Breaking News
ব্রাহমা গরু
ব্রাহমা গরু

গরুর জাত পরিচিতি (ব্রাহমা, ব্রাহ্মণ)

গরুর জাত পরিচিতি (ব্রাহমান, ব্রাহ্মণ)

গরুর নাম :

সনাতন ধর্মালম্বীদের নামে নামকরন হলেও বর্তমানে যে ব্রাহমান গরু পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গা মাংসের গরু হিসাবে বেশ জনপ্রিয় সেটা আসলে ইন্ডিজেনাস জাত না।

সেটা জেবু (বস ইন্ডিকাস) জাতের ৪/৫ টা গরুর শংকর করে উন্নয়ন করা হয়েছে।

গড় ওজন : ষাঁড় : ৭০০-১০০০ কেজি।
গাভী : ৪৫০-৬০০ কেজি।
বাছুর : ২৮-৩৫ কেজি।

উৎস দেশ :

ব্রাহমা যদিও এখন পৃথিবীর প্রায় সব গরু পালনকারী দেশ গুলোতে পাওয়া যায় তারপর ও এই গরুর উৎস দেশ ইন্ডিয়া।

বর্তমানে আমাদের দেশে যে ব্রাহমান পাওয়া যায় এটার নাম ব্রাহমান হলেও এটা মূলত ‘আমেরিকান ব্রাহমা ব্রীডারস এসোসিয়েশন’ কর্তৃক গীর, সাহিওয়াল, কংকরেজ সহ বস ইন্ডিকাস জাতের আরো কয়েকটি গরুর একটি সম্মিলিত রূপ।

‘আমেরিকান ব্রাহমা ব্রীডারস এসোসিয়েশন’ এর প্রথম সেক্রেটারি জনাব স্টার্টওয়েল বলেন : ‘এটা মাংসের জন্য সম্পূর্ণ নতুন জাতের একটি গরু।’

তাই বর্তমান ব্রাহমা জাতের গরুর উৎস দেশ ‘ইন্ডিয়া’ না বলে ‘আমেরিকা’ বলাই অধিক যুক্তিযুক্ত।

ইতিহাস :

ব্রাহমা বা ব্রাহ্মণ অতি পুরানো জাতের গরু হলেও এর সঠিক ইতিহাস খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন।

তবে ইতিহাসবিদদের ধারণা ৪০০০ বছর আগেই থেকে ইন্ডিয়াতে এই জাতের গরু পালন হয়ে আসছে।

ইন্ডিয়ার পবিত্র গরু বলে পরিচিত ব্রাহমা ইন্ডিয়ান আদি জাত হলেও যে জাতটি এখন পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে,সেটা মূলত নতুন জাতের একটি ক্রস গরু।

যেটা শুরু হয়েছে ১৮ শতকের পরে ব্রাজিলে গির, অঙ্গল, কংকরেজ এর সমন্বয়ে বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে ‘ইন্দুব্রাজিল’ নামের যে গরু পালন করা হতো সেই গরুর সাথে নতুন জাতের ক্রস করিয়ে আমেরিকাতে ব্রাহমা নাম দিয়ে উন্নয়ন করা হয়।

২০০০ খ্রিস্টপূর্ব : ইনডিয়াতে ব্রাহমা জাতের গরু পালন।
১৮৪৯ সাল : টার্কি সুলতান এর কৃষি উপদেষ্টা ডঃ. ডেভিস এর মাদ্ধমে প্রথম আমেরিকায় এই গরুর আগমন।
১৮৫৪-১৯২৬ : বিভিন্ন জাতের ২২৬ টি ষাঁড় এবং ২২ টি গভীর মধ্যে ক্রস করে জাত উন্নয়ন করা হয়, বর্তমান যে ব্রাহমা আমরা চিনি অর্থাৎ যেটা মার্কিন ব্রাহমা।
১৯২৪ : মার্কিন ব্রাহমা ব্রীডারস এসোসিয়েশন গঠন।
১৯৪৬ : অস্ট্রেলিয়ান ব্রাহমা ব্রীডারস এসোসিয়েশন গঠন।
১৯৫৪ : সাউথ আফ্রিকা তে আমেরিকা থেকে ব্রাহমা জাতের গরু আমদানি করা হয়।
১৯৫৯ : সাউদার্ন আফ্রিকান ব্রাহমা ব্রীডারস এসোসিয়েশন গঠন।

