পোল্ট্রির বিভিন্ন রোগের প্যাথোজেনেসিস

 পোল্ট্রির বিভিন্ন রোগের প্যাথোজেনেসিস

১।ইকলাই

এজেন্ট

ইস্কেরিসিয়া কলাই দ্বারা সৃষ্ট রোগগুলোকে এভিয়ান কলিব্যাসিলোসিস বলা হয়।

এটি গ্রাম নেগেটিভ যা পরিবেশের প্রতি রেজিস্ট্যান্ট কিন্তু ডিশইনফেকট্যান্ট দিয়ে মারা যায়।

It is most common,most economically important,most widely prevalant bacterial diseases from day old chicks(Yolk sac infection) to adult (egg peritonitis) that occurs throughout the year.E coli normaly live in digestive tract.

হরিজোন্টাল টান্সমিশন হয়।

এদেরকে কলিফর্ম ব্যাক্টেরিয়া বলা হয়।

১৮-৪৪ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট তাপমাত্রায় জন্মাতে পারে।

পি এইচ ৫-৭ এর মধ্যে বেচে থাকে।

৩টি এন্টিজেনঃও -সোমাটিক,এইচ-ফ্লাজেলার,কে-ক্যাপসোলার  এন্টিজেন।

প্যাথোজেনিক স্টেইন  O1,O2,O78

ইনকিউবেশন  পিরিয়ড ৩-৬ দিন।

এদের কিছু কিছু প্রজাতি রোগ তৈরি করে।

হোস্টঃ

মুরগি এবং টার্কিতে বেশি হয়।

ব্রয়লারে বেশি হয়।

মৃত্যহার ৫-২৫%।

এরা মুরগির খাদ্যনালীতে থাকে এবং মুরগির বাসস্থান,মেঝেতে,লিটারে,আসবাবপত্র,খাদ্য ও পানীয় সব জায়গায় পাওয়া যায়।

১ দিন থেকে যে কোন বয়সে হতে পারে।

কেন হয়ঃ

খাবারে যদি ই -কলাই থাকে(এম বি এম ও ফিসমিল এ ই- কলাই থাকে)

দূষিত পানি।(পানির লাইন,মেইন ট্যাংক,পাইপ লাইন,ড্রিংকার,নিপলস)

মুরগি যখন অপুস্টিতে ভোগে।

ইমোনিটি কমে গেলে।

ধকল

হ্যাচিং ডিমে যদি ই -কলাই থাকে।

হ্যাচারীতে যদি জীবাণূ থাকে।

বেশি ঘন হলে

আলো বাতাস কম  হলে।

লিটার খারাপ হলে।

এমোনিয়া গ্যাস বেশি হলে।

বেশি গরম বা ঠান্ডা হলে।

খাবার ও পানি না দিলে।

মাইকোটক্সিন বা অন্য ভাইরাল ইনফেশনের কারণে ইমোনিটি কমে গেলে।

পরিবহন

লিটার বা বাতাসের আর্দ্রতা বেশি হলে

অন্য কোন রোগে আক্রান্ত হলে যেমন মাইকোপ্লাজমা,করাইজা,ব্রংকাইটিস।

কিভাবে ছড়ায়ঃ

মুরগির প্রজনন নালীতে এই জীবানূ থাকলে তা ডিমের মাধ্যমে বাচ্চাতে চলে আসে।

হ্যাচারীর ইনকিউবেটরে আর্দ্রতা বেশি থাকলে এবং ইনকিউবেটরকে জীবানূমুক্ত না করলে তা বাচ্চাতে চলে আসে।

ডিম পাড়ার পর যদি পায়খানায় লাগে তাহলে বাচ্চায় আসতে পারে।

শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে আশ পাশের মুরগিতে আসতে পারে।

মুরগি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নেয়ার সময় বাতাসের মাধ্যমে আক্রান্ত হয়।

চার পাশের যে কোন জিনিস পত্রের মাধ্যমে মুরগি আক্রান্ত হতে পারে।

তাপমাত্রার পরিবর্তন,হটাত বৃষ্টি,গরম,ঠান্ডা হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় ফলে মুরগি অসুস্থ হয়ে পড়ে।

অন্য রোগের জটিলতায় হতে পারে যেমন  কক্সিডিওসিস,গোলকৃমি,নিউমোনিয়া,গাম্বোরু,মাইকোপ্লাজমোসিস

এমোনিয়ার পরিমান যদি বেড়ে যায়।

প্যাথোজেনেসিসঃ

মুখ এবং শ্বাসনালী দিয়ে ঢুকে,তাছাড়া ক্ষুদ্রান্তে নরমালী থাকে ধকল পড়লে এক্টিভ হয়ে রোগ তৈরি করে।

এটা মূলত সেকেন্ডারী ইনফেকশন করে।

লোকালাইজড বা সিস্টেমিক ২ ভাবেই হতে পারে।

ডিস ব্যাক্টেরিওসিস,ক্ষত,নাভি কাচা,মিউকোসাল ড্যামেজ (ব্যাক্টেরিয়াল বা ভাইরাল বা প্যারাসাইটিক)

 

।মেরেক্স

ফর্ম ও মেরেক্সস

ক্লাসিকেল এমডিঃ                                                          একোট এমডি                                                        ট্রাঞ্জিয়েন্ট প্যারালাইসিস

স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত হয় ফলে প্যারালাইসিস হয়          হঠাত  লক্ষন ছাড়াই মারা যায়                         এটি আনকমন,কম হয়,৫-১৬ সপ্তহে হয়

মর্টালিটি পরিবর্তনশীল ১০-১৫%                                  প্রধানত ১০-৩০% মারা যায়,৮০% হতে পারে           অল্প মারা যায়

ভেগাস এবং ইন্টারকস্টাল স্নায়ু আক্রান্ত হলে ক্রপ ফুলে যায়। প্যারালাইসিস হয়                                     হঠাত করে প্যারালাইসি হয়

ব্রাকিয়াল এবং স্কায়াটিক স্নায়ু বেশি আক্রান্ত হয়           কোন সময় মারা যাবার আগে ডিপ্রেস হয়           ১-২ দিনে মুরগি ভাল হয়ে যায়

স্নায়ু আক্রান্ত হয়                                           লিভার,কিডনি,স্প্লিন,ফুসফুস,প্রভেন্টিকোলাস,চামড়া,ডিম্বাশয়      বাচ্চা সুস্থ হয়ে যায়

কম হয়                                                         বেশি হয়                                                                                         বিরল

ক্লাসিকেল এমডিঃ Cervical nerve আক্রান্ত হলে Torticolis হয়।মাথা ঘুরায়।

এবডোমিনাল নার্ভ এবং intercostal nerve আক্রান্ত হলে ক্রপ এবং গিজার্ড প্যারালাইসিহ হয়,ক্রপ ফোলে যায় ।

গ্যাস্পিং হয়।ব্রাকিয়াল এবং সায়াটিক নার্ভ আক্রান্ত হলে পাখা এবং পা প্যারালাইসি হয়।

কিউট এমডি

অর্গান বড় হবার পাশাপাশি মাঝে মাঝে প্যারালাইসিস হয়।

প্যাথোজেনেসিসঃ

শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে(ধূলা বালি দিয়ে) জীবানূ রেস্পিরেটরী সিস্টেমের ফুসফুসে যায়,সেখান থেকে লিম্ফ্যয়েড সিস্টেমে সাইটোলাইটিক ইনফেকশন হয়,তারপর প্রাইমারী টার্গেট সেল বি সেল আক্রমন করে লিম্পোসাইটের ক্ষতি করে ফলে ইমোনোসাপ্রেশন হয়।

লিম্পোসাইটের মাধ্যমে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং ভাইরেমিয়া হয়।২সপ্তাহ পর এটি ফেদার ফলিকলকে আক্রমণ করে,সেখানে অবস্থান করে ভাইরাস ছড়াতে থাকে।

কিছু টি সেল আবার স্নায়ু্তন্ত্র এবং ভিসেরাল অংগকে আক্রমন করে প্যারালাইসিস ও টিউমার তৈরি করে।

ক্লাসিকেল এমডি হলে পা,পাখা,ক্রপ,গিজার্ড,ঘাড়,আইরিশ প্যারালাইসিস হয়।

কিউট এমডি হলে লিভার,কিডনি,স্প্লিন,ফুসফুস,প্রভেন্টিকোলাস,চামড়া,ডিম্বাশয় বড় হয়ে যায় পাশাপাশি মাঝে মাঝে  স্নায়ু আক্রান্ত হয় ।

মেরেক্স ভাইরাস ১দিনের বাচ্চাকেও আক্রমণ করতে পারে এবং ব্লাড লেভেলে অবস্থান করে.৭দিনের মধ্যে শ্বেত কণিকাকে আক্রান্ত করে কিন্তু বি লিম্ফোসাইটকে মেরে ফেলে।এই শ্বেত কণিকা এন্টিবডি তৈরি করে।

বি সেলের পাশাপাশা টি সেল কেও আক্রান্ত করে কিন্তু টি সেল কে মারতে পারেনা।টি সেল ডরমেন্ট অবস্থায় থাকে এবং যখন ১০ সপ্তাহ হয় তখন টি সেল মডিফাইড হয় এবং মাল্টিপাই হয়ে বিভিন্ন অর্গানে টিউনার তৈরি করে(কিডনি,লিভার,স্পিলন)।

ফেদার ফলিকলে টিউমার হয় যদি মিট টাইপ মুরগি হয়।

 

৩।গাম্বোরু

স্ট্রেইন ঃ

২ধরণের

টাইপ ১   প্যাথোজেনি্ক

টাইপ ২  নন প্যাথোজেনিক(টার্কিতে পাওয়া গেছে)

টাইপ ১  প্যাথোজেনি্ক এর ৬টি রিলেটেড বা পারশিয়ালী রিলেটেড  স্ট্রেইন আছে।

সাইজ ৫৫-৬৫ ন্যানোমিটার।

যেমন১। ক্লাসিকেল( ক্লিনিকেল বা স্ট্যান্ডাড স্টেইন ) এবং  ২।ভ্যারিয়েন্ট স্টেইন।

ক্লাসিকেল স্ট্রেইন হলে বার্সা বড় এবং  রক্তক্ষরণ হবে ও মারা যায়।

১৯৭০ সালের দিকে ক্লাসিকেল আই বি ডি কে মাইল্ড স্টেইন টিকা দিয়ে দমন করা হত কারণ সে সময় মাতা হতে প্রদত্ত এন্টিবডি কম ছিল।

ভেরিয়েন্ট স্ট্রেইনের ক্ষেত্রে বার্সা ছোট হয়ে যায় কিন্তু রক্তক্ষরণ হয়না এবং মারা যায়না,একে সাবক্লিনিকেল বলা হয়।এটি প্রথম দিকে ছিল না,পরে তৈরি হয় এবং ব্যাপক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

