রানিক্ষেতঃকেন হয়,প্রকারভেদ,লক্ষণ,লেসন,টাইটার,প্রতিরোধঃবিস্তারিত:

 

🐔 রানিক্ষেত: কেন হয়, প্রকারভেদ, লক্ষণ, লেসন, টাইটার ও প্রতিরোধ (বিস্তারিত)


🔰 ভূমিকা

আমাদের দেশে মুরগি ও কবুতরের জটিল এবং মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ হলো রানিক্ষেত। মর্টালিটি, মর্বিডিটি, প্রোডাকশন লস এবং অর্থনৈতিক ক্ষতির দিক থেকে এটি ২য় অবস্থানে রয়েছে (১ম অবস্থানে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা)।

সব খামারীর কাছেই রানিক্ষেত একটি ভয়ের নাম। ব্রিডারের ফার্টিলিটি ও হ্যাচাবিলিটি কমে যায়। রানিক্ষেতকে Notifiable disease বলা হয়, কারণ এটি হবার আগে কিছু ইঙ্গিত দেয় এবং টেস্ট করলে আগে থেকেই জানা যায়।

ভ্যাক্সিন দেওয়া মুরগিতে সবসময় ক্লিনিক্যাল লক্ষণ স্পষ্ট দেখা যায় না। আক্রান্ত মুরগি সব সময় শ্বাসনালীর ও নার্ভাস লক্ষণ দেখায় না। মর্টালিটি ০–১০০% পর্যন্ত হতে পারে, যা ভাইরাসের ভিরুলেন্সির উপর নির্ভর করে।

রানিক্ষেত হলে ৪ দিনের মধ্যে ডিম উৎপাদন শূন্যে নেমে যেতে পারে এবং ডিমের খোসা রাফ ও ব্লিচড হয়।

বাচ্চা মুরগিতে শ্বাসনালী ও নার্ভাস সমস্যা বেশি দেখা যায়, আর প্রোডাকশন পিরিয়ডে রিপ্রোডাক্টিভ ও শ্বাসনালী বেশি আক্রান্ত হয়।


🦠 রানিক্ষেতের অন্যান্য নাম

  • Torticolis
  • Twisted neck
  • Star gazing
  • Circling movement
  • Greenish diarrhoea
  • Avian Distemper
  • Fowl pest
  • Pneumoencephalitis
  • Newcastle disease

👉 আক্রান্ত মুরগি সাধারণত ৩–৫ দিনের মধ্যে মারা যায়।


🧫 Epidemiology

🔹 এজেন্ট (ভাইরাস)

  • Paramyxovirus type-1
  • Single stranded, enveloped, non-segmented RNA virus
  • Family: Paramyxoviridae
  • Genus: Avulavirus
  • আকার: ১০০–২০০ ন্যানোমিটার

উন্নত কিছু দেশ রানিক্ষেত মুক্ত হলেও এটি সারা বিশ্বে দেখা যায়।


📜 ইতিহাস

  • ১৯২৬: ইন্দোনেশিয়া (FC Kraneveld)
  • ১৯২৭: ইংল্যান্ড (TM Doyle)
  • ১৯২৮: ভারত (Ranikhet গ্রাম, Edwards)

👉 pH বাড়লে ভাইরাস মারা যায়, তাই ফার্মে চুন ব্যবহার করা হয়।
👉 সূর্যের আলোতে ৩০ মিনিটে ভাইরাস ধ্বংস হয়।
👉 ৬০°C তাপমাত্রায় ৩০ মিনিটে মারা যায়।


🧬 ভাইরাসের স্ট্রেইন

১. লেন্টোজেনিক

  • এম্ব্রিও ৯০ ঘণ্টার পরে মারা যায়
  • বয়স্ক মুরগিতে রোগ কম
  • বাচ্চায় শ্বাসনালীর সমস্যা
  • অধিকাংশ টিকা এই স্ট্রেইন দিয়ে তৈরি

২. মেসোজেনিক

  • এম্ব্রিও ৬০–৯০ ঘণ্টায় মারা যায়
  • শ্বাসকষ্ট, গড়গড় শব্দ
  • নার্ভাস লক্ষণ কম
  • বাচ্চায় মর্টালিটি বেশি (~৫০%)