পালনকারী দেশ :

ব্রাহমা গরুর আদি জাত ইন্ডিয়ান হলেও পৃথিবীর খুব কম গরু পালনকারী দেশ আছে যেখানে নতুন জাতের ব্রাহমা পৌঁছে নাই। যদিও এটা এক এক দেশে এক এক নামে পরিচিত।

পৃথিবীর সর্বোচ্চ ব্রাহমা গরু পালনকারী দেশ হচ্ছে : আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, ইন্ডিয়া, নিউজিলান্ড, সাউথ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে, কেনিয়া।

অস্ট্রেলিয়ার প্রায় মাংস উৎপাদনের ৫০% গরু এ ব্রাহমা বা ব্রাহমা থেকে উন্নয়ন করা গরু।

বৈশিষ্ট ও সুবিধা :

ব্রাহমা গরুর আদি জাতের রং সাদা হলেও বর্তমান ব্রাহমা অঞ্চলভেদে ভিন্ন ভিন্ন রং এর হয়ে থাকে।

তবে মার্কিন ব্রাহমা গরুতে সাদা এবং কালো রং এর আধিক্য দেখা যায়। অত্যন্ত রোগ প্রতিরোধী এবং শক্ত জাতের গরু থেকে উন্নয়ন করা বলে এই জাতের গরুর রোগ বালাই খুব কম দেখা যায়।

মাংসের জন্য দুনিয়াজোড়া খ্যাত ব্রাহমা গরু খুব সহজে গরম ও আদ্রতা সহ্য করতে পারে।

এক গবেষণায় দেখা গেছে বস টোরাস জাতের গরু যেখানে ৭৫ ডিগ্রী ফারেনহাইট তাপমাত্রায় দুর্বল হয়ে পরে সেখানে এই জাতের গরু ১০৫ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ও সবল থাকে।

এই জাতের গরুর একটা বিশেষ বৈশিষ্ট হচ্ছে অতি গরমে এই গরু ঘেমে শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখে। তাছাড়া গবেষণায় দেখা গেছে এই জাতের গরু শরীরে কম তাপ উৎপন্ন করে।

প্রচন্ড সূর্যের তাপেও এই গরু খোলা জায়গা ঘাস খেতে পারে বলে আমেরিকার এবং অস্ট্রেলিয়ার সব জায়গা এই গরু ছেড়ে ঘাসের উপর নির্ভর করে পালন করা হয়।

ক্ষতিকর পরজীবী এই গরুকে সহজে আক্রমণ করতে পারেনা। স্বল্প ঘাস এবং খাবারে ও ব্রাহমা গরু সহজে টিকে থাকতে পারে।

দুধ ও মাংস উৎপাদন :

মাংস উৎপাদনে এই নতুন সৃষ্ট ব্রাহমা গরু পুরো পৃথিবীতে খ্যাতি ছড়ালেও দুধ উৎপাদনে ঠিক বিপরীত অবস্থা।

ছোট দুধ উৎপাদন কালের এই গরুর দুধ উৎপাদন ক্ষমতা সন্তোষজনক না হলেও দুধের মান খুবই উন্নত।

অধিক মিল্কফ্যাট এবং মিল্ক প্রোটিন বিদ্যমান থাকায় এই জাতের দুধ খুব সুস্বাদু।

পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ক্রস ব্রাহমা থেকে উন্নয়ন করা বিভিন্ন জাতের গরু :

১. ব্রাঙ্গুস (ব্রাহমা + আঙ্গুস)
২. ব্র্যাফোর্ড (ব্রাহমা + হেরাফোর্ড)
৩. বীফমাস্টার (ব্রাহমা + হেরিফোর্ড+ মিল্কিং শর্টহর্ন )
৪. ছাড়বড়ে (ব্রাহমা + কারোলাইস)
৫. সিমব্রা (সিমেন্টাল + ব্রাহমা)
৬. শান্তা গেরট্রুডিস (ব্রাহমা + বীফ শর্টহর্ন)

