Breaking News
ফুসফুস
ফুসফুস

ব্রুডার নিউমোনিয়া এবং ক্যান্ডিডিয়াসিস(Sour crop) হয়,কিভাবে হয়,লক্ষণ,পোস্টমর্টেম,চিকিৎসা,প্রতিরোধ

এপিডিমিওলোজি

ছত্রাক হচ্ছে এককোষী বা বহুকোষী থ্যালোফাইটিক ( সমাংগদেহী) উদ্ভিদ যার মূল,কান্ড পাতা বা ক্লোরোফিল নামক বর্ণ কনিকা নাই।এরা পরজীবী বা পরভোজী জীবাণূ হিসেবে অন্য প্রাণীদেহে বসবাস করে।এদের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা ২০-৩০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট।মুরগিতে মূলত এস্পারজিলোসিস ও ক্যান্ডিডিয়াসিস হয়।একে মাইকোটিক নিউমোনিয়া ও বলা হয়।একে এস্পারজিলোসিস বলা হয় যা এস্পাজিলাস ফিউমিগেটাস নামক ছত্রাক দিয়ে হয়।

পরিবেশ

এটি এরোবিক পরিবেশ এবং হাই তাপমাত্রায় ও হাই আর্দ্রতায় ভাল জন্মায়।২৫ডিগ্রি সেন্টগ্রেট এর  বেশি তাপমাত্রায় বেশি হয়।বর্ষাকালে বেশি হয়

হোস্টঃ

সব পাখিকে এরা আক্রমণ করতে পারে তবে মুরগি,টার্কি ও গেম বার্ড বাচ্চাতে বেশি হয়।হাসের বাচ্চা,কোয়েলের বাচ্চাও আক্রান্ত হয়।১-৪ সপ্তাহে হয়।(১-৩দিনে বেশি হয়)বয়স্ক মুরগি রেজিস্ট্যান্ট।তবে হলেও খুব কম হয়।।এটি শ্বাসনালীর রোগ যা পালমোনারি রুপে পরিচিত,এই রুপটাই বেশি দেখা যায়

এটি ২ ভাবে হয়

তীব্র মানে একোট যা বাচ্চাতে হয় এতে অনেক মর্বিডিটি ও মর্টালিটি হয়,৫-৫০%।ক্রনিক যা বয়স্ক মুরগিতে হয়।

তাছাড়া  আরো কিছু রুপ আছে

সিস্টেমিক এস্পারজিলোসিস যা টাকির বাচ্চাতে বেশি হয়।অস্টিওমাইকোসিস যার ফলে বাচ্চা প্যারালাইসিস হয়।অফথালমাইটিস যার ফলে কংজাংটিভা এবং চোখে চিজি বা প্যাল্প জমা হয়।এনসেফালাইটিস,Ataxia,opisthotonos,paralysis,falling,pussing over backwards.এটি ছোয়াচে না মানে মুরগি থেকে মুরগিতে ছড়ায় না।Spore of fungus is very tough and resistant and difficult to destroy.

কেন হয়ঃ

ব্রুডিং এর সময় বাচ্চা ভিজা বা দূষিত খাবার খেয়ে আক্রান্ত হয়।এমোনিয়া বেশি থাকলে।ঠান্ডা আবহাওয়া।নোংড়া পরিবেশ।ভেন্টিলেশন ভাল না হলেহ্যাচারীতে নোংড়া পরিবেশ

কাঠের গুড়া ও চালের কুড়া লিটার হিসেবে  ব্যবহার করলেব্যাক্টেরিয়া,ভাইরাসের  আক্রমণ ।পুস্টিমানের ঘাটতি ।