৩. ভেলোজেনিক

  • এম্ব্রিও ৬০ ঘণ্টার মধ্যে মারা যায়
  • হঠাৎ মৃত্যু
  • সবুজ পায়খানা
  • নার্ভাস লক্ষণ
  • মর্টালিটি ১০০% হতে পারে

🌡️ পরিবেশ

  • ২৫°C তাপমাত্রায় ১০০–৩০০ দিন বেঁচে থাকে
  • ৩৭°C তে ৬ দিন
  • ৪৫°C তে ১২ ঘণ্টা–৩ দিন

👉 শীত ও বসন্তে বেশি হয়
👉 অ্যামোনিয়া জমলে ঝুঁকি বাড়ে


🐔 হোস্ট

  • মুরগি, টার্কি, কবুতর
  • হাঁস ও রাজহাঁসে মৃত্যু কম
  • লেয়ারে বেশি মর্টালিটি
  • সোনালীতে ব্রয়লারের তুলনায় বেশি

👉 মর্টালিটি: ০–১০০%
👉 মর্বিডিটি: ৮০% পর্যন্ত


🔥 কেন রানিক্ষেত হয়

  • তাপমাত্রার ওঠানামা
  • ভেন্টিলেশন খারাপ
  • পুষ্টির অভাব
  • অ্যামিনো অ্যাসিড ঘাটতি
  • টাইটার মনিটরিং না করা
  • আফ্লাটক্সিন
  • IBD, কক্সি, মাইকোপ্লাজমা

🔄 ছড়ানোর উপায়

  • বাতাস
  • পায়খানা
  • কাশি/হাঁচি
  • জুতা, কাপড়
  • যন্ত্রপাতি
  • যানবাহন
  • বন্য পাখি
  • কর্মচারী

👉 অত্যন্ত সংক্রামক রোগ


⚙️ Pathogenesis

ভাইরাস nasal, oral ও ocular route দিয়ে প্রবেশ করে।
প্রথমে শ্বাসনালীতে বৃদ্ধি পায়, পরে রক্তের মাধ্যমে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন সিস্টেমে আক্রমণ করে।


🧫 প্যাথোটাইপ (৫টি)

১. Viscerotropic velogenic
২. Neurotropic velogenic
৩. Mesogenic
৪. Lentogenic
৫. Asymptomatic enteric


⚠️ লক্ষণ

  • সবুজ/সাদা/হলুদ পায়খানা
  • শ্বাসকষ্ট
  • মাথা কাঁপা
  • ঘাড় বাঁকা
  • পা ও ডানা অবশ
  • ডিম কমে যাওয়া
  • পাতলা খোসা ডিম
  • হঠাৎ মৃত্যু

🔬 পোস্টমর্টেম লেসন

  • প্রভেন্টিকোলাসে পিনপয়েন্ট হেমোরেজ
  • অন্ত্রে প্লাগ
  • ট্রাকিয়ায় রক্ত
  • সিকামে হেমোরেজ

👉 নির্দিষ্ট প্যাথোগনোমোনিক লেশন নেই


🧪 রোগ নির্ণয়

  • হিস্ট্রি
  • ক্লিনিক্যাল লক্ষণ
  • পোস্টমর্টেম
  • HI test
  • ELISA
  • PCR

💊 চিকিৎসা

👉 ভাইরাস রোগ—সরাসরি চিকিৎসা নেই

তবে:

  • এন্টিবায়োটিক (secondary infection)
  • ইলেক্ট্রোলাইট
  • ভিটামিন

📊 HI টাইটার

টাইটার অনুযায়ী রোগ ও প্রোডাকশন নির্ভর করে।

👉 টাইটার কম হলে ঝুঁকি বেশি
👉 টাইটার বেশি হলে প্রোডাকশন ভালো


💉 প্রতিরোধ

  • নিয়মিত টিকা
  • বায়োসিকিউরিটি
  • টাইটার মনিটরিং
  • ভালো ব্যবস্থাপনা

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

  • টাইটার না জেনে টিকা দেয়া যাবে না
  • বেশি টাইটার থাকলে টিকা দিলে সমস্যা
  • টিকা দিয়েও রোগ হতে পারে

