বিভিন্ন রোগের মডেল প্রেসক্রিপশন

আপনি কি ডিজিজ ডায়াগ্নোসিস করতে পারেন?

যদি ডাক্তার হন তাহলে এই প্রেসক্রিপশন কে অবস্থা অনুযায়ী প্রেস্ক্রাইব করতে পারবেন আর যদি ডাক্তার না হোন তাহলে ফার্মে কপি করবেন আর বিপদে পড়বেন।

যে ডিজিজ ডায়াগ্নোসিস করতে পারে সে চিকিৎসা করতে পারে।ডাক্তার ছাড়া  কেউ ডিজিজ ডায়াগ্নোসিস করতে পারে না তাই ডাক্তারকে দিয়ে চিকিৎসা করান।

যেমন ইক্লাই হলেই একই চিকিৎসা দেয়া যাবে না দেখতে হবে কি ধরণের ইকলাইঃলোকাল,সিস্টেমিক,একিউট,ক্রনিক।

আবার কলেরা হলেই চিকিৎসা দেয়া যাবে না দেখতে হবে কি ধরণের কলেরাঃএকিউট,ক্রনিক,সিস্টেমিক,লোকাল।

রানিক্ষেত হলেই সব মারা যাবে এমন ভাবা যাবে না।দেখতে কি ধরণের রানিক্ষেতঃলেন্টোজেনিক,মেসোজেনিক,ভেলোজেনিক,ভেরি ভেলোজেনিক।

এ আই হলে দেখতে এটা কি এইচ ৯,৭,নাকি ৫।সে অনুযায়ী চিকিৎসা হবে।তাই যারা ভাবেন রোগ হইছে মানে একই মেডিসিন তা কিন্তু নয়।

অসুস্থ মুরগির ক্ষেত্রে রাতে লাইট দেয়া যাবে ৩-৭দিন মানে ২৪ ঘন্টা আলো দেয়া যাবে তাই ৪বেলা পানি দেয়া উচিত।

গুরুত্বপূর্ণ পোল্ট্রি ডিজিজের প্রেক্সিপশনঃ

১।সাল্মোনেলা(পুলোরাম)

চিকিৎসা ঃ

চিকিৎসা দিয়ে লক্ষণ দূর করা যায় কিন্তু রোগ দূর করা যায় না।

কসুমিক্স প্লাস ০.0৪% ১০-১৪ দিন খাদ্যে।১০০কেজিতে ২০০গ্রাম

সি টি সি ২২০ মি গ্রা / কেজি খাদ্যে ১০ দিন।১০০কেজিতে ১৫০গ্রাম

 অথবা নিচের যে কোন একটি দেয়া যায়।

কোইনোলন গ্রোপ

জেন্টামাইসিন

নিওমাইসি

ফ্লোফেনিকল

 

।টাইফয়েড

চিকিৎসাঃ

আক্রান্ত মুরগি চিকিৎসা করে ভাল রিজাল্ট পাওয়া যায় না তবে প্রাথমিক অবস্থায় হলে ভাল রিজাল্ট পাওয়া যায়।

#.এন্টিবায়োটিক
ফ্লোরোকোইনোলন গ্রোপ

ফ্লোরফেনিকল
সালফার ড্রাগ
নিওমাইসিন

জেন্টামাইসিন
এমিকাসিন

বা মর্টালিটি বেশি হলে  জেন্টা ইঞ্জেকশন ০.2ml করে মাংসে ৩-৪দিন মাংসে

#ইমোনুস্টিমোলেটর
#টক্সিন বাইন্ডার
#লিভার টনিক
#+ সেলেনিয়াম

 

৩।মাইকোটক্সিকোসিস

 চিকিৎসা ঃ

১।পাখিকে চিকিৎসা

সন্দেহযুক্ত খাদ্য খাওয়ানো বন্ধ করা

পর্যাপ্ত পানি খাওয়ানো

কোলিন ক্লোরাইড সহ লিভারটনিক দেয়া

পানিতে আখের গুড় বা তালের গুড় দেয়া

খাদ্যে আমিষ ও এনার্জি বাড়িয়ে দেয়া

চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন,ভিটামিন বি কমপ্লেজ এবং বায়োটিন খাওয়াতে হবে।

