মোটাতাজাকরনের জন্য কেমন #ছাগল-ভেড়া নির্বাচন করা উচিৎ

#মোটাতাজাকরনের জন্য কেমন #ছাগল-ভেড়া নির্বাচন করা উচিৎ

ছাগল-#ভেড়া মোটাতাজাকরন যেমন লাভজনক ব্যবসা। আবার সঠিক ভাবে করতে না পারলে লসে পড়তে হবে যে এটাই চরম সত্য। মোটাতাজাকরনের জন্য আপনি কোন খামার বা বাজার যেখান থেকেই পশু ক্রয় করেন না কেন আপনাকে অবশ্যই নিম্নলিখিত বিষয়গুলির উপর জোর দিতে হবে বিশ্বাস করে #নাজ ফার্ম ।

স্বাস্থ্য: ইতোমধ্যে মোটাতাজা পশু যেমন এই ব্যবসার জন্য সঠিক না। আবার একেবারে জীর্ন শীর্ণ পশু থেকেও ভাল কিছু আসবে না। কারন একেবারের হাড্ডিসার পশুকে মোটাতাজা করতে অনেক সময় ও চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। অনেক সময় ভাল হয় না এবং তা ব্যয়বহূল ও কষ্টসাধ্য। তবে ভাল ও সঠিক পশু চেনার ক্ষেত্রে খেয়াল করতে হবে- পশুর নাকের পাশ ভেজা ভেজা আছে কিনা, পশম মসৃন ও পশুর চঞ্চলতা আছে কিনা। বাজার থেকে পশু ক্রয়ের ক্ষেত্রে ছোট্ট একটা টিপস। আপনার যে পশুটি পছন্দ হয়েছে, তার ক্রয়টা চুড়ান্ত করার পূর্বে অপেক্ষা করতে থাকুন পশুটি যতক্ষণ না প্রশাব-পায়খানা করে। প্রশাব-পায়খানা স্বাভাবিক হলেই ক্রয় করুন। কেননা পশু ভাল থাকলে তার প্রশাব-পায়খানা স্বাভাবিকভাবেই হবে।

দেহকাঠামো: পশুর দেহের আকার বা কাঠামো মোটাতাজাকরনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারন অন্য সব এক হলেও কোন পশু যদি লম্বায় এক ইঞ্চি বড় হয় তার মাংশ কমপক্ষে এক কেজি বেশি হবে। তাই আকারে লম্বা ও দেহ বড় পশুকে মোটাতাজাকরনের জন্য নির্বাচন করতে হবে।

জাত: মোটাতাজাকরনের জন্য সঠিক জাত নির্বাচনের কোন বিকল্প নেই। কোন কোন জাত আছে দ্রুত বাড়ে আবার কোন কোনটা বাড়ে না। তাই সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। ছাগল-ভেড়ার ক্ষেত্রে সাধারনত যে জাতগুলি তুলনামূলক ঘন ঘন এবং বেশি বাচ্চা দেয় সে জাত দ্রত বাড়ে না। যদিও বোয়ার বা কালাহারির ক্ষেত্রে এর ভিন্নতা দেখা যায়। কারন এই ব্রিডগুলি সেভাবেই তৈরী করা হয়েছে। তাই মোটাতাজাকরনের জন্য দেখতে হবে যে জাত একটু সময় নিয়ে বাচ্চা দেয় এবং কম বাচ্চা দেয় সে রকম জাতের পশু ক্রয় করা বা খামারে তৈরী করা মোটাতাজাকরনের জন্য।

রং: পশু ক্রয়ের ক্ষেত্রে রং একটা অন্যতম ফ্যক্টর। যেমন কোরবানির সময় মানুষ ভাল রং খোঁজে। তাই বাস্তবতার সাথে তাল রেখে বিশেষ বিশেষ রং যেমন কালো, লাল ইত্যাদি নির্বাচন করতে হবে।

লিঙ্গ: পশু পুরুষ হবে না স্ত্রী হবে তা মোটাতাজাকরনের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কারন পুরুষ স্ত্রী পশুর থেকে দ্রুত বাড়ে। তাছাড়া যে পশুর আগে ম্যাচিউরিটি আসে তার গ্রোথ কম হয়। তাছাড়া বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য সবাই পুরুষ/খাসি পশুকেই বেশি পছন্দ করে। তাই দেরিতে ম্যাচিউরিটি আসে এমন পশুকে মোটাতাজাকরনের জন্য নির্বাচন করতে হবে।

বয়স: ছাগল-ভেড়া সব সময় এক রকম বাড়ে না। জন্মের প্রথম তিন মাসে খুব দ্রুত বাড়ে। পরের তিন মাসে গ্রোথ কিছুটা কমে যায়। ৭-১২ মাস পরযন্ত গ্রোথ আরো কমে যায়। কিন্তু মোটাতাজাকরনের জন্য বেশ কিছু দিক বিবেচনা করতে হয়। যেমন-কোরবানির জন্য কমপক্ষে ১ বছর বয়সের পশুকে সবাই নির্বাচন করতে চায়। তাছাড়া আমাদের দেশের মানুষ চর্বিযুক্ত মাংস কিনতে পছন্দ করে। আর ছাগল-ভেড়ার চর্বি শুরু হয় সাধারনত ১২ মাস বয়সের পর থেকে। তাই মোটাতাজাকরনের জন্য পশুর বয়স ১২ মাসের অধিক হতে হবে।

Collected From Naz Farm

Scroll to Top