 আমাদের দেশে ভি ভি  আই বি ডি,ভি আই বি ডি এবং মাইল্ড আই বি ডি দেখা যায়।

১৯৮০ সালের দিকে ভেরিয়েন্ট তৈরি হয় এবং আগের মাইল্ড টিকা আর কাজ করেনা।

এই ভেরিয়েন্ট স্ট্রেইন কে দমন করা হয় ইন্টারমেডিয়েট এবং ভেরিয়েন্ট স্ট্রেইনের সংবলিত টিকা দিয়ে।

ভেরী ভিরুলেন্ট আই বি ডি দেখা যায় ১৯৮৭ সাল থেকে।

ভি ভি আই বি ডিতে প্রচুর মৃত্যু হয়,একে দমন কর হয় ইন্টারমেডিয়েট  প্লাস স্টেইন দিয়ে।

এখন ক্লাসিক এবং ভেরিয়েন্ট স্ট্রেইন এক সাথে করে টিকা তৈরি করা হচ্ছে।

টিকা সিডিউল তৈরির সময় খেয়াল রাখতে হবে যে টিকা দেয়া হবে তা যেন সেডে বিদ্যমান ভাইরাসের চেয়ে কম মারাত্মক হয়,বেশি মারাত্মক হলে পরে সে নিজেই রোগ তৈরি করবে যা আর টিকা দিয়ে দমন করা কঠিন হয়।

এখন এমন টীকা তৈরি হচ্ছে যা মাতা হতে প্রাপ্ত এন্টিবডি থাকা অবস্থায় কাজ করে।

অনেক ডিসইনফক্ট্যান্ট এবং পরিবেশের ফ্যাক্টরের প্রতি এই ভাইরাসটি রেজিস্ট্যান্ট তবে

ফর্মালিন,গ্লোটারেল্ডিহাইড,ক্লোরিণ,আয়োডিন এবং ০.৫% সোডিয়াম হাইডোক্সাইডে এই জীবানূ মারা যায়।

রানিক্ষেত ভাইরাসকে মারার জন্য ইথানল,পটাশ এবং ফর্মালিন,ক্রিসল ভাল কাজ করে।

আই বি ডি ভাইরাস পি এইচ ২-১২ মধ্যে ও টিকে থাকে যার ফলে এটাকে কন্টোল করা কঠিন।কিন্তু এন ডির ক্ষেত্রে পি এইচ বেশি হলে ভাইরাস মারা যায় তাই ফার্মে  চুন দেয়া হয়।

আক্রান্ত ফার্মে কয়েক মাস বেচে থাকে,পানিতে,খাবারে ও পায়খানায় কয়েক সপ্তাহ টিকে থাকে।

রানিক্ষেত আক্রান্ত ফার্মে রানিক্ষেত ভাইরাস ১০০-২০০দিন  বেচে থাকে।

কিভাবে ছড়ায়ঃ

আক্রান্ত মুরগির পায়খানার মাধ্যমে  জীবানূ বের হয়ে আসে এবং তা খাদ্য ,লিটার,পানিকে দূষিত করে এবং তা সুস্থ মুরগিকে আক্রান্ত করে।সুস্থ হবার পর ও ১০-১৪দিন ভাইরাস ছড়াতে পারে।

বাতাস

নিম্ম মানের  এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ টিকা।

খামারের যন্ত্রপাতি।

মশা

লিটার

পোকামাকড়

আক্রান্ত মুরগি

ডিমের ট্রে ও খাচা

হোস্ট

ব্রয়লার,লেয়ার,সোনালী মদেশী মুরগি আক্রান্ত হয়।

কোয়েল,হাস,কবুতর,টার্কিতে তেমন হয় না হলেও মর্টালিটি হয় না।তবে অনেকে কোয়েল এবং টার্কিতে ভ্যাক্সিন দিয়ে থাকে।

একবার এই  জীবানূ  সেডে প্রবেশ করলে পরবর্তীতে অন্য ব্যাচে ও গাম্বোরু হওয়ার সম্বাবনা বেড়ে যায়।

তাছাড়া চিকিৎসা খরচও বেড়ে যায়।

ব্রয়লারে ৩ সপ্তাহ থেকে -বিক্রির আগ পর্যন্ত হতে পারে, ১৭-১৮ দিন থেকেও দেখা যায়,কোন কোন সময় এর আগেও কেউ কেউ পেয়েছে।

লেয়ারের ক্ষেত্রে ৩-৫ সপ্তাহে বেশি হয়,তবে সাদা মুরগিতে ১৬ সপ্তাহ এবং লাল মুরগিতে ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত হয়।সাদা জাতের মুরগি বেশি সেনসিটিভ।

বয়স বাড়ার সাথে সাথে বার্সা ছোট হয়ে যায় এবং ১০০-১২০ দিন পর  বার্সা প্রায় বিলীন হয়ে যায় ফলে পরে আর দেখা যায়না।

বার্সার সাইজ

৭দিনে ৭মিলি

১৪দিনে ১৪মিলি

২১দিনে ২০মিলি

সোনালীতে ১০ দিনেও দেখা যায়।কারণ এদের ম্যাটারনাল ইমোনিটি কম থাকে।

১ম ২দিন মৃত্যহার আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে এবং ৩-৪ দিন পর লক্ষণ ভাল বোঝা যায় এবং বেশি মারা যায়।৫-৭ দিনের মাঝে মুরগি সুস্থ হয়ে যায়।

আক্রান্তের হার ১০০% হতে পারে,মৃত্যহার ১-৫০% তবে ৭০%-৮০% ও হতে পারে তা নির্ভর করে স্ট্রেইন,মুগির বয়স,অন্য রোগ ও পরিবেশের উপর।সাথে রানিক্ষেত হলে মৃত্যহার ১০০% হয়।

মর্বিডিটি যত বেশি হবে মর্টালিটি তত কম হবে।যেমন এইচ ৫ এন ১ এর মর্বিডিটি তেমন নাই অথচ মর্টালিটি ১০০% হতে পারে।

আবার করাইজার মর্বিডিটি ২০-১০০% অথচ মর্টালিটি তেমন নাই।

অর্থনৈতিক গুরুত্বঃ

৩ সপ্তাহের বেশি বয়সের মুরগিতে  তীব্র আকারে হলে অনেক মারা যায়।

৩ সপ্তাহের কম বয়সের মুরগিতে সাবক্লিনিকেল হলে লক্ষণ তেমন দেখা যায় না কিন্তু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।এফ সি আর বেড়ে যায় এবং ওজন ভাল আসে না।থাইমাস এবং বার্সাতে প্রদাহ করে ফলে ইমোনিটি কমে যায় এবং অন্য রোগ যেমন রানিক্ষেত,আমাশয়,মেরেক্স ও কলিব্যাসিলোসিস,আই বি এইচ,চিকেন ইনফেশাস এনিমিয়া হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়।

গাম্বোরুর জন্য ফার্মে মাইকোপ্লাজমা ও সালমোনেলার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যায়।

বছরে প্রায় ১৫-২০লাখ ব্রয়লার গাম্বোরুর জন্য মারা যায়।

পরিবেশ

সারা বছর সব পরিবেশেই হয় মানে শীত ও গরম ২ পরিবেশেই টিকে থাকে এবং রোগ তৈরি করে।।

এটি যে কোন পরিবেশে বেঁচে থাকে এবং সব জীবানূনাশক দিয়ে  ভাইরাস মারা যায় না।

আক্রান্ত ফার্মে  কয়েক মাস  বেঁচে থাকে এবং খাদ্য,পানি এবং পায়খানায় কয়েক সপ্তাহ বেচে থাকে।

প্যাথোজেনেসিস

IBD virus  Enter through 0r0 and nasal route then Viremia go to bursa.

৩ সপ্তাহের নিচে সাবক্লিনিকেল রুপে থাকে কারণ এন্টিবডি,এন্টিজেন,কমপ্লিমেন্টের ঘাটতি থাকে।

আর ৩ সপ্তাহের বেশি হলে

১। AB+Ag+complement produced localized immmunologic injury> arthus type of reaction > Necrosis,haemorrhages> destruction of B cells>immunosuppression>suboptimal response of vaccine>Lowered resistance to diseases.

এটি বার্সা ও থাইমাস কে নস্ট(নেক্রোসিস) করে দেয় ফলে ইমোনিটি কমে যায়।নরমালী ৩-৪ মাস পর বার্সা ও থাইমাস নিঃশেষ হতে থাকে।কিন্তু বোন ম্যারো,স্প্লিন ও GALT,BALT,CALT থেকে লিম্পোসাইট তৈরি হয়।

আই বি ডি হলে ইমোনিটি তৈরি বন্ধ হয়ে যাবার কারণে আই বি ,রানিক্ষেত ও মারেক্স ভ্যাক্সিন দেয়ার পর ও কাজ হয় না ।অনেক সময় দেখা গেছে গাম্বোরু থেকে সেরে উঠার পর রানিক্ষেত,কক্সিডীওসিস,সালম্মোনেলোসিস কলিব্যাসিলোসিস হয়ে থাকে।

২।ব্লাড ক্লোটিং ফ্যাক্টরের ঘাটতি হয় ফলে হেমোরেজ হয়।.

ভাইরাসটির টার্গেট সাইট হল বি লিম্ফোসাইট

প্রচুর জ্বর থাকায় ক্যালসিয়ামের শোষণ কম হয় তাছাড়া ক্যালসিয়াম বের হয়ে যায় যা সাদা কালার।তাই পায়খানা সাদা/চুনা হয়।

তাছাড়া কিডনি আক্রান্ত হয়ে ইউরেট জমা হয় যা সাদা কালার।

বার্সার পরিণতি

৩য় দিনে বার্সা বড় হতে থাকে,

৪র্থ দিনে সাইজ ও ওজন ডাবল হয়।

৫ম দিনে নরমাল সাইজে চলে আসে

৬তম দিনে ছোট হতে থাকে,

৮দিনে পূর্বের নরমালের  ১/৩ হয় মানে নরমাল সাইজ থেকে ছোট হয়ে যায়।।

 