🔚 উপসংহার

রানিক্ষেত একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ যা দ্রুত ছড়িয়ে খামারে বড় ক্ষতি করতে পারে। সঠিক টিকা, টাইটার মনিটরিং এবং বায়োসিকিউরিটি মেনে চললে এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।


👉 আপনি চাইলে আমি এটাকে

📊 বয়স অনুযায়ী মুরগির আদর্শ টাইটার

বয়স অনুযায়ী মুরগির আদর্শ টাইটার মাত্রা হলো:

বয়সটাইটার
১–৫ সপ্তাহ৪–৫
৬–১০ সপ্তাহ৫–৬
১১–১৫ সপ্তাহ৬–৭
১৬–২০ সপ্তাহ৭–৮
২১ সপ্তাহ–বিক্রি৭–১০

📈 টাইটারের উপর উৎপাদন নির্ভরতা

টাইটারমন্তব্য
০–২ফ্লক আক্রান্ত হবে, মৃত্যুহার ১০০% হতে পারে
২–৫ফ্লক আক্রান্ত হবে, মৃত্যুহার ১০% পর্যন্ত হতে পারে
৫–৬মৃত্যুহার থাকবে না, তবে যেকোন সময় বাড়তে পারে
৬–৮রানিক্ষেতে মারা যাবে না, তবে ডিম কমে যাবে
৯–১০ডিম উৎপাদন ভালো থাকবে, হ্যাচাবিলিটি ভালো
১০–১১মুরগি ভালো থাকবে, ১ মাস টিকা প্রয়োজন নেই

👉 যদি সব টাইটার ১১ হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে ফিল্ড ভাইরাস আক্রমণ করেছে


⚠️ টাইটার সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

  • টাইটার কম থাকলে করাইজা, মাইকোপ্লাজমা ইত্যাদি রোগ বাড়ে
  • টিকা দেওয়ার ১০–১৫ দিন পর টাইটার পরীক্ষা করা উচিত
  • টাইটার মনিটরিং করলে বড় ক্ষতি এড়ানো যায়
  • বাচ্চার ক্ষেত্রে মাতৃ এন্টিবডি (MDA) টাইটার ৪ ভালো
  • ৪–১৭ সপ্তাহে টাইটার ৫–৭ ভালো (৭ এর বেশি হলে আরও ভালো)
  • কিল্ড টিকা কাজ করলে টাইটার বেশি থাকে

🐔 প্রডাকশনের উপর টাইটারের প্রভাব

  • টাইটার ০–২ → ডিম কমে যায়, মৃত্যুহার ১০০%
  • টাইটার ২–৫ → ১০–১৫% মৃত্যু, ৩০–৪০% প্রোডাকশন কমে
  • টাইটার ৫–৬ → সামান্য সমস্যা, প্রোডাকশন ওঠানামা
  • টাইটার ৬–৭ → ৭ দিনের মধ্যে টিকা দিতে হবে
  • টাইটার ৭–৮ → ১০–১৫ দিন পর আবার টেস্ট
  • টাইটার ৮–১০ → টিকা ভালো কাজ করেছে

👉 এই অবস্থায় যদি আবার সবুজ পায়খানা, ডিম কমা শুরু হয় → ফিল্ড ভাইরাস আক্রমণ


💉 টাইটার ও টিকা ব্যবস্থাপনা

  • লাইভ + কিল্ড টিকা দিলে টাইটার ইউনিফর্ম থাকে
  • টাইটার ৮–১০ হলে ১৫–২১ দিন পর টেস্ট করা উচিত
  • বেশি টাইটারে টিকা দিলে ভ্যাক্সিন রিয়েকশন হয়

👉 HI টেস্টের মাধ্যমে টাইটার নির্ণয় করা হয়


🛡️ প্রতিরোধ (বিস্তারিত)

🔹 টিকা

  • বাচ্চায় Clone, B1 Hitchner বা F strain
  • পরে Clone + Lasota

টিকা শিডিউল:

  • ১–৫ দিন: IB + ND
  • ১৭–২০ দিন: IB + ND
  • ২১–২৫ দিন: ND killed
  • ৯–১০ সপ্তাহ: ND killed
  • ১৬–১৭ সপ্তাহ: IB + ND + EDS