অর্থনৈতিক গুরুত্ব :

যেহেতু পৃথিবীর মাংসের বাজার মার্কিন ব্রাহমা এবং এটা থেকে উন্নয়ন করা গরু নিয়ন্ত্রণ করে তাই অর্থনৈতিকভাবে এই গরুর গুরুত্ব অপরিসীম।

মাংসের জন্য এই গরু পালন অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এনে দিতে পারে।

ব্রাহমা গরু পালনে সমস্যা :

যেহেতু ব্রাহমা মাংসের গরু এবং মাংস উৎপাদনের জন্য পালন করা হয় তাই দুধ উৎপাদনের জন্য এই গরু পালন মোটেও লাভজনক নয়।

তাছাড়া এই গরু যেহেতু খোলা জায়গা ঘাস খাওয়ানোর মাধ্যমে পালন করা হয় তাই আমাদের দেশে এই গরু পালন লাভজনক নাও হতে পারে যেহেতু আমাদের দেশে ভূমি এবং গো খাদ্যের অভাব রয়েছে।

তাছাড়া আমাদের দেশে যেহেতু দুধ বিক্রি করে গরু পালনের খরচ খামারি মিটিয়ে থাকে, তাই আমাদের দেশে এই গরু পালন কতটা লাভজনক তা খামারি নিজেই অনুধাবন করতে পারবে।

তাছাড়া এই গরুর রক্ষনাবেক্ষন ও কঠিন, যেহেতু এটা অবাধ্য টাইপ এর গরু।

বয়ঃসন্ধির পরে এই গরুর বৃদ্ধি কমে যায়। তাছাড়া ব্রাহমা গরু প্রজননক্ষম হতে অন্য গরু অপেক্ষা অধিক সময় লাগে।

জীবনকাল :

যেহেতু ব্রাহমা গরু উপমহাদেশের শক্ত জাতের গরু তাই এই গরুর রয়েছে দীর্ঘ জীবনকাল।

এই জাতের গরুর গড় জীবনকাল ২৫-২৯ বছর। তবে এই জাতের গরুর ৪৭ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকার রেকর্ড রয়েছে।

তথ্যসুত্র :
১. আমেরিকান ব্রাহামান এসোশিয়েশন।
২. উইকিপেডিয়া।
৩. জাম্বিয়ান ব্রাহামান এসোশিয়েশন।

লেখকঃ জাহিদুল ইসলাম(পি ডি এফ)

ব্রাহামা ক্রেজ :

একটা চ্যানেলে ব্রাহামা গরু নিয়ে প্রতিবেদনের পরে বুঝে না বুঝে ব্রাহামা ক্রেজ এখন এমন যায়গা এসেছে, অনেকে ফ্রিজিয়ান গরুতে ও ব্রাহামা সেমেন দিচ্ছে।

দেশের ডেইরী খাতের জন্য এটা অশনি সংকেত। এর দায় মিডিয়ার কিছু মানুষকে নিতে হবে। মিডিয়া সরকারের নিয়ন্ত্রনে থাকলে যেমন সমস্যা, তেমনি আবার মিডিয়াকে যা ইচ্ছা তাই করতে দিলেও সমাজ ও রাস্ট্রের জন্য হুমকি।

এর বাস্তব প্রমান এই ব্রাহামা। ব্রাহামা বা ব্রাম্মন মূলত ইন্ডিয়ান ইন্ডিজেনাস জাত হলেও যে ব্রাহামা নিয়ে আজকের শোরগোল সেটা আমেরিকান মাল্টিক্রস মাংসের জাতের গরু ব্রাহামা।

বর্তমান ব্রাহামা হছে কংক্রেজ, অংগোল, গীর, গুজেরাট এবং কৃষনা ভ্যালীর সাথে মিশ্রনে উন্নয়ন করা জাত যা মাংসের জন্য উত্তর এমেরিকা এবং ল্যাটিন আমেরিকায় বেশ প্রসিদ্ধ।

কিন্তু আমাদের দেশে তাহলে কেন ব্রাহামা নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে এতো বাদানুবাদ। হ্যা যৌতিক কিছু কারন আছে।