৪ কলেরা

এজেন্টঃ
কলেরা করে এমন সেরোটাইপ আছে ১৩টি তার মধ্যে ১,৩,৩x৪ বেশি দেখা যায়।
এর এন্টিজেনিক মেকআপ বিভিন্ন ধরনের তাই টিকা ভাল কাজ করেনা
এটি গ্রাম নেগেটিভ,ক্যাপ্সুলেটেড,বাইপোলার নন মোটাইল,ননস্পোর ফর্মিং।এটি এরোবিক ও এনারোবিক ২মিডিয়াতেই দরকার।
সাইজ 0.2-.3*.6-2.6micro m.
capsulated strain  are highly virulent and non capsulated strain are low virulent.
১৬টি  সোমাটিক সেরোটাইপ আছে তবে ১৩টি মুরগিতে রোগ তৈরি করে।৫টি ক্যাপ্সোলার সাব টাইপ(ইমোটাইপ/সেরোটাইপ)
সর্বোত্তম পি এইচ ৭.২-৭.৮
পেনিসিলিন এন্টিবায়োটকের প্রতি রেজিস্ট্যান্ট।
এটি বিষ্টার মধ্যে ১মাস,মৃতদেহে ৩ মাস ও মাটিতে ২-৩ মাস বেচে থাকে।
১% ফরমাল্ডিহাইড,০.১% সোডিয়াম হাইডোক্সাইড,১% ফেনল,১% কস্টি সোডা,সূর্যের আলো,তাপে,আধুনিক ডিশইনফেক্ট্যান্ট,শুকনা পরিবেশে সহজেই মারা যায়।
সারা পৃথিবীতে দেখা যায়,স্পোরাডিকেলি,ইপিজোটিক বা( মহামারী)ব্যাপক হারে।
মর্টালিটি ও মর্বিডিটি ১০০%।
হোস্টঃ
১৬ সপ্তাহের নিচে হয়না।মুরগি থেকে টার্কিতে বেশি হয়,কোয়েল,রাজহাস এবং হাঁসেও হয়.
টার্কির ক্ষেত্রে যে কোন বয়সে হতে পারে( Geese),waterfowl are more susceptible.
স্তন্যপায়ীদের রোগ সৃষ্টিকারী টাইপ পোল্ট্রিতে রোগ তৈরি করেনা তবে শুকরে যে টাইপ রোগ সৃষ্টি করে তারা আবার পোল্ট্রিতে রোগ তৈরি করে।
ইঙ্কোবেশন পিরিয়ড ৫-৮ দিন
 সুস্থ হয়ে গেলেও ক্যারিয়ার হিসাবে কাজ করে এবং বিস্টার সাথে জীবাণু ছড়িয়ে থাকে।একবর ফার্ম আক্রান্ত হলে রিপিট হতে পারে।
মর্বিডিটি ১০-৮০%।
 টার্কিতে মর্টালিটি ৯০-১০০%, মুরগিতে ০-২০% বা বেশি,হাসের ক্ষেত্রে ৪সপ্তাহের পর দেখা যায় এবং মৃত্যহার ৫০%।
 শুকর এবং রেকন রোগের কেরিয়ার হিসেবে কাজ করে এবং প্রায় ১০০ প্রজাতির পাখি প্রাকৃতিকভাবেই কেরিয়ার হিসেবে কাজ করে।
মৃত বা অসুস্থ মুরগিকে ঠোকরালে বা মৃত মুরগিকে এখানে সেখানে ফেলে দিলে রোগ ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ে।
এটি মহামারী আকারেও দেখা দেয়।
 পরিবেশঃ
সিজনাল পরিবর্তনের সময় বেশি হয় তাছাড়া স্টেস কন্ডিশনে হয়ে থাকে।
বরষা্কালে ও গরমের শেষের দিকে বেশি তবে শীতকালে ও দেখা যায় ।
কখন ও কখন ও এটি মহামারী আকারে দেখা যায়।
পুর স্যানিটেশন,কৃমির লোড,অপুস্টি এবং অন্য রোগ কলেরা রোগ হতে সাহায্য করে।
পানিতে যে সব পাখি থাকে তাদের দ্বারাই রোগটি বেশি বিস্তার লাভ করে কারণ জীবানূটি পানিতে বেশি থাকে।
 কিভাবে ছড়ায়ঃ
জীবানূযুক্ত পানিঁ ও খাবার খেলে।
ইদুর,তেলাপোকা,কুকুর,বিড়াল,পোকামাকড় ও বাহিরের পাখি সেডে প্রবেশ করলে।
অল্প জায়গায় বেশি মুরগি পালন করলে।
আক্রান্ত মুরগি সেডে রেখে দিলে তা বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় এবং সুস্থ মুরগি যদি ঠোকর দেয়।
খাবারের বস্তা,ক্রেটস,জুতা এবং যন্ত্রপাতির মাধ্যমে রোগ ছড়ায়
 যানবাহন ও যন্ত্রপাতি দ্বারা(খাবার ও পানির পাত্র ,ট্রে)
ক্ষতস্থান বা চোখ দিয়ে।
ভিজিটরের জুতা ও পোষাক।
খাবার পাত্র ও পানির পাত্র এবং ডিমের ট্রে।
অসুস্থ মুরগি না,মুখ এবং কংজাংটিভা দিয়ে ছড়ায়।
প্যাথোজেনেসিসঃ
 মুখ বা নাক দিয়ে জীবানূ ঢুকে এবং তা পেঠের ভিতর গিয়ে ডায়রিয়া ও অন্যান্য সমস্যা তৈরি করে।
টার্কির ক্ষেত্রে শ্বাসনালীতে বেশি সমস্যা করে।মুরগির ক্ষেত্রে মুখ দিয়ে পরিপাক তন্ত্রে যায় এবং ডায়রিয়া করে।
প্রায় সব গুলো সিস্টেম আক্রান্ত করে।শ্বাসনালী,পরিপাক,প্রজনন তন্ত্র
সেপ্টিসেমিয়া,এন্ডোটক্সিন,ইডিমা,হেমোরেজিক শক ডেথ হয় ব্যাক্টেরিমিয়া হয়।
সিস্টেমিক এবং লোকাল ২ ধরণেরই হয়।
৫।আমাশয়

এজেন্ট

লিটারে যে কক্সিডিয়া থাকে সেগুলো শরীরে প্রবেশ করে এন্টিবডি তৈরি করে।

পরিবেশ থেকে মুরগি সব ধরণের আমাশয়ের স্পিসিস দিয়ে আক্রান্ত হলে তার থেকে রোগ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ৫-৬ মাস লাগে কিন্তু এক্টা আক্রান্ত হয়ে ইমোমিটি তৈরি হতে ৩-৪ সপ্তাহ লাগে।(৩-৪ সাইকেল পার হতে হয়।১ম সপ্তাহে টি সেল মেডিয়েটেড ইমোনিটি ২য় ও ৩য় সপ্তাহে হিউমোরাল ইমোনিটি তৈরি হয়। 

অধিকাংশ ক্ষেত্রে সব মুরগি এক সাথে কোন স্পিসিস দিয়েই আক্রান্ত হয় না তাই ইমোনিটি তৈরি হতে অনেক সময় লাগে।(কয়েক মাস লাগতে পারে)

ভ্যাক্সিন দিলে ১ মা সাইকেল ভ্যাক্সিন দিয়ে হয় ২য় ও ৩য় সাইকেল ফিসিস দিয়ে হয়(ফিসিসের ওসিস্ট থেকে)

আমাদের দেশে ফিল্ডে কক্সি বেশি থাকায় কোন কিছুতেই ভাল কাজ করে না তাছাড়া এন্টি কক্সিডিওস্ট্যাস্ট আয়োনোফোর আছে মাত্র ৬টি যা রেজিস্ট্যান্ট হয়ে যাচ্ছে।

ওসিস্ট প্রাচীরের ভিতরে থাকে তাই কোন ডিসইনফেকটেন্টই ভাল কাজ করেনা শুধু আয়োডিন যুক্ত ডিসইনফেকটেন্ট,চুন,বায়োসিস্ট কাজ করে।তাছাড়া ফর্মালিনও ভাল কাজ করে।

আমাশয় দ্বারা অন্ত্রনালি ক্ষতি হলে সালমোনেলা এন্টেরিটাইডিস বংশ বিস্তার করে।

কক্সিডিয়ার জীবন চক্রের মেয়াদকাল ৪-৭ দিন।মুরগির জীবাণূ দিয়ে হাসের বা অন্য প্রাণির রোগ হয়না মানে স্পেসিস স্পেসিফিক।মুরগির ৭ টি প্রজাতির মধ্যে আলাদা আলাদা লোকেশন এবং রোগের ধরণ আছে।

বাংলাদেশে৪ প্রজাতি কক্সি বেশি ক্ষতিকর।

আইমেরিয়া এসারভুলিনা

আইমেরিয়া ম্যাক্সিমা

আইমেরিয়া নেকাট্রিক্স

আইমেরিয়া টেনেলা।

দেশি মুরগিতে হয় ঃ

আইমেরিয়া টেনেলা।

আইমেরিয়া নেকাট্রিক্স

টেনেলা সবচেয়ে মারাত্মক।এটি ১ দিন বয়সেও আক্রান্ত করতে পারে কিন্তু ১০-১১ দিনের আগে রোগ হতে দেখা যায়না।

টেনেলা,নেকাট্রিক্স ও ব্রূনেট্রি বেশি মারাত্মক এবং বেশি মর্টলিটি ও মর্বিডিটি হয়।

ম্যাক্সিমা ও এসারভুলিনা মাঝারি ধরণের।

ম্যাক্সিমা ও নেকাট্রিক্স ক্ষুদ্রানের মাঝে আক্রমণ করে,

ব্রুনেট্রি ক্লোয়েকায় এবং রেক্টামে,টেনেলা সিকামে,এসারভুলিনা ডিওডেনামে আক্রমণ করে।

জীবানূ খেলেই রোগ হবেনা নির্দিষ্ট মাত্রায় খেতে হবে যেমন টেনেলা ১-১৫০ টি খেলে রোগ হয়না সাবক্লিনিকেল হয়।কিন্তু ১৫০-৫০০টি খেলে মৃদু প্রকৃতির হয়,১০০০-৩০০০টি ওসিষ্ট খেলে তীব্র প্রকৃতির হয় কিন্তু মারা যায়না আবার ৩০০০-৫০০০ টি খেলে মারাত্মক হয় এবং মারা যায়।

অর্থনৈতিক ক্ষতিঃ

সারা পৃথিবীতে বছরে ৩৬০০কোটি টাকা ক্ষতি হয়। যার ৭০% সাবক্লিনিকেল

ভারতে দেখা গেছে বাণিজ্যিক ব্রয়লারে ৯৬% ক্ষতির কারণ এই কক্সি।

ওজন ৬৮% কমে যায়,এফ সি আর ২২ বেড়ে যায়।

মরটালিটি  সারা পৃথিবীতে ৬-১০%।

দেশে পালিত ফার্মে ৫৪%  মুরগিতে এবং দেশি ৪৯% মুরগির পায়খানায় কক্সি জীবাণু দেখা গেছে।

মুরগি এক প্রজাতি দ্বারা আক্রান্ত হলে পরে রেজিস্ট্যান্ট হয় কিন্তু অন্য প্রজাতি দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে।

কক্সিডিয়া কেন এত রেজিস্ট্যান্ট হয়

এর উচ্চ প্রজনন ক্ষমতা

অনেক দিন ধরে এন্টিকক্সিডিয়াল ওষধ ব্যবহার করা

সঠিক মাত্রায় এণ্টিকক্সিডিয়াল ওষধ ব্যবহার না করা।

প্যাথোজেনেসিসঃ

আইমেরিয়া প্রজাতি নির্দিষ্ট লোকেশনে রোগ তৈরি করে যেমন

টেনেলা সিকামে

্ম্যাক্সিমা ও নে্কাট্রিক্স মিডগাটে

ব্রুনেট্রি রেক্টাম এবং ক্লোয়েকায়।

টেনেলা হলো সবচেয়ে তীব্র,কমন এটি ব্লাডি ডায়রিয়া তৈরি করে।

অল্প পরিমাণ ওসিস্ট মুরগি খেয়ে নিলে কক্সির বিরুদ্ধে ইমোনিটি তৈরী হয়।কক্সিডিওসিস তখনই হবে যখন খামারের লিটারে বিপুল পরিমাণ ওসিস্ট থাকবে এবং সেগুলো অনুকূল পরিবেশে স্পোরুলেটেড হবে।মুরগি যখন এই sporulated oocyst বিপুল পরিমাণে লিটার থেকে খেয়ে ফেলে তখনই সে রক্ত আমাশয় রোগে আক্রান্ত হয়৷

