Breaking News
পেঠ ফাঁপা
পেঠ ফাঁপা

গবাদিপশুর রুমেন এসিডোসিস, প্রতিকার,ছাগলের পেট ফাপার কারণ ঃবিস্তারিত

গরুর পাকস্থলী বা রুমেনে এসিডিটি(রুমেন এসিডোসিস) কি করে বুঝবেন?
————-
১. রুমেনে এসিডিটি তৈরি হলে পায়খানা পাতলা হবে,
২. ছোট ছোট বুদ বুদ দেখা যাবে,
৩. মসৃন ও কিছুটা চকচকে হবে,
৪. পায়খানায় বেশি মাত্রায় আঁশ থাকাও এসিডিটির একটি লক্ষণ।
৫. পায়খানা মিউকাস যুক্ত হবে।
৬. ফার্মে এসিডিটি সমস্যা দেখা দিলে কিছু গরুর পায়খানা পাতলা, কিছু গরুর পায়খানা সঠিক এবং কিছু গরুর কঠিন পায়খানাও হতে পারে।

গোবর ফোমি ও বুদবুদ হবে, যদি তা রুমেনে হজম না হয় এবং ph কম থাকে। এখন আসা যাক, যদি রুমেন বা পাকস্থলীতে এসিডিটি থাকে তাহলে গরুর কি ধরনের শারীরবৃত্তীয় সমস্যা দেখা দিতে পারে।
১। গরুর পেটে গ্যাস বা ব্লোটিং হতে পারে এবং অতিরিক্ত ব্লোট দেখা দিলে গরুর মৃত্যু পর্যন্ত হতে।
২। এসিডিটির ফলে গরু অনেক সময় খাদ্য গ্রহনে অনিহা দেখায় ফলে উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে।
৩। এসিডিটির ফলে গরু খাদ্য সঠিক ভাবে হজম করতে পারে না ফলে গরুর নানান শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

গবাদিপশুর রুমেন এসিডোসিস কি এবং তা প্রতিকারের সহজ উপায়ঃ
————————————————–
যেসব গবাদিপশু বা গরু ছাগলকে দানাদার খাদ্য দেওয়া হয় অর্থাৎ যে সব গবাদিপশু গুলি দানাদার খাদ্য নির্ভর তাদের রুমেন এসিডোসিস হওয়ার সম্ভাবনা বেশী এবং প্রায়শই তাদের এটা হয়ে থাকে।

এর ফলে গাভীর দুধ উৎপাদন কমে,বাছুর ও ষাঁড়ের বৃদ্ধি রোহিত হয়। রুমেন এসিডোসিস দুই ধরনের হতে পারে,
ক) একিউট এসিডোসিস।
খ) সাব একিউট এসিডোসিস।
একিউট এসিডোসিস হলে গবাদিপশুর রুমেনের ভিতরের দিকের আবরণ তীব্র এসিডের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়,পশুটি তীব্র এসডিটির প্রভাবে আস্তে আস্তে নিস্তেজ হয়ে শুয়ে পরে।

এই অবস্থায় কোনমতেই পশুটিকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে দাঁড় করাবেন না। এসিডিটির পরিমাণ বেশী তীব্র হলে পশুটি খুব দ্রুত মৃত্যুর কোলে ঢলে পরে। তাই অনেক সময় ভেট আসা পর্যন্ত সময়ও হাতে থাকে না।

এই অবস্থায় একটি দ্রবণ আপনারা দ্রুত তৈরী করে আক্রান্ত পশুটিকে খাইয়ে দিতে পারেন।

তবে এটা তৈরী করতে যে উপাদানগুলি লাগে তা আপনার হাতের কাছে থাকতে হবে।

তাই খামারে কিছু উপাদান সবসময় হাতের কাছে রাখতে হয়। সুধু সময় মত এগুলি ব্যাবহার করলেই চলে।

