Breaking News
ভেড়া পালন
ভেড়া পালন

শখের_মেষ_পালন_হতে_পারে_আর্থিক_সচ্ছলতার_নিদারুণ_উদাহরণ,,,

শখের_মেষ_পালন_হতে_পারে_আর্থিক_সচ্ছলতার_নিদারুণ_উদাহরণ,,,

মেষ বা ভেড়া একটি যুগ্ম-খুর-যুক্ত চতুষ্পদী রোমন্থক স্তন্যপায়ী প্রাণী। এদের প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ কৃষিকাজে ব্যবহার করে আসছে। বিভিন্ন প্রাচীন ও আধুনিক ধর্মে এদের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ।

মেষ বা ভেড়াকে গৃহপালিত করার ইতিহাস ১১০০০ থেকে ৯০০০ খ্রিস্টপূর্ব আগের যখন থেকে প্রাচীন মেসোপটেমিয়ায় বন্য মোফলন পোষ মানানো শুরু হয়।ভেড়া বা মেষ মানুষের দ্বারা প্রথম গৃহপালিত প্রাণী,যার প্রমাণ সে সময়ের ইরানী মূর্তি দেখে পাওয়া যায়।প্রথম দিকে ভেড়া মাংস, দুধ, এবং চামড়ার জন্য পালন করা হত।৬০০০ খ্রিস্টপূর্বের দিকে ইরানে পশমওয়ালা ভেড়া পালন শুরু হয় এবং পারস্য সংস্কৃতির লোকেরা ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য ভেড়ার পশমের উপর নির্ভরশীল হতে থাকেন। ঐ সময়ে তারা ব্যবসা বাণিজ্যের মাধ্যমে আফ্রিকা এবং ইউরোপ থেকে ভেড়া আমদানি শুরু করেন।

ভেড়া বিশ্ব কৃষি অর্থনীতির একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। চীন, অষ্ট্রেলিয়া, ভারত এবং ইরান পৃথিবীর নেতৃত্ব স্থানীয় ভেড়া উৎপাদনকারী দেশ। উল এবং ভেড়ার মাংশের স্থানীয় এবং আর্ন্তজাতিক রপ্তানী বাজারের চাহিদার বড় অংশ এ সব দেশগুলো পূরণ করে। নিউজিল্যান্ডে ভেড়ার সংখ্যা উল্লেখিত দেশগুলোর তুলনায় কম হলেও ভেড়া হতে তৈরি বিভিন্ন (sheep product) পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটা বড় অংশ অর্জন করে থাকে।

🐏 মেষ বা ভেড়া প্রাণী সম্পদের অভিন্ন অংশ :
গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়া, হাঁস, মুরগি, কবুতর প্রতিটি প্রাণিসম্পদের অংশ হলেও আমরা প্রাণিসম্পদ বলতে কেবল গরু, ছাগল এবং মুরগিকে বুঝে থাকি এবং আমাদের সমাজ সংস্কৃতিতে ভেড়া এবং ভেড়া পালন বিষয়ে তেমন আলোচনা নেই। তাই ভেড়া নিয়ে আমাদের জানা ও জ্ঞানের বিষয়টি রয়েছে অনেকটাই অগোচরে। ভেড়া বর্তমানে একটি বিলুপ্তপ্রায় প্রাণি মনে হলেও অনসন্ধানে দেখা গেছে আমাদের দেশে এখনো বিপুল সংখ্যক ভেড়া রয়েছে। সময়ের প্রয়োজনে অজানা অনেক বিষয়ের মতো ভেড়া পালনের প্রয়োজনীয়তা আজ আমাদের সামনে দাড়িয়েছে। ভেড়া একটি অবহেলিত প্রাণি হিসাবে পরিচিত তবে একটি লাভজনক প্রাণি। ভেড়া একটি বহুমুখী ব্যবহার উপযোগী (multi-purpose) প্রাণি। ভেড়ার মাংশের সাথে গরু ও ছাগলের মাংশের তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা যায় যে পুষ্টিমানের বিচারে ভেড়ার মাংশের সাথে ছাগল ও গরুর মাংশের তেমন কোন পার্থক্য নেই। বরং শক্তি (energy) এবং কোন কোন খনিজ উপাদানের পরিমান ছাগল ও গরুর মাংশের তুলনায় ভেড়ার মাংশে বেশি। তাই ছাগলের মাংশের সাথে স্বনামে ভেড়ার মাংশ আমাদের খাদ্য তালিকায় যোগ হতে পারে।

