Breaking News
মিক্স ইনফেকশন
মিক্স ইনফেকশন

মিক্স ইনফেকশন এবং ল্যাব টেস্ট

মিক্স ইনফেকশনঃ
১.কলেরার সাথে রানিক্ষেত,টাইটার কম,বা এ আই
২.করাইজার সাথে টাইটার কম,এ আই, কলেরা,আই বি, ই- কলাই বা মাইকোপ্লাজমা
৩.গাম্বোরুর সাথে রানিক্ষেত,আইবি,আই বি এইচ বা কক্সিডিওসিসি বা চিকেন ইনফেকশাস এনিমিয়া
৪.টাইফয়েডের সাথে কলেরা বা টাইটার কম
৫.মাইকোপ্লাজার সাথে রোলিং ইনফেশন ও ফিল্ড ভাইরাস
৬.আই বির সাথে টাইটার কম
৭.ফ্যাটি লিভারের সাথে মাইকোটক্সিনও টাইটার কম
৮.হিট স্টেস সাথে টাইটার কম
৯.আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথে সাথে টাইটার কম
১০.গ্রোয়িং পিরিয়ডে টাইটার ভেরিয়েশনের সাথে স্টেফাইলোকক্কাস ইনফেকশন
১১.মাইকোপ্লজামার সাথে ই -কলাই,স্টেফাইলোকক্কসাস
১২ ব্রয়লারে রিও ভাইরাসের সাথে স্টেফাইলোকক্কাস পরে গাম্বোরু।
১৩.ব্রয়লারে আই বির সাথে টাইটার কম
১৪. টাইটার কম সাথে মাইকোপ্লাজমা
১৫.ব্রয়লারে মাইকোপ্লাজমা,ই- কলাই, টাইটার কম বা আইবি।
১৬.রানিক্ষেতের সাথে এ আই
১৭.এ আই এর সাথে টাইটার কম,সি ভি বেশি
১৮.কলেরার সাথে বা অন্য রোগের সাথে ফিল্ড ভাইরাসের আক্রমণ।
১৯.মেরেক্সের সাথে রানিক্ষেত বা টাইটার কম বা সিভি বেশি।
২০.লিউকোসিসের সাথে মাইকোপ্লাজমা,রানিক্ষেত বা টাইটার কম।

২১।এ আই + মাইকোপ্লাজমা

তাই টেস্ট করা উচিত।নিশ্চিত হবার জন্য,বেশির ভাগ ক্ষেত্রে না জেনে চিকিৎসা হচ্ছে ফলে মর্টালিটি এবং চিকিৎসা খরচ বেশি হচ্ছে।

আমেনা পোল্ট্রি কেয়ার এন্ড কন্সালট্যান্সি সার্ভিস এ নিম্নলিখিত টেস্টগুলি হয়
সালমোনেলা
মাইকোপ্লাজমা
রানিক্ষতের টাইটার টেস্ট
গাম্বোরুর রেপিড টেস্ট

এ টেস্ট

ডা মো সোহরাব হুসাইন

ঠিকানাঃ বটেশ্বর ,বেলাবো ।নরসিংদী

০১৭১৭৩০০৭০৬

সকাল ৮-রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা।

নিয়মিত টেস্ট করুন ফার্মকে  ঝুকিমুক্ত রাখুন।
টাইটার ৬এর নিচে এবং ১১ বা বেশি হলে বিভিন্ন সমস্যা হবে এবং মুরগি মারা যেতে পারে।
উপযুক্ত সময়ে মানে ৭ এর নিচে হলে টিকা দিতে হবে।

টাইটারের ভেরিয়েশন যদি বেশি হয় তাহলে লাসোটা টিকা দিলে মর্টালিটি বাড়বে ।
কিল্ড ও ক্লোন/এভিনিউ টিকা দিতে হবে।

টাইটার কম হলে লাসোটা টিকা দিতে হবে।
টাইটার ৭ এর বেশি হলে টিকা দেয়া্র দরকার নাই।

সালমোনেলা ও মাইকোপ্লাজমার ডোজ প্রতি মাসে না দিয়ে টেস্ট করে দিলে খরচ কম হবে।
অনেক সময় ডোজ করা হয় কিন্তু কাজ না ও হতে পারে যদি এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট হয়ে যায় তাই টেস্ট করুন জেনে শুনে এন্টিবায়োটিক দিন।

