Breaking News
লিউকোসিস
লিউকোসিস

এভিয়ান লিউকোসিস,লক্ষণ,পোস্ট মর্টেম,মেরেক্সের সাথে পার্থক্য

এপিডিমিওলোজিঃ

রোলফ নামে এক বিজ্ঞানী  ১৮৬৮ সালে এর উপর প্রতিবেদন দেন। ১৯৪৭ সালে  বামস্টার ও  তার সহযোগীরা প্রমাণ করেন এর জন্য ভাইরাস দায়ী.এটি আলফা রেট্রো ভাইরাস জনিত রোগ,৫ মাস বয়সের উপরের মুরগিতে হয়।রোগের সুপ্তিকাল ২-৮ সপ্তাহ।

এটি ভার্টিকেল রোগ মানে ব্রিডার থেকে বাচ্চাতে আসে।।অল্প বাচ্চা  ভার্টিকেলি ট্রান্সমিট করে কিন্তু এই বাচ্চাই পরে অন্য বাচ্চাকে আক্রান্ত করে।মর্টালিটি ৫%।কোন কোন সময় তা২৯% হয়।জীবাণুনাশকের প্রতি সংবেদনশীল।লিউকোসিস রেজিস্ট্যান্ট লেয়ার এখন তৈরি হচ্ছে তাই ফিল্ডে এর প্রবণতা দিন দিন কমে  যাচ্ছে।মেইন এন্টিজেন পি২৭।এটি মূলত মুরগিতে বেশি হয় এবং ন্যাসারাল হোস্ট।তবে কোয়েলে হতে পারে।অনেক সময় সাবক্লিনিকেল রুপে দেখা যায় ফলে ডিম কমে যায় এবং কোয়ালিটি খারাপ হয়।

কিভাবে ছড়ায়ঃ

পায়খানার মাধ্যমে।অসুস্থ মুরগির লালার মাধ্যমে।ডিমের মাধ্যমে মানে ভারটিকেলি তবে হরিজোন্টালি হতে পারে।Avian leukosis virus is shed by the hen into the albumin or yolk or both;infection probably occur after the onset of incubation.Tumors are more frequent in congenital than in horizontal infections but many more chickens are exposed  horizontaly than congenitally.

প্রকারভেদঃ

৩ প্রকার

লিম্ফেটিক লিউকোমিয়       মায়েলয়েড       এরিথ্রোলিউকোসিস

লিভার ও প্লীহা বড় এবং নরম।লিভার বা প্লীহা বড় কিন্তু শেতকনিকা বাড়ে লোহিত কনিকা কমে। এনিমিয়া হয়,শেতকনিকা বাড়ে

মায়েলয়েড লিউকোসিস মিট টাইপ মুরগিতে হয়।

এভিয়ান লিউকসিস ভাইরাস ১০টি সাব গ্রোপে বিভক্ত এ বি সি ডি   ই  এফ জি  এইচ, আই  এবং জে,এদের এনভেলপ গ্লাইকোপ্রোটিনের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।

জে  টাইপ ইংল্যান্ডে বেশি হয় যা ব্রয়লার ব্রিডারে দেখা যায়।এ এবং বি ওয়েস্টান কান্ট্রিতে বেশি দেখা যায়।এরা সবাই অনকোজেনিক।এ এবং ই,মেরেক্স ডিজিজ ভ্যাক্সিনের সাথে কন্টামিনেট হতে পারে যা ফিল্ডে সমস্যা হয়।

লক্ষনঃ

নির্দিষ্ট কোন লক্ষণ নাই তবেমুরগি শুকিয়ে যায় ও ওয়াটল ফ্যাকশে হয়।ঝুটি ফ্যাকাশে হয় ও ছোট হয়ে যায়।লিভার বড় হবার কারণে পেঠ বড় হয়।১৪ সপ্তাহের আগে টিউমার দেখা যাবেনা এবং তেমন মারা যায়না।অবসাদ হয় এবং খাবার কমে যায়।ডিম কমে যায়।উস্কোখুস্কো পালক।লিভার বড় হওয়ার কারনে পেঠ বড় হয়।৪-১০ দিনের মাঝে মুরগি মারা যায়।

পোস্ট মর্টেমঃ

লিভার,বার্সা,স্প্লীন,কিডনি ও ডিম্বাশয় বড় হয়।লিভার ও স্পীলনের উপর ছোট বড় সাদা বা ধুসর নডিউল তৈরি হয়।

লিভার,স্প্লীন এর মধ্যে গাড় লাল রং এর জমাট রক্ত দেখা যায়।

বার্সা্য় টিউমার এর প্যাথোগনমিক লেশন।লিউকোসিস

চিকিৎসাঃ

চিকিৎসায় তেমন রিজাল্ট পাওয়া যায় না।

লিভার টনিক

কিডনিটনিক

রিফেন্স

ভিটামিন সি

প্রতিরোধঃ

ব্রিডারে টিকা দিতে হবে।বায়োসিকিউরিটি মেনে চলা।জেনেটিকেলি মডিফাইড করে মুরগি তৈরি করতে হবে যাতে লিউকোসিস না হয়।

মেরেক্স এবং লিউকোসিসের পার্থক্যঃ

পয়েন্ট                            মেরেক্স                                                                       লিউকোসিস

বয়স                           ৬ সপ্তাহের বেশি                                                                ১৬ সপ্তাহে বেশি

প্যারালাইসিস                হয়                                                                          হয় না

মরটালিটি               ৫%-৫০%এর বেশি                                                    ৫% ,কোন কোন সময় ২৯%

লক্ষণ                      স্পেসিফিক                                                                  নন স্পেসিফিক

লিভার ও স্পীন    পেরিভাস্কোলার ও ডিফিউজ                                   ফোকাল মানে ছোট বা বড় পয়েন্টেড

লিম্ফয়েড সেল            টি সেল + (বি- সেল )                                                        বি সেল

বার্সায় টিউমার       হয়না                                                                হয়

চামড়া ও চোখ        আক্রান্ত হয়                                                         হয় না

Please follow and like us:

About admin

Check Also

বাচ্চা মুরগিতে ১ম সপ্তাহে কেন রোগ কম হয়,২সপ্তাহের দিকে কেন বেশি হয়।

বাচ্চাতে ম্যাটার্নাল এম ডি এ নয়ে আসে যা প্রটেকশন দেয়।আবার ২ সপ্তাহে বা পরের দিকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Translate »
error: Content is protected !!