Breaking News
রানিক্ষেত
রানিক্ষেত

রানিক্ষেতঃকেন হয়,প্রকারভেদ,লক্ষণ,লেসন,টাইটার,প্রতিরোধঃবিস্তারিত:

রানিক্ষেতঃকেন হয়,প্রকারভেদ,লক্ষণ,লেসন,টাইটার,প্রতিরোধঃবিস্তারিত:

ভূমিকা

আমাদের দেশে মুরগি এবং কবুতরের জটিল এবং মারাত্মক ভাইরাস রোগ হল রানিক্ষেত।মর্টালিটি,মর্বিডিটি,প্রডাকশন লস,অর্থনৈতিল ক্ষতির দিক দিয়ে ২য় অবস্থানে আছে রানিক্ষেত.১ম অবস্থানে এ আই।সব খামারীর কাছেই রানিক্ষেত একটি ভয়ের নাম।ব্রিডারের ফাটিলিটি এবং হ্যাচাবিলিটি কমে যায়.রানিক্ষেতকে Noticeable ডিজিজ বলা হয় কারণ এটা হবার আগে জানিয়ে আসে।টেস্ট করলে আগেই জানা যায় রানিক্ষেত আসতেছে।ভ্যাক্সিনেটেড মুরগিতে ক্লিনিকেল লক্ষন তেমন দেয়া যায় না।আক্রান্ত মুরগি সব সময় শ্বাসনালীয় এবং নার্ভাস সাইন শো করে না।মর্টালিটি ০-১০০% যা ভাইরাসের ভিরুলেন্সির উপর নির্ভর করে।রানিক্ষেত হলে৪দিনের মধ্যে ডিম শূণ্যতে চলে আসতে পারে,প্রডাকশন শুরু হলে ডিমার আকার ঠিক থাকে না।(Rough and Bleached Shells )

বাচ্চাতে রেস্পিরেটরী ও নার্ভাস(sitting on their back hock jointor ,walk backwards,or in circle or hind their head between their legs) সিস্টেমে সমস্যা বেশি হয় আর প্রডাকশন পিরিয়ডে রিপ্রডাকশন ও রেস্পিরেট্রী সিস্টেমে বেশি হয়।

রানিক্ষেতকে বিভিন্ন নামে ডাকা হয়

(Torticolis,twisted neck,star gazing,circling movement,greenish diarrhoea, Avian Distemper.Fowl pest.Pneumoencephalitis ,new castle diseases)আক্রান্ত মুরগি নরমালী ৩-৫দিনের মধ্যে মারা যায়।

Epidemiology:

এজেন্ট(ভাইরাস)

এটি প্যারামিক্সোভাইরাস টাইপ ১,সিংগেল স্ট্যান্ড,এনভেলভ এবং ননসেগমেন্টেড,আর এন এ ভাইরাস।প্যারামিক্সোভাইরাস টাইপ ৯ পর্যন্ত আছে।ফেমিলি প্যারামিক্সোভিরিডি।
জেনাস এভোলাভাইরাস।১০০-২০০ ন্যানোমিটার।উন্নত কিছু দেশ রানিক্ষেত মুক্ত যদিও সারা পৃথিবীতেই দেখা যায়।

কে কখন কোথায় রানিক্ষেতকে আইডেন্টিফাই করেনঃ

১৯২৬ সালে ইন্দোনেসিয়ায় FC kraneveld নামে এক বিজ্ঞানী ১ম এন ডি কে আইডেন্টিফাইকরে।১৯২৭ সালে ইংল্যান্ডের নিউ ক্যাসেল নামক জায়গায় TM Doyle নামক বিজ্ঞানী।১৯২৮ সালে ইন্ডিয়াতে রানিক্ষেত নামক গ্রামে Edwards নামে এক ব্যাক্তি ১ম দেখে।পি এইচ বাড়লে রানিক্ষেত এবং এ আই ভাইরাস মারা যায় তাই ফার্মে চু্ন(ক্ষার) দিতে হয়।রানিক্ষেত ভাইরাস সরসরি সূর্যের আলোতে ৩০ মিনিটে মারা যায়.৬০ডিদ্রি সেন্টিগ্রেট তাপমাত্রায় ৩০মিনিটে মারা যায়।Freeze-dried at 3o Degrees in vacuum and can be stored for 30days.ভি ভি এন ডি ভাইরাস পি এইচ এবং তাপামাত্রায় রেজিস্ট্যান্টভাইরাসটির ৩ টি স্ট্রেইন আছে আর ১৬টি সেরোটাইপ

লেন্টোজেনিকঃ

আক্তান্ত এম্বায়নেটেড চিকস ৯০ ঘন্টার পরে মারা যায়।বয়স্ক মুরগিতে রোগ তৈরি করতে পারে না।বাচ্চাতে শ্বাসনালীয় সমস্যা করে।যদি অন্যান্য ইনফেকশন বা ব্যবস্থাপনা খারাপ হয় তাহলে সমস্যা দেখা দেয়।অধিকাংশ টিকা লেন্টোজেনিক  স্ট্রেইন  দিয়ে তৈরি হয়।

মেসোজেনিকঃ

আক্তান্ত এম্বায়নেটেড চিকস  ৬০-৯০ ঘন্টার মধ্যে মারা যায়।এই স্ট্রেইনে বেশি লক্ষণ দেখা যায়।Laboured breathing with wheezing,gurgling accompanied by nervous sign,paralysis.শ্বাসনালীয় সমস্যা বেশি হয়,নার্ভাস সাইন খুব কম হয়।প্রডাকশন অনেক কমে যায়।মর্টালিটি কম হয় তবে বাচ্চাতে বেশি হয় (৫০%)ব্রয়লারে সাবক্লিনিকেল ইনফেকশনে ওজন কম আসে।

ভেলোজেনিকঃ

আক্তান্ত এম্বায়নেটেড চিকস ৬০ ঘণ্টার মধ্যে মারা যায়।পারএকিউট মর্টালিটি হয়।হঠাত মারা যায়।লক্ষণ তেমন  দেখা যায় না।পরে শ্বাসকস্ট হয়,দূর্বলতা দেখা দেয় এবং মারা যায়।চোখের চারদিকে এবং মাখা ফোলে যায়।সবুজ পায়খানা এবং নার্ভাস সাইন দেখা যায়।Tremor,torticolis,paralysis of legs and wings.Opisthotonos occurs before death.খোসা ছাড়া  এবং খোসা পাতলা ডিম পাড়ে।মর্টালিটি ১০০% হতে পারে।সেডের ভিতর ভাইরাস কয়েকদিন থেকে কয়েক সপ্তাহ বেঁচে থাকে কিন্তু মৃত মুরগি বা পায়খানায় কয়েক মাস বেঁচে থাকে।ইনকিউবেশন পিরিয়ড ৫-৬ দিন যদিও কম বেশি হতে পারে ২-১৫দিন।সুস্থ মুরগি ক্যারিয়ার হিসাবে কাজ করেনা।ND and AI virus has affinity to RBC which agglutinate  and lysis RBC.Route :Nasal,Ocular,Oral.

