প্র্যাক্টিসের ধারাবাহিকতা এবং কৌশলঃ পোল্ট্রি সেক্টরে কে কি কাজ করলে সেক্টরের পরিবর্তন আসতে পারে।।

প্র্যাক্টিসের ধারাবাহিকতা এবং কৌশলঃ

প্র্যাক্টিসের  ১ম বছর  দেখতে দেখতে যাবে,কি কি রোগ হয় ,কে কিভাবে ডায়াগ্মোসিস করে এবং চিকিৎসা করে তা জানার চেস্টা করতে হবে।প্রডাক্টস গুলোর নাম ,ডোজ ,কোন রোগ ভাল হতে কত দিন লাগে,কোন রোগে কেমন মারা যায়,কোন স্পিসিসের উপর জোর দিতে হবে,খামারী , ডিলার এবং এম আরদের ভূমিকা জানতে হবে।অনলাইনে বিভিন্ন গ্রুপে নজর রাখবে,ব্লগ বা বই পড়তে হবে। প্রতিদিনের প্যাক্টিস করতে গিয়ে যেসব  রোগ এর চিকিৎসা করতে হয় তার বিস্তারিত জানার চেস্টা করতে হবে।।

২য় বছর  চিকিৎসা এবং ব্যবস্থাপনা অনেকটা সহজ হয়ে যাবে,ডিফারেনশিয়াল ডায়াগ্নোসিস শিখবে,হিস্ট্রি নিয়ে রোগ নির্ণয় করার কৌশল শিখবে।

৩য় বছর একটা অর্গান বিভিন্ন রোগের জন্য একই লেশন হয় তবু কিছু কিছু পয়েন্ট দেখে আলাদা করার চেস্টা করবে যা খুবই কঠিন।

যেমন প্রভেন্টীকোলাস দেখে ১০টি রোগ বুঝা যায়,আবার লিভার দেখে ২০টি রোগ বুঝা যায়।

৪র্থ বছরঃক্লিনিকেল লক্ষণ এবং পায়খানা দেখে রোগ নির্ণয় করার কৌশল জানার চেস্টা করতে হবে।এটা অতি দক্ষ না হলে সম্বব না।বেশি বেশি প্যাক্টিসে সুযোগ থাকতে হবে এবং পর্যবেষণে রাখতে হবে যা কঠিন।এই সময় রোগ থেকে প্রোগ্নোসিস করতে হবে।

৫ধাপ কেউ যদি কয়েক টি স্পিসিস নিয়ে প্যাক্টিস করে তাহলে আলাদা করে সব রোগ জানতে হবে, ব্যবস্থাপনা এবং চিকিৎসা দিতে হবে।

৬তম ধাপ কন্টিনিউ এডুকেশন ফর আপডেট।

###চেম্বারের দিকে ফিরে আসা

ক।১ম দিকে বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন কোম্পানীতে বা নিজের এলাকায় প্যাক্টিস করতে হবে।

খ।পরে নিজ জেলায় প্যাক্টিস করা যায় এবং বিভিন্ন ডিলারের দোকানে সময় দেয়া যায়।এতে সহজে সব ,ভ্যাক্সিন ও  মেডিসিনের নাম ,ডোজ,দাম শিখা যায় এবং মার্কেটে কাজ করা সহজ হয়।কারণ ডিলারের দোকানে সব আইটেম থাকে।

গ।পরের ধাপে নিজের দক্ষতা এবং গ্রহণ যোগ্যতা ও চাহিদা বাড়লে নিজেই চেম্বার এবং ল্যাব বা শুধু চেম্বার দিতে হবে।

