Breaking News
মাংস ও দুধ উৎপাদনকারী গরু
মাংস ও দুধ উৎপাদনকারী গরু

‘বীফ ক্যাটেল’ বা ‘মাংসের গরু’ এবং দুধ উৎপাদনকারী গাভী

১ঃ ‘বীফ ক্যাটেল’ বা ‘মাংসের গরু’ কাহিনীঃ

পৃথিবীর সব জায়গাতেই গরু পালন দুই প্রকারঃ-
১. দুধের গরু পালন (Dairy Farming) ও
২. মাংসের গরু পালন (Beef Cattle Farming)।

কিন্তু আমাদের দেশে অজ্ঞাত কারনে গরু পালন দুই প্রকারঃ-
১. দুধের গরু পালন (Dairy Farming) ও
২. গরু মোটাতাজাকরণ (Beef Fattening)।

তো এই ‘মোটাতাজাকরণ’ বা ‘Fattening’ শব্দটাই একটা নেতিবাচক (negative) শব্দ।

শুনলেই মনে হয় এর মাঝে দুই নম্বুরী আছে। আর আমাদের দেশের খামারীরা এই “মোটাতাজা” শব্দটা শুনে উৎসাহিত হয়ে গরু ইচ্ছেমতন মোটা বানান- তাতে চর্বির পরিমান যতই বাড়ুক না কেন কারও কোন ভ্রুক্ষেপ নেই।

কোন কোন খামারীতো নীতি-নৈতিকতার মাথা খেয়ে গরুকে গ্রোথ হরমোন ও স্টেরয়েড ইঞ্জেকশন দিয়ে ফুলিয়ে ফেলেন।

যারা এগুলো করেন তারাও কিন্তু আমাদের এই কমিউনিটিরই লোক- আমরা চাইলেও তাদের খামারী পরিচয়কে অস্বীকার (disown) করতে পারব না।

এই যে অতি চর্বিযুক্ত মাংস তা যে কতটা ক্ষতিকর- বর্ণনা করলে আৎকে উঠবেন।

মোটাতাজাকরণ কি?

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন- বাজার থেকে দেখে শুনে হাড় জিরজিরে শুকনা কিন্তু হাড্ডিমোটা গরু কিনে এনে সেগুলো তিন মাস- ছয় মাস মেয়াদে ইউ. এম. এস. বা মোলাসেজ ব্লক আর ঘাসের সাথে ফ্যাট সমৃদ্ধ দানাদার খাদ্য খাওয়াতে হবে।

এরপর বাজারে বেচে দিতে হবে। তো- বাজারে এত বিপুল সংখ্যক শুকনা গরু কোত্থেকে আসবে বা কে সাপ্লাই দিবে সে ব্যাপারে কারো কোন বক্তব্য নেই- বিশেষজ্ঞরা নিশ্চুপ।

আর নতুন খামারীরা দুধের দিকে না ঝুকে যদি মাংসের দিকে আসতে চান- তখন বিপুল বইপত্র-আর্টিকেল ঘেটে শুধু “মোটাতাজা” শব্দটাই খুঁজে পান আর বাজারে শুকনা গরু না পেয়ে মোটা গরুই কিনে এনে আরও মোটা করার চেষ্টা করেন আর মাস শেষে শুধু লসের হিসাব করেন।

ভাই, সঠিক পথে আসেন- ‘মোটাতাজাকরন’ বিশাল বিফ ইন্ডাস্ট্রির একটা টোটকা ফর্মুলা বা সাইড ব্যবসা মাত্র।

এটিতে ভাল করতে হলে- ১. কম মূল্যে শুকনা গরু, ২. কম মূল্যে খাদ্য আর ৩. বেশি মূল্যে মাংস বিক্রি— এই তিনটি শর্ত দরকার।

কিন্তু বর্তমান বাজারে তিনটি শর্তই অনুপস্থিত। আর ইন্ডিয়ান গরুর অত্যাচার এদেশে ইয়াবার মত কখনই বন্ধ হবে না।

ওরা গরু খায় না- তাই ওদের গরু সস্তা। আমরা খাই- তাই চাহিদা বেশী। অর্থনীতির ফর্মুলাকে আপনি বিধি-নিষেধ, কোটা আর গায়ের জোরে বা গলার জোরে অস্বীকার করতে পারবেন না।

যেখানে চাহিদা আছে (demand) সেখানে যোগান (supply) হয়ে যায়, বৈধ-অবৈধ ব্যাপার না।

“Where there is demand, there will be supply.”