 

৪।নাভিকাচা

চিকিৎসা ঃ

ডাক্তার সব কিছু বিবেচনা করে চিকিৎসা দিবে।

নিচে ধারণা দেয়া হলো

কসুমিক্স ২গ্রাম ১লিটার পানিতে সব সময় ৪-৫দিন বা অন্যান্য এন্টিবায়োটিক দেয়া যায়।

ভিটামিন সি

ই- সেল

 

।সি সি আর ডি

 

প্লোরুনিউটিলিন গ্রোপঃ

টিয়ামুলিন হাইড্রোজেন ফিউমারেট

ম্যাক্রোলেড গ্রোপঃ

টিলমাইকোসিন

টিলভালোসিন( টিলভাসিন,একমি) ১গ্রাম ৫লিটারে

টিলভেলোসিন টারট্রেট(এভ্লোসিন)

এসিটাইল আইসোভ্যালেরিল টাইলোসিন ট্রারট্রেট(লেক্স সুপার ট্রাইলো)

ইরাথ্রোমাইসিন।(ইরাভেট,একমি)

ফ্লোরুকুইনোলনঃ

এনরূ,নর,ড্যানোফ্লক্সাসিলিন।

টেট্রাসাইক্লিন গ্রোপঃডক্সি,অক্সি,সি টি সি

এমাইনোগ্লাইকোসিনঃ

জেন্টামাইসিন,কেটামাইসিন

মাইকোপ্লাজমার সাথে করাইজা থাকলে

পানিতে সালফার ড্রাগ  আর খাবারে টেট্রাসাইক্লিন দিলে ভাল হয়।

মাইকোপ্লাজমার সাথে সাবক্লিনিকেল রুপে রানিক্ষেত থাকলে

পানিতে রানিক্ষেতের ক্লোন টিকা দেয়ার পর চিকিৎসা দিতে হবে।

মাইকোপ্লাজমার সাথে যদি আই বি থাকে তাহলে  Bioral H120 or IB4/91 দেয়ার পর চিকিৎসা দিতে হবে।

চিকিৎসা দ্বারা মাইকোপ্লাজমা রোগ নির্মূল সম্বব না শুধু সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা উদ্দেশ্য।

সকালে ও সন্ধ্যায় জীবাণূনাশক দিয়ে স্প্রে করতে হবে।

 

৬।ফ্যাটি লিভার হেমোরেজিক সিন্ড্রম

 

লিভার টনিক ।

ক্লোলিন ক্লোরাইড।

ভিটামিন ই + সেলেনিয়াম দিতে হবে।

সুষম খাবার দিতে হবে মানে ভাল মানের খাবার দিতে হবে।

টক্সিনমুক্ত খাবার দিতে হবে।

কপার ও বায়োটিন দিতে হবে।

খাবারে ১% তেল দিতে হবে।

 

।কলিব্যাসিলোসিস

এমোক্সিসিলিন +  নিওমাইসিন ৫-৭ দিন বা

সালফার ড্রাগ( কসুমিক্স প্লাস) ২-২.৫ লিটার পানিতে সব সময় ৫দিন

এনরোফ্লক্সাসিলিন,লেভোফ্লক্সাসিলিন,জেন্টামাইসিন,এমিকাসিন দেয়া যায়।

সি( রেভিট সি,রেনা সি),১ মি লি ৩লিটার পানিতে।

প্রতিরোধের ক্ষেত্রে জোর দিতে হবে।চিকিৎসা করে ভাল কিছু করা যায় না।

টক্সিন বাইন্ডার ১ মিলি  ১লিটারে

জিংক( ও জিংক বা জিফ্লু) ১মিলি ২ -৩ লি

খাবারে সালমোটক্স ১০০কেজিতে২৫০ গ্রাম ১৪ দিন

নোটঃ

লেয়ারে প্রায়ই কিছু কিছু মুরগি মারা যায় যার প্রধান কারণ কলিব্যাসিলোসিস।

ব্রয়লারের  কমন সমস্যা  কলিব্যাসিলোসিস।.