চেম্বারের পাশাপাশি ফার্ম ভিজিট করতে হবে।

ঘ.৪থ ধাপে শুধু চেম্বারে থাকবে ,ইমার্জেন্সি না হলে বাহরে যাবে না।

শেষ ধাপঃ

নিজেকে সমাজে ভেট ডাক্তার হিসাবে নিজেকে  পরিচিতি বাড়াতে হবে।ভাব গাম্ভির্যের সহিত চলতে হবে।প্রয়োজনে সুন্দর বাড়ি,গাড়ি কিনতে হবে,পোশাক এবং চাল চলনে স্ট্যার্ডাড বজায় রাখতে হবে।হিউম্যান ডাক্তারের চেয়ে ভেট ডাক্তার মূল্যায়ণ কম না এমন কি বেশি ।

অনেকেই লাখ লাখ টাকা ইনকাম করে কিন্তু প্রকাশ নাই।এতে সমাজে আমরা এখনো অবহেলিত থাকি।

সমাজের বড় বড় প্রোগ্রামে যেতে হবে ,টাকা পরসা খরচ করতে হবে।আল্লাহ টাকা পরসা শুধু নিজের কাজে লাগানোর জন্য বলে নাই।মাঝে মাঝে   দান এবং সহযোগিতা করতে হবে।

সব সময় ভাব নিয়ে চলতে হবে,সস্তা বানানো যাবে না।

স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী কাজ করলে ইনকাম একটু কম হবে সবাই ঢাকবে না কিন্তু এভাবেই চলতে হবে নিজের সম্মান নিজকেই তৈরি করতে হবে।।

নোটঃ শিক্ষার ক্ষেত্রে আমরা ওয়ান টাইম সমাধানের চেস্টা করি কিন্তু এটা ঠিক না।আমরা কিস্তিতে চলি মানে একটা সমস্যা হলে শুধু সেটাই জানার চেস্টা করি কিভাবে স্থায়ী সমাধান পাওয়া যায় সেটা ভাবি না।যদি উদাহরণ দেই তাহলে সহজ হবে আমরা বাজার থেকে ফল কিনে খায় যদি এমন হয় নিজেরা গাছ লাগাবো ,এতে আর ফল কিনতে হবে না।আমাদের শিক্ষা হবে সে রকম ।যাতে একটা কিছু শিখার পর এই রিলেটেড সমস্যার কারোর সহযোগিতা না লাগে।শিক্ষার কোন শেষ নাই সারা জীবন শিক্ষতে হয় তবু ভিত্তি টা হতে হবে পাকা।

কোন কিছু ১০০% না বা ফিক্সড না ।আমি আপাতত একটা ধারণা দিলাম।আমি ব্যাক্তিগত ভাবে এই সিস্টেমে চলার চেস্টা করি।

তবে একেক জনের একেক দিক ভাল থাকে তাই সব কিছু সবার মত হবে না।আমারও কিছু সীমাবদ্ধতা আছে।তাই একেক জন একেক ভাবে নিজেকে তইরি করবে ।তাই কাউকে সব দিক দিয়ে অনুসরণ করলে হবে না ।নিজের যোগ্যতা/কৌশল  দিয়ে অনেক ভাল কিছু করা যায়।তবে বিষয়গুলিকে মাথাই রেখে কাজ করলে সহজ হবে।

তবে যদি প্যাক্টিসের আগে এক্টা ট্রেনিং নেয়া যায় তাহলে খুব সহজ হয়ে যাবে।অনেক সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।প্রশ্নের উত্তর দিতে কস্ট হবে না।ফল কিনে খেতে হবে না গাছ থেকে যখন যা প্রয়োজন পেড়ে খাওয়া যাবে।