কিভাবে ছড়ায়ঃ

শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে।(বিশেষ করে কাঠের গুড়া)জীবানূযুক্ত খাবার।লিটার ও মাটি।ধূলাবালিহ্যাচারি পরিস্কার না থাকলে।বাচ্চা বহন করার  সময় বাক্স সংক্রামিত হলে বাচ্চা আক্রান্ত হতে পারে।ডিমের সাথে যদি জীবানূ থাকে তাহলে বাচ্চা ফোটার পর বাচ্চা আক্রান্ত হয়।ডিম ইনকিউবেটরে দেয়ার আগে জীবাণুনাশক জীবানূমুক্ত না করলে।ছত্রাকের স্পোর বা রেণূ ডিমের খোসা ভেদ করে ডিমের ভিতর ঢুকতে পারে।ফাটা,খোসা পাতলা ডিম থেকে।ফার্মের ফ্লোর থেকে।

প্যাথোজেনেসিস

অফথাল্মাইটিস।ফুসফুস এবং এয়ারস্যাক,এমন কি ট্রাকিয়ায়

এন্সেফালাইটিস।ডার্মাটাইটাইটিস

সিস্টেমিক ডিজিজ।ওস্টিওমাইকোসিস

লক্ষণঃ

Nervous and respiratory form.Nervous form(lateral recumbency,incordition,tremor,paralysis).Gasping or laboured breathing  and they breathe with open mouth  due to obstructruction of airway.

গ্যাস্পিং(Pump handle breathing),মানে শ্বাস কষ্ট,হাপানী,মুখ হা করে ঘনঘন নিঃশ্বাস নয়।দীর্ঘস্থায়ী শ্বাস গ্রহণ এবং অস্থির ভাব।পুরো শরীর ঝাকিয়ে ঝাকিয়ে শ্বাস নেয়চোখে ও মস্তিষ্কে লক্ষণ দেখা যায়।কোন কোন সময় জ্বর হয়।খাবারের রুচি কমে যায় কিন্তু বারবার পানি খায়।ঘুমানো ভাব এবং বাচ্চা নিস্তেজ হয়ে পড়ে।তীব্র সংক্রমণের ক্ষেত্রে লক্ষণ ছাড়াই ছোট বাচ্চা মারা যায়।মৃত্যুহার নির্ভর করে সংক্রমণের মাত্রা,খামারের প্রতিরোধ,প্রতিকার ও ব্যবস্থাপনার উপর।আই বি ও আই এল টি আক্রমণ করলে গারগ্লিং ও র‍্যাটলিং শব্দ হয় ,৮০% পর্যন্ত মারা যেতে পারে।

পেঠে লালচে রঙ এর পানি জমে।মৃত বাচ্চার হাড় গুলি সহজেই ভেংগে যায়অসুস্থ পাখি জবাই করলে কালচে রক্ত দেখা যায়।

পোস্ট মর্টেমঃ

ফুসফুস

ফুসফুস ও এয়ারস্যাকে এমন কি ট্রাকিয়ায় বিভিন্ন সাইজের ও শক্ত নডিউল দেখা যায়।Yellow white pinpoint lesion found in lung and airsac,yellow nodule over abdominal airsac, peritonium,miliary nodules over lung.Sometime all body cavity is filled with yellow-green granular fungas

মুখের ভিতরেও সাদা বর্ণের ফোটাযুক্ত চিহ্ন পাওয়া যায়।কখনো কখনো মস্তিষ্কে হলদে সাদা নডিউল দেখা যায়।

 রোগ নির্ণয় পদ্ধতি

ক্লিনিকেল উপসর্গ

পোস্ট মর্টেম

কালসার টেস্ট(ডেক্সটোজ স্যাবিউর‍্যেড আগার মিডিয়া)

মাইক্রোস্কোপ

চিকিৎসাঃ

নিচে ধারনা দেয়া আছ।

উপস্থিত ডাক্তার সমস্যা দেখে চিকিৎসা দিবে।

আক্রান্ত বাচ্চা সাধারনত ভাল হয়না।

পুরান লিটার বাদ দিয়ে নতুন লিটার দিতে হবে।খাবারে সমস্যা থাকলে খাবার বদলাতে হবে।খাবার পাত্র ও পানির পাত্র পরিস্কার রাখা।