 

৮।ব্রুডার নিউমোনিয়া

চিকিৎসাঃ

নিচে ধারনা দেয়া আছ।

আক্রান্ত বাচ্চা সাধারনত ভাল হয়না।

পুরান লিটার বাদ দিয়ে নতুন লিটার দিতে হবে।

খাবারে সমস্যা থাকলে খাবার বদলাতে হবে।

খাবার পাত্র ও পানির পাত্র পরিস্কার রাখা।

তুতে,১ গ্রাম ২-৩ লিটার পানিতে ৪-৫ দিন ১ বেলা।(৮-১০ঘন্টা) এবং ১০গ্রাম ১লিটারে লিটারের উপর স্প্রে করতে হবে।

১ টা এন্টিবায়োটিক লেভোফ্লক্সাসিলিন বা এমোক্সিসিলিন বা  টাইলোসিন ৪-৫ দিন সব সময়।

সি,১ গ্রাম ৩ লিটারএ,ই সেল,১ এল এল ১ লিটারে।

টক্সিন বাইন্ডার,টক্সিনিল প্লাস ২ এম এল ১ লিটারে ৫-৬ দিন ১ বেলা।

আমাদের দেশে নিউমোনিয়ার মূল কারন কাঠের গুড়ি ও হ্যাচারী।

 

৯।নেক্রোটিক এন্টারাইটিস

 

এমোক্সিসিলিন  বা ডক্সিসাইক্লিন ৫-৭ দিন।

নরফক্সসিলিন বা এনরামাইসিন বা লিনকোমাইসিন।

ভিটামিন সি / কে,ভিটামিন ই বা এডি৩ই।

আমাশয় থাকলে  ই এস বি৩ দিতে হবে।

যদি মর্টালিটী বেশী হয় তাহলে লিংকোমাইসিন ইঞ্জেকশন দেয়া লাগবে।

 

১০।করাইজা

 

চিকিৎসাঃ

কসুমিক্স প্লাস বা এই জাতীয় মেডিসিন২.৫গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে ৬-৭ দিন সারাদিন।

অথবা  মাইক্রোনিড বা ইরোকট ও দেয়া যায়।

প্যারাসিটামল

কফের সিরাপ।

৬-৭দিন পর

সি টি সি ২গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে ৫ দিন সারাদিন বা লিভোফক্সাসিলিন

সাথে টক্সিনিল প্লাস ২-৩ এম এল প্রতি লিটার পানিতে ১ বেলা ৪-৫ দিন

৭-১৪ দিন চিকিৎসা করতে লাগতে পারে।

এক নাগারে চিকিৎসা চালাতে হবে তা নাহলে আবার ব্যাক করবে,একবার ফার্ম আক্রান্ত হলে ২য় বার আক্রান্ত হবার সম্বাবনা আছে।

সমস্যা থাকলে

অনেক সময় মাইক্রোনিড বা এই জাতীয় মেডিসিন দেয়া লাগতে পারে।

তাছাড়া কসুমিক্সের সাথে ডেনাগাড বা এই জাতীয় মেডিসিন দেয়া লাগতে পারে।

নোটঃ

প্রায় সময়ই করাইজা,রানিক্ষেত,এ আই  থেকে আলাদা করা কঠিন তাই টাইটার টেস্ট করে রানিক্ষেত  আলাদা করে ফেলতে হবে।

সম্ভব হলে এ আই ও মাইকোপ্লাজমা টেস্ট করতে হবে।

ফলে করাইজা নির্ণয় সহজ হবে এবং খামারীর লস কম হবে,মুরগি সুস্থ হবে।

অনেক সময় মিক্স ইনফেকশন হয় এক সাথে ৩-৫টা রোগ এক সাথে হতে পারে।

রানিক্ষেত বা এ আই কে করাইজা মনে হতে পারে।টেস্ট করে নেয়া উচিত।

 