🐏 মেষ বা ভেড়ার ধরণ :
পৃথিবীতে প্রায় ২০০ এর অধিক ভেড়ার জাত রয়েছে। FAO এ কর্তৃক কয়েক’শ ভেড়ার জাত সনাক্ত করা হয়েছে। উপযোগিতা অনুসারে উল, মাংশ, দুধ, চামড়া উৎপাদনের উপর ভিত্তি করে ভেড়ার জাতকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। অন্যান্য বৈশিষ্ট্য যেমন মুখের রঙ, লেজের দৈর্ঘ্য, শিং এর উপস্থিতি এমন কি topography উপর ভিত্তি করে ভাগ করা হয়েছে। আফ্রিকা ও এশিয়ায় এক ধরনের ভেড়া পাওয়া যায় যাকে fat-tailed type ভেড়া বলে কারন এ ধরনের ভেড়ার লেজের আশে পাশে বেশি চর্বি জমা হয়। চিকন উল, লম্বা উল, মোটা ইত্যাদি টাইপের উল উৎপানের ভিত্তি করেও ভেড়ার শ্রেণি বিভাগ করা হয়েছে।

🐏 মেস বা ভেড়া পালন ব্যবস্থাপনা :
ভেড়া ও ছাগল পালনের মধ্যে তেমন কোন তফাৎ নেই। তবে ছাগল পালনের চেয়ে ভেড়া পালন ব্যবস্থাপনা সহজ।

🐏 মেষ বা ভেড়ার বাসস্থান :
প্রত্যেক জীবের প্রথম ও প্রধান মৌলিক চাহিদা হলো একটি আরামদায়ক বাসস্থান। আমাদের দেশে যেসব কারনে ভেড়ার মৃতু ঘটে (mortality) তার মধ্যে অন্যতম হলো বাসস্থান না থাকা বা অস্বাস্থ্যকর বাসস্থান। ভেড়ার রাখার জন্য অধিকাংশই কৃষকেরই ভালো ঘর নেই। তাছাড়া ২০/৩০ টি’র বেশি ভেড়া আছে এমন খামারীদের ভেড়ার জন্য স্বাস্থসম্মত বাসস্থান নেই। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পারিবারিকভাবে পালিত ভেড়া রাখা হয় কৃষকের ঘরের মাচা বা চৌকির নীচে বা ঘরের পাশে ছোট্ট একটি চালা বেধে তার মধ্যে যেখানে আলো বাতাস প্রবেশের সুযোগ কম। কিন্তু সামান্য খরচ করেই ভেড়া রাখার জন্য একটি স্বাস্থসম্মত বাসস্থান তৈরি করা যায়। ছাগল বা ভেড়া বাসস্থান তৈরির সময় একটি বিষয় খেয়াল রাখা খুব জরুরী আর তাহলো মেঝে তা কাঁচা বা পাকা যেমনই হোক সেখানে ভেড়া না রেখে মাচা বা স্লাট এর উপর ভেড়া পালন করা।

🐏 মেষ বা ভেড়ার খাবার ব্যবস্থাপনা :
ভেড়া সবকিছু খায়। ভেড়া একটি সর্বভূক প্রাণি। শুকনা খড় থেকে শুরু করে গরুর খাদ্যের উচ্ছৃষ্টাংশ পর্যন্ত খায়। তাই ভেড়া পালনে খাদ্য খরচ কম। ভেড়া একটি তৃণভোজী স্তন্যপায়ী প্রাণি। ভেড়া সাধারণত , চরে খেতে পছন্দ করে এবং ছাগলের মতো কোন গাছের মাথা বা ঘাসের ডগা নয় ঘাসের নীচের অংশ থেকে খাওয়া শুরু করে। ভেড়ার অন্যান্য রোমন্থক প্রাণির ন্যয় চার প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট পরিপাকতন্ত্র এবং ভেড়া আশঁ জাতীয় খাদ্য, লতা-পাতা প্রভৃতিকে সহজেই সাধারণ শর্করা তে পরিনত করতে পারে। এছাড়া ভেড়া স্বাভাবিক এবং প্রতিকুল উভয় অবস্থাতে’ই শুকনা খড় এবং খড় জাতীয় খাদ্য গ্রহন করে থাকে। আমাদের দেশে ভেড়ার চরে খাওয়ার মতো পর্যাপ্ত খাদ্য নেই। তাছাড়া বর্তমান সময়েও আবদ্ধ পদ্ধতিতে ভেড়া পালন একটি বিরল ঘটনা।

🐏 মেষ বা ভেড়ার পানি পান করার প্রবণতা :
ভেড়া কি পারিমান পানি পান করবে তা ঋতু, গৃহিত খাদ্যের গুণাগুন ও ধরনের উপর নির্ভর করে। যদি কাঁচা ঘাস খায় তাহলে পানি কম খাবে। যদি আবদ্ধ অবস্থায় পালন করা হয় এবং দানাদার ও শুকনা খাদ্য খায় তাহলে বেশি পরিমান পানি পান করবে।পানি অবশ্যই বিশুদ্ধ হতে হবে।