পরিবেশ:

আক্রান্ত ফার্মে ভাইরা্স টি ২৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট তাপমাত্রায় ১০০-৩০০দিন বাচে।৩৭ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ৬দিন।৪৫ডিগ্রি তাপমাত্রায় ১২ ঘন্টা-৩দিন।শীতের শুরুতে এবং বসন্তকালে বেশি হয়।শীতে পর্দা থাকার কারণে  সেডে এমোনিয়া বেশি হয় হয় ফলে এমোনিয়া  হয়ে রানিক্ষেত চলে আসে।

হোস্ট:

যেসব  পাখি আক্রান্ত হয়।মুরগি,টার্কি ও কবুতর।হাস,রাজহাঁস ও কোয়ে্লের মর্টালিটি হয় না।টার্কির ক্ষেত্রে মারা যায় না কিন্তু শ্বাসনালীয় সমস্যা হয় এবং ডিম কমে যায়।লেয়ারে যে মর্টালিটি হয় সোনালীতে তার ডাবল।সোনালীতে যা হয় ব্রয়লারে তার দ্বিগুণ ।মর্টালিটি ০-১০০%।হাসের ক্ষেত্রে হ্যাচাবিলিটি ও ফার্টিলিটি কমে যায়।মর্টালিটি ০-১০০% মর্বিডিটি ৮০% পর্যন্ত হতে পারে।

কেন এবং কখন  রানিক্ষেত বেশি হয়ঃ

শীতকালে অপ্রত্যাশিতভাবে তাপমাত্রা উঠানামার কারণে মুরগি সব সময় ধকলে থাকে,ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।শীতকালে ঘরের পর্দা বেশিরভাগ সময় দেয়া থাকে ফলে ভিতঁরের কার্বন ডাই অক্সাইড ও এমোনিয়া গ্যাস বের হতে পারেনা ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।শীতকালের জন্য আলাদা ফিড ফর্মুলেশন না করলে পুস্টির অভাব দেখা যায়।এমাইনো এসিডের ঘাটতি হলে এন্টিবডি তৈরি কম হয় ফলে রোগ পেতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।নিয়মিত স্প্রে না করলে ব্যাক্টেরিয়া এবং মাইকোপ্লাজমার আক্রমন বেড়ে যায় ফলে রানিক্ষেত হবার সম্বাবনা বেড়ে যায়।রানিক্ষেতের টাইটার মনিটরিং না করলে।খাবারে আফ্লাটক্সিনের পরিমান বেড়ে গেলে।আই বি ডি ও কক্সি হলে রানিক্ষেত হবার সম্বাবনা বেড়ে যায়।

 রানিক্ষেতের তীব্রতা/ ক্ষতিকর প্রভাব নিচের বিষয়ের উপর নির্ভর করেঃ

ভাইরাসের পরিমাণ।প্রজাতি।কো ইনফেকশন( এ আই ,মাইকোপ্লজমা, আই বি,কলেরা।কক্সি,আই বি ডি)পরিবেশ এবং ধকল।রুট)চোখ এবং নাক দিয়ে ঢুকলে বেশি ক্ষতিকর হয়।

ভাইরাসের স্ট্রেইনের তীব্রতার উপর.মুরগির বয়সের উপর.।ইমোনিটির উপর.ব্যবস্থাপনার  উপর।

ধকলঃ গরমের ধকলে thyroxine  released হয় ফলে ব্যাসাল মেটাবলিক রেট বেড়ে যায় এতে এড্রেনাল গ্রন্থি থেকে গ্লোকোকরটিকয়েড বের হয়,গ্লাইকোজেন থেকে এনার্জি বের হয়ে শরীর দুর্বল হয়ে যায়।এই দুর্বলতার সুযোগে জীবানূ আক্রমণ করে কারণ এই সময় ইমোনিটি নষ্ট হয়ে যায়।রানিক্ষেত ৭দিন থেকে ৭২ সপ্তাহ পর্যন্ত বেশি হয় তবে এর পরেও হতে পারে।তবে গ্রোয়িং পিরিয়ডে বেশি মর্টালিটি এবং মর্বিডিটি হয়।

এটি হঠাত ও দ্রুত ছড়ায় যা খুব মারাত্মক এবং খামারীকে ধবংস করে দেয়ার ক্ষমতা রাখে।

স্ট্রেইন  কয়েকটি আর ১৬টি সেরোটাইপ/সাব টাইপ তবে কোথাও কোথাও একটি সেরোটাইপ উল্লেখ আছে।

দুটি সারফেস গ্লাইকোপ্রোটিন:এইচ(হেমাগ্লোটিনিন নিউরামিনিডেজ) এবং এফ( ফিউসন) যা হোস্ট সেলকে বাইন্ড করে.

রানিক্ষেত বাংলাদেশের একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ যা অনেক মৃত্য ঘটায়,প্রডাকশন কমে যায়,ব্রিডারের ফাটিলিটি এবং হ্যাচাবিলিটি কমে যায়.এটি সারা বছর দেখা যায় তবে নভেম্বর,ডিসেম্বর,জানোয়ারী,ফেব্রুয়ারী ও মার্চ মাসে বেশী দেখা যায়।চদেশের ২০-২৫% মুরগি মেরে ফেলার ক্ষমতা রাখে।

