিস,ব্রুডারনিউমোনিয়া,ওম্ফালাইটিস,গাউট,আই বি এইচ,এসাইটিস।

প্রোডাকশন পিরিয়ডের রোগ:

এ আই,কলেরা,টাইফয়েড।

যে কোন বয়সে হয়:

কলিব্যাসিলোসিস মাইকোপ্লাজমা,আই বি,এ আই,

রানিক্ষেত,পক্স।

রোগ ছাড়া মর্টালিটি:

বেজি,বিড়াল,ইদুর এবং গুই সাপের আক্রমণ,খাচায় প্যাচ লেগে /ফাস লেগে,শব্দের ভয়ে,

শীতে পাইলিং এবং ৭০০গ্রামের নীচে বাচ্চা খাচায় উঠালে পানির লাইন নাগাল না পেলে পানি শূন্যতায় মারা যায়।

নোট: এসবের বাহিরে,আগে পরে ও মারা যেতে পারে তবে মেইন বিষয়গুলি তুলে ধরা হয়েছে।

@@@@@@

গাউট/গাম্বোরু/রিও/ আই বি/এ আই এইচ সহ অন্যান্য ভাইরাল ডিজিজের ইফেক্টিভ/ বেস্ট ট্রিটমেন্ট কি?

অনেকেই জানতে চায় এবং মুরগি সুস্থ না হলে নিজেকে অপরাধী /খারাপ ডাক্তার বা হীন মন্যতায় ভোগে।

উত্তর:

ভাইরাসের কোন চিকিৎসা হয় না।দিলেও কাজ হবেনা।কারণ বডিতে গিয়ে সিস্টেমিকভাবে ভাইরাসকে মারা মত কিছু নাই।

এখানে ডাক্তারের ব্যর্থতা বা সফলতার কিছু নাই।

আমরা যে মেডিসিন/এন্টিবায়োটিক দিয়ে থাকি তা কোন কাজেই আসে না তাই খরচ কমাতে মেডিসিন/এন্টিবায়োটিক অতিরিক্ত দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।এতে স্ট্রেস কম পড়বে।যেহেতু খামারীকে চিকিৎসা দিতে হবে তাই ১টা বা ২টা মেডিসিন করে ৫-৭দিন করে ১-৪ সপ্তাহের শিডিউল দিলেই হবে।এন্টিবায়োটিক টা না দেয়াই ভাল।দরকার হলে সর্বোচ্চ ৪-৫দিন।

এটা বা ওটা দিলে ভাল হয়ে যাবে এমন আশা করে হতাশ হওয়ার কি দরকার।

এসব ক্ষেত্রর উদ্দেশ্য হলে মুরগির অবস্থা/প্রয়োজন অনুযায়ী স্ট্রেস কমানো,গাট ঠিকরাখা,মাইকোপ্লাজমা,মাইকোটক্সিকোসিসের চিকিৎসা করা,ভিটামিন মিনারেলের ঘাটতি পূরণ করা।ইমোনিটি বাড়ানো।হিলিং এর জন্য এডিই,সি দেয়া।

কেউ কেউ বলে আমি এটা দিয়ে ভাল রেজাল্ট পাইছি।এটা ভুল। আমি শিউর একই চিকিৎসা আপনি অন্য সেডে পাবেন না কারণ একেক ফার্মের মুরগির ইমোনিটি এবং কন্ডিশন একক রকম।মিক্স ইনফেকশন,বয়স এবং ব্যবস্থাপনা ও আলাদা।

@@@@@

মুরগি সুস্থ নাকি অসুস্থ সেটা কেন আগে জানা উচিত

পি এম করার আগেই জানতে হবে আসলে মুরগি অসুস্থ কিনা।অনেকেই পি এম করে জানার চেস্টা করে মুরগির কি হয়েছে।এটা ঠিক না।রোগ ছাড়াও মুরগি মারা যেতে পারে।

নোট:

অসুস্থ হলে খাবারও ডিম কমে যেতে পারে,ঠান্ডা থাকতে পারে।

পায়খানায় সমস্যা থাকতে পারে

চোখে পানি বা চোখ ফোলে যেতে পারে।মারা যেতে পারে।

মিনিমাম ২টা শর্ত থাকলে তাকে আমরা অসুস্থ বলতে পারি।একটা দিয়ে বুঝা যাবেনা অনেক সময়।কোন কোন সময় বুঝা যায়।

এসব প্রশ্নের উত্তর জানার পর পি এম করে রোগ নির্ণয় করতে হবে।

স্পোরাডিক কেস/পার একিউট কেস/এক্সিডেন্টাল কেসের ক্ষেত্রে এসব নাও হতে পারে।সেটাই মাথায় রেখেই ডায়াগ্নোসিস করতে হবে।

About admin

Check Also

একজন ডাক্তার কেন সব সময়ের জন্য দরকার

বিভিন্ন কারণে একজন ডাক্তারের অধীনে খামারীকে থাকা উচিত। ১।ব্রুডিং এ এন্টিবায়োটিক দিবো কিনা জানা যা্কসিক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Call Now