🐏 মেষ ভেড়ার প্রজনন ক্ষমতা :
অন্যান্য দলবদ্ধ প্রাণির মতোই ভেড়ার প্রজনন। ভেড়াকে বলা হয় seasonal breeder যদিও কিছু কিছু ভেড়া সারা বছর ধরে প্রজনন হয়। ভেড়ি সাধারণত: ৬-৮ মাসে প্রজনন উপযোগি হয় (reach at sexual maturity) এবং পুরুষ ভেড়া (ram) ৪-৬ সপ্তাহ বয়সে যৌন পরিপক্কতা লাভ করে। তবে জাত ভেদে এই বয়সের ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। যেমন: আফ্রিকান মেষ বা ভেড়া ৬ মাস অন্তর অন্তর বাচ্চা দেয় ।এবং বাচ্চা দেবার ১৫- ১৬ দিন পর আবার হিটে আসে।অন্তঃপ্রজনন (inbreeding) এড়াতে সময়ে সময়ে নিজের পালের পাঠা বাদ দিয়ে অন্য পাল থেকে পাঠা আনলে ভালো হবে।

🐏 মেস বা ভেড়ার রোগ বালাই :
ভেড়ার রোগ বালাই তেমন হয় না। তবে স্ট্রোক , এন্টরোটক্সিমিয়া, আমাশায়, ধনুষ্টংকার, ক্ষুরা, একথাইমা, পিপিআর, নিউমোনিয়া ইত্যাদি রোগ হতে পারে।ভেড়ার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং অবশ্যকরণীয় বিষয় হলো নিয়মিত কৃমিনাশক ব্যবহার করা। গোলকৃমি, ফিতাকৃমি, কলিজাকৃমি ভেড়াকে আক্রান্ত করে। প্রতি ২/৩ মাস পরপর ভেড়াকে কৃমিনাশক প্রয়োগ করতে হবে। আমাদের দেশে ভেড়াকে নিয়মিত শেয়ারিং করা বা পশম কাটা হয় না। তাই শরীরে বড় পশমের কারনে বিভিন্ন ধরনের বহিঃ পরজীবী বাস করে এবং বড় পশমের কারনে বিভিন্ন ধরনের চর্ম রোগ হয়। এজন্য বছরে অন্ততঃ দু’বার ভেড়ার পশম কাটতে হবে এবং গোসল করাতে হবে তাহলে উকুন, আঠালি, টিক ইত্যাদির প্রকোপ কম হবে। নিয়মিত পিপিআর টিকা প্রদান করতে হবে। এছাড়া ভেড়ার বাচ্চাকে কৃমিনাশক খাওয়াতে হবে।

🐏 সকল রোগের সাধারণ লক্ষণ :
ভেড়ার খাদ্য গ্রহণ ও চলাফেরায় অনীহা দেখা দেবে এবং দল থেকে আলাদা থাকবে।

🐏 মেষ বা ভেড়ার রোগ প্রতিরোধ করণ :
রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন ভাল জাতের ভেড়া পালন, খামারসহ সকল পর্যায়ে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, টিকা প্রদান, সুষম ও নিয়মিতভাবে খাদ্য সরবরাহ, জৈব-নিরাপত্তাসহ সম্ভাব্য সকল বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা, রোগ সম্পর্কে খামারীকে ধারণা নিতে হবে এবং সর্বোপরি অভিজ্ঞ পশু চিকিৎসকদের সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে।

🐏 গর্ভবতী মেষ বা ভেড়ার যত্ন :
সুষম খাদ্য নিশ্চিত করে নিয়মিত স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করতে হবে, হঠাৎ খাদ্য পরিবর্তন করা যাবে না, প্রেগনেন্সি টক্সিমিয়া এড়ানোর মাধ্যমে গর্ভবতী ভেড়া ও গর্ভস্থ বাচ্চার মৃত্যু হার কমাতে হবে, ভাল মানের আঁশ-জাতীয় খাদ্য এবং খাদ্যে ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম মিশাতে হবে।

🐏 মেষ বা ভেড়ার সচ্ছতা :
পারিবারিকভাবে পালন করা হয় এবং পশম বিক্রয়ের তেমন সুযোগ তৈরি না হওয়ায় আমাদের দেশের ভেড়া পালনকারীগন ভেড়ার পশম কাটেন না। যদি বছরে দুই বার ভেড়ার পশম কাটা হয়, সপ্তাহে অন্তত , একবার গোসল করানো হয় এবং সাবান বা শ্যাম্পু সহ বডি ব্রাশ ব্যবহার করা হয় অর্থাৎ ব্যবস্থাপনা ভালো হয় তাহলে মেষ বা ভেড়ার শরীরও ছাগলের মতো চকচকে ও পরিচ্ছন্ন থাকবে।