কি কি দিয়ে ভাইরাস টি ধবংস হয়ঃ

প্টাশিয়াল পার ম্যাংগানেট ১ঃ৫০০।ইথানল ১ঃ৫

ফর্মালিন ৩%।ক্রিসল ১ঃ১০০০

ফিউমিগেশন করলে মারা যায়,১০০ঘনফুট জায়গার জন্য ৩৫গ্রাম পটাশ,৭০ এম এল ফর্মালিন

কিভাবে ছড়ায়ঃ

এটি হাইলি কন্টাজিয়াস।জুতা ও পোষাক

ড্রপিং(পায়খানা)।রেস্পিরেটরী ডিজচার্জ (হাচি,কাশি,কফ)।যন্ত্রপাতি।কেইজ

যানবাহন( খাবারের,ডিমের ,খাদ্যের ,বাচ্চার গাড়ি),ভ্যান,রিক্সা।।দূষিত খাবার ও পানি

বন্য পাখি।বাতাস।কর্মচারী।ভ্রাম্যমান ডাক্তার,কোয়াক,ভ্যাক্সিনেটরদেশি হাঁস মুরগি,কুকুর,বিড়াল,গরু -ছাগলের মাধ্যমে ছড়ায়।

আক্রান্ত ফার্মের মুরগি সুস্থ মুরগির ফার্মে পাশে ফেললে বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়।এই ভাইরাস ম্যাক্রোফেজ এবং ট্রাকিয়ার ক্ষতি করে।

Pathogenesisঃ

By nasal,ocular and oral route ND virus  go to Upper Respiratory Tract .Replication in epithelium cells mediated by HN polypeptide .Fusion of viral and   cell membrane is brought by  action of Fusion protein. Intracellular replication occur in cytoplasm.virus protein synthesized in infected cells and go to cell membrane.then buddeb from cell surface.নিউমোনিয়া,ট্রাকিয়াতে প্রদাহ,Froth in airsac.

যদি লন্টোজেনিক ভাইরাস হয় তাহলে Upper Respiratory Tract এ সীমাবদ্ধ থাকবে।কোন লক্ষণ দেখা যাবে না।তবে এ আই বা মাইকোপ্লাজমা দ্বারা সেকেন্ডারী ইনফেকশন হয়ে লক্ষণ দেখা দেবে।যদি মেসোজেনিক বা ভেলোজেনিক ভাইরাস হয় তাহলে ভাইরেমিয়া হবে এবং বিভিন্ন সিস্টেমে চলে যাবে যেমন শ্বাসনালী,পরিপাকতন্ত্র,স্নায়ুতন্ত্র ও রিপ্রডাক্টিভ সিস্টেম।ক্লিনিকেল লক্ষণ এবং প্লাগ,আলসার লেসন দেখা যায়।

রানিক্ষেত ভাইরাস টি ৫টি প্যাথোটাইপে বিভক্ত

১. ভিসেরুট্রপিক ভেলোজেনিক:(অতিতীব্র Viscerotropic velogenic)

ইন্টেস্টাইন আক্রান্ত হয়।হঠাত দেখা দেয়,মুরগি বসে পড়ে
ইনস্টেটাইনে (নাড়িভুড়ি/ক্ষুদ্রান্ত) রক্তক্ষরণ হবে এবং মৃত্যহার ১০০% পর্যন্ত হতে পারে।সবুজ রং এর পায়খানা হয়।ক্লোয়েকায় ফোলে যায়,চুন জমা হয়।ফ্যারিংস অবশ হয়ে যায় ফলে খাবার বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু পিত্ত রিলিজ হয় এতে সবুজ পায়খনা হয়।পানিশূণ্যতায় পা অবশ হয়ে যায় ,ওজন কমে যায়।ক্ষুদ্রান্ত্রে ক্ষত মানে বাটনের মত আলসার ও প্লাগ দেখা যায়.সিকামে রক্ত পাওয়া যায়।প্রভেন্টিকোলাসে রক্তের ফোটা দেখা যায়।(papillary pinpoint haemorrhage)Glandular stomach nipple or inter-nipple hemorrhage.Duodenum,3-4cm below the yolk pedicle,cecal tonsil,rectal bleeding,jujube-shaped or focal bleeding.Laying follicles and fallopian tubes are significantly congested ।স্প্লিনে সাদা স্পট দেখা যায়।৩-৫ দিনের মধ্যে বেশি মারা যায়।

২.নিউরুট্রপিক ভেলোজেনিক( অতিতীব্র,Neurotropic velogenic) স্নায়ুতন্ত্র এবং শ্বাসনালী আক্রান্ত হয়,মৃত্য হার ১০০% পর্যন্ত হতে পারেপ্রথম দিকে খোসা পাতলা ও খোসা ছাড়া ডিম পাড়ে।পা,ঘাড় ও গলা প্যারালাইসিস হয়.ট্রাকিয়ায় রক্ত ক্ষরণ হয়।শ্বাসকষ্ট হয়।ডিম কমে যায় ও ডিমের কালার নষ্ট হয়.

.নিউরোট্রপিক  মেসোজেনিক : (তীব্র):

এটি ছোট মুরগিতে বেশি দেখা যায়।প্রধানত শ্বাসনালী বেশি আক্রান্ত হয়,মাঝে মাঝে স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত হয়  এবং  মৃত্যহার বেশি হয়।ট্রাকিয়ায় রক্ত দেখা যায়.(Tracheitis)Sour and odorous liquid in cough.Tracheal ring or spotted bleeding.এয়ারস্যাকোলাইটিস হয় এবং এতে চিজি বস্তু দেখা যায়।মুখ ফোলে যায়.গড় গড় শব্দ হয়,গ্যাস্পিং ও শ্বাসকষ্ট হয়.প্যরালাইসিস হতে পারে.

বড় মুরগি আক্রান্ত হলেঃ

খাবার  ও ডিম দ্রুত কমে খায়.ডিম প্রায় ৩০-৫০% কমে যায়।পাতলা খোসা ও খোসা ছাড়া ডিম পাড়ে।প্রডাকশন ঠিক হতে প্রায় ১৫- ২০ দিন সময় লাগে।

৪. শ্বাসনালীয়  লেন্টোজেনিক (মৃদু) 

মৃদু বা সাবক্লিনিকেল শ্বাসনালীর ইনফেকশন,এতে মৃত্যহার থাকেনা.গড় গড় শব্দ হয় এবং অনেক দিন ধরে থাকে.এন্টিবায়োটিক ভাল কাজ করেনা.