কক্সিডিয়া পরজীবীর ওসিস্ট সাধারণ পরিবেশে প্রায় একবছর টিকে থাকতে পারে৷ প্রচলিত ডি্সইনফেক্টেন্ট দ্বারাও ধ্বংস হয় না।

কিন্তু সূর্যের তাপে শুকানো হলে মারা যায়।

এই ওসিস্ট খামারে স্পোরুলেটেড হতে হবে,এটি রোগের পূর্বশর্ত।

স্যাতঁস্যাঁতে ভেজা লিটার এবং ২১-৩২ ডিগ্রি সেঃ তাপমাত্রা আর অক্সিজেন পেলেই স্পোরুলেশন শুরু হবে।

যে কোন বয়সের মুরগিই পর্যাপ্ত sporulated oocyst খেলে কক্সিডিওসিস হবে। যেহেতু বিপুল পরিমাণ ওসিস্ট হবার জন্য সময়ের প্রয়োজন তাই সাধারণত ২১ দিনের আগে খুব কম হয়।৩-৮ সপ্তাহের মধ্যে outbreak হবার সম্ভাবনা সবথেকে বেশি থাকে।তবে ফিডে যদি কক্সিডিওস্টেট না থাকে বা coccidiostat অল্প সময়ের মধ্যে withdraw করা হয় অথবা যদি বাচ্চার পুস্টিমান খারাপ হয় তাহলে ২১ দিন বয়সের আগেই কক্সিডিওসিসের লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে

কক্সিডিয়ার যে ওসিস্ট রয়েছে সেটির স্পোরুলেশন হতে (হোস্টের শরীরের বাহিরে) ১-২ দিন সময় লাগে। তারপর মুরগি খেয়ে নিলো এবং জীবনচক্র সম্পন্ন করার পর ওসিস্ট পুনরায় পায়খানার সাথে বের হয়ে গেলো।

মুরগি ওসিস্ট খেলে তা গিজার্ডে ক্রাশ হয়ে স্পোরজয়েট রিলিজ হয় যেখানে প্যাঙ্ক্রিয়েটিক জুস এবং ট্রিপ্সিন সহায়তা করে।স্পোরোজয়েট ইপিথেলিয়াম টিস্যুতে যায় যা ম্যাক্রোফেজ দ্বারা গৃহীত হয় in lamina propria and transported into glands of lieberkutin.

পরে এসেক্সোয়াল সাইজন্ট শুরু হয় অন্তনালীর ইপিথেলিয়াম টিসুতে.২জেনারেশন ডেভেলপমেন্টকে সাইজোগনি বা মেরুগনি বলা হয় যা সেক্সোয়াল ফেজ শুরু করে।এতে জাইগোট তৈরি হয় ওসিস্টের ভিতরে এবং বিস্টার সাথে বের হয়।

১টা সিংগেল ওসিস্ট প্রায় ১লাখ প্রজেনি তৈরি করে।

২য় জেনারেশনের সাইজন্ট যখন রাপ্সার হয়ে মেরোজয়েট রিলিজ করে  তখন ব্যাপক হারে টিস্যু ড্যামেজ করে।

হোস্টের শরীরের ভিতরে এই জীবনচক্র সম্পন্ন করতে তার সময় লাগে ৪-৭ দিন (প্রজাতি ভেদে পার্থক্য হয়).

মুরগির লিটারে একটি ওসিস্ট বেশিদিন টিকতে পারে না লিটারের তাপ আর এমোনিয়া গ্যাসের কারণে কিন্তু মুরগি ঘন অবস্থায় থাকলে  পায়খানা থেকে দ্রুত খেয়ে ফেলে এবং রোগাক্রান্ত হয়।

১টি স্পোরোলেটেড ওসিস্ট এর ভিতর ৪টি স্প্রোরোসিস্ট থাকে। ১টি ওসিস্টের  ভিতরে ২টি করে স্পোরোজয়েটস থাকে।

একটি  oocyst মুরগির অন্ত্রে গিয়ে প্রথমে excystation প্রক্রিয়ায় ২ ধাপে  ৮টি sporozoites তৈরি করে।

এদের ১ম কাজ হল Gut cell এর ভিতরে আক্রমণ করে,সেখানে টপোজয়েট হয়,তারপর সাইজন্ট হয়,পরে schizont এ শুরু হয় asexual reproduction.সংখ্যায় বাড়তেই থাকে exponential rate এ।পরে সাইজন্ট ভেঙ্গে  মেরোজয়েটস গুলো বের হয়।

এরা আবারো Gut cell কে আক্রমণ করে,না হয় নিজেরা আরো পরিণত হয়ে male এবং female gametes তৈরি করে।

তারপর দুই ধরনের গ্যামেট সংযুক্ত হয়ে আবারো oocyst তৈরী করে। জীবাণুর sexual reproduction এর এই ধাপটি মুরগীর Cecum এ ঘটে। নতুন তৈরী হওয়া বিপুল পরিমাণ oocyst মুরগির পায়খানার সাথে বের হয়ে যায়।মুরগির একটি মাত্র খেয়ে ফেলা sporulated oocyst সংখ্যাবৃদ্ধি করে এভাবে লক্ষ লক্ষ oocyst তৈরী করতে পারে।

কক্সিডিয়ার জীবাণু asexual reproduction এর সময় intestine এর যেসব cell এ ঢুকে তার সবগুলোই ড্যামেজ করে ফেলে। এর ফলে পরবর্তীতে secondary intestinal disease তৈরীর পথ সুগম হয়,যেমন Necrotic Enteritis.

জীবাণুর লাইফ সাইকেল সম্পন্ন হতে চার থেকে সাতদিন সময় লাগে। মুরগির শরীরে ইনজেস্ট হবার তিন দিনের মাথায় রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়৷ চতুর্থ দিন থেকে শুরু হবে রক্ত পায়খানা,পঞ্চম এবং ষষ্ঠ দিনে সবথেকে বেশি ব্লিডিং হয়।

আট বা নয়দিন পর মুরগি হয় মারা যাবে অথবা  ভাল করবে।মারা যাবার মূল কারণ  ব্লাড লস এবং ডিহাইড্রেশন                                     যদি সিকাল কক্সিডিওসিস হয় তাহলে সিকামে blood, tissue debris এবং oocyst জমাট বাঁধে যেটাকে cecal core বলা হয়৷

এটি ইনফেকশনের ৯ বা১০ তম দিনে খসে যায় এবং পায়খানার সাথে মরা রক্ত হিসেবে বের হয়ে আসে।যদি রিটেনশন হয়ে দীর্ঘদিন থাকে তাহলে মুরগির ক্রনিক  সমস্যা দেখা দেয় ।মুরগির শরীর dehydrated হয়ে যাবার কারণে cecal core আটকে পড়ে।

 

।মাইকোপ্লাজমোসিস

এজেন্টঃ

প্রজাতি:

মাকোপ্রাজমা গ্যালিসেপ্টিকাম
মাইকোপ্লাজমা সাইনোবি.

ইনকিউবেশন পিরিয়ড ৬-২১দিন
১. বৈশিস্ট্যঃ

কোষ প্রাচীরবিহীন তাই পেনিসিলিন কাজ করেনা কারণ পেনিসিলিন কোষ প্রাচীরের উপর কাজ করে।

এটি বিভিন্ন আকার ধারণ করে তাই সনাক্ত করা কঠিন এবং অল্পজীন বহন করে তাই বাহক ছাড়া বেশিক্ষণ বাচতে পারেনা.আকার ০.২-০.৫ মাইক্রন
# সব জীবাণূনাশক এবং তাপ দিয়ে মারা যায়।

এটি মুরগির বিষ্টায় ২০ ডিগ্রি সেন্টিগেট তাপমাত্রায় ৩ দিন এবং ডিমের কুসুমে ৬ সপ্তাহ বাঁচে ।

যেহেতু এটি মুরগি ছাড়া ৩দিনের বেশি বাঁচে না তাই  অল ইন  অল আউট সিস্টেম মেনে চললে মাইকোপ্লাজমা থেকে মুক্ত থাকা যায় কারণ মুরগি না থাকলে মাইকোপ্লাজমাও থাকে না।

শ্বাসনালীতে এটি বেশি থাকে।

বাতাসের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে যদি কাছাকাছি ফার্ম থাকে।

এদের বংশবৃদ্ধি বাডিং এবং দ্বি বিভাজনের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

এটির এপিথেলিয়াল টিস্যু বিশেষ করে শ্বাসনালির প্রতি আসক্তি রয়েছে।এটি কোষের পুষ্টি গ্রহণ করে এবং ক্ষতিকর হাইডোজেন পার অক্সাইড,নিউরামিডেজ ,হেমোলাইসিন তৈরি করে ও ইমোনিটি নষ্ট করে। এর পর এটি  প্রডাকশন এবং এফ সি আর  এর ক্ষতি করে।

ইমোনিটি কমে যাওয়ায় গাম্বোরো,রানিক্ষেত, ব্রংকাইটিস,করাইজা ইত্যাদি রোগ দেখা দেয়।তাই মাইকোপ্লাজমাকে সকল রোগের আমন্ত্রক/ আহবায়ক বলা হয়।

যদি প্রডাকশন  ৪-৬ সপ্তাহ ধরে  ১০-১৫% কমে যায় তাহলে মাইকোপ্লাজমোসিস হয়েছে বলে ধরা হয়।

এটা অনেক দিন ধরে মুরগিতে চলতে থাকে যাকে সি আর ডি নামেও ডাকা হয়।

২.কখন বেশি হয়:

নরমালী এটি বডিতে থাকে  এবং ধকল পড়লে সক্রিয় হয়ে উঠে।মাইকোপ্লাজমার আক্রমণ ঘটলে ই-কলাই চলে আসে তখন তাকে সি আর ডি বলা হয়।

পৃথিবীর  প্রায় সব দেশে দেখা যায়,সব বয়সে দেখা যায় তবে  বয়স্ক অপেক্ষা বাড়ন্ত মুরগিতে তীব্রতা  বেশি দেখা যায়।৩-৪ সপ্তাহের ব্রয়লার,১৬-২২ সপ্তাহের লেয়ার এবং ডিমের পিক প্রডাকশনের সময় বেশি দেখা যায়।শীতকালে বেশি দেখা যায়।প্রায় ৬০% ফার্মে এই জীবাণূটি আছে বিভিন্ন মাত্রায়।

ই-কলাই,কলেরা,করাইজা,আই বি,এন ডি ,আই এল টি,আই বি ডি যদি মুরগিতে থাকে তাহলে মাইকোপ্লাজমার প্রাদুর্ভাব বেশি হয়।
# ঠাণ্ডা পরিবেশ
#বেশি ধূলা এবং এমোনিয়া
#মাইকোটক্সিন খাবারে বেশি হলে.
#মুরগি বেশী ঘন হলে,
# গ্রাম নেগেটিভ ব্যাক্টেরিয়া আক্রমণ করলে(এন্ডোটক্সিন)
# বেশি এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করলে,
# যে কোন ধকল
# রানিক্ষেত এবং ব্রংকাইটিস টিকার রিয়াকশন হলে.