পোল্ট্রি সেক্টরে কে কি কাজ করলে সেক্টরের পরিবর্তন আসবে।

১।ভার্সিটি

ভার্সিটির টিচারকে যার যার সাব্জেক্ট অনুযায়ী প্যাক্টিস করতে হবে এবং ছাত্রদের সেভাবেই গাইডলাইন দিতে হবে,ফিল্ডে কি কি রোগ বেশি বা কম হয়,নতুন কি রোগ হচ্ছে।ইমার্জিং কি কি রোগ আসতেছে তা শিখাতে হবে।ক্যাম্পাসে এখনো এমন ডিজিজ শিখানো হচ্ছে যা বাস্তবে এখন আর দেখা যায় না।অনেক কিছুই হালনাগাত নাই।ফিল্ড অরিয়েন্ট বিষয়ের বেশি জোর দেয়া উচিত।তাছাড়া ব্যবস্থপনাও হাল নাগাত নাই যা দিয়ে ফিল্ডে কাজ করা যায়।এতে ভেটকে ফিল্ডে গিয়ে মান সম্মান দিয়ে শিখতে হচ্ছে।

ক্যাম্পাসে পেট এনিম্যাল,স্মল এনিম্যাল,লার্জ এনিম্যাল,পোল্ট্রির সেড থাকতে হবে,সেখানে এগুলোর লালন পালন হবে,অসুস্থ হবে,পোস্ট মর্টেম হবে,রোগ নির্ণয় হবে,টেস্ট হবে, চিকিৎসা হবে,প্রোগ্নোসিস হবে। চিকিৎসা হবে,ফিড ব্যাক জানা যাবে,মর্বিডিটি ও মর্টালিটি জানা যাবে।

শিক্ষককে ছাত্রদের এমনভাবে শিখাবে যাতে ছাত্রদের চাকরি হোক বা না হোক নিজেই ভাল প্যাক্টিশনার্স হতে পারে।

ইন্টার্নী খুব গুরুত্বপূর্ণ।এই সময় অনেক কিছু শিখার সুযোগ থাকে।

জটিল বিষয় গুলোর মনে রাখার সহজ পদ্ধতি বানিয়ে শিখাতে হবে।

প্যথোজেনেসিস গুলো এমন ভাবে শিখাতে হবে যাতে লক্ষণ,পোস্ট মর্টেম এবং চিকিৎসা শিখা হয়ে যায়।

লার্জ এনিম্যাল এবং স্মল রুমিন্যাট এর ক্ষেত্রে সাব কাট,আই এম ও আই ভি ইঞ্জেকশন দেয়াটা অবশ্যই জানতে হবে।

মুখস্ত করে মনে রাখার সিস্টেম থেকে বের হয়ে আসতে হবে।আনন্দে এবং গল্পের সাথে শিখতে হবে।

প্যাক্টিকেল নলেজ না থাকার কারণেই অনেকে প্রাইভেট প্যাক্টিস করতে চায় না।এটাই সত্যি।

২।সরকারী ভেট

সরকারী চাকরি হলে কোয়াকদের পরিবর্তে এলাকার ভেটকে কাজে লাগাতে হবে যাতে প্যাক্টিস করতে পারে,প্রাইভেট ভেটদের ক্ষতি হয় এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকবে।লোকাল ভেট অবশ্যই আগে এগিয়ে আসতে হবে এবং ইচ্ছা থাকতে হবে।

বেসরকারী ভেটঃ

প্রাইভেট প্যাক্টিশনার্স ঃনবীন ভেটদের যথা সম্বব সাহায্য করবে,বিশেষ করে বুদ্ধি পরামর্শ,টেকনিকেল নলেজ।

নবীনভেেটঃ আগে ঠিক করতে হবে  তার জন্য কোন ধরণের চাকরি ভাল হবে,কেউ চুপচাপ পছন্দ করে সে ফার্মে ,সরকারী চাকরির সুযোগ থাকলে  চেস্টা করতে হবে।

যে স্বাধীনতা পছন্দ করে এবং নিজের মত করে চলতে চায়  এবং যদি প্যাক্টিকেল নলেজ ভাল থাকে তাহলে সে প্রাইভেট প্যাক্টিস করবে।