১।পক্স

 

চিকিৎসাঃ

এন্টিভাইরাল এসাইক্লোভির(acyclovir)  ভাইরাক্স দেয়া যায় পানিতে।

১ট্যাব্লেট ৩লিটার পানিতে ৫দিন

একটা এন্টিবায়োটিক টেট্রাসাইক্লিন বা ক্লোইনোলন দেয়া যায়।

ভিটামিন সি এবং এ ডি ই দেয়া যায় শুকানোর জন্য।

স্প্রে  করতে হবে।

মুরগি অল্প হলে Ectonil পটাশের সাথে মিক্স করে স্পটে লাগানো যায়।

যে কোন সময় অল্প মাত্রায় দেখা গেলে টিকা দিতে হবে।

১% পটাসিয়াম পারম্যাংগানেট খাওয়ালে উপকার পাওয়া যায় এবং তা দিয়ে মুছে দিলে ভাল হয়।

 

১২।গাম্বোরু

 

চিকিৎসা

সেকেন্ডারি  ইনফেকশনের জন্য এন্টিবায়োটিক যেমন সিপ্রো,লেভোফ্লোক্সসিলিন

ইমোনোস্টিমোলেটর(লাইসোভিট,নিউট্রিলেক,বিটামিউন।)

পি এইচ

ভিনেগার।

জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল/টলফেনামিক এসিড/স্যালাইসাইলিক এসিড

ডিহাইড্রেশনের জন্য ইলেক্টোলিয়াট দেয়া যায়।

খাবার এবং পানি কম খেলে চিনি বা গুড় ৫০ গ্রাম ১ লি পানিতে

ইমোনোস্টীমুলেটর (লাইসোভিট,বিটামিউন)

সালফার ড্রাগ/জেন্টামাইসিন দেয়া যাবেনা।

সেডের তাপমাত্রা বাড়ানো উচিত।

কিডনিতে সমস্যা হলে কিডনিটনিক।

ভিটামিন কে,সি এবং ই -সেল দেয়া যায়।

আমাশয় ও সাল্মোনেলা হওয়ার সম্বাবনা থাকে তাই  ই  এস বি৩ বা কক্সিকিউর বা কক্সি কে  দেয়া ভাল

৪-৫ দিন খাবারে বা পানিতে প্রোটিন কম রাখতে পারলে ভাল।এতে কিডনিজনিত সমস্যা কম হয়।

 

 

১৩।কলেরা

চিকিৎসাঃ
স্যালাইন (কলেরা স্যালাইন,হাইড্রেট,রেনালাইট,এসিলাইট,ইলেক্টোপ্যাক এর যে কোন একটি তবে কলেরা স্যালাইন বেশি ভাল) ৭ দিন ১ বেলা
লিভারটনিক (রেস্টোলিভ,হেপামিন,হেপারেনল) ৫ দিন সকালে
ইমোনোস্টিমোলেটর( বেটামিউন,লাইসোভিট) ২-৪দিন
কফ বা শ্বাস কষ্ট থাকলে (পালমোকেয়ার,কফনিক্সা বা ব্রংকোবেট) ৪-৫ দিন
এন্টিবায়োটিক
সালফার ড্রাগঃ
কসুমিক্স বা  ইরাইভেট বা ইরোকট বা মাইক্রোনিড) ৫-৭ দিন। বা
জেন্টামাইসিন +ক্লোইনোলন  ৭দিন।
জেন্টা (.2ml muscle 3-4day) বা অক্সিটেট্রাসাইক্লিন ( 0.5ml muscle 2days interval) ইঞ্জেকশন লাগতে পারে।
৪।আমাশয়

চিকিৎসাঃ

সালফাক্লোজিন বা টল্টাজুরিল বা এমপ্রোলিয়াম ৫-৭ দিন চালানো উচিত কারণ তাদের লাইফ সাইকেল শেষ করতে ৪-৭ দিন লাগে,মাঝে ১-২দিন গ্যাপ দিতে পারেন।

টল্টাজুরিল ১মিলি /২৮কেজি বডি ওয়েট ২৫% হলে

যে কোন একটা এন্টীবায়োটিক

এটি একটি সেলফ লিমিটেড রোগ মানে সকল ওস্টিটের বংশ বৃদ্ধি হলে এমনিই ভাল হয়ে যায়।

ভিটামিন এ,কে দিলে মর্টালিটি কম হয় এবং তাড়াতাড়ি ভাল হয়।

Coccidiostat:

that inhibit not kill parasite.