৫.  এন্টেরোট্রপিক এপ্যাথোজেনিক,এসিমটোমেটিক (উপসর্গ বিহীন)( Asymtomatic enteric) 

ন্টেস্টাইন আক্রান্ত হয়।সাবক্লিনিকেল এন্টারাইটিক ইনফেকশন.পাকস্থলী ও ক্ষুদ্রান্তে ক্ষত দেখা যায় যা পরবর্তিতে ভেলোজেনিক রানিক্ষেতে রুপ নেয়।

লক্ষণঃ

চুনের মত পাতলা পায়খানা করে,তবে অনেক সময় সাদা,সবুজ ও হলুদ বর্ণের মিশ্রণ বা শুধু সবুজ বা হলুদ পায়খানা হতে পারে।পায়খানার মাঝখানে সবুজ আর বাহিরের দিকে সাদা।রানিক্ষেতে জ্বর আসে,খাবার কম খায় কিন্তু পিত্তথলির সিক্রেশন একই থাকে তাই পায়খানা সবুজ হয় আর জ্বর থাকার কারণে ক্যালসিয়ামের শোষণ কম হয় আবার ক্যালসিয়াম শরীর থেকে বের হয়ে যায় যা সাদা কালার।তাছাড়া এন্টারাইটিসের যে হেমোরেজ হয়,নেক্রোসিস মিলে হলুদ কালার ও হতে পারে।মালদারে পায়খানা লেগে থাকে।ডিম অনেক কমে যায়,ছোট ডিম পাড়ে,খোসা পাতলা ডিম পাড়ে।মাথা কাপে,ডানা ও পা অবশ হয়ে যায়,মাথা ও ঘাড় ঘুরিয়ে রাখে।অনেক সময় সাপের মত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মারা যায়।খাবার খুব কমে যায় এমনকি খাবার বন্ধ হয়ে যায়।হা করে নিঃশ্বাস নেয়,মুখ দিয়ে লালা পড়ে।চোখ বন্ধ করে রাখে,ঘরের এক পাশে বসে থাকে যদি লিটার থাকে।মৃদু আক্রমণে বার বার মেডিসিন দেয়ার পরও রিজাল্ট পাওয়া যায় না।কক কক শব্দ করে মুরগি লাফ দিয়ে মারা যায়।মৃত্যহার ১০০% হতে পারে যদি ভ্যাক্সিন না দ্যা থাকে।

পোস্ট মর্টেম লেসনঃ

প্রভেন্টিকোলাসঃ পিন পয়েন্ট হেমোরেজ।ক্ষুদ্রান্তঃপ্লাগ দেখা যায়।সিকামঃহেমোরেজ

ট্রাকিয়াঃ রক্ত।গিজার্ডঃইডিমা ও পেটেসিয়াল হেমোরেজ হয়।ক্লোয়েকা ও সিকামঃহেমোরেজিক লেসন

কি কি ভাবে রোগ নির্ণয় করা যায়ঃ

হিস্ট্রি

ক্লিনিকেল উপসর্গের মাদ্যমে

পোস্ট মর্টেমের মাধ্যমে

এইচ এ ও এইচ আই টেস্ট

ভাইরাল নিউট্রালাইজেশন

এলাইজা

পি সি আর

আর টি পি সি আর

র‍্যাপিড টেস্ট ডিভাইসের মাধ্যমে

চিকিৎসাঃ

সেকেন্ডারী ব্যাক্টেরিয়াল/ভাইরাসের ইনফকশন দূর করার জন্য এন্টিবায়োটিক দিতে হবে।আক্রান্তের হার ১০% এর কম হলে রানিক্ষেতের টিকা দেয়া যায়।ডিহাইড্রেশন দূর করার জন্য ইলেক্টোলাইট দেয়া যায়।ভিটামিনস দিলে দূর্বলতা কমে।

এইচ আই টাইটারঃ

এইচ আই টেস্ট হল হিমাগ্লুটিনেশন ইনহিবিশন টেস্ট।বাচ্চা আনার পর কবে টিকা দিবো তা টাইটারের উপর নির্ভর করে.

টাইটার                               ১ম টিকা দেবার বয়স( ১৮ সপ্তাহের মুরগির ক্ষেত্রে)

৩                                                 সাথে সাথে

৪-৫                                             ৭-৯ দিন(১ সপ্তাহ)

৬-৭                                            ১৫-১৮(২ সপ্তাহ)

৮-৯                                           ২৪-২৭(৪ সপ্তাহ)

১০                                              ৩০-৩৫দিন পর টেস্ট করে দেখতে হবে।(৫ সপ্তাহ)

১০০০ মুরগি থেকে ৮ টি মুরগির রক্ত নিতে হবে.ভ্যাক্সিন দেয়ার পর কত দিন পর টাইটার উঠে।বাচ্চার ক্ষেত্রে ১ম টিকা দেয়ার ৭-১০ দিন পরবড় বাচ্চার ক্ষেত্রে ১০-১৫ দিন পর.

কিল্ড টিকার ক্ষত্রে ২১ দিন পর টাইটার টেস্ট করতে হয়,যদি টাইটার ভাল না উঠে তাহলে টিকা দিতে হবে।

বয়স অনুযায়ী মুরগির আদর্শ টাইটার মাত্রা হলঃ

বয়স               টাইটার

১-৫ সপ্তাহ              ৪-৫

৬-১০                    ৫-৬

১১-১৫                  ৬-৭

১৬-২০           ৭-৮

২১-বিক্রি            ৭-১০।

টাইটারের উপর উৎপাদন্ নির্ভর করে

টাইটার                                                                        মন্তব্য

০-২                       ফ্লক আক্রান্ত হবে,মৃত্যহার   ১০০% হতে পারে

২-৫                       ফ্লক আক্রান্ত হবে এবং মৃত্যহার ১০% হতে পারে

৫-৬                     মৃত্যহার থাকবেনা,তবে যেকোন সময় মৃত্যহার বেড়ে যেতে পারে,১-২ টি মাঝে মাঝে মারা যেতে পারে.