🔹 বায়োসিকিউরিটি

  • স্প্রে ছাড়া ফার্মে প্রবেশ নয়
  • ফুটবাথ ব্যবহার
  • দেশি মুরগি, হাঁস, কবুতর, কুকুর, বিড়াল প্রবেশ নিষিদ্ধ
  • নিয়মিত টেস্ট (সালমোনেলা, মাইকোপ্লাজমা)

💉 টিকার ধরন

🔸 লাইভ (Lentogenic)

  • B1 Hitchner
  • Lasota
  • Clone
  • F strain
  • V strain

👉 বাচ্চায় বেশি ব্যবহার হয়


🔸 লাইভ (Mesogenic)

  • Roakin
  • Komarov
  • Mukteswar
  • H strain

🔸 কিল্ড টিকা

  • Lasota
  • Mukteswar

❓ লাইভ না কিল্ড—কোনটা ভালো?

  • শুধু লাইভ → টাইটার দ্রুত কমে
  • লাইভ + কিল্ড → টাইটার স্থিতিশীল, প্রোডাকশন ভালো

📊 ইউনিফর্মিটি বাড়ানোর উপায়

  • টিকার আগে/পরে Vitamin E, C, Amino acid
  • ৩ দিন আগে ও পরে পুষ্টি ১০–১৫% বাড়ানো
  • ঠান্ডা সময়ে টিকা দেওয়া
  • আগে কৃমিনাশক দেওয়া

⚠️ টিকা ব্যবস্থাপনায় সতর্কতা

  • ৫ দিন আগে অ্যান্টিবায়োটিক (CTC, Tiamulin)
  • ৭ দিন আগে ও পরে toxin binder
  • liver tonic ব্যবহার

❗ যে কারণে প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে

  • পুষ্টির ঘাটতি
  • toxin binder ব্যবহার না করা
  • টিকা সঠিকভাবে না দেওয়া
  • কিল্ড টিকা না দেওয়া
  • overcrowding
  • পানির অভাব
  • মাইকোপ্লাজমা/করাইজা বেশি
  • টাইটার মনিটরিং না করা

🦠 VVND (Viscerotropic Velogenic Newcastle Disease)

  • অত্যন্ত মারাত্মক
  • সব বয়সে হয়
  • মর্টালিটি ০–১০০%
  • ৩টি ফর্ম: নার্ভাস, রেস্পিরেটরি, রিপ্রোডাক্টিভ

👉 টিকা না থাকলে বেশি ক্ষতি হয়
👉 ভাইরাস উচ্চ তাপমাত্রা ও pH সহনশীল


🔄 ট্রান্সমিশন

  • বাতাস
  • পাখি
  • পোকামাকড়
  • রোডেন্ট
  • রেস্পিরেটরি ফ্লুইড

👉 ফিসিস ও ডাস্টে ১২ মাস বেঁচে থাকতে পারে


🧪 এন্টিমর্টেম লক্ষণ

  • ডিপ্রেশন
  • অরুচি
  • মাথা ফোলা
  • কনজাংটিভাইটিস
  • টর্টিকোলিস

🔬 পোস্টমর্টেম

  • ট্রাকিয়ায় রক্ত
  • GIT-এ আলসার
  • নেক্রোটিক প্লাগ
  • ওভারিতে হেমোরেজ

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ নোট

  • ছোট বাচ্চা লক্ষণ ছাড়াই মারা যেতে পারে
  • সবুজ পায়খানা কমন লক্ষণ
  • টাইটার ইউনিফর্ম হয় না
  • ND ও AI আলাদা করা কঠিন → টেস্ট জরুরি

❗ ডায়াগনোসিসে সতর্কতা

  • শুধু প্রভেন্টিকোলাস দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না
  • ট্রাকিয়া দেখে ৫টি রোগ হতে পারে
  • মিক্স ইনফেকশন হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি

🔚 Final কথা

👉 টাইটার না জেনে টিকা দেওয়া সবচেয়ে বড় ভুল
👉 টেস্ট করলে খরচ কমে এবং রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকে
👉 সঠিক ব্যবস্থাপনা + টিকা + টেস্ট = সফল ফার্ম

