Breaking News

সিরাজগঞ্জে লেয়ার ফার্ম ভিজিটে গিয়েছিলাম ১৯.৬.১৯ তারিখে. যারা আপডেট জানতে চেয়ে ছিলেন তাদের জন্য

সিরাজগঞ্জে লেয়ার ফার্ম ভিজিটে গিয়েছিলাম ১৯.৬.১৯.
যারা আপডেট জানতে চেয়ে ছিলেন তাদের জন্য
মুরগি ছিল ৭০০০, প্রডাকশন ৯৬%, বয়স ৪২ সপ্তাহ।

প্রতিদিন ১৫-২০টা করে মুরগি মারা যাচ্ছিলো.
যেদিন গেলাম সেদিন ৩৫টা মারা গেছিলো।রোগের কথা শুনে খামারী
মুরগি বিক্রি করার জন্য গাড়ি ঠিক করার কথা বার্তা বলতেছিল।
তখন ই আমাকে যাবার জন্য রিকোয়েস্ট করলো।

আমি কথা শুনে চলে গেলাম।

ফার্মে গিয়ে কিছ হিস্ট্রি নিলাম এবং সেডের ভিতরে একটু ঘুরলাম।

খামারীকে বললাম আপনার মুরগির চোখ মুখ ফোলে গেছে আপনি আমাকে ত আগে বলেন নি।
খামারী ত মাথায় হাত দিয়ে নিজেই যায় যায় অবস্থা।

৭০ লাখ টাকার বিনিয়োগ।মাসে ইনকাম ৭ লাখ।
মন খারাপ হবার ই কথা।মুরগির চোখ ফোলে গেছে এতে আমি খুশি হয়েছি।এই কথা শুনে খামারী অবাক হলো।
আমি বললাম চোখ ফোলার কারণেই আমি বুঝতে পারছি আপনার মুরগির সুস্থ হয়ে যাবে। ৯৯% সম্বাবনা।
খামারী আমার মুখের দিকে তাকিয়ে রইলো।বিশাস হচ্ছে না।
খাবার,পানি ও ডিম ৪৫% এ নেমে এসেছে।
মুরগি কাটার আগেই বললাম মুরগির করাইজা হয়েছে,সাথে গরম এবং মাইকোটক্সিসিটি ও ক্যালিসিয়ামের ঘাটতির কারণে এ-ই সমস্যা।
(মেইন সমস্যা করাইজা আর গরম,টাইটার)

টাইটারের সমস্যা এবং( এ) আছে কিনা জানার জন্য টেস্ট করতে হবে।
কলেরা ও এ আই আছে কিনা তার জন্য কিছু কাজ এবং পোস্ট মর্টেম করতে হবে।

তারপর পোস্ট মর্টেম করলাম।
মাইকোটক্সিসিটি পাইলাম।

ভয়ের ব্যাপার টা জানার জন্য টেস্ট করলাম। নেগেটিভ পাইলাম।

খামারী বললো যত টেস্ট আছে সব করেন।আমি বললাম এখন শুধু টাইটার আর সাল্মোনেলা করলেই হবে,খামারীর কথায় মাইকোপ্লাজামার টেস্ট ও করলাম।
কিন্তু টেস্টে মাইকোপ্লাজামা পাওয়া যায় নি।
সাল্মোনেলা ছিল আল্প
টাইটারের সমস্যা ছিল।

খামারী আমাকে নিয়ে যাওয়ায় গাড়ি ভাড়া ছিল
৭৫০০ টাকা
ভিজিট ২০০০ টাকা
খাওয়ার খরচ ১০০০ টাকা
টেস্টের খরচ ৫০০০টাকা
টোটাল খরচ ১৫০০০টাকা।
খামারীর লাভ হলো মাসে ৭ লাখ টাকা হলে ১২ মাসে ১২*৫লাখঃ৬০লাখ( মাসে ৭ লাখের যায়গায় ৫ লাখ ধরে কারণ পরে প্রডাকশন কম হবে)

অথচ দেশে এমন শত শত ফার্ম বিক্রি হয়ে যায় এই রকম ভুলের এবং খরচের কথা চিন্তা করে।
খামারীরা এখনো নিজেদের লাভের হিসেব টাই শিখতে পারলো না।
আল্লাহ আমার ওছিলাম উনাকে অনেক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করেছেন।

কেই যদি আমার উপর বিশাস করে কোন ফার্মের সমস্যায় নিয়ে যতে চান আমি যেতে রাজি।
চাকরি করি না।নিজে যা শিখেছি তাই দিয়ে পোল্ট্রি প্যাক্টিস করি।

মুরগি সুস্থ হবার পর খামারীর মুখের হাসি
আমি খুব ভাল বাসি।

আল্লাহ রহমতে আমি মুরগির হিস্ট্রি নেয়ার পর ৮০% ডায়াগ্নোসিস হয়ে যায়।১০% করি পোস্ট মর্টেম করে(, ৯০%)তাতে ও যদি না পারি বাকি ১০% আমি টেস্ট করে জেনে নেই।
আল্লাহ কে অসংখ্য ধন্যবাদ

Image may contain: 1 person, sitting, beard and closeup
Image may contain: flower
Image may contain: water and outdoor
Image may contain: food and text

 

Please follow and like us:

About admin

Check Also

বাচ্চা মুরগিতে ১ম সপ্তাহে কেন রোগ কম হয়,২সপ্তাহের দিকে কেন বেশি হয়।

বাচ্চাতে ম্যাটার্নাল এম ডি এ নয়ে আসে যা প্রটেকশন দেয়।আবার ২ সপ্তাহে বা পরের দিকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Translate »
error: Content is protected !!