৬-৮                   রানিক্ষেতের জন্য মারা যাবেনা কিন্তু ডিম কমে যাবে।

৯-১০                   মারা যাবেনা,ডিম উৎপাদন ভাল থাকবে।হ্যাচাবিলিটি ভাল থাকবে।

১০-১১                 মুরগি ভাল থাকবে,১ মাসের মধ্যে টিকা লাগবেনা।

কিন্তু যদি সব ১১ হয় তাহলে ধরে নিতে হবে ফিল্ড ভাইরাস এটাক ।ফ্লকে যদি রোগ প্রতিরোধ মানে টাইটার কম থাকে তাহলে বিভিন্ন রোগ হয় যেমন করাইজা,মাইকোপ্লাজমা হয় ফলে চিকিৎসা খরচ বেড়ে যায়.অনেক সময় রানিক্ষেতের টিকা দেয়ার পরও রানিক্ষত হয়,তাই টিকা দেয়ার ১০-১৫ দিন পর টাইটার টেস্ট করা উচিত.টাইটার টেস্ট করলে ব্যাপক আকারের ক্ষতির সম্বাবনা কম থাকে.বাচ্চার ক্ষেত্রে ম্যাটারনাল এন্টিবডি (টাইটার) ৪ ভাল এবং বেশি হলে আরো ভাল.টিকার প্রোগ্রাম করার পর ৪-১৭ সপ্তাহ পর্যন্ত টাইটার ৫-৭ ভাল,যদি ৭ এর উপর হয় তাহলে আরো ভাল এবং কিল্ড টিকা কাজ করেছে বলে মনে করা হয়.

প্রডাকশনের ক্ষেত্রে:

টাইটার যদি ২ এর মধ্যে হয় তাহলে ডিম পাড়া অস্বাভাবিক ভাবে কমে যাবে এবং মৃত্যহার ১০০% পর্যন্ত হতে পারে.

টাইটার যদি ২-৫ এর মাঝে হয় তাহলে রানিক্ষেত দ্বারা আক্রান্ত হবে এবং মৃত্যহার ১০-১৫% হবে ও প্রডাকশন ৩০-৪০% কমবে.

টাইটার যদি ৫-৬ এর মাঝে হয় তাহলে রানিক্ষেত হবেনা কিন্তু মাঝে মাঝে সবুজ বা চুনা পায়খানা হয়,মৃত্যহার ০.২৫% এবং প্রডাকশন ৫-১০% উঠানামা করে.

টাইটার যদি ৬-৭ হয় তাহলে ৭ দিনের মধ্যে টিকা দিতে হবে.

টাইটার যদি ৭-৮ এর মধ্যে হয় তাহলে ১০-১৫ দিন পর টেস্ট করে দেখতে হবে টাইটার পরিবর্তন  হল কিনা,মুরগির প্রডাকশন ভাল থাকবে এবং কোন মৃত্যহার থাকবে না।

টাইটার যদি ৮-১০ হয় এবং ১ মাস পূর্বে রানিক্ষেতের লাইভ ও কিল্ড দেয়া থাকে তাহলে বুঝতে হবে টিকা ভাল কাজ করেছে. এবং মুরগি অনেকদিন ভাল থাকবে. যদি এই ক্ষেত্রে চুনা বা সবুজ পায়খানা হয়,ডিম কমতে থাকে এবং মৃত্য ঘটতে থাকে বুঝতে হবে ফ্লকে ফিল্ড ভাইরাস  আক্রমন করেছে.

লাইভ এবং কিল্ড টিকা একত্রে দেয়ার পর যদি টাইটার ৮-১০ হয় তাহলে ১৫-২১ দিন পর পর টেস্ট করতে হবে.টাইটার ভাল থাকা অবস্থায় টিকা দিলে ধকল পড়ে এবং ভ্যাক্সিন রিয়েকশন হওয়ার সম্বাবনা থাকে.এইচ আই টেস্টের মাধ্যমে আমরা টাইটার জানতে পারি.

প্রতিরোধঃ

টিকা

বাচ্চাতে ক্লোন,বি১ হিচনার বা এফ স্ট্রেইন দেয়া উচিত।পরে ক্লোন ও লাসোটা পর্যায়ক্রমিকভাবে দেয়া উচিত এতে সব স্টেইন কভার করবে।

১-৫দিনে আই বি + এন ডি

১৭-২০দিনে আই বি + এন ডি

২১-২৫দিনে এন ডি কিল্ড

৯-১০ সপ্তাহে এন ডি কিল্ড

১৬-১৭ সপ্তাহে আই বি + এন ডি + ই ডি এস (ই ডি এসের আগে এন ডি লাইভ দেয়া যেতে পারে)

বায়োসিকিউরিটি।ব্যবস্থাপনা

সঠিকভাবে সঠিক সময়ে টিকা দেয়া এবং এইচ আই টেস্টের মাধ্যমে টাইটার পরীক্ষা করা.বায়োসিকিউরিটি উন্নত করা।দেশি মুরগি,হাঁস ,কবুতর,কুকুর,বিড়াল গরু ছাগল যাতে ফার্মে না ঢুকে।স্প্রে ছাড়া ভিতরে যাওয়া যাবেনা।ফূটবাথ মেনে ভিতরে যেতে হবে।কৃমিনাশক দেয়া.মাঝে মাঝে  টেস্ট করে সালমোনেলা ও মাইকোপ্লাজমার ডোজ করা.

টিকা বিভিন্ন ধরনের হয়

লাইভ লেন্টোজেনিকঃ

লাইভ টিকা গুলো মেইনলি লেন্টোজেনিক

বি ১ হিচনার

লাসোটা

ক্লোন

ভি স্টেইন

এফ স্টেইন

ক্লোন ভ্যাক্সিন যা লাসোটা থেকে হয়।ক্লোন টিকার প্যাথোজেনেসিটি কম থাকে,স্টেস কম পড়ে তাই বাচ্চাতে বেশি ব্যবহার হয়।বাচ্চাতে এফ স্ট্রেইন,বি১ হিচনার ও ক্লোন দেয়া হয়।

লাইভ মেসোজেনিক

রোয়াকিন(Roakin)

কোমারভ(Komarov)

মুক্তেশর(mukteswar)

এইচ স্টেইন

কিল্ড

লাসোটা

মুক্তেশর

কিমম্বার

লাইভ না কিল্ড কোন টা ভালঃ

শুধু লাইভ করলে একটি নির্দিষ্ট  সময় পর টাইটার কমে যায় ফলে ডিম কমে যায় আর লাইভ এবং কিল্ড এক সাথে দিলে টাইটারের ইউনিফ্রমিটি এবং প্রডাকশন ভাল থাকে।

কিভাবে ইউনিফ্রমিটি বাড়ানো যায়ঃ

টিকার আগের দিন,পরের দিন ও টিকার দিন ভিটামিন ই,সি ও এমাইনো এসিড দিতে হয়.সম্বব হলে টিকার ৩ দিন আগে ও ৩দিন পর পর্যন্ত প্রোটিন,ভিটামিন মিনারেলস  এর মাত্রা ১০-১৫% বাড়িয়ে দিলে ভাল হয়.দিনের ঠান্ড সময় টিকা দিতে হবে ও যখন সূর্যের আলো যাতে  সরাসরি না পড়ে।টিকার দেয়ার আগে কৃমিবাশক দেয়া উচিত.