সালফোনেমাইড

এম্পোলিয়াম

মনেন্সিন

কক্সিসাইডাল(Coccicidal) :

(kill or destroy coccicidal population.

টল্টাজুরিল

ডাই ক্লাজুরিল

 

১৫।এ আই

 

এন্টিভাইরাল

লেভোফ্লক্সাসিলিন বা অন্য কোন এন্টিবায়োটিক

ইমোনোস্টিমুলেটর(লাইসোভিট বা নিউ্ট্রিল্যাক)

কফ পরিস্কারক(পালমোকেয়ার,রেস্পাইট)

লিভার টনিক( রেস্টোলিভ বা হেপারেনল)

মিক্স ইনফেকশন হলে ইরোকট বা মাইক্রোনিড দেয়া যায় ৫-৭ দিন,সব সময়।

বা কসুমিক্স-প্লাস + এনরোসিন দেয়া যায়।

এইচ ৯ এন ২ ভাল হতে অনেক সময় লাগে সেক্ষেত্রে রেনামাইসিন এল এ ইঞ্জেকশন দেয়া যায় প্রডাকশনের মুরগিতে ২কেজি ওজনের জন্য ০.৫মিলি মাংসে ২দিন পর ৩বার।

ইঞ্জেকশন দিলে প্যারাসিটামল দেয়া উচিত

জিংক

ভিটামিন সি

চিকিৎসা নির্ভর করে ওই সময়কার পরিস্থিতির উপর ।

লো এ আই ভাল হতে ২-৪ সপ্তাহ লাগে তাই তাড়াহুড়া করলে বা বেশি এন্টিবায়োটিক দিলে কোন লাভ হবেনা।

 

১৬।আই বি

চিকিৎসা:

নিদিষ্ট কোন চিকিৎসা নেই তবে দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমন রোধ করার জন্য একটা এন্টিবায়োটিক দেয়া যায়.

আই বি টিকা ডাবল ডোজে পানিতে বা চোখে ১ফোটা করে দিতে হবে.৫০% ফার্মের ক্ষেত্রে দেখা গেছে টিকা দেয়ার পর মুরগি ঠিক হয়ে যায়।

কফ দূর করার পাল্মোকেয়ার,এরোলিফ

ইমোনোস্টিমোলেটর

এডিই দেয়া যায়।

প্রোটিন যুক্ত খাবার বন্ধ করে দিতে হবে যদি কিডনি আক্রান্ত হয়।

১গ্রাম খাবার লবন ১ লিটার পানিতে ১ বেলা দেয়া যায় কারণ পাতলা পায়খানায় অনেক লবণ বের হয়ে যায়।

অর্থনৈতিক গুরুত্ব ঃ

মুরগির ওজন কমে যায় এবং এফ সি আর বেড়ে যায়।

মিক্স ইনফেকশন হলে এয়ার স্যাকোলাইটিস হয় ফলে ব্রয়লারের মাংসের মান খারাপ হয়।

প্রডাকশন এবং ডিমের মান খারাপ হয়।

 

১৭।রানিক্ষেত

নিচের আইটেম গুলো রোগের ও মুরগির অবস্থা দেয়া যেতে পারে।

১।আক্রান্ত হবার ১-৪দিনের মধ্যে হলে এবং মর্টালিটি ও মর্বিডিটি ৫% এর কম হলে রানিক্ষেতের স্ট্রেইনের উপর ভিত্তি করে লেন্টোজেনিক/মেসোজেনিক/ভেলোজেনিক ভ্যাক্সিন করা যাতে পারে।.