কারোর যদি আর্থিক সচ্ছলতা থাকে তাহলে সে ভেট ব্যবসা /উদ্যোক্তা হতে পারে।

টাকা না থাকলে কয়েকজন এক সাথে করতে পারে।তবে একা করলে ঝামেলা কম হয়।

আপাতত টাকা পয়সা কম থাকলে এবং প্যাক্টিকেল অভিজ্ঞতা কম থাকলে কয়েক বছর ফিড ,ফার্ম বা মেডিসিনে চাকরি করার পর প্যাক্টিস শুরু করলে ভাল হয় তবে ২-৫ বছরের বেশি চাকরি করা ঠিক হবে না।কারণ যত আগে নিজ এলাকায় যাওয়া যাবে তত আগে নিজের এলাকা কন্ডোলে চলে আসবে।

নিজ এলাকায় প্যাক্টিসের ক্ষেত্রে একটা সমস্যা হতে পারে যেমন বাড়ির গরু বাড়ির ঘাস খায় না তবে ইচ্ছা থাকলে এবং চেস্টা করলে পারা যায়।

ভেটদের প্যাক্টিসের জায়গা অনেক যেমন পোল্ট্রি,লার্জ ও স্মল রুমিন্যান্ট এনিম্যাল,পেট এনিম্যাল।

যার যেটা ভাল লাগে এবং যে এলাকায় প্যাল্টিস করবে সে এলাকায় কোন স্পিসিস বেশি সেটার উপর ভিত্তি করে চয়েস করতে পারে।যদি কোনটাই বেশি না থাকে তাহলে পোল্ট্রি এবং লার্জ এনিম্যাল এক সাথে প্যাক্টিস করবে।

নোটঃযারা প্রাইভেট প্যাক্টিস করতেছে তারা সবাই ভাল আছে।

বিভিন্ন কোম্পানী

কোম্পানীর ডাক্তারদের একটি চেম্বার করে দিবে বা ডিলারের এখানে বসার জায়গা থাকবে যেখানে মুরগি কাটা এবং প্রেস্ক্রিপশন করার  ব্যবস্থা থাকবে। এই প্রস্তাব বাংলদেশে আমিই ১ম করি ২০১৬-২০১৭ সালে ।

যদি ল্যাব করে দেয় ভাল, না করলেও সমস্যা নাই।

এতে এক ডাক্তার অনেক রোগী দেখতে পারবে,জীবণূ ছড়ানোর সম্বাবনা থাকবে কম।ডাক্তার দিনে বিভিন্ন থানায় দোড়াতে থাকে,এক ফার্ম থেকে অন্য ফার্মে,সাথে জীবাণূও ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন ফার্মে।

ডাক্তারের পরিশ্রম কম হবে,কোম্পানীর প্রতি আন্তরিকতা থাকবে,খামারী ভাল থাকবে।কোম্পানীর লাভ হবে।

এতে ডাক্তারকে সঠিক মূল্যায়ণ হবে ।.

৩।বিভিন্ন ফিড ও মেডিসিন এবং ভ্যাক্সিন কোম্পানীঃ

কোম্পানীগুলোকে ডাক্তারদের মূল্যায়ণ করতে হবে,শুধু ডিলার আর খামারী কে নিয়ে ভাবলে হবে না।

ডাক্তাররা শুধু টাকার জন্য না চাকরি করে না ,প্রেস্টিজ এবং সম্মানও থাকতে হবে।

অনেক কোম্পানীই আছে যারা ডিলার এবং খামারীর কথায় ডাক্তারকে অবমূল্যায়ণ করে।

বিভিন্ন রোগ ব্যধি বা সমস্যার সময় সব কোম্পানী এক সাথে মিলে ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিশেষ করে এ আই ,কলেরা,রানিক্ষেত,আই বি ডি টিকার ক্ষেত্রে সব কোম্পানী মিলে সহযোগিতা করে টিকা তৈরি করতে পারে,দেশের নিজস্ব স্ট্রেইন দিয়ে,এতে টিকার কার্যকারিতা ভাল হবে।