টিকা দেয়ার ৫ দিন আগে এন্টিবায়োটিক দেয়া যেমন কসুমিক্স প্লাস,সি টি সি (কেপ্টর) ও টিয়ামোলিন( টিয়াভেট বা ডেনাগাট)টিকা দেয়ার ৭ দিন পূর্বে ও ৭দিন পর খাবারে বা পানিতে টক্সিন বাইন্ডার ও লিভারটনিক দেয়া ভাল.বায়োসিকিউরিটি বাড়াতে হবে.

যে কারণে রানিক্ষেতের প্রতিরোধ  ক্ষমতা কমেঃ

পুস্টি উপাদানের ঘাটতি থাকলে.খাবারে টক্সিন বাইন্ডার ব্যবহার না করলে.

২ টি লাইভ টিকা অন্তত ৭ দিন অন্তর প্রয়োগ না  করলে.।কিল্ড টিকা না দিলে.

প্রথমে গাম্বোরুর হট টিকা দিলে.।মুরগি ঘন থাকলে.খাবার ও পানির অভাব থাকলে.।খামারে মাইকোপ্লাজমা, আমাশয় ,করাইজা ও ই- কলাই বেশি থাকলে.একই খামারে বাচ্চা ও বয়স্ক মুরগি পালন করলে.টাইটার লেভেল মনিটরিং না করলে।

ভাল প্রতিরোধ ক্ষমতা  সম্পন্ন টিকা

মুক্তেশর

লাসোটা

ভি স্টেইন

হিচনার

ভি ভি এন্ড  ডি(VVND)###(ভিসেরুট্রপিক ভেলোজেনিক রানিক্ষেত)

এটি প্যারাম্যাক্সো ভাইরাস ১দিয়ে হয়,ভেরিএবল প্যাথোজেনেসিটি।

যে কোন বয়সে হয়।চিকেন,টার্কি,কবুতরে হয়,হাঁসে ডিম ও ফার্টিলিটি কমে যায় ।মর্বিডিটি হাইলি কিন্তু মর্টালিটি ০-১০০%।এটি ৩ রূপে দেখা যায় যেমন নার্ভাস,রেস্পিরেটরী ও রিপ্রডাক্টিভ।যদি টিকা দেয়া না থাকে তাহলে অনেক মর্টালিটি হয়।এডাল্ট মুরগিতে মর্টালিটি কম হয় কারণ টিকা দেয়া থাকে।দেশি মুরগিতে যদি ক্রনিক রূপে এন ডি হয় তাহলে খাবার কমে যায়,শ্বাসকষ্ট,চোখ দিয়ে পানি পড়ে,সবুজ পায়খানা হয়।ভি ভি এন ডি হাইটেম্পারেচার ও পি এইচ এর প্রতি খুব বেশি রেজিস্ট্যান্ট।মৃত মুরগির বোন ম্যারোতে কয়েক সপ্তাহ ভাইরাস  বেঁচে থাকে।

ট্রান্সমিশনঃ

বাতাস,পাখি,পোকামাকড়,রোডেন্ট(ইঁদুর)(Fomites)বিদেশি পাখি দিয়ে ছড়ায়,তবে,হ্যাচারী থেকে আসতে পারে যদি নোংড়া পরিবেশ থাকে।কফিং,গ্যাস্পিং ও রেস্পিরেটরী ফ্লুয়িড দিয়ে ছড়ায়।এটি বায়ুবাহিত ।It is windbone potential so it quite challenges for control and prevention.ফিসিস ও ডাস্টে ১২ মাস বেঁচে থাকতে পারে।সূর্যের আলো,ফেনল,ইথার,ডিশইনফেকট্যান্ট ও ফিউমিগ্যান্ট দিয়ে সহজে দূর করা যায়।

এন্টিমর্টেম ফাইন্ডিং

ইনকিউবেশন পিরিয়ড ২-১৫দিন।ডিপ্রেশন,অরুচি,হঠাত মারা যায়মাথা ফোলে যায়,আই লিডের নিচে ফোলে যায়,কংজাংটিভাইটিস হয়।টর্টিকোলিস(পাখা,ঘাড় ও গলা বেকে যায়)রেস্পিরেটরী সিস্টেমে ফ্লুয়ড পাওয়া যায়।

পোস্টমর্টেম ফাইন্ডিংঃ

অতিতীব্র হলে কোন লক্ষণ ছাড়াই  মারা যায়ইসোফেগাসে রক্ত ও ইরোশন হয়।মাথা ও গলায় ইডিমা হয়।ট্রাকিয়ায় রক্ত পাওয়া যায়।জি  আই ট্রাকে রক্ত,আলসারেশন,পরবর্তিতে নেক্রোটিক প্লাগ দেখা দেয়।ইসোফেগাস ও প্রভেন্টিকোলাসের জাংশনে রক্ত দেখা যায়।ওভারীতে ইডিমেটাস বা হেমোরেজিক লেশন পাওয়া যায়।