টাইটার দেখে টিকার সিডিউল তৈরি করুন ঃগাম্বোরু ও রানিক্ষেত খেকে মুক্ত থাকুন।

 টাইটার টেস্ট করলে কি কি রিপোট পেতে পারি এবং এর পেক্ষিতে কি কি করতে হবে

১.স্ট্যান্ডার্ড টাইটার
ভ্যক্সিন লাগবে না, দিলে সমস্যা হতে পারে এবং খরচ বাড়বে।
২.টাইটার কম ০-৩ বা ৩-৬
০-৩ হলে মর্টালিটি হয়।
টিকা দিতে হবে।
নিয়ম অনুযায়ী টেস্ট করে টিকা দিলে এমন হবার তেমন সুযোগ নাই।

৩.টাইটারের ভেরিয়েশন বেশি
ক্লোন টিকা ও কিল্ড টিকা দিতে হবে।

ইমোনোস্টিমোলেটর.টক্সিন বাইন্ডার ও জিংক দিতে হবে।

৪.টাইটার বেশি
কিল্ড টিকা দিতে হবে।
মর্টালিটি হলে রানিক্ষেতের রেপিড টেস্ট করতে হবে বা পোস্ট মর্টেম করে  যদি পজিটিভ হয় তাহলে কিল্ড টিকার পাশাপাশি লাইভ ভ্যাক্সিন দিতে হবে।

ক সময় ছিল যখন মুরগির টেস্ট করতো না বা করার সুযোগ ছিল না।
এখন দিন দিন অনেকে টেস্ট করতেছে।

অব্জারবেশন
নোটঃ১

রানিক্ষেতের টেস্ট করা হয়েছে
টাইটার ১১ উপরে বা খুব কম ২ বা ৩.
এর মানে হলো খামারী টাইটার থাকা অবস্থায় টিকা দিয়েছিল বা টাইটার কমে গেছে খামারী জানেনা।
এই ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা হয় যেমন মর্টালিটি ও ভ্যক্সিন রিয়েকশন বা মিক্স ইনফেকশন।

সমাধান;

লাইভ টিকা দেয়ার ৭-১৪ দিন পর টাইটার টেস্ট করে জানতে হবে আনুমানিক কতদিন পর টেস্ট বা টিকা দিতে হবে।
৩০-৪৫ দিন পর আবার টেস্ট করতে হবে এবং টাইটার দেখে ব্যবস্থা নিতে হবে।
যখন টাইটার ৭ এর নিচে হবে তখন টিকা দিতে হবে।

টাইটার যদি খুব বেড়ে যায় বা খুব কম বা ভেরিয়েশন বেশি হয় তাহলে মিক্স ইনফেকশন হয়ে মর্টালিটি অনেক হতে পারে এমন কি মুরগি বিক্রি করে দিতে বাধ্য হয়।
টেস্টের খরচ একটা মুরগির দাম কিন্তু চলে যেতে পারে সব মুরগি।

তাই নিয়ম মাফিক টেস্ট করে টিকা দিতে হবে।
১মুরগির টাকা বাচাতে গিয়ে হাজার হাজার মুরগি চলে যাচ্ছে। কিন্তু এটা চোখে পড়ে না।
সামনে থেকে ১টাকা চলে গেলে কস্ট লাগে কিন্তু অজান্তে ১০ লাখ টাকা চলে যায় তা মাথায় ঢুকে না।

নোটঃ২
মিক্স ইনফেকশনঃঅনেক সময়ই মিক্স ইনফেকশন পাওয়া যদি সব গুলো অরগান দেখা হয়।
অনেক সময় দেখা যায় একটা রোগ নির্ণয় করার  পর অন্য কিছু দেখা হয় না।
সব গুলো অরগান দেখতে হবে এবং আলাদা করে রোগ নির্ণয় করতে হবে।
৩টা রোগ এক সাথে থাকতে পারে।
অনেক সময় দেখা যায় ১মজন ডায়াগ্নোসিস করলো রানিক্ষেত,২য় জন কলেরা,৩য়জন এ আই।
এতে বিভিন্ন সমস্যা হয়।