এবার আসা যাক এই দ্রবণ কিভাবে তৈরী করবেন।

এতে যে উপাদান গুলি লাগবে সেগুলি হচ্ছে,
১। ২৫০ গ্রাম সোডিয়াম বাই কার্বোনেট বা খাবার সোডা(Baking Powder).
২। ৮৫০ সিসি ফরমালডিহাইড (Formaldehyde)।
৩। ২০ গ্রাম ম্যাগ্নেসিয়াম অক্সাইড।
৪। ৪০ গ্রাম চারকোল বা কাঠ কয়লার গুড়া।
৫। ২ লিটার পানি।
উপরের সমস্ত উপাদানগুলি একসাথে একটা প্লাস্টিকের কন্টেইনারে নিয়ে ঝাঁকিয়ে ভালো ভাবে মিশাবেন।

তারপর প্রতি ১০০ পাউন্ড লাইভওয়েটের পশুর জন্য ১০০ মিলি দ্রবণ ফিডিং টিউব বা বোতলে করে সাবধানতার সংগে খাইয়ে দিবেন। এটা খাইয়ে দিলে দেখবেন আক্রান্ত পশুটি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে।

এসিডিটির মাত্রার তীব্রতা তারপরেও দৃশ্যমান হলে ৮-১২ ঘন্টা পর এটি আবার ও খাইয়ে দিবেন।

এর পর ভেটের সাহায্য নিয়ে আপনি আপনার খামারের মুল্যবান পশুটিকে সম্পুর্ণ রূপে সারিয়ে তুলবেন।

তবে এটা খুবই কার্যকর একটা ওষুধ।মনে রাখবেন তৈরী করার পর থেকে ৩০ দিন পর্যন্ত এই ওষুধ সংরক্ষণ করা যায়।এরপর আর ব্যাবহার করবেন না।
সাব একিউট এসিডোসিস সারাতে খুব একটা ওষুধের প্রয়োজন পরে না। কিছু ব্যাবস্থা গ্রহণ করলেই চলে।
১। দানাদার খাদ্যে সপ্তাহে অন্তত দুইদিন খাবার সোডা ব্যাবহার করা।
২। এসিডোসিস দেখা দিলে সেই পশুর রেশনে দানাদার খাদ্য কমিয়ে ঘাস এবং খড় বাড়িয়ে দেয়া।
৩। অনেক সময় সরাসরি দানাদার খাদ্য কমালে দুধ উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে তাই দানাদার খাদ্যের সাথে খড় বা সাইলেজ মিশিয়ে রাফেজ হিসাবে গবাদিপশুকে খাদ্য সরবরাহ করতে হবে। এতে উৎপাদনে তেমন প্রভাব পড়বে না।
৪। হঠাৎ আবহাওয়া পরিবর্তনে এসিডোসিস দেখা দেয়। অর্থাৎ হঠাৎ করে তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে, হিউমিডিটি বা আদ্রতা বেড়ে গেলে,বৃষ্টি হলে ইত্যাদি। তাই এটা যথাসম্ভব প্রতিরোধ করতে হবে।
একিউট এসিডোসিসের কারণে গবাদিপশুর ডাইজেস্টিভ বা ভাস্কুলারজনিত বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয় ফলে তা প্রাণঘাতী হয়ে উঠে। এছাড়া কোন গবাদিপশু রুমেন এসিডোসিসে আক্রান্ত হলে তা সে সাব একিউট বা একিউট যাই হোক না কেন তার থেকে ভালো দুধ উৎপাদন বা বৃদ্ধি আশা করা যায় না।

লাভজনক খামার ব্যবস্থাপনায় রুমেন এসিডোসিস কে উন্নত বিশ্বের দেশগুলিতে তাই অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাই এটাকে কোন ভাবেই হেলা ফেলা করলে চলবে না।