ব্রাহামা মূলত ছেড়ে পালন করা এবং ঘাস নির্ভর মাংসের জাত যার দুধ উতপাদন ক্ষমতা শুধুমাত্র তার বাচ্চার জন্য যথেস্ট।

ব্রাহামা অনেক বড় হয় এবং গ্রোথ রেট ও ভালো কিন্তু কথা হলো কিন্তু ঘাস ছাড়া এই গ্রোথ রেট আনতে যে খরচ সেটা কি আনুপাতিক হারে সামজ্জস্যপূর্ন? আমাদের তো খোলা ঘাসের জমি নাই।

তাহলে আবদ্ধ যায়গাতে দূর্বল হাড়ের গঠন নিয়ে বেড়ে ওঠা ব্রাহামার ভারী পানিভরা শরীরের ওজন কি এর ‘পা’ বহন করতে পারবে?

আরেকটা সমস্যা হলো বকনা হলে কি হবে? হ্যা আবার সেটায় ব্রাহামা দেয়া যাবে।

কিন্তু তাহলে আমাদের দুধের চাহিদা কে পূরন করবে? মাংস তো দুধের গরু থেকেও পাওয়া যায়, তাহলে আমরা কেন শুধু মাংসের জাতের দিকে যাবো? আমাদের সিন্ধি, শাহিওয়াল কি ব্রাহামার চেয়ে খারাপ।

না আর্থিক বিচারে কোনভাবেই না৷ আর মাংসের জাতে যদি যেতেই হয় তাহলে ব্রাহামার মতো জাতে কেন? কেন বোরান নয়?

আমাদের জন্য তো আফ্রিকার অহংকার ইন্ডিজেনাস ‘বোরান’ সবচে ভালো মাংসের জাত, যার মাংসের স্বাদ ও মান, পুরাটাই আমাদের দেশী আবার গরুর সাইজ ও ওজন ব্রাহামার মতোই। আর দেখতে ব্রাহামার বস।

জাত উন্নয়ন করছি ভালো কথা, কিন্তু উন্নয়ন করতে গিয়ে পিছনের দিকে হাটছি না তো আমরা?

জাহিদুল ইসলাম

ব্রাহামা প্রসঙ্গ,,,
যা বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর এটম বোম,

বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষ ব্রাহামা ক্রেজে মাতোয়ারা,সবাই নিজের গাভীটিকে শুধু ব্রাহামা সিমেন দিতে পারলেই খুশি,
আমি যত টুকু জানি, ব্রাহামা বীজ দেশীগাভীকে দিতে হয়,কিন্তু কেউ কেউ ১২-১৪ লিঃ গাভীকেও ব্রাহামা সিমেন দিচ্ছে,ভদ্র লোক নিজের অজান্তেই নিজের পিউচার ধ্বংস করছেন,তাছাড়া গ্রামে কিছু ষাড় ছাড়া থাকে, এগুলো মানুষের উন্নত জাতের শাহীওয়াল ও ফ্রিজিয়ানের উপর জাম্প দিয়ে মানুষের ভাল গাভী গুলোকে নষ্ট করবে,

ব্রাহামা আমাদের জন্য আর্শিবাদ না কি অভিসাপ?

ব্রহামা আমেরিকার তৈরি জাত,আমেরিকার যে সব অঙ্গরাজ্যে অধিক গরম আবহাওয়া,যেখানে অন্য ভাল জাত

( ফ্রিজিয়ান) গুলো টিকতে পারেনা,সেখানে ব্রাহামা ভাল ভাবে বেড়ে উঠতে পারে,তাই আমেরিকা বাধ্য হয়ে গরম আবহাওয়া উপযোগী ব্রাহামা জাত সৃষ্টি করেছে,আমেরিকাতে রশি মুক্ত ব্রাহামা পালিত হয়,আমাদের কি সেই সুযোগ সবার আছে?

আমেরিকাতে একটি ব্রাহামা যত বড় হয় বা যত কেজি মাংস উৎপাদন হয়,আমাদের দেশে কি সে পরিমানে ব্রহামার মাংশ হচ্ছে? বড় হচ্ছে?একটি ব্রাহামা গাভী ২-৩ লিঃ উপর দুধ দেয় না?

