Breaking News

২০০০কোয়েলের লাভ লসের হিসাব

বাচ্চার দামঃ
১দিনের বাচ্চা্টার দাম ৬-৮টাকা

৩-৪ সপ্তাহে ৩০-৩৫ টাকা

ডিম পাড়া অবস্তায় ৬ সপ্তাহে ৫০-৫৫ টাকা।
ঘরঃ
২০০০ কোয়েলের জন্য ৪৩২ বর্গফুট জায়গার দরকার।
ঘরের খরচ হবে আনুমানিক ১ লাখ টাকা।

এবং খাবার পাত্রের খরচ হবে আনুমানিক ৬০০০টাকা,

ইলেকট্রিকেল ১০০০টাকা

পর্দা ৫০০০ টাকা
খাবার পাত্র ২৫ টির জন্য ১টি এবং পানির পাত্র ৫০টির জন্য ১ টি,

ছোট সময় ১০০ টির জন্য ১ টি খাবার এবং পানির পাত্র লাগবে।
১ দিনের বাচ্চা ৮ টাকা,৩-৪ সপ্তাহের বাচ্চা ৩০ টাকা,পুরুষ হলে ২১-২২ টাকা,ডিম পাড়া অবস্তায় ৫০টাকা,
লাভঃ

২০০০ কোয়েল পাখির জন্য ডিম পাড়া অবস্তায় লাভ ঃ
দিনে খাবার ৪৪ কেজি* ৩৪;    ১৫০০টাকা
বিদ্যুৎ মাসে ৬০০ হলে দিনে        ২০
মেডিসিন মাসে ৩০০০ হলে দিনে ১০০
কর্মচারী                                     ২৬০( নিজে পালন করলে লাগবে না,এমনি ধরে হিসেব করলাম)
টোটাল;      ১৮৮০ টাকা
ডিমের দাম ১৬০০(৮০% ধরে)*২; ৩২০০টাকা (অনেক সময় দেড় টাকা থেকে  আড়াই টাকা হয়)
তাহলে দিনে লাভ ৩২০০-১৮৮০ টাকা ১৩২০ টাকা

তাহলে মাসে ৩৯৬০০টাকা

কিন্তু দাম যদি ১.৫ টাকা হয় ১৬০০* ১.৫;২৪০০টাকা

তাহলে লাভ হবে ২৪০০-১৮৮০;৫২০ টাকা মাসে ১৫৬০০ টাকা

আর নিজে কাজ করলে  ৮০০০ টাকা যোগ হবে মানে ২৩৬০০ টাকা

মাসে ৩০*১৭৮০
১ জন লোক ৩০০০-৪০০০ পালন করতে পারে তাতে লাভ বেশি হবে, তাছাড়া নিজে পালন করলে লাভটা আরো বেশি হবে।
লাভ নিরভর করে কে কতটুকু কম খরচ করে দক্ষতা খাটিয়ে পালন করতে পারে এবং প্রডাকশন আনতে পারে তার উপর।

ভাগ্য খারাপ থাকলে এবং জটিল সমস্যা হলে সব মারা যেতে পারে তাই ঝুকি নিয়ে ব্যবসা করতে হবে।

অসুবিধা ঃ
ফারমে কিছুটা গন্ধ হয়,পুরুষ কোয়েলের শব্দ অনেকের কাছে ভাল লাগেনা এবং লেয়ার ডিমের মত এখনো বাজার তৈরি হয়নি।

কি করলে আরো বেশি  ডিম পাড়বে এবং বেশি লাভজনক হবে।

১।লাইটিং প্রোগ্রাম মেনে চলা।

২।খাবারঃ সঠিক সময়ে সঠিক খাবার ,কোয়েলের জন্য আলাদা খাবার পাওয়া যায়না তাই খাবারে বা পানিতে এমাইনো এসিড বা ভিটামিন দিতে হয়।এমাইনোভিট প্লাস বা ভাইজেস্ট ১মিলি ১ লিটারে ১ বেলা।

ডিম পাড়ার শুরুতে ক্যালসিয়াম ও এমাইনো এসিড দিতে হয়।সান ক্যাল পি বা ক্যাল পি ভেট ১মিলি ১ লিটারে বিকালে।

৩।লিটার ;এদের যে মারাত্মক রোগ হয় টা লিটারে কারনে হয়( কোয়েল ডিজিজ)

তাই খাচায় পালা ভাল বেশি।

৪।হঠাত আবহাওয়া পরিবরতঁনের সাথে ব্যবস্থা নেয়া কারণ এই সময় কোয়েল বেশি অসুস্থ হয়।

৫।আলো বাতাস ও খোলামেলা পরিবেশ যাতে এমোনিয়া গ্যাস না হয়।

৬। বিশুদ্ধ পানি দেয়া।

৭।বাচচার ভাল ব্যবস্থাপনা করা।

Please follow and like us:

About admin

Check Also

১০ জনে শুরু করে এখন ৬০০ জনের দেশি মুরগির ‘মডেল খামার’

১০ জনে শুরু করে এখন ৬০০ জনের দেশি মুরগির ‘মডেল খামার’ শুরু করেছিলেন ১০ জন। …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Translate »
error: Content is protected !!