গবাদিপশুর #পেট_ফাঁপা সচরাচর ঘটে থাকা একটি মারাত্মক সমস্যা

মানুষের মত গবাদিপশু গুলোরও বিভিন্ন কারণে পেট ফেপে যেতে পারে।

পেট ফাঁপার জন্য তাৎক্ষণিক ডাক্তারি পরামর্শ না নিয়ে নানা কবিরাজি চিকিৎসা অনেকেই করিয়ে থাকেন যা পরবর্তীততে পশুর জীবনের জন্য হুমকি স্বরূপ বিবেচিত হয়।
পেট ফাঁপা অনেক কারণে হয়ে থাকে।

তবে খাওয়া দাওয়ায় সমস্যা বা খাদ্য পরিপাকের ব্যাঘাত ঘটায় বেশি হয়ে থাকে।

যে কারণেই হওক না কেন মারাত্মক অবস্থাতে এর বৈজ্ঞানিক ভাবে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা ব্যবস্থা নিতে হবে।
গবাদিপশুর পেট কি কি কারণে ফেঁপে যার আর কিভাবে এর সহজে সমাধান করা যায়।
ব্লোট বা পেট ফাঁপা কি?
যখন প্রাণী তরুণ, ঘন চারণভূমিতে উচ্চ হারে লিগিউম সমৃদ্ধ ঘাস (ক্লোভার, বা লুসার্ন) খায় ঠিক তখনি রোমন্থক পশু( গরু, ছাগল, ভেড়া ইত্যাদির ব্লোট বা পেট ফাঁপা রোগ দেখা দিতে পাড়ে।
রোমন্থক প্রাণী হজম স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার সময় গ্যাস অনেক গ্যাস উৎপন্ন করে।

. যাদি কনো কারণে গ্যাস রুমেন থেকে বের হতে না পারে তাহলে পেট ফোলে উঠে যা ব্লোট বা পেট ফাঁপা নামে পরিচিত।
তরুণ, ঘন চারণভূমিত শিম জাতীয় এবং কিছু দ্রুত বর্ধনশীল ঘাস প্রাকৃতিক ভাবে ফেনা বা বুদবুদ তৈরি কর।

এই ফেনা রোমিন গঠন হলে তা, রুমেনের গ্যাসকে ছোট ছোট বুদবুদের মধ্যে আটকা ফেলে এতে পশু গ্যাস ঢেকুর দিয়ে বের করতে পারবেন না।

যার চাপ শরীরের বাম পাশে পড়ে এবং একটি সুস্পষ্ট ফুলা দেখা ও অনুভব করা যায়।
কারণঃ অতিরিক্ত লিগিউম জাতিয় ঘাস খেলে, অতিরিক্ত দানাদার খাদ্য খেলে, অপরিপাক যোগ্য খাবার খেলে,যে কোন কারণে খাদ্যনালীর কথাও ব্লক তৈরি হলে এই সমস্যা হয়ে থাকে।
গরুতে ব্লোট
গরু সাধারণত নিম্নলিখিত লক্ষণ প্রদর্শন করতে পারে:
 বাম পেট এর পরিধি বৃদ্ধি পায়
 খুদামন্দা
 নরাচরা করতে অপারগতা প্রকাশ
 কণ্ঠস্বরে বিকৃত হয়
 -চোখ ফুলে যায়
 প্রাসব পায়খানা করার জন্য চেষ্টা করে কিন্তু ব্যর্থ হয়।
 -দ্রুয় শ্বাস কার্যচালায়
 -মুখ খোলা রেখে জিহ্বা বের করে দেয়।
 মাটিতে পড়ে যায়, এবং
 -নাড়ী – ভুরি গ্যাসের চাপে ফুলে যাওয়ার কারণে তা ফুসফুস, হৃদপিন্ডে চাপ প্রদান করে রক্ত চলা চলে বাধা দেয় এতে প্রাণীর মৃত্য পর্যন্ত ঘটে থাকে।