নোটঃ৩
রোগটাকে টেস্ট করে নির্দিস্ট করতে হবে কি রোগ।এতে খরচ কম পড়বে এবং মুরগির উপর ধকল ও কম পড়বে।
যেমন কলেরা,এ আই,রানিক্ষেত,টাইটার খুব কম বা খুব বেশি,গরমে হিট স্টোক, এগুলোকে আলাদা করা কঠিন তাই টেস্ট এর বি্কল্প নাই।

কেউ কেউ কোন লক্ষণ পাওয়া না গেলে বা এক জায়গায় মারা গেলে এ আই বলতেছে।
এটা ত কলেরার জন্যও হতে পারে।
পার একিউট সব রোগের ক্ষেত্রে লক্ষণ পাওয়া যায় না তাই বলে কি এ আই?
ইদানিং মর্টালিটি ১০-২০% হলেই এ আই বলা হচ্ছে।
প্রশ্ন হলো রানিক্ষেত, কলেরা, টাইফয়েডের জন্য কি মর্টালিটি ৩০-৫০% হয় না? অবশই হয়।
কথা হলো মর্টালিটি ১০% হলেই এ আই না বললে মনে তৃপ্তি আসে না।

টেস্টের খরচ বাচাতে গিয়ে খামারী ৪০০০ টাকার জায়গায় ২০০০০ টাকা খরচ করে।

এটার কারণ সবার মাঝে সচেতনার অভাব।

নোটঃ৪
টেস্টের উদ্দেশ্য মুরগি সুস্থ করে দেয়া নয়।

টেস্টের উদ্দেশ্য যাতে মুরগি আক্রান্ত হবার আগে ব্যবস্থা নেয়া যায়।এই জন্ই টাইটার টেস্ট করতে হবে।
খরচ কমানো।
সঠিক চিকিৎসা করা।
মৃত্যহার কমানো।

শর্ট টাইম চিন্তা না করে দীর্ঘকালীন চিন্তা করা উচিতঃ

আপাতদৃস্টিতে মনে হতে পারে টেস্ট করলে খামারীর কিছু টাকা খরচ হবে,ডিলারের কিছু মেডিসিন কম চলবে,ডাক্তার প্রেস্ক্রিপশনে বেশি মেডিসিন লিখতে পারবে না,মেডিসিন কোম্পানীর মেডিসিন কিছু কম চলবে।

এভাবে চিন্তা না করে অন্যভাবে চিন্তা করলে সবার লাভ হবে।
যেমন টেস্ট করে অল্প মেডিসিন লাগলেও মুরগি সুস্থ হলে ভাল প্রডাকশন দিলে খামারী বেশি লাভবান হবে,ডিলার প্রায় দেড় বছরের বেশি খাবার ও মেডিসিন বিক্রি করতে পারবে,ডাক্তার তার রোগী পাবে এবং দীর্ঘদিন সেবা দিতে পারবে,মেডিসিন ও ভ্যাক্সিন কোম্পানীর মার্কেট ভাল থাকবে।

১০০০ মুরগির জন্য সালমোনেলা,মাইকোপ্লাজমা ও টাইটার টেস্টের জন্য ১০০০টাকা খরচ হতে পারে কিন্তু যদি টেস্ট না করে চিকিৎসা করি তাহলে ৭০০০টাকা লাগবে।

রোগ নির্ণয় না করে চিকিৎসা দিলে মির্টালিটি বেশি হয় এবং ৩০০০টাকার জায়গায় ১০০০০টাকা খরচ হতে পারে।

অনেক সময় খামারীর ৫০% এর বেশি মুরগি মারা যেতে পারে বা  বিক্রি করে দিতে হতে পারে।

Please follow and like us:

About admin

Check Also

বাচ্চা মুরগিতে ১ম সপ্তাহে কেন রোগ কম হয়,২সপ্তাহের দিকে কেন বেশি হয়।

বাচ্চাতে ম্যাটার্নাল এম ডি এ নয়ে আসে যা প্রটেকশন দেয়।আবার ২ সপ্তাহে বা পরের দিকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Translate »
error: Content is protected !!