 
 
নোটঃ
ছোট বাচ্চা কোন লক্ষণ ছাড়াই মারা যেতে পারে,তাছাড়া ভি ভি এন ডি তেও লক্ষণ ছাড়াই মারা যায়।
সবুজ পায়খানা কমন ক্লিনিক্যাল লক্ষণ।
সকল বার্ডে একই লেবেলে টাইটার পাওয়া সম্বব না।নিউরোট্রপিক নার্ভাস সাইন তখনই দেখা দেয় যখন ১৮-২১ দিন ধরে ্মুরগি আক্রান্ত থাকবে।ঝুটি ডিজ কালার সায়ানোসিস,ডার্ক হয়ে যায়।ফেসিয়াল ও নেকে ইডিমা হয়।
ব্রয়লারে কি কি লক্ষণ দেখা যায়।
গলার সাবকিউটিনাসে ইডিমা হয়।ট্রাকিয়াতে হেমোরেজ থাকে না কিন্তু প্রভেন্টিকোলাসে রক্ত পাওয়া যায়।ইনটেস্টাইনে ছোট  হেমোরেজ দেখা যায়,হেমোরেজিক লিম্পফয়েড ফোকাই দেখা যায়(ডিওডেনাম ও সিকাল টনসিল)
ভেন্টের মারজিনেও হেমোরেজ দেখা যায়রওভারী ছোট হয়ে যায় এবং স্টিগমাতে রক্ত পাওয়া যায়।মুরগিতে কুসুমের মত ফ্লুয়ড দেখা যায়।
প্রিভেন্টশন
১দিন বয়সে বি ১ হিসনার।
১৪দিনে লাসোটা
৩৫-৪০ দিন পর পর লাসোটা।
ইনএক্টিভেটেড টিকা লাইভ টিকার বিকল্প হতে পারে না কারণ এটি লোকাল ইনফেকশন দূর করতে পারেনা।
ভ্যক্সিন রিয়েকশন
কংজাংটিভাইটিস,স্নিকিং,গ্যাস্পিং দেখা যায় কারণ লোয়ার ট্রাকিয়াতে প্লাগ জমা হয়।
তাই টিকা দেয়ার পর এন্টিবায়োটিক দেয়া যা্য।
তবে টিকা দেয়ার পূর্বে মাইকোপ্লাজমার ডোজ করা উচিত।
(মানুষের ক্ষেত্রে কংজাংটিভাইটিস হয়)

প্রভেন্টিকোলাস দেখে প্রায় ১০টি রোগের অবস্থা বুঝা যায় তাই শুধু রানিক্ষেত নিয়ে ভাবলে হবে না।

জানতে হবে বিস্তারিত স্পেসিফিক।

1、Glandular nipple top bleeding – Newcastle disease.
2、Glandular nipple bottom bleeding – flu
3、Glandular mucosal hemorrhage, musculoskeletal corneal hemorrhage – influenza, Newcastle disease
4、Glandular edema thickening, nipple ulcer swelling (Severe nipple disappears), muscle and cornea corneal hyperplasia, ulcers, erosion – muscle gastritis, glandular gastritis.
5、A hemorrhagic zone is formed between the (Mechanical) stomach(Gizzard) and the glandular stomach(proventriculus) – the bursa of Fabricus.(IBD)
6、Hemorrhage between the glandular stomach and the(Gizzard) stomach and  corneal and subkeratal hemorrhage – poisoning.
7、The glandular stomach is swollen and thickened, and the nipple presents a tumor nodule – Marek’s disease,
Lymphocytic leukemia, reticuloendotheliosis.

8.Haemorrhage between esophagus and proventriculous.:ND


Anatomically cooperate with the appearance of the chicken, including feces, respiratory symptoms, feed intake, water intake, combined with systemic organ lesions, for accurate diagnosis, some lesions are easy to diagnose from a single organ, and some diseases become compatible with multiple organs at the same time Judging the diagnosis, therefore, can not rush to draw conclusions!

#######

1.Hemorrhages at the tips of glands: ND.

