Breaking News

ইনফেকশাস ল্যারিংগো্ট্রাকিয়াইটিস

এজেন্ট

১৯২৫ সালে মে ও টিটস্লার  এটি আবিস্কার করেন কিন্তু নাম করণ করেন বিস ও গ্রাহাম ১৯৩০ সালে।

এটি হারপিস ভাইরাস জনিত রোগ।এটি এনভেলভ ডি এন এ ভাইরাস।

এটি ফার্মে প্রবেশ করলে আর দূর করা যায় না।

একে এভিয়ান ডিপথেরিয়া নামে ডাকা হয়।

এর ১ টি মাত্র সেরোটাইপ।

এর ডায়ামিটার ১৯৫-২৫০ ন্যানোমিটার।

ইনকিউবেশন পিরিয়ড ৬-১২ দিন,মৃত মুরগিতে  ভাইরাস ২দিন বেচে থাকতে পারে।

হোস্ট

চিকেন ও ফিশেন্ট প্রাকৃতিক বাহক।

২০-৪০ সপ্তাহ বয়সে বেশি হয়,১০ সপ্তাহের আগে খুব কম হয়,৩ সপ্তাহের আগে তেমন হয় না হলেও প্রকোপের প্রবণতা খুব কম।১৪ সপ্তাহের দিকে বেশি হয়।

প্রাপ্ত বয়স্ক ও ভারী জাতের ব্রিডার মুরগি বেশি আক্রান্ত হয়।

আক্রান্ত মুরগিতে এটি ২ বছর পর্যন্ত থাকে।

এটি খুব তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পড়ে।

সুস্থ হওয়ার পর বাহক হিসেবে কাজ করে।

রোগটা ৭-১৫ দিন থাকে কোন কোন সময় ১ মাস থাকতে পারে।

মর্বিডিটি ১০০% ও মর্টালিটি ১০-৭০%।

পরিবেশ

শীতকালে বেশি হয়।

সাধারণ জীবানূনাশকে এটি মারা যায়।

বাতাসের মাধ্যমে এটি ৫০০মিটার দূরের ফার্মকে আক্রান্ত করে।

বিস্তারঃ

শ্বাসতন্ত্র, (inhalation)not vertical. চোখ ও মুখের মাধ্যমে ছড়ায়।

আক্রান্ত মুরগি ও টিকাযুক্ত মুরগি(১১দিন পর্যন্ত ভাইরাস ছড়ায়)

পালক,খাচা,ক্রেটস,

শেডের ডাস্ট

খাবার ও পানির পাত্র

লিটার

জুতা

কাপড়

লোকজন

প্যাথোজেনেসিসঃ

Enter through the upper Respiratory Tract and ocular route.

ট্রাকিয়া ও ল্যারিক্সের মিউকোসায় ইডিমা হয়,তারপর ফেটে রক্তপাত হয় যা নাক মুখ দিয়ে বের হয়।

লক্ষণঃ

ইনকোবেশন পিরিয়ড ৪-১২দিন।

ক্লিনিকেল লক্ষণ বয়স,ইমোনিটি ,ভাইরাসের লোড,আবহাওয়া ও শ্বাসতন্ত্রের অন্য  রোগের উপর নির্ভর করে।

রানিক্ষেত ও আই বির তুলনায় আই এল টি ধীরে ধীরে ছড়ায়.

মৃদু ভিরুলেন্ট ভাইরাস দিয়ে হলে মারা তেমন যায় না কিন্তু শ্বাসকষ্ট হয়।

 পার একিউট

দ্রুত ছড়ায়।

খাবার কমে যায়,মারা যাবার হার ৭০% হয়

hemorrhagic tracheitis due to it contains blood casts or blood stained mucus,respiratory obstruction

প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট হয়,মুখ হাঁ করে গলা লম্বা করে শ্বাস নেয়,গড় গড় শব্দ করে,কফের সাথে রক্ত আসে।

নাক,মুখ,চোখ ফোলে যায়,চোখ দিয়ে পানি পড়ে।

একিউটঃ

ধীরে ধীরে ছড়ায়।

নাক মুখ ও চোখ ফোলে যায়।চোখ দিয়ে অনবরত পানি পড়ে,শ্বাসকস্ট হয়,নাক দিয়ে সাদা পদার্থ বের হয়ে আসে।এই ক্ষেত্রে মৃত্যহার ১০-৩০% হয়।

আই লিডস গুলো স্টিকি পদার্থ দ্বারা একত্র হয়ে চোখ বন্ধ হয়ে যায়।

eye swollen and blood oozes from trachea.

চোখ জলে ভর্তি থাকবে,তারপর হাচি ও কাশি।

ল্যারিংক্স ও ট্রাকিয়ায়  ক্যাসিয়াস এক্সুডেট দেখা যায়।

ট্রাকিয়াতে রক্তক্ষরণ হয়।

cheesy plug in trachea.

Trachea becomes congested and cyanotic

During inhalation,head extended and neck upward with the wide open mouth,and during exhalation,head lowered with mouth closed.

Death due to suffocation

সরযন্ত(larynx) ও শ্বাসনালীতে বেড়ে ওঠা কফ থেকে অব্যাহতি পাবার জন্য মাঝে মাঝে পাখি প্রচন্ডভাবে মাথা ঝাকাবে।

পালক,পায়খানা এবং ঠোটে রক্ত লেগে থাকে।

মুখ ও শ্বাসনালীতে ছাই রং এর জমা রস দেখা যায়.