ছাগল ভেড়াতে ব্লোট বা পেট ফাঁপাঃ-
ছাগলের ও ভেড়ার ব্লোট বা পেট ফাঁপা দেখা দেয় কিন্তু গরুর মত অত মারাত্মক হয় না।
সাধারণত আন্তঃ বিষক্রিয়ায় এই সমস্যার দেখা দেয়। কিছু অসুখ যেমন পাল্পি কিডনি ডিজিজ এছাড়া ইকলাই ইনফেকশন, সালমোনিলা ইনফেকশন সহ অন্যান্য বিষক্রিয়া সৃষ্টিকারী জীবাণুর আক্রমণেও হয়ে থাকে।

তাই ক্লোস্ট্রিডিয়াল (clostridial) দ্বারা সৃষ্টি হবে এমন রোগের জন্য এন্টিক্লোস্ট্রি ডিয়াল ভ্যাকসিন পশু চড়তে দেয়ার আগে করে নেয়া ভাল।
ক্ষণঃ
হটাৎ খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দেয়।
পেট ফুলে যায়, বাড়ি দিলে ডেপ ডেপ শ্বব্দ করে।
শ্বাসপ্রশ্বাস এ কষ্ট হয়।
এক জায়গায় দাঁড়িয়ে ঝিমাই।
চোখ বন্ধ করে রাখে।
চিকিৎসাঃ

আপনার সামান্য ভুলের কারণে আপনার প্রাণীটি প্রাণ হারাতে পারে, তাই দেরি না করে,
রেজিঃ ভেটেরিনারি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

প্রতিরোধঃ
কোন সমস্যা হওয়ার আগে তার প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেয়া উত্তম। গবাদি পশুর পেট ফাঁপা বা ব্লোটের জন্য নিম্ন লিখিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে-
চারণভূমিতে পশুচরার সময় বেধে দিয়ে পশুর ঘাস গ্রহণ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে
• খাবার পানির সাথে এন্টিব্লোট প্রিপারেসন মিশিয়ে।
এলকোহল ইথোক্সিলেট ও চিটা গুরের মিশ্রণ সেবন করে।
• অতিরিক্ত দানাদার খাবার( ধান, চাল) খাওয়া থেকে বিরত রেখে।
• মাঝে মাঝে এন্টিব্লোট ক্যাপসুল এর ব্যবহার।
• পশু পালন এর জায়গা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে যাতে খাদ্য নয় এমন কিছু না খায়।

ছাগলের পেটে বিভিন্ন কারনে গ্যাসের সমস্যা হতে পারে।

* এক বারে অতিরিক্ত দানাদার খাদ্য খাবার কারনে।
*পচাবাসি খাদ্য খাবার কারনে।
* ইউরিয়া যুক্ত ঘাস খাবার কারনে।
* কীটনাশক যুক্ত ঘাস খাবার কারনে।
* নেপিয়ার, পাকচং ঘাস ক্ষেত থেকে কেটে এনে সরাসরি খাওয়ানোর কারনে।
* অনান্য বিভিন্ন কারনেও গ্যাস হতে পারে।

সময় মত ব্যবস্থা বা চিকিৎসা না দিতে পারলে ছাগলের মৃত্যু অবধারিত। গ্যসের জন্য একাধিক চিকিৎসা রয়েছে।

কি ভাবে বুঝবেন ছাগলের পেটে গ্যাস হয়েছে?

ছাগলের পেছনে দাড়িয়ে আমাদের হাতে বাম পাশে ছাগলের সিরদাড়ার নিচে একটি জায়গা আছে যেখানে কোন প্রকার হাড় নেই, জায়গাটি তিন কোনাকৃত বা ত্রীভুজ আকৃতির।

আরো সহজ করে বলতে গেলে, ছাগলের পেট খালি থাকা অবস্থায় যে জায়গাটা ভেতরের দিকে ঢুকে যায় এবং ঘাস খাবার পরে যে যায়গাটি উটু হয়ে যায়।

ছাগলের পেটে গ্যাস হবার কারনে ত্রীভুজ জায়গা টা ধিরে ধিরে ফুলতে থাকবে।

ছাগল খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দিবে, চুপচাপ বসে বা দাড়িয়ে থাকবে, স্বাভাবিক হাটাচলা করতে চাইবে না।