2.Patchy hemorrhage in mucosa of proventriculous

#:Orchratoxicosis সাথে যদি( other lesions  pale yellow liver & Hemorrhage on intestine)

# Patulin toxicity সাথে যদি (Hemorrhage in Gizzard & intestine)

#Sulpha drug toxicity or Hemorrhagic syndrome সাথে যদি (Hemorrhage in Spleen,muscle & intestine).

3.linear hemorrhage between glands: spirochaetosis.

4.Thickening of proventiculous wall,nodular & grey.

#Mareks, immature bird(যে কোন বয়সে তবে ১০ সপ্তাহের পর বেশি হয়)

#Avian leucosis: sexually mature bird(১৬ সপ্তাহের পর)
6.small whitish foci visible from serosal surface of proventriculus:

avian influenza with high mortality

7.impaction of foreign body:

impaction of proventriculous

8.yellow pus like material: Panthothenic acid deficiency

9. Hemorrhagic spots in proventriculous glands with worms embedded: Dyspharynx, nasuta worm.

অনেক কিছুই কাছা কাছি মনে হয়। মিক্স ইনফেকশন হলে তো আরো কঠিন, ভুল ডায়াগ্নোসিস হতে পারে তাই কনফার্ম হতে হলে  টেস্ট করতে হবে।

রোগ নির্ণয় করতে শুধু প্রভেন্টিকোলাস দেখলে ১০০% অনেক সময় হয় না।বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রেও প্রবেন্টিকোলাসে  প্রায় এক রকম লেশন পাওয়া যায় তাই শিউর হতে হলে টেস্ট করতে হবে।ভাল করে দেখতে হবে আরো কি কি লক্ষণ বা লেশন পাওয়া যায়।সব মিলিয়ে ডায়াগ্নোসিস করতে হবে।

 ট্রাকিয়া দেখে ৫টি রোগ বুঝা যায় তাই নির্দিস্ট করে বলা কঠিন।১।ট্রাকিয়াতে মিউকাস হলে নিচের রোগ গুলি হতে পারে।

আই বি,রানিক্ষেত,আই এল টি

২।ট্রাকিয়াতে রক্ত হলে নিচের রোগ গুলি হতে পারে

আই এল টি,এন ডি ,এ আই

৩।ট্রাকিয়াতে পাতলা পর্দা

ভিটামিন এর ঘাটতি

৪। ট্রাকিয়াতে  লাল সুতার মত

সিংগামাস ট্রাকিয়া কৃমি

৫।ব্রংকাই এ প্লাগ

আই বি

####

আমরা ফিল্ডে যতগুলো রোগ দেখি অনেক গুলোই রানিক্ষেতের টাইটার না জেনে টিকা দেবার কারণে হয় কারণ আমাদের অজান্তেই টাইটার ৫ এর নিচে চলে আসে বা টাইটার বিভিন্ন ধরনের হয় মানে মুরগির টাইটারের ইউনিফরমিটি খারাপ থাকতে পারে। রোলিং ইনফেকশনের সময় লাসোটা  টিকা দিলে মর্টালিটি  বেড়ে যায়।টাইটার টেস্ট না করার কারণে সবাই এই অবস্থায় টিকা দিয়ে মাথায় হাত রেখে বসে পড়ে।

অনেক সময় টাইটার ৭-১০ থাকা অবস্থায় টিকা দেয় এতেও সমস্যা হয়।

টিকার রিয়েকশনের কারণে ঠান্ডা লাগার মত হয় এতে ৭-১৫ দিন বিভিন্ন মেডিসিন চলতে থাকে ,এতে আবার অতিরিক্ত এন্টিবায়োটিক দেয়ার কারণে ডিজব্যাক্টেরিওসিস হয়। ইমোনিটি কমে যায় ,অন্যান্য রোগ চলে আসে।

ক্রনিক রানিক্ষেত ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে।

অনেকদিন ধরে গড় গড় শব্দ ।এন্টিবায়োটিক দিয়েও কাজ হচ্ছে না।টিকাও দেয়া হয়েছে।এর অর্থ টিকা কাজ করে নাই বা টাইটারের সমস্যা।

টাইটার বেশি হয় কম হয় , টাইটারের ইউনিফর্মিটি খারাপ হতে পারে।

কেন টেস্ট করাবেন?