তুতে,১ গ্রাম ২-৩ লিটার পানিতে ৪-৫ দিন ১ বেলা।(৮-১০ঘন্টা) এবং ১০গ্রাম ১লিটারে লিটারের উপর স্প্রে করতে হবে।

১ টা এন্টিবায়োটিক লেভোফ্লক্সাসিলিন বা এমোক্সিসিলিন বা  টাইলোসিন ৪-৫ দিন সব সময়।সি,১ গ্রাম ৩ লিটারএ,ই সেল,১ এল এল ১ লিটারে।

টক্সিন বাইন্ডার,টক্সিনিল প্লাস ২ এম এল ১ লিটারে ৫-৬ দিন ১ বেলা।

আমাদের দেশে নিউমোনিয়ার মূল কারন কাঠের গুড়ি ও হ্যাচারী।

ক্যান্ডিডিয়াসিস(Candidiasis)সোর ক্রপ(Sour crop)

এটি পোল্ট্রি ও পাখিতে আপার রেস্পিরেটরী ট্রাক বা মুখ থেকে ক্রপ পর্যন্ত সংক্রমিত হতে পারে।পোল্ট্রির ক্ষেত্রে একে থ্রাস বা মনিলিয়াসিস বা ক্রপ মাইকোসিস বলা হয়।

কারণ “

ক্যান্ডিডা এল্বিকান্স(Candida Albicans) নামক মৃতজীবী ছত্রাক দিয়ে হয়।খাবার ক্রপ থেকে বের হতে পারে না।বিভিন্ন রোগ,ই-কলাই(এগ পেরিটোনাইটিস,আমাশয়,ক্ল্যামাইডিওসিস,কৃমি)যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এবং ধকল বেশি তাদের বেশি হয়।

অনেক দিন ধরে এন্টিবায়োটিক খাওয়া,ডিস ব্যাক্টেরিওসিস হলে।নোংড়া পরিবেশ।কৃমিজনিত দূর্বলতা।পুস্টির ঘাটতি

লক্ষণ

কম বয়সের মুরগি বেশি আক্রান্ত হয় এবং দেশি মুরগিতে বেশি হয়।ক্ষুদামান্দ্য,উস্কোখোস্কো পালক।ওজন কমতীব্র সংক্রমণের ক্ষেত্রে টক,পচা ঢেকুরের গন্ধ বের হয়।

পোস্ট মর্টেম

মুখের ভিতর,ক্রপ,কদাচিত প্রভেন্টিকোলাসে লেশন দেখা যায়,আক্রান্ত মিউকোসা পুরো হয়ে যায় তাছাড়া সাদা বর্ণের প্রদাহ দেখা যায়।চিকিৎসা ও প্রতিরোধ নিউমোনিয়ার মতই

প্রতিরোধঃ

১ম ৭-১০ দিন তুষ ব্যবহার করা বা তাদের মিক্সার ব্যবহার করা।কাঠের গুড়া ব্যবহার  করলে তাতে তুতে এবং নিম পাতা  গুড়া ব্যবহার করা।বেশি শুকনা হলে জীবানূনাশক বা পানি দিয়ে স্প্রে করা এবং ভিজা হলে শুকিয়ে নেয়া।

ফ্লোর জীবানূ মুক্ত রাখা,বাচ্চা উঠার আগে ৫% কপার সালফেট দিয়ে সেডে স্প্রে করতে হবে এবং শুকাতে হবে।হ্যাচারীর ইনকিউবেটর ও হ্যাচার এবং অন্য সকল কিছু জীবানূমুক্ত রাখা।বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে।আক্রান্ত হলে লিটার বদলাতে হবে।

Please follow and like us:

About admin

Check Also

বাচ্চা মুরগিতে ১ম সপ্তাহে কেন রোগ কম হয়,২সপ্তাহের দিকে কেন বেশি হয়।

বাচ্চাতে ম্যাটার্নাল এম ডি এ নয়ে আসে যা প্রটেকশন দেয়।আবার ২ সপ্তাহে বা পরের দিকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Translate »
error: Content is protected !!