২ পি এইচ

৩।তুতে

৪।গুড়

৫।এন্টিবায়োটিক

৬।প্যারাসিটামল/টলফেনামিক এসিড।স্যালিসাইলিক এসিড

৭।রেস্পিরেটরী স্টিমুলেন্ট

৮।ভিটামিন সি

৯।কে

.১০।ভিটামিন

১১।টিমসেন

১২/টক্সিন বাইন্ডার

১৩।এন্টিভাইরাল.

১৪।ইমোনোস্টিমুলেটর)লাওসোভিট,নিউট্রাল্যাক।বিটামিউন)

 

 

১৮।মেরেক্স

 

চিকিৎসার উদ্দেশ্য অসুস্থ মুরগিকে সুস্থ করা নয় তবে মাইল্ড মেরেক্স হলে বা মাইকোপ্লাজমা বা সেকেন্ডারী ইনফেকশনের জন্য চিকিৎসা করা হয়।

(মেরেক্সের কোন চিকিৎসা নাই তবে স্টেইনের তীব্রতার উপর মর্টালিটি নির্ভর করে এবং কিছু চিকিৎসা দেয়া হয়)

সব কিছু বিবেচনা করে ডাক্তার ঠিক করবে কি দেয়া উচিত তবে নিচে একটা ধারণা দেয়া হলো

ইমোনোস্টিমোলেটর(বিটামিউন,নিউট্রিল্যাক)

রিফেন্স বা এলিকম

রেভিট ই এস বা রেনাসেল ই ৭দিন

লিভারটনিক,(রেস্টোলিভ)

কিডনি আক্রান্ত হলে কিডনি টনিক(নেফ্রোফ্লাশ)

ইমোনিটি কমে গেলে মাইকোপ্লাজমা আসে তাই ৫দিন এন্টিমাইকোপ্লাজমাল ড্রাগ (গ্রিন্ট্রিল) দেয়া যায়

 

 

১৯।রিও

চিকিৎসা ও কন্টোল;

হাইজিন ও নিউট্রিশন যাতে ভাল হয়।

ব্রিডার ফার্মে টিকা দিতে হবে (লাইভ ও কিল্ড)

কন্টোল;

টিকা (লাইভ ও কিল্ড) ব্রয়লার ব্রিডারে ভ্যাক্সিন দিতে হবে।

আয়োডাইড জীবানূ নাশক ভাল কাজ করে।

 

২০।লেমনেস/প্যারালাইসি

 

কারণ গুলো দূর করতে হবে ।

পানিতে ক্যালসিয়াম ও ডি৩ বা এডি৩এ দিতে হবে।

মাল্টি ভিটামিন দিতে হবে।

ইলেক্টোলাইট

ভাল কোম্পানীর বাচ্চা নিতে হবে।

খাবার পাত্র ও পানির পাত্র এবং লিটার ভাল রাখতে হবে।

গরমের সময় ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে,মাল্টিভিটামিন দেয়া যায়।

ব্যালেন্স ফিড দিতে হবে।

ব্রিডারে যাতে ভ্যক্সিন সিডিউল মেনে চলে।

এনরোফ্লক্সসিলিস এন্টিবায়োটিক দেয়া যাবে না,বা অন্য কোন এন্টিবায়োটিক প্রয়োজন না হলে দেয়া যাবে না।

 

নোটঃ

আমাদের দেশে যখন ব্যাপক হারে দেখা দেয় তখন এটি আবহাওয়া,বাচ্চা,হ্যাচারী বা খাবার এর যে কোন একটি  জড়িত থাকার সম্বাবনা বেশি।একই খাবারে যদি অধিকাংশ ফার্মে দেখা দেয় তখন সেটাকে খাবারে সমস্যা মনে করা হয়।আবার যদি একই কোম্পানীর বাচ্চা অধিকাংশ ফার্মে দেখা দেয় তখন এটি বাচ্চার সমস্যা।আর যদি একই হ্যাচারীর বাচ্চা সব ফার্মে দেখা দেয় তখন হ্যাচারীর সমস্যা।আর যদি সব কোম্পানীর বাচ্চা এবং খাবারে  দেখা যায় তাহলে আবহাওয়া জড়িত থাকার সম্বাবনা(শীতের কারণে)