১।ভ্যাক্সিন রিয়েকশন দূর করতে(৬০% ফার্মে মাইকোপ্লাজমা ও এন ডি টাইটার থাকা অবস্থায় ভ্যাক্সিন দেয়া হচ্ছে)

২।ভ্যাক্সিন শিডিউল মেনে চলতে(টাইটার দেখে ভ্যাক্সিন দেয়া উচিত)

৩।ধকল দূর করতে(ভ্যাক্সিনের ফলে মুরগির উপর ধকল পড়ে)

৪।অনাকাংখিত রোগ থেকে মুক্ত রাখতে(প্রায় সময়ই দেখা যায় ভ্যাক্সিন দেয়ার পর বিভিন্ন রোগ চলে আসে।)

৫।ফার্ম নিরাপদ রাখতে

৬।আমরা প্রায়ই ১-২ মাস পর পর সালমোনেলা ,মাইকোপ্লাজমা ও রানিক্ষেতের ভ্যাক্সিন দিয়ে থাকি;

এটা ভুল নিয়ম হলো সুযোগ থাকলে টেস্ট করে নেয়া।

টাইটার ৭ এর উপর ও মাইকোপ্লাজমা থাকা অবস্থায় টিকা দিলে ভ্যাক্সিন রিয়েকশন হয় এবং প্রডাকশন কমে যেতে পারে।।

৭।ফার্মের খরচ কমাতে।

ধরি ২০০০(একই সেড) লেয়ার এর সালমোনেলা ও মাইকোপ্লাজমা ও টিকার খরচ প্রায় ৯০০০টাকা অথচ যদি ১০০০টাকা খরচ করে যদি টেস্ট করি তাহলে ৯০০০টাকা নাও লাগতে পারে।

নোটঃএমন ও দেখা গেছে টেস্টের কারণে ৩-৫ মাস কোন সালমোনেলা ,মাইকোপ্লাজমা ও রানীক্ষেতের টিকার দরকার হয় নি শুধু টেস্ট করা হয়েছে।

 নোট
অনেক সময় গ্রোয়িং পিরিয়ডে মুরগি শুকিয়ে যায় ,মারা যায় কোন লক্ষণ পাওয়া যায় না ,এই অবস্থায় টাইটার টেস্ট খুব দরকার কারণ টাইটারের সমস্যা থাকার জন্য এমন হতে পারে।
লেশন ও লক্ষণ দেখে এ আই ও রানিক্ষেত আলাদা করা কঠিন তাই টেস্টই বেস্ট।
 ভি ভি এন ডি,কলেরা এবং এইচ পি এ আই  এবং টাইফয়েডের কারণে হাঠাত মুরগি মারা যায় কোন লক্ষণ বা লেশন পাওয়া যায় না।
 
 আর এন এ ও ডি এন এ ভাইরাসের লিস্টআর এন এ ভাইরাস

১।আই বি ডি

২।এন ডি

৩।আই বি

৪।এনসেফালোমাইলাইটিস

৫।এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা( এ আই)

৬।ভাইরাল আর্থাইটিস/মেল এব্জর্শন সিন্ডম

৭।সোয়েলেন হেড সিন্ডম

৮।লিউকোসিস

ডি এন এ ভাইরাস

১।চিকেন এনিমিয়া

২।ই ডি এস

৩।এডেনো ভাইরাস

৪।পক্স

৫।বিগ লিভার ডিজিজ

৬।মেরেক্স

৭।আই এল টি

৮।আই বি এইচ

❓ রানিক্ষেত রোগ কেন হয়?

রানিক্ষেত ভাইরাস (Paramyxovirus type-1) দ্বারা এই রোগ হয়।

❓ রানিক্ষেত রোগের প্রধান লক্ষণ কী?

সবুজ পায়খানা, শ্বাসকষ্ট, ঘাড় বাঁকা, ডিম কমে যাওয়া।

❓ রানিক্ষেত রোগের টিকা কখন দিতে হয়?

বয়স ও টাইটার অনুযায়ী টিকা দিতে হয়।

👉 পোলট্রি চিকিৎসা গাইড (PDF  বই অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন)

 
Trachea(ট্রাকিয়া)
 
 

 
Scroll to Top