🐏 মেষ বা ভেড়া পালনে সুবিধা :
সিনথেটিক ফেব্রিক্সের কারনে যদিও বর্তমান সময়ে ভেড়াজাত (sheep product) পণ্যের চাহিদা কিছু কম, তথাপি প্রাণিসম্পদের অন্যান্য উপাদনের তুলনায় একটি সুনিদিষ্ট অর্থনৈতিক সুবিধা রয়েছে। গরু এবং মুরগির বাণিজ্যিক খামারের তুলনায় ভেড়া পালনের জন্য বাসস্থানের জন্য বেশি খরচ হয় না। একটা গরু পালনের জন্য যে পরিমান জায়গার দরকার হয় সে পরিমান জায়গায় ৬ টি ভেড়া পালন করা যায়। অন্যান্য প্রাণি যে সমস্ত ঘাস স্পর্শই করে না এমন ঘাস ভেড়া খায় এবং ভেড়া পালনে উৎপাদন খরচ অন্যান্য প্রাণি পালনের চেয়ে কম হওয়ায় সমান বিনিয়োগে একজন উৎপাদনকারী বা পালনকারী বেশি মুনাফা অর্জন করতে পারেনে। তবে পারিবারিক খামারে ভেড়া পালন বেশি লাভজনক।

🐏 উৎকৃষ্ট মাংস :
জনশ্রুতি আছে বাজারে ভেড়ার মাংশ ছাগলের মাংশ হিসাবে বিক্রি হয়। পুষ্টিমান এবং স্বাদের বিচারে ভেড়ার মাংশ এবং ছাগলের মাংশে কোন তফাৎ নেই বলে আমরা খাওয়ার সময় বুঝতেও পারি না ছাগলের মাংশ না ভেড়ার মাংশ খাওয়া হলো। তাই আমরা ভেড়ার মাংশ স্বনামে অর্থাৎ ভেড়ার মাংশ হিসাবে খেতে চাই। জমির স্বল্পতা, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার পুষ্টি চাহিদা পূরণ, দারিদ্র বিমোচন তথা আত্বকর্মূসংস্থান সৃষ্টিতে গবাদিপশু পালন একটা উল্লেখযোগ্য ভুমিকা পালন করে আসছে। খুব কম সময়ে পাল বড় হয় বলে দেশের বেকার যুবক-যুবতী, কর্মহীন মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি ও দারিদ্র বিমোচনের সহজ হাতিয়ার হতে পারে ভেড়া পালন।

⚠️⚠️সতর্কীকরণ⚠️⚠️ মেষ এর ওজন বেশি হয় বলে অতিরিক্ত খাইয়ে তাড়াতাড়ি ওজন বৃদ্ধির কথা চিন্তাও করা যাবে না ,,এতে পেট ফেঁপে মেষ বা ভেড়ার মৃত্যুর কারণ হয়ে যেতে পারে,,,।তাই পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে ও বায়োসিকারীটি মেনে চলতে হবে।

মেষ বা ভেড়ার খামারে নিয়মিত ভেষজ ব্যবহার জোরদার ও নিয়ম মেনে টিকা প্রদান করলে , রোগ বালাই হয় না বললেই চলে,,আমি নিজেই আফ্রিকান মেষ বা ভেড়া পালন করি।যদিও দেশি ভেড়ার মত অনেক গুলো বাচ্চা দেয় না ,প্রতি বার ১টা করে বাচ্চা দেয়।কিন্তু এই একটা বাচ্চাই দেশি বা গারোল ভেড়ার ৫ টা বাচ্চার সমান।।জন্ম থেকে অধিক ওজনের অধিকারী হয় এবং খুব দ্রুত এদের ওজন বাড়ে যেন মনে হয় ভেড়ার রূপে গরুর ওজন। দেখতে যেমন আকর্ষণীয় ,এর মাংসও তেমনি সুস্বাদু।
আফ্রিকান মেষ বা ভেড়ার সাথে দেশি ভেড়ার ক্রস করা সম্ভব হয় না কারণ ,দেশি ভেড়া লোড নিতে পারে না।অপর দিকে গারোলের সাথে ক্রস করানো সম্ভব ,,ভালো ফলই পাওয়া যায়।

নিজের স্বল্প জ্ঞান ও জানা থেকে লেখার চেষ্টা করেছি ,,,ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য অনুরোধ করছি।।

🌱🌱🌱Accept nature’s gift ,, be and keep healthy🕊️🕊️🕊️🕊️🦋🦋🦋

Compiled and originated by
Joya K Ahmed

Please follow and like us:

About admin

Check Also

মহিষ পালন

মহিষ পরিচিতি ও পালন

মহিষ অন্যতম গৃহপালিত স্তন্যপায়ী। মহিষ মুখ্যত উত্তর গোলার্ধের এক প্রজাতি এবং চেহারায় গরুর সঙ্গে কিছুটা …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Translate »
error: Content is protected !!