৩.কিভাবে রোগ তৈরি করে:
মাইকোপ্লাজমা গেলিসেপ্টিকাম ফলিকল-ওভারি – ডিম্বনালী এবং শ্বাসতন্রে আক্রমণ করে.
মাইকোপাজমা সাইনোবি অস্তিসন্ধিতে এমন কি শ্বাসনালীতে ও আক্রমণ করে ৫মিনিটের মধ্যে সেলের ভিতর চলে যায় এবং ২৪ ঘন্টায় এদের পরিমাণ বেড়ে যায়।মাইকোপ্লাজমোসিস জীবানূ যখন শ্বাসের  মাধ্যমে ট্রাকিয়া ও ফুসফুসের মধ্যে প্রবেশ করে তঁখন তারা নিউরামিনিডেজ পারঅক্সিডেজ এবং হিমোলাইসিন তৈরি করে যা শ্বাসনালী ও ফুসফুসের কোষগুলোর সিলিয়াকে ধবংস করে এবং প্রদাহ সৃষ্টি করে,ফলে শ্বাসনালীর সংক্রমনজনিত বিভিন্ন রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।

যদি এটি সিস্টেমিক ইনফেকশনের মাধ্যমে ব্লাডে চলে যায়,তখন এন্টিবায়োটিক কাজ করে না এবং বডির ইমোউন ডিফেন্স কাজ করে না।

লেয়ার মুরগিতে ডিম পাড়ার শুরুতে ইনফেকশন দেখা দেয়।

ক্লিনিকেল ইনফেকশন দেখা না গেলেও সেরোলজিকেল পজিটিভ রিজাল্ট দেখা যায়।

ব্রয়লারের ক্ষেত্রে তীব্র আকারে দেখা যায় এবং প্রচুর মর্বিডিটি ও মর্টালিটি দেখা যায় কারণ মিক্স ইনফেকশন।

মাইকোপ্লাজমা মেক্রুফেজকে নিষ্ক্রিয় করে ফলে তারা এন্টিজেন উতপাদনকারি(Antigen presenting cell) কোষ হিসেবে কাজ করতে পারেনা ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।এছাড়া মাইকোপ্লাজমা আক্রান্ত কোষের এমাইনো এসিড,ফ্যাটি এসিড এবং ডি এন এ উতপাদনের প্রাথমিক উপাদান(precursors) সমূহের উতপাদন কমিয়ে দেয় ফলে শ্বাসতন্ত্রের কোষ ধবংস হয়.মাইকোপ্লাজমা পোষক কোষের প্রোটিন সমূহের মতই একই রকম এন্টিজেনিসিটি  প্রদর্শন করে।তাই এদের বিরুদ্ধে তৈরি এন্টিবডি দেহের সাধারন পোষক কোষের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং অটো ইমোনিটি সৃষ্টি করতে পারে যার ফলশ্রুতিতে এনিমিয়া হতে পারে।

তবে হিউমোরাল ইমোনিটি  ট্রাকিয়ায় এন্টিবডি তৈরি করে মাইকোপ্লাজমা প্রতিহত করার চেষ্ঠা করে।

৪। কিভাবে ছড়ায় :
ডিমের মাধ্যমে(ভার্টিকেল  )

মোরগের সিমেনের  মাধ্যমে
হ্যাচারীর মাধ্যম
শ্বাস প্রশাসের মাধ্যমে
বাতাসের মাধ্যমে যদি কাছাকাছি হয়।২৫০মিটার দূরে

ধুলিকণার মাধ্যমে
ইদুর,আঠুলি,পাখি,ডিমের গাড়ি এবং ভিজিটর

বন্য পাখি

ক্যারিয়ার পাখি আজীবন জীবানূ ছড়ায়।

  • মাইকোপ্লাজমা পোল্ট্রি সেক্টরের জন্য চ্যালেঞ্জ কেনঃ
  • মাইকোপ্লাজমা এল পি এ আই আর সাথে মিক্স ইনফেকশন হচ্ছে
  • মাইকোপ্লাজমার এন্টিজেনিক ভ্যারিয়েশন
  • It has inherent mechanism of making rapid and sudden changes in its expression of protein in response to antibodies.

.কিভাবে ক্ষতি করে ;

ডাইরেক ক্ষতিঃ

এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা মারাত্মভাবে হ্রাস করে ফলে করাইজা,কলিবেসিলসিস,ব্রংকাইটিস,গাম্বোরো,রানিক্ষতে হবার সম্বাবনা বেড়ে যায়
ডিম কমে ১০-২০%( তীব্র রোগ)
৫-১০% (দীর্ঘ  মেয়াদী রোগ)
৫ -১০% ব্রয়লারে মর্টালিটি  (বাচ্ছাকালে রোগ হলে)
১০ -২০ ওজন কমে
এফ সি আর কমে ১০-২০%

ব্রয়লারের ওজন এবং মাংসের গুনগত মান খারাপ হয় ১০-২০%

ভ্রুন মারা যায় ১ ৫-২০%
বয়স্ক মুরগি মারা যায় ৫-৩০%( C R D হলে)

ইনডাইরেক ক্ষতিঃ

অন্যান্য জীবাণূর আক্রমনের হার বেড়ে যায়,ই-কলাই ৭০%,সিউডোমোনাস ২০%,প্রোটিয়াস ৫%,ক্লেবসিলা ৩% ও স্ট্রেপ্টোকক্কাস ১%,তাছাড়া রোগ প্রতিরোধ কমে যাবার ফলে টিকা ভাল কাজ করেনা (ব্রংকাইটিস ও রানিক্ষেত)

Pathogenesis of Mycoplasma Infection

টার্গেট সাইটঃইপিথেলিয়াম অফ কনজাংটিভা,নেজাল প্যাসেজ,সাইনাস,ট্রাকিয়া,এয়ারস্যাক।অকেশনালি ইন ফুস ফুস।

Attachment of Mycoplasma to surface of epithelial cells & cilia.

Release of mycoplasma neuramidase, peroxidase and haemolysis.

  • Consequences – Toxin substances from Mycoplasma decrease of motility and destruction of cilia, decreased production of antibacterial mucus, inflammation of epithelial membrane of trachea, lung, air sacs.
  • Depletion of host cells amino acid, fatty acids, DNA precursors.
  • Penetration of bacteria into deeper part of respiratory tract & blood & then all over the body and aggravation of pathological process.
  • Penetration of Mycoplasma in inner organs producing damage of ovary, oviduct, joint & brain
  • Failure of New Castle / Bronchitis disease vaccine
  • Mycoplasma infection damages the Cilia & epithelial membrane of trachea, lung.
  • Vaccination with New Castle / Bronchitis disease vaccine can’t give proper protection to mycoplasma infected birds. Damaged epithelial membrane of trachea and lung can not provide the optimum environment for proliferation of vaccine virus to produce antibody against New Castle / Bronchitis disease.
  • Possibility of vaccine failure is more in mycoplasma infected birds.
  • এটি শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন অংশে আক্রমণ করে যেমন এয়ার‍্স্যাক এ ৯০% ,ফুসফুসে ৭১% আর ট্রাকিয়ায় ৬৩%
  • Organism enable to pass through respiratory mucosal barrier and cause systemic infection.

 

৭।এ আই

এজেন্টঃ

এ আই ভাইরাসের স্পেশাল বৈশিষ্ট্যঃ

এটি যখন হাঁস বা বন্য প্রানীতে থাকে তখন লো প্যাথোজেনিক হিসেবে থাকে কিন্তু বিষ্টা বা  নেজাল সেক্রেশনের মাধ্যমে যখন প্রকৃতিতে আসে তখন এটি অন্য পাখিতে আসার পর হাই প্যাথোজেনিক হিসেবে কাজ করে মানে স্ট্রেইনের মিউটেশন ঘটে।(antigenic shift)

আর বি স্যার প্রতি আস্কতি আছে।

এত শক্তিশালী যে ভাইরাস তাকে মারা যায় খুব সহজে যেমন ডিটারজেন্ট,ডিসইনফেকট্রেন্ট এবং তাপে,৬০-৭০ ডিগ্রি তাপমাত্রায়।

এ আই ( এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ) ভাইরাস ৩ ধরনের হয় এ,বি,সি

টাইপ এ পাখি এবং মানুষে হয় কিন্তু বি এবং সি শুধু মানুষে হয়।

ইনকিউবেশন পিরিয়ড দেড় -৩ দিন।

H5N2 prevent H5N1  and reduce virus spreading after 19days vaccine .

এন্টিজেনের উপর ভিত্তি করে টাইপ এ কে ২ভাগে ভাগ করা হয়েছে যেমন হেমাগ্লুটিনেশন Haemaglutination H),(NEURAMINIDASE ,N)নিউরামিনিডেজ।

H and N are most variable proteins and new strains of influenza virus evolve continuously either by mutations( antigenic drift) or reassortment of genome segments( antigenic shift)

All HPAI strains belong to either H5 or H7 subtypes,but some times 5 and H7 subtypes strains may circulate as LPAI strains with potential of mutating in high pathogenic strains

এই সাবটাইপের মাঝে ক্রস প্রটেকশন হয়না।

১৬ ধরনের  এইচ আর ৯ ধরনের এন পাওয়া গেছে যা  HN এভাবে প্রকাশ করা হয়.

H1-H16 and N1-N9

H1.H2,H3,H4.H5.H5.H6.H7.H8>H9.H10.H11.H12,H13.H14.H15.

N1,N2.N3.N4.N5.N6.N7.N8 ,N,9.N10

সবচেয়ে  প্যাথোজেনিক  স্টেইন H5N1.

তাছাড়া আছে H5N8,H7N7,H5N2,H7N9,H5N3,H5N9,H7N3,H7N2,H7N4

LPAI যেমন H2N2,H3N2,H9N2,H1N1,H7N5।এইচ ৬ ও লো এ আই।

বাংলাদেশে H5 ও  H9 দেখা যায়।তার মধ্যে H9 বেশি পাওয়া যায়।

লো এ আই মিউটেশনের মাধ্যমে হাই এ আই হতে পারে।

লো এ আই লেয়ারে তেমন মর্টালিটি হয় না কিন্তু ব্রয়লারে মিক্স ইনফেকশন হলে  ১০০% মর্টালিটি হতে পারে।

H5,H7  হাই প্যাথোজেনিক

হোস্টঃ

চিকেন এবং টার্কি বেশি সংবেদনশীল । 

কোয়েল,গিনি ফাউল।ফিজেন্ট
রিক্স এরিয়া হল জীবন্ত পাখির বাজার,পুকুর,খাল বিল,নদী নালা যেখানে হাস এবং অন্য আক্রান্ত পাখি বসবাস করে তাছাড়া যে সব দেশে টার্কি এবং পিগ(শুকুর) পালন করা হয়।

চিকেন এবং টার্কির জন্য যে স্ট্রেইন ক্ষতিকর হাসের জন্য তা ক্ষতিকর নয় মানে স্পিসিস স্পেসিফিক।

মানুষ কে আক্রান্ত করে যে স্টেইন গুলি H7N7,H5N1,H9N2,H1N1,H2N2,H3N2.