অতএব মোটাতাজাকরন ফর্মুলা এখন অচল। তারপরেও অনেকে মোটাতাজাকরন করে লাভবান আছেন এবং থাকবেন- এর কারন দুটিঃ

একঃ- অতিদক্ষ খামারীঃ-

সার্কাসের আর্টিস্ট কিন্তু দড়ির উপর দিয়ে হাঁটতে পারেন আর এক চাকার সাইকেল চালান- তো আপনি কি সেটা পারবেন?

১০০ জন লোকে ১০-২০ বছর লেগে থাকলে ৫ জন হয়তো অতীব দক্ষ হয়ে উঠবেন।

কিন্তু এটি তো নতুন ও সর্বসাধারণের জন্য অনুসরণীয় পথ হতে পারে না।

দুইঃ-

এমন খামারী যার এলিট ভোক্তাশ্রেণী আছেঃ- অর্থাৎ মাংসের কেজি কত পড়ল সেটা ব্যাপার না- সুন্দর সুস্বাস্থের গরু তৈরি করলে এই ভোক্তারা সেটি নিলাম ডাকের মত কিনে নেন- শখ করে।

তো এরূপ ভোক্তাশ্রেণী তৈরি করা খুব কম খামারীর পক্ষেই সম্ভব।— অতএব এটিও নতুন খামারীর অনুসরণীয় পথ হতে পারে না।

তাহলে যারা মাংসের গরু পালতে চান তারা কি করবেন???

এই প্রশ্নের উত্তর দেয়া সহজ না। এরপরও চেষ্টা করছিঃ-

১। প্রথমেই দেশী গরুকে বাদ দিন। ছোট প্রান্তিক কৃষক নিজ বাড়িতে একটা-দুটো দেশী গরু পালেন- তাকে পালতে দিন।

পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিতে তো আমরা দেশী মুরগীকে ঘাটাই না। দেশী গরুতে ব্যবসায়িক খামার হবে না।

২। অনেকে হয়তো বলতে পারেন- শুকনো গরু না কিনে বাছুর কিনে বড় করলেই তো হয়।

এখানেও দুটি সমস্যাঃ-

একঃ- বিশ কেজি মাংসের বাছুর যখন আপনি চল্লিশ হাজার টাকায় কেনেন- তো কেনার সময়ই তো কেজি পড়ল দুই হাজার টাকা-

অতএব লাভ করার জন্য অতিদক্ষতার প্রয়োজন পড়বে- যেটি নতুনদের জন্য চ্যালেঞ্জিং।

দুইঃ- যেহেতু দীর্ঘদিন- ১.৫/২ বছর পালতে হবে তাই অনেক খরচ হবে।

ফিনিশড গরুর সাইজ তাই বেশি বড় না হলে ভাল দাম পাওয়া যাবে না।

তো কোন বাছুরটি কতখানি বাড়বে এটি আপনি শুরু থেকেই কিভাবে বুঝবেন?

এখানেও অতিদক্ষতার প্রয়োজন পড়ে যায়। আর বাছুরটি ছোট থাকতেই যদি বোঝা যায় এটি বাড়বে—

তবে তার দাম তো ৫০-৬০ হাজার চেয়ে বসে থাকবে। তখন কি করবেন???