অকারনে ওঠাবসা করতে থাকবে। অনান্য ছাগল থেকে আলাদা ভাবে থাকতে চাইবে।

গ্যাস হলে করনীয় সমুহঃ-
* সকল প্রকার খাবার দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
* বিভিন্ন প্রকার গ্যাস নাশক ঔষধ খাওয়াতে হবে, যেমন- জাইমোভেট পাউডার, নবব্লট সিরাপ ইত্যাদি।

অখবা সুলবে চিকিৎসা করতে হলে ১০ গ্রাম খাবারসোডা(কাপড় কাচা সোডা নয়) ১০০ মিলি পানির সাথে গুলিয়ে ছাগলকে খাইয়ে দিতে হবে।

যদি হাতে ধারে কোন ঔষধ পাওয়া না যায় তবে কিছুটা পরিমান আদা ছেঁচে, কিছুটা লবন ও পানি এক সাথে মিলিয়ে ছাগল কে খাইয়ে দিতে হবে এবং পর্যবেক্ষনে রাখতে হবে, যদি ফোলা কমতে থাকে তবে চিন্তার কিছু নেই ধীরেধীরে স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

নিচ থেকেই খাওয়া দাওয়া সুরু করবে।

যদি বোঝা যায় ক্রমেই গ্যাস বেশী হচ্ছে বা ত্রীভুজ আকৃতির জায়গা আগের তুলনায় ফুলে যাচ্ছে, ছাগল অস্থির হয়ে উঠছে, তবে চিকিৎসার উপর ভরসা করে বসে থাকা যাবে না।

ছাগলের পিছনে দাড়িয়ে আমাদের হাতের ডান পাশ মাটির সাথে মিছিয়ে শোয়াতে হবে অথাৎ আমাদের হাতের বাম পাশটা যেন ওপরের দিকে থাকে।

নিচের ছবিটার মত করে শোয়াতে হবে, তবে নিচের ছবিটা বাম পাশ মাটির সাথে আছে, আমাদের ডান পাশ মাটির সাথে রাখতে হবে।

বামপাশ ওপরের দিকে করে শুইয়ে দিয়ে ত্রীভুজ আকৃতির ফোলা জায়গাতে ইনজেকশনেন সিরিঞ্জ(শুধুমাত্র সুইয়ের অংশটা) খাড়া ভাবে ঢুকিয়ে দিতে হবে।

গ্যসের ধর্ম ওপরের দিকে ধাবিত হওয়া, তাই সিরিঞ্জ ফোটানোর সাথে সাথে সিরিঞ্জের ভিতর দিয়ে গ্যাস বেরিয়ে আসবে, যেটা আপনি অনুভব করতে পারবেন।

এভাবে কিছু সময় রাখলে পেটের ফোলা ভাবটা কমে যাবে এবং সিরিঞ্জ বের করে ফেলতে হবে।

ছাগল স্বাভাবিক হলে ব্যাথানাশক ঔষধ খাইয়ে দিতে হবে।

সিরিঞ্জ অবশ্যই জীবাণুমুক্ত থাকতে হবে বা করে নিতে হবে।

অল্প পরিমানে গ্যাস হলে চিকিৎসা দিতে হবে, শুধুমাত্র অন্তিম সময়ের পূর্বে (যখন চিকিৎসা দেবার পরেও গ্যাস কমার তুলনায় দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে) সিরিঞ্জ ফুটিয়ে গ্যাস বের করে দেবার ব্যবস্থা করতে হবে।

BD Farm

Please follow and like us:

About admin

Check Also

বাছুরের ডায়রিয়ার কারণ

Couses of diarrhea in neonatal rumenants 🔷Bacterial: 🔸Escherichia coli 🔸Salmonella spp. 🔸Campylobacter fecalis 🔸Campylobacter coli …

Translate »
error: Content is protected !!