বাদুর ঃH17N10,H18N11

ঘোড়াঃ H7N7,

স্ট্রেইন গুলিতে মিউটেশন ঘটে মানে তার গঠন,রুপ ও এন্টিজেনিক পরিবর্তন ঘটে তাই টিকায় ভাল কাজ করেনা,বাংলাদেশে যে স্ট্রেইন আছে সে ধরনের স্ট্রেইনের টিকা দিতে হবে।কিন্তু সে রকম টিকা নাই।

বাংলাদেশে অধিকাংশ সময় ধরে লো প্যাথোজেনিক এ আই দেখা যায় যা এইচ৫ এন১ টিকা দিলে কাজ হবে না।

সব ধরনের পাখিকে এই ভাইরাস আক্রান্ত করে,যেমন চিকেন,হাস,গিনি ফাউল,রাজহাস,টার্কি,বক,কোয়েল এবং আরো অনেক পাখি কিন্তু হাস সবচেয়ে বেশি ভাইরাস ছড়ায় ।

asymtomatic হিসাবে হাসে থাকতে পারে।’

শুকর থেকে টার্কিতে যায় আবার টার্কি থেকে মুরগিতে যায়।

খাচায় পালিত পাখি যেমন ময়না,প্যারাকিট,টিয়া,হক,Weaverbirds,finches ,cockatoos থেকেও এই ভাইরাস আইসোলেট করা হয়েছে।

waterfowls,shorebirds ae major natural reservoir.

টার্কি এবং চিকেনে বেশি মর্টালিটি এবং মর্বিডিটি হয়।

পরিবেশ:

শীতে বেশি হয় ২৫ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট তাপমাত্রার নিচে বেশি এক্টিভ থাকে।

কম তামাত্রায় অনেক দিন বেচে থাকে,৩ মাস পর্যন্ত ভাইরাস ফার্মে  জীবিত থাকতে পারে।

রোগ হবে কিনা বা কোন ধরনের লক্ষন প্রকাশ পাবে তা নির্ভর করে

জাত,বয়স,ভাইরাসের তীব্রতা এবং স্ট্রেইন

মুরগির ইমোনিটি

কো-ইনফেকশন( রানিক্ষেত,ই- কলাই,মাইকোপ্লাজমা,ব্রংকাইটিস)।

পরিবেশ(অতিরিক্ত গ্যাস,বা ধুলাবালি,বেশি গরম বা ঠান্ডা)

ব্যবস্থাপনা,বায়োসিকিউরিটি

পুষ্টিমানের ঘাটতির উপর।

কিভাবে ছড়ায়ঃ

এ আই ভাইরাস অন্যান্য ভাইরাস থেকে ২৯গুণ বেশ দ্রুত ছড়ায়।

হরিজোন্টাল ট্রান্সমিশন ঘটে।

(এয়ারবোন) বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়।

পোল্ট্রি,পোল্ট্রি প্রডাক্ট,পোল্ট্রি বাই প্রডাক্ট ও ইকোপমেন্ট এর মাধ্যমে এক দেশ থেকে অন্য দেশে  ছড়ায়।

পাখি থেকে পাখিতে ডাইরেক্ট কন্টাকের মাধ্যমে ছড়ায়।

ওয়াটার ফাউল মানে হাসের মাধ্যমে বেশি ছড়ায়।

পাখির বিষ্টা

স্যালাইভা

নেজাল সেক্রেশন

যানবাহন ও যন্ত্রপাতি( রিক্সা,ভ্যান ,পিক আপ)

লোকজন

কন্টামিনেটেড খাবার ও পানি,খাচা

কন্টামিনেটেড ডিম হ্যাচারীতে আসলে,সেই ডিম যদি ভাংগে তাহলে (হ্যাচারী)  ইনকিউবেটরের মাধ্যমে ছড়াতে পারে।

অসুস্থ পাখি সুস্থ হলে বাহক হিসেবে ১০ দিন জীবানূ পায়খানা ও মুখের মাধ্যমে ছড়াতে পারে।

ডিমের গাড়ি,ডিমের ক্রেটস ও কেইজ

কাপড় ও জুতা

ডিমের এগ সেল কন্টামিনেশনের মাধ্যমে হয় কিন্তু ভার্টিকেল হয়না।

ওয়াটার ফাউল এবং বালি হাস রিজার্ভার হিসেবে কাজ করে।

অতিথি এবং বিদেশি পাখি রোগ ছড়াতে সাহায্য করে।এটি যে কোন জিনিসের মাধ্যমে ছড়াতে পারে যেমন গাড়ি,ভিজিটর,পাখি ,শুকর,কাপড়,জুতা,কেইজ,পোকামাকড়,পানি,খাবার,বাতাস্ পায়খানা ,যন্ত্রপাতি।

রান্না করা মাংস জীবানূ ছড়ায়না এবং সেই মাংশ খেলে সমস্যা নাই।

আমাদের দেশে বেশি ছড়াচ্ছে অসুস্থ মুরগি বিক্রি করার পর তা এক জেলা থেকে আরেক জেলায় যাচ্ছে।

তাছাড়া অনেকে বিভিন্ন নামে টিকা ব্যবহার করছে যার কোন ডকুমেন্ট নাই।

দেশে হঠাত করে অনেক টার্কি বেড়ে গেছে এই টার্কিও একটা অন্যতম কারণ।

সকল অংগ আক্রান্ত হয় যেমন,শ্বাসতন্ত্র,পরিপাক,প্রজননতন্ত্র এবং স্নায়ুতন্ত্র।Integuments(skin)

মাসকুলার সিস্টেম।

এটি সাবক্লিনিকেল বা স্পোরাডিক রুপেও হতে পারে।

এ আই হলে করাইজা,কলেরা,আই বি আই এল টি ,ভি ভি এন ডি,অর্নিথোসিস হবার সম্বাবনা অনেক বেড়ে যায়।

 তীব্রতার উপর ভিত্তি করে ২ ভাগে বিভক্ত

১।লো প্যাথোজেনিক(LPAI)

২।হাইপ্যাথোজেনিক(HPAI)

প্যাথোজেনেসিসঃ

ইনহ্যালেশন বা ইঞ্জেশনের মাধ্যমে বডিতে ঢুকে।

ভাইরাস বাতাসের মধ্যেম ট্রাকিয়ায় যায়,সিলিয়েটেড ইপিথেলিয়াম সেল অফ Nose,throat, and intestine.

পরে সেল নেক্রোসিস হয়ে একিউট রেস্পিরেটরী সিস্টেমে ইনফেকশন করে।

হাইলি প্যাথোজেনিক হলে রেস্পিরেটরী সিস্টেমে প্রাথমিক ইনফেকশন সাইট হিসাবে কাজ করে আর লো প্যাথোজেনিক হলে পরিপাক তন্ত্রে প্রাথমিক সাইট হিসাবে কাজ করে।

কোন অর্গানের প্রতি আসক্তি বেশি ১ম থেকে লাস্টের দিকে ঃ ওভারী-ফুসফুস-কিডনি-প্রভেন্টিকোলাস-ব্রেইন-ক্লোয়েকা।

Hemaglutinations is responsible for attachment of the virus to host cell surface and Neuraminidase helps in releasing virus from infected cells.

লো প্যাথোজেনিক(LPAI) ঃ

লো এ আই এ লেয়ারে মর্টালিটি তেমন হয় না কিন্তু ব্রয়লারে ১৫-১০০% পর্যন্ত মর্টালিটি হয়

ট্রাকিয়ায় মাধ্যমে ভাইরেনিয়া হয়ে শ্বাসনালী,পরিপাক,রিপ্রডাকশন,কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেমে চলে যায় ।

ট্রাকিয়া এবং ফুসফুসে প্রদাহ,কঞ্জেশন হয়।

মাইল্ড বা মডারেট হলে ট্রাকিয়া,সাইনাস,এয়ারস্যাক,কংজাংটিভা,Ovarian atresia,involution of oviduct.পরে congestive lesions.Haemorrhagic lesions.Transudative lesion,Necrotic lesion হয়।

এবডোমিনাল ক্যাভিটিতে ওভাম চলে আসে।ওভিডাক্টে ইনফ্লামেটরী এক্সুডট জমা হয় তাছাড়া মিউকসালিডিমা হয়।

সাইনুসাইটিস কমন(হাস,কোয়াল।টার্কি)

 

হাই প্যাথোজেনিক

প্যাথোজেনেসিসঃ

 

এটা সিস্টেমিক ডিজিজ।

Fribrinous exudate on airsac,Oviduct,Pericardial sac,Peritonium.

এতে স্কিন,ঝুটি,ওয়াটল।লিভার,কিডনি,স্প্লিন,ফুসফুস আক্রান্ত হয়।Integuments সিস্টেম আক্রান্ত হয় এমন কি নার্ভাস সিস্টেমও আক্তান্ত হতে পারে।

congestion,oedema,and Haemorrhages হয়।(vascular damage)

ইউরিনারী সিস্টেমের কিডনিতে ইউরেট জমা হয়ে গাউট হতে পারে ও একিউট রেনাল ফেইলার হতে পারে।

মাসলে হেমোরেজ  হয়।

 

৮।রানিক্ষেত

এজেন্ট(ভাইরাস)

এটি প্যারামিক্সোভাইরাস টাইপ ১,সিংগেল স্ট্যান্ড,এনভেলভ এবং ননসেগমেন্টেড,আর এন এ ভাইরাস।

প্যারামিক্সোভাইরাস টাইপ ৯ পর্যন্ত আছে।

ফেমিলি প্যারামিক্সোভিরিডি।
জেনাস এভোলাভাইরাস।১০০-২০০ ন্যানোমিটার।

উন্নত কিছু দেশ রানিক্ষেত মুক্ত যদিও সারা পৃথিবীতেই দেখা যায়।

কে কখন কোথায় রানিক্ষেতকে আইডেন্টিফাই করেনঃ

১৯২৬ সালে ইন্দোনেসিয়ায় FC kraneveld নামে এক বিজ্ঞানী ১ম এন ডি কে আইডেন্টিফাইকরে।

১৯২৭ সালে ইংল্যান্ডের নিউ ক্যাসেল নামক জায়গায় TM Doyle নামক বিজ্ঞানী।

১৯২৮ সালে ইন্ডিয়াতে রানিক্ষেত নামক গ্রামে Edwards নামে এক ব্যাক্তি ১ম দেখে।

পি এইচ বাড়লে রানিক্ষেত এবং এ আই ভাইরাস মারা যায় তাই ফার্মে চু্ন(ক্ষার) দিতে হয়।

রানিক্ষেত ভাইরাস সরসরি সূর্যের আলোতে ৩০ মিনিটে মারা যায়.৬০ডিদ্রি সেন্টিগ্রেট তাপমাত্রায় ৩০মিনিটে মারা যায়।Freeze-dried at 3o Degrees in vacuum and can be stored for 30days.