 

২১।আই বি এইচ

চিকিৎসাঃ

চিকিৎসা হবে উপস্থিত ডাক্তার যেভাবে বলবে সেভাবে নিচে ধারনা দেয়া হলো

তাছাড়া চাল ভাংগা বা ভুট্রা ভাংগা  দিতে হবে,খাবার ১২-৩৬ ঘন্টা বন্ধ রাখতে হবে

স্টাটার খাবার বাদ দিয়ে ফিনিশার খাবার দিতে হবে।

সালফার জাতীয় এন্টিবায়োটিক দেয়া যাবে না।

টক্সল ১মিলি ১লিটারে ৫দিন

ভিটামিন সি ১গ্রাম ২লিটারে ৩দিন পরের ৩দিন ১গ্রাম ৩লিটারে ১বেলা

মাল্টিভিটামিন।

গ্লোকোজ ২গ্রাম ১লিটারে ৩দিন পরের ২দিন ১গ্রাম ১লিটারে।

লিভারটনিক ও কিডনিটনিক।

ইমোনোমডোলেটর

ভিটামিন কে

গুড়

ক্যালসিয়াম

এমাইনো আসিড

পটাশিয়াম নাইট্রেট ও এমোনিয়াম ক্লোরাইড দিতে হবে।

পর্দা,ফ্যান,সেডের ভিতর ১০% ফরমালিন দিয়ে স্প্রে করতে হবে।

 

 

২২।গাউট

চিকিৎসায় ভাল ফলাফল পাওয়া যায়না।

#টক্সিন বাইন্ডার ও ভিনেগার দেয়া  যায়।

#ইউরিন এসিডিফায়ারঃগাউটের জন্য মেটাবোলিক এল্কালোসিস মেজর প্রিডিস্প্রোসিং ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে তাই ইউরিনারি এসিডিফায়ার ব্যবহার করা হয়।

#হাই লেবেল মেথিওনিনঃ0.3-o.6%)।It protect kidney of immature pullets.The excess methionine catabolises and the thial group in methionone will be excreted as sulphate in urine.

#এমোনিয়াম ক্লোরাইড১০ গ্রাম /কেজি ও এমোনিয়াম সালফেট ৫.৩গ্রাম /কেজি ঃ increase acidity of urine and reduces incidence of urolithiasis.

Uroliths dissolve in acid urine and are converted into ammonium urates.

urinary acidifiers increase excretion of excessive dietary Ca,restoring Ca balance.

#Dietary allowances of Ca ,p and protein should meet but not exceed requirement.

#Feeding pre layer diet at the appropriate time.

#Ca should be offered as grit rather in powder form,which can lead to hypercalcaemia.

The slowly dissolving grit maintains a more constant blood Ca level.

# Thorough mixing of the feed,especially with respect to Ca and vitamin D3.

#যদি আইবি বেশি হয় তাহলে ১-২ দিনের মধ্যে টিকা দিতে হবে এবং প্রিলেয়ার ফিড দেরিতে দিতে হবে।

# মাইকোটক্সিন মুক্ত ফিড দিতে হবে যা ভাল জায়গায় স্টোর করা এবং রোদ্রে শুকানো

# পাখি যাতে সব সময় পানি খাতে পারে।

# পানির হাডনেস যাতে ১৫০০ এম জির বেশি না হয়।ক্যালসিয়াম ও ম্যাগ্নিসিয়াম বেশি হলে পানির হাডনেস বেড়ে যায়।

#এলোপিউরিনলঃ

Gout can be cured with allopurinol by inhibiting uric acid synthesis but it can cause further kidney damage so the dose rate should not exceed 25 mg /kg body wt and it must be properly mixed.