৩। অতএব মাংসের গরুতে আসতে হবে এমন খামারীকে যিনি ১-২-৩ বছর লাভ না পেলেও খামার ধরে রাখতে পারবেন।

এবং শুরুটা করতে হবে অবশ্যই শাহীওয়াল ক্রস দিয়ে।

দেশীয় গরু দিয়ে করলে পিছিয়ে থাকবেন। বাজার থেকে কিনে আনুন বেশ কিছু শাহীওয়াল ক্রস- আর তাতে দিন ভাল মানের শাহীওয়ালের ১০০% সিমেন।

এবার যে বাচ্চাগুলো পেলেন তার মধ্যে ষাড় গুলোই আপনার কাংখিত মাংসের গরু- আর বকনাগুলোর ভবিষ্যত

দুইটিঃ-

একঃ- এগুলো ভবিষ্যতে আপনার খামারের মা গাভী হয়ে উঠবে এবং আপনি না চাইলেও বেশ কিছু ভালমানের দুধ পাবেন (৫-৭) লিটার।

দুইঃ- শাহীওয়াল-হলস্টিন এর ক্রস যে কতটা ভাল- এ নিয়ে মানুষ সচেতন হয়ে উঠছে।

তাই শাহীওয়াল বকনাগুলো আপনি ডেইরী খামারীদের কাছে ভাল দামে বেঁচতে পারবেন।

আর যদি সুন্দরভাবে রেকর্ড রাখেন ও বিক্রয়ের সময় ছবি, সিমেন-স্ট্র সহ সঠিক রেকর্ড ক্রেতার হাতে ধরিয়ে দিতে পারেন- তাহলে তো সোনায় সোহাগা।

৪। শাহীওয়ালের পার্সেন্টেজ ইনব্রীডিং বাঁচিয়ে ইচ্ছামত বাড়ান।

এটা জেবু জাত। প্রায় ১০০% এর কাছাকাছি নিয়ে যান- কোন সমস্যা নেই।

হাই পার্সেন্টেজ শাহীওয়াল ষাড়গুলো এক একটা টাকার খনি। দেখতেও বাদশাহের মত! আর গাভীতে দেখবেন ৮-১০ লিটার উচ্চ ফ্যাটযুক্ত দুধ চলে আসছে।

একবার কাউকে এই দুধ খাওয়াতে পারলে সে শুধু এটাই খুঁজবে। শাহীওয়ালের দুধ খেয়ে দেইখেন ভাই- অমৃত- অমৃত!!!

আর গাভীগুলো ১৫-২০ বছর প্রজননক্ষম থাকে। বাচ্চা উৎপাদনের ফ্যাক্টরী বলা যায়!!!

৫। আপনি যেকোন মুহূর্তে দুধের দিকে ঝুকতে চাইলে আপনার সবচেয়ে ভালমানের শাহীওয়াল গাভিগুলোতে দিয়ে দিন সর্বোচ্চ ভালমানের ১০০% হলস্টিনের সিমেন- পেয়ে যাবেন মনের মত (৫০%+৫০%) দুধের গাভী।

ষাড়গুলোও হবে তেজী ঘোড়ার মত।

৬। যেহেতু প্রথম দিকটায় ২/৩ বছর আপনার আয় আসবে না তাই খরচের লাগামটা ধরে রাখতে হবে “যুদ্ধরথের সারথী”র মত।

ভুট্টার সাইলেজ ( মিল্কিং স্টেজের) আর দানাভুট্টার সুজির মত গুড়াকে করতে হবে প্রধান খাদ্য।

অন্যান্য দানা খাবার সীমিত করতে হবে। পুষ্টিবিদেরা যতই কুড়া-ভুষির সুনাম করুক- দাম যাচাইয়ের কষ্টিপাথরে উত্তীর্ণ না হলে- উচ্চমূল্যের খাদ্য খাওয়াবেন না। সাবধান – খবরদার!!!