টেকনিকেল লোকদের প্রমোশন দিয়ে বা উপদেস্ট হিসেবে রাখতে হবে এতে ভেটদের চাকরি হবে পাশাপাশি পোল্ট্রি সেক্টরে ডাক্তারদের ট্রেইনিং দিয়ে দক্ষ করা যাবে।

৪। বি এল আর আই,এল আর আই

স্পিসিস অনুযায়ী  গবেষণা করতে হবে।আবহাওয়া অনুযায়ী লোকাল ব্রিডের উন্নয়ন বা নতুন ব্রিড তৈরি করতে হবে।অনেকে দেশেই তাদের নিজস্ব ব্রড আছে।এমন কি তারা শত শত কোটি টাকার ব্রীডের ব্যবসা করে বিভিন্ন দেশে রপ্তানী করে।

দেশের জন্য লোকাল স্ট্রেইন দিয়ে পর্যাপ্ত টিকা বানাতে হবে ।বিদেশী টিকা থেকে লোকাল টিকার ইফিকেসি বেশি।সারা পৃথিবীতে অধিকাংশ দেশই নিজেরা টিকা তৈরি করে।

৭।সি ডি আই এল

দেশে ইমার্জিং ডিজিজ বা নতুন কোন স্ট্রেইনের প্রাদুর্ভাব আছে কিনা তা প্রকাশ করলে ভাল হবে এবং করণীয় কি তা জানাতে  পারে।

৮।এফ ডি আই এল

দেশের সব জায়গায় এক সাথে এক রোগ বা নতুন রোগ দেখা যায় না।তাই দেশের বিভিন্ন জেলায় যেখানে এই ল্যাব রয়েছে তারা সেখানে টেস্ট করে বিভিন্ন ডিজিজের এপিডিমিওলোজি রিপোট সেন্টালী ঢাকায় পাঠিয়ে দিবে।যা দেখে দেশের বাস্তব চিত্র বুঝা যাবে এবং সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হবে।

৯।ডি এল এস

আমদানি রপ্তানী,আইন কানুনের ব্যাপার প্রাণী সম্পদের স্বার্থে কাজ করার যথেস্ট সুযোগ আছে।

যারা প্রাইভেট প্যাক্টিস করবে তাদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ কিভাবে তৈরি করা যায় সে ব্যাপারে কাজ করতে পারে।

ভেটদের  প্রতিকূলে কাজ না করে সেক্টরের অনুকূলে কাজ করতে হবে।

যাতে ভেটরা ভয় না পায় ।ডি এল এসের কাজ হবে উৎসাহ মূলক।

১০।বি ভি এ

বি বি এ সরকার এবং ভেটদের মাঝে সেতু বন্ধন হিসাবে কাজ করার সুযোগ আছে।ভেটদের সরকারী চাকরির সুযোগ বাড়ানোর ব্যাপারে এবং বে সরকারী বা প্রাইভেট ভেটদের সমস্যা নিয়ে ভাবতে পারে

১১।বি ভি সি

ডি ভি এম দের সিলেবাস নিয়ে কাজ করতে হবে এবং সবাইকে এক ডিগ্রি দিয়ে সবার মাঝের দ্বন্দ্ব দূর করতে পারে।সবাইকে এক ডিগ্রি দিলে কিছুটা সমস্যাও হবে তাই সে সমস্যা দূর করার জন্য উচ্চতর ডিগ্রির ব্যবস্থা করতে হবে।

সিলাবাস হালনাগাত করতে হবে।

১২।ডিলার

তারা শুধু খাবার বা মেডিসিন বিক্রি করবে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ীতে মুরগি বা প্রানী ভাল থাকলে তাদেরই মঙ্গল ।ব্যবসার ধারাবাহিকতা থাকবে।