ভি ভি এন ডি ভাইরাস পি এইচ এবং তাপামাত্রায় রেজিস্ট্যান্ট

ভাইরাসটির ৩ টি স্ট্রেইন আছে আর ১৬টি সেরোটাইপ

লেন্টোজেনিকঃ

আক্তান্ত এম্বায়নেটেড চিকস ৯০ ঘন্টার পরে মারা যায়।

য়স্ক মুরগিতে রোগ তৈরি করতে পারে না।বাচ্চাতে শ্বাসনালীয় সমস্যা করে।যদি অন্যান্য ইনফেকশন বা ব্যবস্থাপনা খারাপ হয় তাহলে সমস্যা দেখা দেয়।

অধিকাংশ টিকা লেন্টোজেনিক  স্ট্রেইন  দিয়ে তৈরি হয়।

মেসোজেনিকঃ

আক্তান্ত এম্বায়নেটেড চিকস  ৬০-৯০ ঘন্টার মধ্যে মারা যায়।

এই স্ট্রেইনে বেশি লক্ষণ দেখা যায়।Laboured breathing with wheezing,gurgling accompanied by nervous sign,paralysis.

শ্বাসনালীয় সমস্যা বেশি হয়,নার্ভাস সাইন খুব কম হয়।

প্রডাকশন অনেক কমে যায়।

মর্টালিটি কম হয় তবে বাচ্চাতে বেশি হয় (৫০%)

ব্রয়লারে সাবক্লিনিকেল ইনফেকশনে ওজন কম আসে।

ভেলোজেনিকঃ

আক্তান্ত এম্বায়নেটেড চিকস ৬০ ঘণ্টার মধ্যে মারা যায়।

পারএকিউট মর্টালিটি হয়।হঠাত মারা যায়।লক্ষণ তেমন  দেখা যায় না।

পরে শ্বাসকস্ট হয়,দূর্বলতা দেখা দেয় এবং মারা যায়।

চোখের চারদিকে এবং মাখা ফোলে যায়।

সবুজ পায়খানা এবং নার্ভাস সাইন দেখা যায়।

Tremor,torticolis,paralysis of legs and wings.Opisthotonos occurs before death.

খোসা ছাড়া  এবং খোসা পাতলা ডিম পাড়ে।

মর্টালিটি ১০০% হতে পারে।

সেডের ভিতর ভাইরাস কয়েকদিন থেকে কয়েক সপ্তাহ বেঁচে থাকে কিন্তু মৃত মুরগি বা পায়খানায় কয়েক মাস বেঁচে থাকে।

ইনকিউবেশন পিরিয়ড ৫-৬ দিন যদিও কম বেশি হতে পারে ২-১৫দিন।

সুস্থ মুরগি ক্যারিয়ার হিসাবে কাজ করেনা।

ND and AI virus has affinity to RBC which agglutinate  and lysis RBC

Route :Nasal,Ocular,Oral.

পরিবেশ:

আক্রান্ত ফার্মে ভাইরা্স টি ২৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট তাপমাত্রায় ১০০-৩০০দিন বাচে।

৩৭ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ৬দিন

৪৫ডিগ্রি তাপমাত্রায় ১২ ঘন্টা-৩দিন

শীতের শুরুতে এবং বসন্তকালে বেশি হয়।

শীতে পর্দা থাকার কারণে  সেডে এমোনিয়া বেশি হয় হয় ফলে এমোনিয়া  হয়ে রানিক্ষেত চলে আসে।

হোস্ট:

যেসব  পাখি আক্রান্ত হয়

মুরগি,কবুতর ও টার্কি

হাস,রাজহাঁস ও কোয়ে্লের মর্টালিটি হয় না।

টার্কির ক্ষেত্রে মারা যায় না কিন্তু শ্বাসনালীয় সমস্যা হয় এবং ডিম কমে যায়।

লেয়ারে যে মর্টালিটি হয় সোনালীতে তার ডাবল।সোনালীতে যা হয় ব্রয়লারে তার দ্বিগুণ ।

মর্টালিটি ০-১০০%।

হাসের ক্ষেত্রে হ্যাচাবিলিটি ও ফার্টিলিটি কমে যায়।

মর্টালিটি ০-১০০% মর্বিডিটি ৮০% পর্যন্ত হতে পারে।

কেন এবং কখন  রানিক্ষেত বেশি হয়ঃ

শীতকালে অপ্রত্যাশিতভাবে তাপমাত্রা উঠানামার কারণে মুরগি সব সময় ধকলে থাকে,ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।

শীতকালে ঘরের পর্দা বেশিরভাগ সময় দেয়া থাকে ফলে ভিতঁরের কার্বন ডাই অক্সাইড ও এমোনিয়া গ্যাস বের হতে পারেনা ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।

শীতকালের জন্য আলাদা ফিড ফর্মুলেশন না করলে পুস্টির অভাব দেখা যায়।

এমাইনো এসিডের ঘাটতি হলে এন্টিবডি তৈরি কম হয় ফলে রোগ পেতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।

নিয়মিত স্প্রে না করলে ব্যাক্টেরিয়া এবং মাইকোপ্লাজমার আক্রমন বেড়ে যায় ফলে রানিক্ষেত হবার সম্বাবনা বেড়ে যায়।

রানিক্ষেতের টাইটার মনিটরিং না করলে।

খাবারে আফ্লাটক্সিনের পরিমান বেড়ে গেলে।

আই বি ডি ও কক্সি হলে রানিক্ষেত হবার সম্বাবনা বেড়ে যায়।

 রানিক্ষেতের তীব্রতা/ ক্ষতিকর প্রভাব নিচের বিষয়ের উপর নির্ভর করেঃ

ভাইরাসের পরিমাণ

প্রজাতি

কো ইনফেকশন( এ আই ,মাইকোপ্লজমা, আই বি,কলেরা।কক্সি,আই বি ডি)

পরিবেশ এবং ধকল

(রুট)চোখ এবং নাক দিয়ে ঢুকলে বেশি ক্ষতিকর হয়।

ভাইরাসের স্ট্রেইনের তীব্রতার উপর.

মুরগির বয়সের উপর.

ইমোনিটির উপর.

ব্যবস্থাপনার  উপর।

ধকলঃ গরমের ধকলে thyroxine  released হয় ফলে ব্যাসাল মেটাবলিক রেট বেড়ে যায় এতে এড্রেনাল গ্রন্থি থেকে গ্লোকোকরটিকয়েড বের হয়,গ্লাইকোজেন থেকে এনার্জি বের হয়ে শরীর দুর্বল হয়ে যায়।

এই দুর্বলতার সুযোগে জীবানূ আক্রমণ করে কারণ এই সময় ইমোনিটি নষ্ট হয়ে যায়।

রানিক্ষেত ৭দিন থেকে ৭২ সপ্তাহ পর্যন্ত বেশি হয় তবে এর পরেও হতে পারে।

তবে গ্রোয়িং পিরিয়ডে বেশি মর্টালিটি এবং মর্বিডিটি হয়।

এটি হঠাত ও দ্রুত ছড়ায় যা খুব মারাত্মক এবং খামারীকে ধবংস করে দেয়ার ক্ষমতা রাখে।

স্ট্রেইন  কয়েকটি আর ১৬টি সেরোটাইপ/সাব টাইপ

দুটি সারফেস গ্লাইকোপ্রোটিন:

এইচ(হেমাগ্লোটিনিন নিউরামিনিডেজ) এবং এফ( ফিউসন) যা হোস্ট সেলকে বাইন্ড করে.

রানিক্ষেত বাংলাদেশের একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ যা অনেক মৃত্য ঘটায়,প্রডাকশন কমে যায়,ব্রিডারের ফাটিলিটি এবং হ্যাচাবিলিটি কমে যায়.

এটি সারা বছর দেখা যায় তবে নভেম্বর,ডিসেম্বর,জানোয়ারী,ফেব্রুয়ারী ও মার্চ মাসে বেশী দেখা যায়।

দেশের ২০-২৫% মুরগি মেরে ফেলার ক্ষমতা রাখে।

কি কি দিয়ে ভাইরাস টি ধবংস হয়ঃ

প্টাশিয়াল পার ম্যাংগানেট ১ঃ৫০০

ইথানল ১ঃ৫

ফর্মালিন ৩%

ক্রিসল ১ঃ১০০০

ফিউমিগেশন করলে মারা যায়,১০০ঘনফুট জায়গার জন্য ৩৫গ্রাম পটাশ,৭০ এম এল ফর্মালিন

কিভাবে ছড়ায়ঃ

এটি হাইলি কন্টাজিয়াস

জুতা ও পোষাক

ড্রপিং(পায়খানা)

রেস্পিরেটরী ডিজচার্জ (হাচি,কাশি,কফ)

যন্ত্রপাতি

কেইজ

যানবাহন( খাবারের,ডিমের ,খাদ্যের ,বাচ্চার গাড়ি),ভ্যান,রিক্সা।

দূষিত খাবার ও পানি

বন্য পাখি

বাতাস

কর্মচারী

ভ্রাম্যমান ডাক্তার,কোয়াক,ভ্যাক্সিনেটর

দেশি হাঁস মুরগি,কুকুর,বিড়াল,গরু -ছাগলের মাধ্যমে ছড়ায়।

আক্রান্ত ফার্মের মুরগি সুস্থ মুরগির ফার্মে পাশে ফেললে বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়।

এই ভাইরাস ম্যাক্রোফেজ এবং ট্রাকিয়ার ক্ষতি করে।

Pathogenesisঃ

By nasal,ocular and oral route ND virus  go to Upper Respiratory Tract .Replication in epithelium cells mediated by HN polypeptide .

Fusion of viral and   cell membrane is brought by  action of Fusion protein. Intracellular replication occur in cytoplasm.

virus protein synthesized in infected cells and go to cell membrane.then buddeb from cell surface.

নিউমোনিয়া,ট্রাকিয়াতে প্রদাহ,Froth in airsac.

যদি লন্টোজেনিক ভাইরাস হয় তাহলে Upper Respiratory Tract এ সীমাবদ্ধ থাকবে।কোন লক্ষণ দেখা যাবে না।

তবে এ আই বা মাইকোপ্লাজমা দ্বারা সেকেন্ডারী ইনফেকশন হয়ে লক্ষণ দেখা দেবে।

যদি মেসোজেনিক বা ভেলোজেনিক ভাইরাস হয় তাহলে ভাইরেমিয়া হবে এবং বিভিন্ন সিস্টেমে চলে যাবে যেমন শ্বাসনালী,পরিপাকতন্ত্র,স্নায়ুতন্ত্র ও রিপ্রডাক্টিভ সিস্টেম।ক্লিনিকেল লক্ষণ এবং প্লাগ,আলসার লেসন দেখা যায়।

রানিক্ষেত ভাইরাস টি ৫টি প্যাথোটাইপে বিভক্ত

১. ভিসেরুট্রপিক ভেলোজেনিক:(অতিতীব্র Viscerotropic velogenic)

ইন্টেস্টাইন আক্রান্ত হয়।

হঠাত দেখা দেয়,মুরগি বসে পড়ে
ইনস্টেটাইনে (নাড়িভুড়ি/ক্ষুদ্রান্ত) রক্তক্ষরণ হবে এবং মৃত্যহার ১০০% পর্যন্ত হতে পারে।

সবুজ রং এর পায়খানা হয়।

ক্লোয়েকায় ফোলে যায়,চুন জমা হয়।

ফ্যারিংস অবশ হয়ে যায় ফলে খাবার বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু পিত্ত রিলিজ হয় এতে সবুজ পায়খনা হয়।

পানিশূণ্যতায় পা অবশ হয়ে যায় ,ওজন কমে যায়।

ক্ষুদ্রান্ত্রে ক্ষত মানে বাটনের মত আলসার ও প্লাগ দেখা যায়.