ভয় পাবেন না ভাই- শাহীওয়ালে রোগ বালাই অনেক কম, খাদ্য-ঘাস-সাইলেজ চলবে ওজন অনুযায়ী।

৭। খেয়াল করে দেখবেন- আমি ডুয়াল পারপাস গরুর এ্যাডভোকেসি (ওকালতি) করছি।

আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে আপনি মাংসের নৌকায় উঠতে চাইলে- দুধের নৌকাটাও পাশে বেঁধে নিয়ে চলতে হবে।

যখন দরকার পড়ে যাতে উঠে যেতে পারেন।

অনুরূপভাবে, আমরা যারা ডেইরী খামারী আমরাও তো ষাড় বাচ্চা বড় করি আর রিজেক্ট গাভী কসাইকে দেই।

তার মানে আমরাও কিন্তু দুধমুখী হলেও মাংস ছাড়া না।

৮। আমরা অনেকেই নতুনদেরকে প্রথমে মোটাতাজাকরন এর কথা বলি আর তারপর দুধের গরুতে আসতে বলি।

তো ভাই, মোটাতাজাকারী খামারী গাভীর হীট ডিটেক্ট, সিমেন দেয়া, বাচ্চা পালা, দুধ বেঁচা কিছুই তো শিখলো না- খালি মোটাই করল!!! কাঠমিস্ত্রির সহযোগী হয়ে কিভাবে পরে ভাল রাজমিস্ত্রি হওয়া যায়- এইটা আমার বুঝে আসে না।

এরূপ পরামর্শ দেয়াটাকে আমার কাছে “চিকনে বাঁশ মেরে দেয়া”র মত মনে হয়।

৯। এদেশে যে বিশেষজ্ঞ ‘বেলজিয়ান ব্লু’ নিয়ে প্রতিবেদন করেছে- তার বিশেষ অজ্ঞতার প্রশংসা না করে পারা যায় না!!!

কেবলমাত্র ‘বেলজিয়ান ব্লু’ শব্দটা উচ্চারণ করেই তিনি মহাপাপ করেছেন।

যে গরুর প্রতিটা বাচ্চাই সিজার করে (Cesarean Section) বের করতে হয়- অমন গরুর কথা মুখে আনাও পাপ।

‘Calving Ease’ বা ‘সহজে প্রসব’ নিয়ে সবাই যখন চিন্তায় বিভোর তখন এরুপ সিজারওয়ালা গরুর কথা উচ্চারণ করল কিভাবে???

ব্রাহমা (সঠিক বানান ব্রহ্ম), মাংসের গীর (দুধের গীর নয়- এর সিমেন পাওয়া যায় না), অ্যাংগাস, বীফমাস্টার প্রভৃতি শুধু মাংসের গরু পালতে হলে অতি উচ্চমানের হার্ড ম্যানেজমেন্ট (Herd Management বা গরুর পাল ব্যবস্থাপনা) দরকার।

সেই সাথে দরকার চারনভূমি আর বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ। আমাদের দেশে তা সম্ভব নয়।

আর এদেশে আপনি মার্বেলিং (marbling) যুক্ত প্রিমিয়াম মাংস তৈরি করলেও অতিরিক্ত কোন দাম পাবেন না।

শখ করে ব্রাহমা, মাংসের গীরের যথেচ্ছা ব্যবহারে আমাদের ডেইরী শিল্প হুমকির মুখে অলরেডি পড়েছে।

অতএব ব্রাহমা থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে নিন- এটা মুক্তির পথ নয়। যতটুকু শ্রম-অর্থ বিনিয়োগ করে ৭৫% বা ৮৭.৫% ব্রাহমায় যাবেন (যেগুলো দৈনিক এক কেজি বাড়ে বলে প্রচার করা হয়) তার সমান অর্থ-শ্রম বিনিয়োগ করে শাহীওয়াল, হলস্টিন থেকে বেশি আয় পাবেন (দুধ, মাংস দুটোই)।

ব্রাহমার বকনায় লাভ নেই- শাহীওয়াল, হলস্টিনে- ষাড়, বকনা সবটাতেই লাভ।

তো, ভাই, আমার দেখানো পথেই আপনাকে হাঁটতে হবে- এমনটি নয়। তবে মূল কথাটি বোঝার চেষ্টা করুন।