ক্রনিকরেস্পিরেটরী সিস্টেমে ক্যাটারাল প্রদাহ দেখা যায় সাথে ইডিমা হতে পারে।

লক্ষণঃ

ভেরিএবল ,এটি নির্ভর করে ভাইরাসের স্টেইন,মাত্রা,বয়স,ইমোনিটি,টিকা বা পূর্বে আক্রান্ত হয়েছিল কিনা তার উপর।
হঠাত মারা যায়।কফিং,ডিস্পিনিয়া,ডায়রিয়া।
প্যারালাইসিস।টুইস্টেড নেক
দ্রত ডিম কমে যায়।মোল্টিং হয়।
পোস্ট মর্টেমঃ
এয়ারস্যাকুলাইটিস।ট্রাকিয়াইটিস,
নেক্রোটিক প্লাগ (প্রভেন্টিকোলাস,ইন্টেস্টাইন,সিকাল টন্সিল)।প্রভেন্টিকোলাসে হেমোরেজ।ভিসেরোট্রপিক হলে ইনটেস্টাইনে নেক্রোটিক প্লাগ হয়।
ডিফারেনশিয়াল ডায়াগ্নোসিস(১৫টি রোগ) থেকে  আলাদা করতে হয়।
রানিক্ষেতের কোন প্যাথোগ্নোমোনিক লেসন নাই।
আই বি,আই এল টি,এ আই,ই ডি এস ৭৬,হেমোরেজিক ডিজিজ(টার্কি),এনসেফালোম্যালাসিয়া,এনসেফালোমাইলাইটিস,মিডল ইয়ার ইন ফেকশন,ইনটক্সিকেশন,নিউমোভাইরাস,পক্স(ডিফথেরিক),এফ সি,একোউট মাইকোপ্লাজমা,ভিটামিন ই ডেফিসিয়েন্সি ও মেরেক্স।
নোটঃ
ছোট বাচ্চা কোন লক্ষণ ছাড়াই মারা যেতে পারে,তাছাড়া ভি ভি এন ডি তেও লক্ষণ ছাড়াই মারা যায়।
সবুজ পায়খানা কমন ক্লিনিক্যাল লক্ষণ।
সকল বার্ডে একই লেবেলে টাইটার পাওয়া সম্বব না।নিউরোট্রপিক নার্ভাস সাইন তখনই দেখা দেয় যখন ১৮-২১ দিন ধরে ্মুরগি আক্রান্ত থাকবে।ঝুটি ডিজ কালার সায়ানোসিস,ডার্ক হয়ে যায়।ফেসিয়াল ও নেকে ইডিমা হয়।
ব্রয়লারে কি কি লক্ষণ দেখা যায়।
গলার সাবকিউটিনাসে ইডিমা হয়।ট্রাকিয়াতে হেমোরেজ থাকে না কিন্তু প্রভেন্টিকোলাসে রক্ত পাওয়া যায়।ইনটেস্টাইনে ছোট  হেমোরেজ দেখা যায়,হেমোরেজিক লিম্পফয়েড ফোকাই দেখা যায়(ডিওডেনাম ও সিকাল টনসিল)
ভেন্টের মারজিনেও হেমোরেজ দেখা যায়রওভারী ছোট হয়ে যায় এবং স্টিগমাতে রক্ত পাওয়া যায়।মুরগিতে কুসুমের মত ফ্লুয়ড দেখা যায়।
প্রিভেন্টশন
১দিন বয়সে বি ১ হিসনার।
১৪দিনে লাসোটা
৩৫-৪০ দিন পর পর লাসোটা।
ইনএক্টিভেটেড টিকা লাইভ টিকার বিকল্প হতে পারে না কারণ এটি লোকাল ইনফেকশন দূর করতে পারেনা।
ভ্যক্সিন রিয়েকশন
কংজাংটিভাইটিস,স্নিকিং,গ্যাস্পিং দেখা যায় কারণ লোয়ার ট্রাকিয়াতে প্লাগ জমা হয়।
তাই টিকা দেয়ার পর এন্টিবায়োটিক দেয়া যা্য।
তবে টিকা দেয়ার পূর্বে মাইকোপ্লাজমার ডোজ করা উচিত।
(মানুষের ক্ষেত্রে কংজাংটিভাইটিস হয়)

প্রভেন্টিকোলাস দেখে প্রায় ১০টি রোগের অবস্থা বুঝা যায় তাই শুধু রানিক্ষেত নিয়ে ভাবলে হবে না।

জানতে হবে বিস্তারিত স্পেসিফিক।

1、Glandular nipple top bleeding – Newcastle disease.
2、Glandular nipple bottom bleeding – flu
3、Glandular mucosal hemorrhage, musculoskeletal corneal hemorrhage – influenza, Newcastle disease
4、Glandular edema thickening, nipple ulcer swelling (Severe nipple disappears), muscle and cornea corneal hyperplasia, ulcers, erosion – muscle gastritis, glandular gastritis.
5、A hemorrhagic zone is formed between the (Mechanical) stomach(Gizzard) and the glandular stomach(proventriculus) – the bursa of Fabricus.(IBD)
6、Hemorrhage between the glandular stomach and the(Gizzard) stomach and  corneal and subkeratal hemorrhage – poisoning.
7、The glandular stomach is swollen and thickened, and the nipple presents a tumor nodule – Marek’s disease,
Lymphocytic leukemia, reticuloendotheliosis.

8.Haemorrhage between esophagus and proventriculous.:ND


Anatomically cooperate with the appearance of the chicken, including feces, respiratory symptoms, feed intake, water intake, combined with systemic organ lesions, for accurate diagnosis, some lesions are easy to diagnose from a single organ, and some diseases become compatible with multiple organs at the same time Judging the diagnosis, therefore, can not rush to draw conclusions!

#######

1.Hemorrhages at the tips of glands: ND.

2.Patchy hemorrhage in mucosa of proventriculous

#:Orchratoxicosis সাথে যদি( other lesions  pale yellow liver & Hemorrhage on intestine)

# Patulin toxicity সাথে যদি (Hemorrhage in Gizzard & intestine)

#Sulpha drug toxicity or Hemorrhagic syndrome সাথে যদি (Hemorrhage in Spleen,muscle & intestine).

3.linear hemorrhage between glands: spirochaetosis.

4.Thickening of proventiculous wall,nodular & grey.

#Mareks, immature bird(যে কোন বয়সে তবে ১০ সপ্তাহের পর বেশি হয়)

#Avian leucosis: sexually mature bird(১৬ সপ্তাহের পর)
6.small whitish foci visible from serosal surface of proventriculus:

avian influenza with high mortality

7.impaction of foreign body:

impaction of proventriculous

8.yellow pus like material: Panthothenic acid deficiency

9. Hemorrhagic spots in proventriculous glands with worms embedded: Dyspharynx, nasuta worm.

অনেক কিছুই কাছা কাছি মনে হয়। মিক্স ইনফেকশন হলে তো আরো কঠিন, ভুল ডায়াগ্নোসিস হতে পারে তাই কনফার্ম হতে হলে  টেস্ট করতে হবে।

রোগ নির্ণয় করতে শুধু প্রভেন্টিকোলাস দেখলে ১০০% অনেক সময় হয় না।বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রেও প্রবেন্টিকোলাসে  প্রায় এক রকম লেশন পাওয়া যায় তাই শিউর হতে হলে টেস্ট করতে হবে।ভাল করে দেখতে হবে আরো কি কি লক্ষণ বা লেশন পাওয়া যায়।সব মিলিয়ে ডায়াগ্নোসিস করতে হবে।