সিকামে রক্ত পাওয়া যায়।

প্রভেন্টিকোলাসে রক্তের ফোটা দেখা যায়।(papillary pinpoint haemorrhage)Glandular stomach nipple or inter-nipple hemorrhage.

Duodenum,3-4cm below the yolk pedicle,cecal tonsil,rectal bleeding,jujube-shaped or focal bleeding.

Laying follicles and fallopian tubes are significantly congested.

স্প্লীনে সাদা স্পট দেখা যায়।

৩-৫ দিনের মধ্যে বেশি মারা যায়।

২.নিউরুট্রপিক ভেলোজেনিক( অতিতীব্র,Neurotropic velogenic) স্নায়ুতন্ত্র এবং শ্বাসনালী আক্রান্ত হয়,মৃত্য হার ১০০% পর্যন্ত হতে পারে.

প্রথম দিকে খোসা পাতলা ও খোসা ছাড়া ডিম পাড়ে।

পা,ঘাড় ও গলা প্যারালাইসিস হয়.

ট্রাকিয়ায় রক্ত ক্ষরণ হয়।

শ্বাসকষ্ট হয়।

ডিম কমে যায় ও ডিমের কালার নষ্ট হয়.

.নিউরোট্রপিক  মেসোজেনিক : (তীব্র):

এটি ছোট মুরগিতে বেশি দেখা যায়।

প্রধানত শ্বাসনালী বেশি আক্রান্ত হয়,মাঝে মাঝে স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত হয়  এবং  মৃত্যহার বেশি হয়

ট্রাকিয়ায় রক্ত দেখা যায়.(Tracheitis)Sour and odorous liquid in cough.

Tracheal ring or spotted bleeding.

এয়ারস্যাকোলাইটিস হয় এবং এতে চিজি বস্তু দেখা যায়।

মুখ ফোলে যায়.

গড় গড় শব্দ হয়,গ্যাস্পিং ও শ্বাসকষ্ট হয়.

প্যরালাইসিস হতে পারে.

বড় মুরগি আক্রান্ত হলেঃ

খাবার  ও ডিম দ্রুত কমে খায়.

ডিম প্রায় ৩০-৫০% কমে যায়

পাতলা খোসা ও খোসা ছাড়া ডিম পাড়ে।

প্রডাকশন ঠিক হতে প্রায় ১৫- ২০ দিন সময় লাগে।

৪. শ্বাসনালীয়  লেন্টোজেনিক (মৃদু) 

মৃদু বা সাবক্লিনিকেল শ্বাসনালীর ইনফেকশন,এতে মৃত্যহার থাকেনা.

গড় গড় শব্দ হয় এবং অনেক দিন ধরে থাকে.

এন্টিবায়োটিক ভাল কাজ করেনা.

৫.  এন্টেরোট্রপিক এপ্যাথোজেনিক,এসিমটোমেটিক (উপসর্গ বিহীন)( Asymtomatic enteric) 

ন্টেস্টাইন আক্রান্ত হয়।

সাবক্লিনিকেল এন্টারাইটিক ইনফেকশন.পাকস্থলী ও ক্ষুদ্রান্তে ক্ষত দেখা যায় যা পরবর্তিতে ভেলোজেনিক রানিক্ষেতে রুপ নেয়।

 

৯।আই বি

এজেন্টঃ

সিঙ্গেল স্ট্যান্ডেড আর এন এ ভাইরাস

করোনা ভাইরাস,এটি মুরগির লোহিত রক্তকনিকাকে এগ্লুটিনেট করে না যা এন ডি ও এ আই করে।.

এর কয়েকটি সেরোটাইপ আছে।

IB is highly mutagenic

এটি মুরগির বাহিরে কয়েক সপ্তাহে থেকে কয়েক মাস বেঁচে থাকে।

প্রায় সব ধরণের জীবাণূ নাশক কাজ করে।

পটাসিয়াম পারম্যাংগানেট ০.০১%,এলকোহল ৭০%,ফরমালিন ১% প্রয়োগে এ ভাইরাস নষ্ট হয়

হোস্টঃ

মুরগির  বাচ্চা ন্যাসারাল হোস্ট তবে যে কোন বয়সে হয় এবং সারা পৃথিবীতে দেখা যায়।

বাচ্চা বেশি আক্রান্ত হয় এবং মারা যায়।

সব বয়সের মুরগি আক্রান্ত হয় কিন্তু বাচ্চা মুরগি বেশি আক্রান্ত হয়.

সাদা জাতের মুরগি বেশি আক্রান্ত হয়।

আরোগ্য পাখি ১মাস পর্যন্ত বাহক হিসেবে কাজ করে.

প্যাথোজেনেসিসঃ

নাক দিয়ে ঢুকে সিস্টেমিকভাবে ইউরিনারী,রিপ্রডাক্টিভ এবং শ্বাসতন্ত্র আক্রমণ করে।প্রধানত প্রজনন,শ্বাসনালি ও মুত্রনালির প্রতি এ ভাইরাসের আসক্তি রয়েছে.

কিডনি আক্রান্ত হলে পানি বেশি খায়,ফলে পানি পায়খানা করে।এতে লিটার ভিজে যায়।

এটি মুরগির শ্বাসনালির উপরি অংশের(upper respiratory tract) একটি মারাত্মক ছোয়াচে রোগ ।
এ সকল তন্ত্রের এপিথেলিয়াল কোষে আক্রমনের ১-৮ দিন পরে ভাইরাস বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়.

 

১০।করাইজা

 

এজেন্টঃ

এটি Haemophilus paragallinarum নামক গ্রাম নেগেটিভ,বর্তমান নাম Avibacterium paragallinarumনন মোটাইল,নন স্পোর ফরমিং, এরোবিক জীবানূ দিয়ে হয়।

এটি খুব ভংগুর এবং বেশীক্ষণ বেঁচে থাকতে পারেনা।এটি এককভাবে তেমন কোন ক্ষতি করতে পারেনা কিন্তু অন্য রোগ থাকলে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

এটি ব্যাপক ছোয়াচে রোগ যা হঠাত দেখা দেয় এবং মারাত্মক।

গ্রোয়িং পিরিয়ডে হলে ওজন কমে আর ডিম পাড়ার সময় হলে ডিম কমে।

মুরগির সংস্পর্শ ছাড়া এই জীবানূ ৫-৬ ঘন্টার বেশী বাঁচতে পারেনা।

এই পর্যন্ত ৩ টি সেরোটাইপ আবিষ্কৃত হয়েছেন এ ,বি, সি।।এদের স্পেসিফিক এন্টিজেন আছে।বিতে আবার সব টাইপ আছে যার কারণে ভ্যাক্সিন ফেওল্প্র হয়ে থাকে।

হোস্টঃ

সুস্থ মুরগি বাহক হিসেবে কাজ করে।

৭দিন পর্যন্ত মুরগি রেজিস্ট্যান্ট মানে হয় না।

একবার আক্রান্ত হলে ভাল হবার পর ১বছর ইমোনিটি থাকে এবং করাইজা হয় না।কিন্তু যদি চিকিৎসা করা হয় তাহলে অনেক মুরগি আক্রান্ত হবার সুযোগ পায় না ফলে ২য় বার সম্বাবনা থাকে।

বাচ্চাসহ সকল মুরগি আক্রান্ত হতে পারে তবে ৪ সপ্তাহ থেকে বেশি শুরু হয় এবং বয়স বাড়ার সাথে সাথে ঝুকি বাড়তে থাকে।

কোয়েলে হতে পারে তবে এত সিরিয়াস হয় না।

টার্কিতে হলে মাইকোপ্লাজমা গ্যালিসেপ্টিকাম এর মিক্স ইনফেকশন হয়।

পরিবেশঃ

কখন আক্রমন করে এবং বিপদজনক হয় নিম্নে দেয়া হলঃ

যে কোন বয়সে হতে পারে তবে গ্রোয়িং পিরিয়ডে তেমন মারাত্মক হয় না.২০ সপ্তাহের পরেই বেশি ব্যাপক আকারে হয়।

মাল্টি এজ মানে বিভিন্ন বয়সের মুরগি এক সাথে পালন করলে বেশি হয়।

#শীতকালে এবং বর্ষাকালে বেশি হয়।

# আশে পাশে ফার্মের সংস্যা বেশি হলে এবং অল্প জায়গায় বেশি মুরগি পালন করলে।

#অন্য রোগ যেমন ই- কলাই,ক্রনিক রেসপিরেটরী ডিজিজ( মাইকোপ্লাজমোসিস,ল্যারিংগোটাকিয়াইটিস),কলেরা,পক্স,রানিক্ষেত,এ আই ও আই বি ইত্যাদি।

#মুরগির উপর ধকল যে কোন ধকল,তাপমাত্রার পরিবর্তন ,পরিচালন ব্যবস্থার ত্রুটির সাথে জড়িত।

#অতিরিক্ত ঠান্ডা বা আর্দ্র আবহাওয়া।

# টিকা দেয়ায় ধকল পড়লে।

#নিম্নমানের খাবার।

# কোন কারণে মুরগির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে।

# ঘন ঘন লিটার বদলালে।

#শীতকালে দীর্ঘ  সময় পর্দা দিয়ে রাখলে এমোনিয়া গ্যাস তৈরি হয় ফলে এই জীবানূ বৃদ্ধি পায়।

সুপ্তিকালঃ১-৩ দিন তবে ঝাকের সংবেদনশীল মোরগ মুরগিতে ১০ দিনের মধ্যে রোগের লক্ষন প্রকাশ পায়।

প্যাথোজেনেসিসঃ

নেজাল প্যাসেজ দিয়ে ঢুকে এবং আশপাশ সাইটে আক্রমণ করে,বিশেষ করে মুখের চারদিকে সীমাবদ্ধ থাকে।

 

Please follow and like us:

About admin

Avatar

Check Also

খামারীকে নিঃস্ব করে দেয়ার মত কিছু রোগ(মর্টালিটি/ক্ষতির উপর ভিত্তি করে)

খামারীকে নিঃস্ব করে দেয়ার মত কিছু রোগ খামারীকে নিঃস্ব করে দেয়ার মত কিছু রোগ(মর্টালিটি/ক্ষতির উপর ...

Translate »
error: Content is protected !!