#এন্টিবায়োটিক ও আয়োনোফর দেয়ার ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে।

#এ ডি ই,স্যালাইন দেয়া যেতে পারে,
#খাবার ৩-৪ ঘন্টা বন্ধ রাখা যেতে পারে ।

এত আলোচনার মাঝে আসল পয়েন্ট/ মূল কারণ

এভিয়ান নেফ্রাইটিস ভাইরাস,এস্টোভাইরাস ও আই বি ভাইরাস।এই ভাইরাস গুলো ঠান্ডা আবহাওয়ায় বেশি এক্টিভ শো করে।

 শীতকালে পর্দার কারণে অক্সিজেনের ঘাটতি হয়(হাইপোক্সিক কন্ডিশন),শীতে পানি কম খায় এই ২টি পয়েন্ট যা গাঊটকে প্রভাবিত করে।

শীতে হ্যাচারী থেকে দেরিতে বাচ্চা সাপ্লাই দিলে পানি শুণ্যতায় বাচ্চাতে গাউট হয়।

চিকিৎসা দিলেও ৫-১৫দিন মারা যায় এবং এরপর ভাল হয়ে যায়।

 

৩।এসাইটিস

চিকিৎসাঃ

চিকিৎসায় ভাল রিজাল্ট পাওয়া যায়না তবে

উপস্থিত ডাক্তার বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে চিকিৎসা দিবে

১.নেফ্রোটনিক
২.ভিটামিব সি
৩ খাদ্যে সোডিয়াম বাইকার্বোনেট ১%দেয়া যায়.

৪,ভিটামিন ই ও সেলেনিয়াম

.৫।খাবারে কুড়া দেয়া যায়

৪।মাইকোপ্লাজমোসিস

 

এটি  সম্পূর্ণ ভাবে দূর করা যায়না ,নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়।

টেট্রাসাইক্লিন,ম্যাক্রোলয়েড( টাইলোসিন,টিলমাইসিন,স্পাইরামাইসিন,ইরাইথ্রোমাইসিন) কোইনোলন।

মাইকোপ্লাজমার ক্ষেত্রে প্রিভেন্টিভ ব্যবস্থা সবচেয়ে লাভজনক কারণ এটি জটিল হয়ে গেলে চিকিৎসা খরচ বেশি  হয় এবং ডিম কমে যায়,তাছাড়া এন্য রোগ চলে আসে।

ডিম পাড়া মুরগির ক্ষেত্রে ১০০০ মুরগির জন্য ৪০-৫০গ্রাম টিয়ামোলিন খাবারে ৩০-৩৫ দিন পর পর।

চিকিৎসা্র ক্ষেত্রে ১০০০ মুরগির জন্য ৮০-১০০ গ্রাম সাথে্‌ সি টি সি  ৪৫% ৩০০ গ্রাম বা কসুমিক্স ৫০০-৬০০ গ্রাম পানিতে বা খাবারে,তবে চিনি(৫০ গ্রাম ১ লিটারে )বা স্যাকারিন৫ গ্রাম ১০০লিটারে) দিতে হবে ।

বা

টাইলোসিন ২.৫ গ্রাম ১ লিটার পানিতে ৫দিন ।

প্রিভেন্টিভের ক্ষেত্রে ডোজ অর্ধেক হবে।

বা

টিলমাইসিন ১ এম এল  ২লিটার পানিতে ,দরকার হলে সাথে নিওমাইসি দেয়া  যায় ১ গ্রাম ২-৩ লিটার পানিতে।

চিকিৎসা  পরিবেশ পরিস্থিতি অনুযায়ী হয়,নির্দিস্ট করে বলা যায় না.

 

Please follow and like us:

About admin

Avatar

Check Also

খামারীকে নিঃস্ব করে দেয়ার মত কিছু রোগ(মর্টালিটি/ক্ষতির উপর ভিত্তি করে)

খামারীকে নিঃস্ব করে দেয়ার মত কিছু রোগ খামারীকে নিঃস্ব করে দেয়ার মত কিছু রোগ(মর্টালিটি/ক্ষতির উপর ...

Translate »
error: Content is protected !!