ব্রাহামার বাচ্ছা পালতেই ২-৩ দুধ শেষ,তাহলে আপনি খাবেন কি?আর বিক্রি বা করবেন কি?
দেশের মানুষের পুষ্টি পূরন করতে হলে দুধ ও মাংস দুটোই দরকার, কিন্তু ব্রহামাতে শুধু মাংস পাচ্ছি,দুধ পাচ্ছি না,তাহলে আমাদের ১৬ কোটি মানুষের আমিষের ও চর্বির ১৬ আনা চাহিদা কি ব্রাহামা দিয়ে পূরন হবে? হবেনা,
সবাই যদি তার দেশী গাভীতে ব্রাহামা দিতে শুরু করে তাহলে দেশের ডেয়রী সেক্টর ধংশ হতে বেশি দিন লাগবে না?

কারন যত ব্রাহামা গাভী বাড়বে, তত শাহীওয়াল,ফ্রিজিয়ান গাভী কমবে,কারন আমাদের শাহীওয়াল ও ফ্রিজিয়ান গাভীর মাতৃ সোর্স হচ্ছে দেশী গাভী,দুধ উৎপাদন শীল গাভীর সংকট দেখা দিবে,
ব্রহামার যেহেতু দুধ উৎপাদন কম,ফলে দেশে চরম দুধের সংকট দেখা দিবে? চর্বির সংকট দেখা দিবে,তখন শিশু সহ বৃহৎ

জনগেষ্টি দুধের সংকটে ভুগবে,মানব দেহের পুষ্টির চাহিদা পূরনের জন্য, শুধু মাংস খেলে কি চলবে? দুধ লাগবে না??? শিশুদের বাঁচাবেন কি খাইয়ে? নকল ও ভেজাল দুধ পাউডার দিয়ে???

এই সংকট উত্তরনের জন্য,আমাদের দরকার ডুয়েল পারপস গাভী,যে বাছুর মা হলে ৩০-৪০ লিঃ দুধ দিব,ষাড় হলে ১০০০ -১২০০ কেজি মাংস হবে,যে গাভীতে অধিক দুধ হবে,এবং অধিক মাংস উৎপাদন হবে,

তাই আসুন আমরা ব্রহামা বেদ দিয়ে শাহীওয়াল, ফ্রিজিয়ান,জার্সি, গির,গিরিলেন্ডো ইত্যদি গাভী পালন করি,তাহলে আমাদের মাংস ও দুধ দুটোরই উৎপাদন বাড়বে,এবং আমিষের চাহিদা পূরন হবে,

ভাল ব্রিডের একটি ফ্রিজিয়ান ষাড় সঠিক খাদ্য ও সঠিক নিয়মে পালন করলে ব্রাহামার চেয়ে বেশি অথবা ব্রহামার সমান মাংস উৎপাদন হয়,তাই মন থেকে ব্রাহামা দূর্বলতা ঝেড়ে ফেলতে হবে,কারন ব্রাহামার মাংস হলেও দুধ হয় না,
যে গাভী পালন করলে অধিক দুধ ও মাংস পাওয়া যায় তাকে ডুয়েল পারপাস গাভী বলে,আসুন ডুয়েল পারপাস গাভীর জাত উন্নয়ন করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাই?
যেমন
দেশী গাভী ক্রস শাহীওয়াল ষাড়
শাহীওয়াল গাভী ক্রস ফ্রিজিয়ান ষাড়
জার্সি গাভী ক্রস ফ্রিজিয়ান ষাড়
ব্রজিলের গীর গাভী ক্রস ফ্রিজিয়ান ষাড়ে উৎপাদন হবে গিরিলেন্ডো গাভী,যারা অধিক দুধ ও মাংস দিতে সক্ষম।

From Facebook

Please follow and like us:

About admin

Check Also

ক্রস এবং অরিজিনাল ফ্রিজিয়ান গাভী চিনার কিছু সহজ উপায় :

ক্রস এবং অরিজিনাল ফ্রিজিয়ান গাভী চিনার কিছু সহজ উপায় : ………………………………………………………… শ্রদ্ধেয় নতুন খামারী ভাইয়ারা …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Translate »
error: Content is protected !!