দু পায়ের উপর ভর করে মাখা উপরে তুলে শ্বাস নেয়।

অনেক সময় পাখির ঠোটে রক্ত লেগে থাকে এবং ঐ রক্ত শ্বাসনালী দিয়ে বাহিরে বের হয়ে আসে।

ডিম  হঠাত করে কমে যায় এবং হঠাত  পাখি মারা যায়।

সুস্থ হতে ২ সপ্তাহ লাগে।

মারা যাবার হার ৫-৩০% তবে গড়ে ১০-২০%।মিক্স ইনফেকশন হলে ৮০% মারা যায়।

ডিম কমে যায় ১০-৫০%  যা স্বাভাবিক হতে ৩-৪ সপ্তাহ লাগে।।

অনেক মুরগি কাল করে দিতে হয়।

মৃদ প্রকৃতি

ডিম কমে যায়,চোখ ও নাক দিয়ে পানি পড়ে।

চোখের নিচে ফোলে যায়

মৃত্যহার ১-২% ,মর্বিডিটি ৫%।

ক্রনিক লক্ষণঃ

প্রথম চুপচাপ এক জায়গায় বসে থাকবে।

পাখিকে অবসাদ গ্রস্থ মনে হয়।

চোখ ছোট হয়ে আসে এবং কফ থাকে।

ডিম পাড়া মুরগির ডিম ১০% কমে যায়।

পোস্টমর্টেম

রেস্পিরেটরী ট্রাকে পেচুর রক্ত ক্ষরণ হয় এবং জমাটবাধা রক্ত দেখা যায়।

একিউট ফর্মে ট্রাকিয়াতে মিউকয়েড এক্সুডেট পাওয়া যায়,এতে রক্ত থাকতে পারে আবার না ও থাকতে পারে,

ল্যারিংসে হলুদ ডিপথেরিক  মেমব্রেন পাওয়া যায়।

শ্বাসনালী ও ল্যারিংক্সে প্রচন্ড প্রদাহ থাকে,মিউকাস ও বালির মত বস্তু থাকে।

রোগ নির্ণয় পদ্ধতিঃ

ক্লিনিকেল উপসর্গ

এলাইজা

পোস্ট মর্টেম

ভাইরাস নিউট্রালাইজেশন

আর টি পি সি আর

এম্ব্রায়োতে ইনুকোলেশন

চিকিৎসা

ভাল রিজাল্ট পাওয়া যায়না।

নরফক্লিসাসিলিন বা লেভোফ্লক্সাসিলিন(৫-৭ দিন,১মিলি ১ লিটারে পানিতে সব সময়।

কফের জন্য পালমোকেয়ার ১ মিলি ৪ লিটারে ১ বেলা ৫-৭  দিন

আক্রান্ত হলে টিকা দেয়া যায়।egg embryonated vaccine eye drop)

পেনিসিলিন বা এমিকাসিন ইঞ্জেকশন ৩দিন দেয়া যায়।

প্রতিরোধঃ

বায়োসিকিউরিটি ভাল রাখতে হবে

স্প্রে করতে হবে।

টিকা ৩ ধরনের (T C O,CEO,Recombinant ILT)

রিকম্বিবিনেটঃ  আই এল টি এটি মেরেক্স টিকার সাথে ১দিন বয়সে চামড়ার নিচে দেয়া হয়,

এটি সীমিত মাত্রায় ইমোণিটি তৈরি করে কিন্তু টিকা বিহীন মুরগি ঝুকিতে থাকে।

দাম বেশি.৬০ সপ্তাহ পর্যন্ত প্রটেকশন দেয়।

লাইভ(CEO)  এটি  চোখে ড্রপ,স্প্রে বা পানির মাধ্যমে দেয়া হয়।

৬-৮ সপ্তাহ

১২-১৫ সপ্তাহ

এটি উন্নত মানে ইমোনিটি তৈরি করে কিন্তু মারাত্মক রিয়াকশন হতে পারে।

এটি ক্যারিয়ার হিসেবে কাজ করে তাই আশেপাশে টিকা বিহীন ফার্মের জন্য বিপদজনক।

TCO:(Tissue culture) এটি মৃদু প্রকৃতির ইমোনিটি তৈরি করে,অল্প রিয়াকশন হয়।

৪-৬ সপ্তাহ

১০-১৬ সপ্তাহ

এতে ভাইরাস ছ্ড়ায়  না।

চোখে ড্রপের মাধ্যমে দেয়া হয়।

৪-৬ সপ্তাহ  চোখে

১২-১৫ সপ্তাহে

বা ১০ সপ্তাহে ও ১৪ সপ্তাহে

যদি ফার্মে হবার সম্বাবনা থাকে তাহলে ৩টি (TCO) টিকা দিতে হবে

৬,১২ ও ১৫ সপ্তাহে।

টিকা দিলে সব ফার্মে দিতে হবে।

আক্রান্ত সেড পরিস্কার,জীবাণুমুক্ত করে ৩ সপ্তাহ পরে মুরগি তুলতে হবে।

টিকা দেয়ার ৩-৫ সপ্তাহ পর ইলাইজা টেস্টের মাধ্যমে টাইটার টেস্ট করতে হবে ।টাইটার ২০০০-৬০০০ হতে হবে।

কিল্ড টিকা দেয়ার ৫-৮ সপ্তাহ পর ইলাইজা করে টাইটার দেখতে হবে যদি ৭০০০-২০০০০ হয় তাহলে ঠিক আছে।

 

 

 

Please follow and like us:

About admin

Check Also

বাচ্চা মুরগিতে ১ম সপ্তাহে কেন রোগ কম হয়,২সপ্তাহের দিকে কেন বেশি হয়।

বাচ্চাতে ম্যাটার্নাল এম ডি এ নয়ে আসে যা প্রটেকশন দেয়।আবার ২ সপ্তাহে বা পরের দিকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Translate »
error: Content is protected !!