 ট্রাকিয়া দেখে ৫টি রোগ বুঝা যায় তাই নির্দিস্ট করে বলা কঠিন।১।ট্রাকিয়াতে মিউকাস হলে নিচের রোগ গুলি হতে পারে।

আই বি,রানিক্ষেত,আই এল টি

২।ট্রাকিয়াতে রক্ত হলে নিচের রোগ গুলি হতে পারে

আই এল টি,এন ডি ,এ আই

৩।ট্রাকিয়াতে পাতলা পর্দা

ভিটামিন এর ঘাটতি

৪। ট্রাকিয়াতে  লাল সুতার মত

সিংগামাস ট্রাকিয়া কৃমি

৫।ব্রংকাই এ প্লাগ

আই বি

####

আমরা ফিল্ডে যতগুলো রোগ দেখি অনেক গুলোই রানিক্ষেতের টাইটার না জেনে টিকা দেবার কারণে হয় কারণ আমাদের অজান্তেই টাইটার ৫ এর নিচে চলে আসে বা টাইটার বিভিন্ন ধরনের হয় মানে মুরগির টাইটারের ইউনিফরমিটি খারাপ থাকতে পারে। রোলিং ইনফেকশনের সময় লাসোটা  টিকা দিলে মর্টালিটি  বেড়ে যায়।টাইটার টেস্ট না করার কারণে সবাই এই অবস্থায় টিকা দিয়ে মাথায় হাত রেখে বসে পড়ে।

অনেক সময় টাইটার ৭-১০ থাকা অবস্থায় টিকা দেয় এতেও সমস্যা হয়।

টিকার রিয়েকশনের কারণে ঠান্ডা লাগার মত হয় এতে ৭-১৫ দিন বিভিন্ন মেডিসিন চলতে থাকে ,এতে আবার অতিরিক্ত এন্টিবায়োটিক দেয়ার কারণে ডিজব্যাক্টেরিওসিস হয়। ইমোনিটি কমে যায় ,অন্যান্য রোগ চলে আসে।

ক্রনিক রানিক্ষেত ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে।

অনেকদিন ধরে গড় গড় শব্দ ।এন্টিবায়োটিক দিয়েও কাজ হচ্ছে না।টিকাও দেয়া হয়েছে।এর অর্থ টিকা কাজ করে নাই বা টাইটারের সমস্যা।

টাইটার বেশি হয় কম হয় , টাইটারের ইউনিফর্মিটি খারাপ হতে পারে।

কেন টেস্ট করাবেন?

১।ভ্যাক্সিন রিয়েকশন দূর করতে(৬০% ফার্মে মাইকোপ্লাজমা ও এন ডি টাইটার থাকা অবস্থায় ভ্যাক্সিন দেয়া হচ্ছে)

২।ভ্যাক্সিন শিডিউল মেনে চলতে(টাইটার দেখে ভ্যাক্সিন দেয়া উচিত)

৩।ধকল দূর করতে(ভ্যাক্সিনের ফলে মুরগির উপর ধকল পড়ে)

৪।অনাকাংখিত রোগ থেকে মুক্ত রাখতে(প্রায় সময়ই দেখা যায় ভ্যাক্সিন দেয়ার পর বিভিন্ন রোগ চলে আসে।)

৫।ফার্ম নিরাপদ রাখতে

৬।আমরা প্রায়ই ১-২ মাস পর পর সালমোনেলা ,মাইকোপ্লাজমা ও রানিক্ষেতের ভ্যাক্সিন দিয়ে থাকি;

এটা ভুল নিয়ম হলো সুযোগ থাকলে টেস্ট করে নেয়া।

টাইটার ৭ এর উপর ও মাইকোপ্লাজমা থাকা অবস্থায় টিকা দিলে ভ্যাক্সিন রিয়েকশন হয় এবং প্রডাকশন কমে যেতে পারে।।

৭।ফার্মের খরচ কমাতে।

ধরি ২০০০(একই সেড) লেয়ার এর সালমোনেলা ও মাইকোপ্লাজমা ও টিকার খরচ প্রায় ৯০০০টাকা অথচ যদি ১০০০টাকা খরচ করে যদি টেস্ট করি তাহলে ৯০০০টাকা নাও লাগতে পারে।

নোটঃএমন ও দেখা গেছে টেস্টের কারণে ৩-৫ মাস কোন সালমোনেলা ,মাইকোপ্লাজমা ও রানীক্ষেতের টিকার দরকার হয় নি শুধু টেস্ট করা হয়েছে।

 নোট
অনেক সময় গ্রোয়িং পিরিয়ডে মুরগি শুকিয়ে যায় ,মারা যায় কোন লক্ষণ পাওয়া যায় না ,এই অবস্থায় টাইটার টেস্ট খুব দরকার কারণ টাইটারের সমস্যা থাকার জন্য এমন হতে পারে।
লেশন ও লক্ষণ দেখে এ আই ও রানিক্ষেত আলাদা করা কঠিন তাই টেস্টই বেস্ট।
 ভি ভি এন ডি,কলেরা এবং এইচ পি এ আই  এবং টাইফয়েডের কারণে হাঠাত মুরগি মারা যায় কোন লক্ষণ বা লেশন পাওয়া যায় না।
 আর এন এ ও ডি এন এ ভাইরাসের লিস্টআর এন এ ভাইরাস

১।আই বি ডি

২।এন ডি

৩।আই বি

৪।এনসেফালোমাইলাইটিস

৫।এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা( এ আই)

৬।ভাইরাল আর্থাইটিস/মেল এব্জর্শন সিন্ডম

৭।সোয়েলেন হেড সিন্ডম

৮।লিউকোসিস

ডি এন এ ভাইরাস

১।চিকেন এনিমিয়া

২।ই ডি এস

৩।এডেনো ভাইরাস

৪।পক্স

৫।বিগ লিভার ডিজিজ

৬।মেরেক্স

৭।আই এল টি

৮।আই বি এইচ

Trachea(ট্রাকিয়া)

Please follow and like us:

About admin

Check Also

বাচ্চা মুরগিতে ১ম সপ্তাহে কেন রোগ কম হয়,২সপ্তাহের দিকে কেন বেশি হয়।

বাচ্চাতে ম্যাটার্নাল এম ডি এ নয়ে আসে যা প্রটেকশন দেয়।আবার ২ সপ্তাহে বা পরের দিকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Translate »
error: Content is protected !!