১৩।খামারী

খামারীদের কাজ হবে ফার্ম করার আগে ডাক্তাররের সাথে যোগাযোগ করে ফার্ম করা ।দেশের অধিকাংশ ফার্ম ঠিক নাই।স্টাক্সারাল বায়োসিকিউরিটি ভাল না।

খামারীদের মাঝে অনেক ভুল ধারণা আছে যা দূর করতে হবে।তাদেরকে ভয় দেখাতে হবে যাতে ডাক্তার ছাড়া কিছু না করতে পারে।

বিশেষ করে চিকিৎসার ক্ষেত্রে।ব্যবস্থাপনার বিষয়ে অনেক কিছু জানাতে হবে।

যেমন গড় গড় শব্দ/শ্বাস নালীয় সম্যাস হলে আই বি, রানিক্ষেত, পুলোরাম, আই এল টি,এ আই ,মাইকোপ্লাজমোসিস এর যে কোন ১টা কারণ এ হতে পারে।

সাদা ডিমের ক্ষেত্রে গরম ,আই বি রানিক্ষেত,ই ডি এস,এ আই,সাল্মোনেলোসিস,্মাইকোপ্লাজমোসি এর যে কোন এক্টার জন্য হতে পারে।

সবুজ/নীল পায়খানার জন্য মাইকোটক্সিন,রানিক্ষেত,খাবার কম খেলে,কলেরা,এ আই। মোট কথা একটা রোগ যে বিভিন্ন কারণে হয় তা বলে মাথা ঘুরিয়ে দিতে হবে।

অনেক ডিলার ও খামারী ডাক্তারদের কথা সুনতে চায় না।তাই ডাক্তাররা তাদের খুশি রাখার জন্য অনেক কিছু করতে হয়।ডাক্তার যদি নিজের মত কাজ করে তাহলে কোন সমস্যা থাকার কথা না কিন্তু বাস্তবে তা হচ্ছে না।

১৪।ভ্যক্সিনম্যান

যারা ভ্যাক্সিন করে তারা অনেক ভুল করে তাই তাদের ট্রেইনিং এর ব্যবস্থা করতে হবে।সবচেয়ে ভাল হবে যদি ভেটরা এই কাজ করে।ভ্যাক্সিনম্যানের ইঙ্কাম ডাক্তাদের চেয়ে কম না।

ডাক্তার কাজ না করলেও সমস্যা নাই যদি ১/২/৩জন লোক কে ভ্যাক্সিন বা ঠোটকাটার  ট্রেনিং দিয়ে ফিল্ডে কাজ করালে তাদের বেতন বা কমিশন দিবে তবে তা নিজেদের লোক হতে হবে।বাহিরের লোক হলে চলে যাবে।

১৫।ডাক্তারদের এসোসিয়েশন

এসোসিয়েশন থাকলে সবার সাথে পরিচয় হয়,সম্পর্ক ভাল থাকে,মাঝে মাঝে টেকনিকেল বিষয় নিয়ে আলোচনা করলে লোকাল সমস্যা এবং বিভিন্ন  রোগ সম্পর্কে জানা যায়।

কেউ কোন সমস্যায় পড়লে সহযোগিতা করা সহজ হয়।

সব কোম্পাণি মিলে একটা টিভি চ্যানেল করতে পারে যেখানে শুধু পোল্ট্রি ও ডেইরী নিয়ে কথা হবে, অপপ্রচার ও গুজব দূর হবে।

কোন একটা পয়েন্ট হয়ত ভাল নাও হতে তবে সার্বিক দিক বিবেচনা করে কমেন্ট করলে ভাল হয়।ভুল ত্রূটির জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

 

About admin

Avatar

Check Also

ডা.মো: জহিরুল ইসলাম এর কর্ম জীবন

 ডা.মো: জহিরুল ইসলাম জন্ম: ১০ মে, ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলায়। লেখাপড়া: এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি- ঢাকা ...

Translate »
error: Content is protected !!