ডুয়াল পারপাস কেন্দ্রীক চিন্তা করুন- এখানে সৃজনশীলতা দেখান।

এমনিতেই লো-কোয়ালিটি সিমেন, ইনব্রিডিং ইত্যাদি অত্যাচারে ডেইরী শিল্পের অবস্থা খারাপ- তার উপর ব্রাহমা এনে ভরালে ডেইরীর বারোটা বেজে যাবে।

‘একলা চল’ নীতি পরিহার করে সামগ্রীক ইন্ডাস্ট্রির কথা ভাবুন— তাতে “শেষ ভাল” আপনারই হবে।

ফেসবুক থেকে নেয়া

দুধ উৎপাদনকারী জাত

পৃথিবীতে প্রায় ৮০০ এরও বেশি ডেইরি ব্রিড আছে।চলুন জেনে নেই দুধ প্রদানে পৃথিবীর শীর্ষ ১০ টি ডেইরি ব্রিডের সল্প কিছু তথ্যঃ

১.হলিস্ট্রিন ক্যাটল ব্রিড( Holestein breed)
অরিজিনঃ নেদারল্যান্ড
বার্ষিক গড় দুধ উৎপাদনঃ ৩২,৭৪০ কেজি

২. নরওয়েযিয়ান রেড ক্যাটল ব্রিড( Norwegian Red breed):

অরিজিনঃ নরওয়ে
বার্ষিক গড় দুধ উৎপাদনঃ ১০,০০০ কেজি

৩.কশট্রোমা ক্যাটল ব্রিড( Kostroma breed)

অরিজিনঃ রাশিয়া
বার্ষিক গড় দুধ উৎপাদনঃ ১০,০০০ কেজি

৪.ব্রাউন সুইস্ ক্যাটল ব্রিড( Brown Swiss breed)

অরিজিনঃ সুইজারল্যান্ড
বার্ষিক গড় দুধ উৎপাদনঃ ৯০০০ কেজি

৫.সুইডিশ রেড ক্যাটল ব্রিড( Swedish Red breed)

অরিজিনঃ সুইডেন
বার্ষিক গড় দুধ উৎপাদনঃ ৮০০০

৬. আইশিয়ার ক্যাটল ব্রিড(Ayrshire breed)

অরিজিনঃ স্কটল্যান্ড
বার্ষিক গড় দুধ উৎপাদনঃ ৭৮৩১ কেজি

৭.এন্জেলন ক্যাটল ব্রিড( Angeln breed)

অরিজিনঃ এন্জেলিন
বার্ষিক গড় দুধ উৎপাদনঃ ৭৫৭০ কেজি

৮. গ্রোয়ান্সি ক্যাটল ব্রিড(Guernsey breed)

অরিজিনঃ গ্রোয়ান্সি
বার্ষিক গড় দুধ উৎপাদনঃ ৭৩৬৩ কেজি

৯.মিল্কিং সর্ট হর্ন ব্রিড( milking shorthorne breed)
অরিজিনঃ ইংলেন্ড
বার্ষিক গড় দুধ উৎপাদনঃ ৭০০০ কেজি

১০. পাই রোজ্ ডেস প্লেইনস ক্যাটল ব্রিড( pie Rouge des breed) :

অরিজিনঃ ফ্রান্স
বার্ষিক গড় দুধ উৎপাদনঃ ৬৯০০ কেজি

চলুন এক নজরে ছবিতে এদের বাহ্যিক রূপ দেখে নিই,,,,

ধন্যবাদান্তে
ডাঃ আজহার

Please follow and like us:

About admin

Check Also

ক্রস এবং অরিজিনাল ফ্রিজিয়ান গাভী চিনার কিছু সহজ উপায় :

ক্রস এবং অরিজিনাল ফ্রিজিয়ান গাভী চিনার কিছু সহজ উপায় : ………………………………………………………… শ্রদ্ধেয় নতুন খামারী ভাইয়ারা …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Translate »
error: Content is protected !!