Breaking News

টাপির

প্রতিবছর এপ্রিলের শেষ শনিবার World Vet Day পালন করা হয়। সেই হিসেবে এইবছরের ২৭এপ্রিল গতকাল পালিৎ হয়েছে। কিন্তু গতকাল আরেকটি দিবস ছিল, এইটা হচ্ছে “World Tapir Day”. তাই এই তাপির নিয়ে ১০টি অজানা কথাঃ

👉১) পোকেমন এর Drowzee ক্যারেক্টার-টা দেখে থাকলে এর কথা মনে পড়বে। এদের নাক আর উপরের ঠোঁট যুক্ত হয়ে শুঁড়জাতীয় একটা জিনিস (Snout) তৈরী হয়েছে। এইটা এমনিতে ফ্লেক্সিবল এবং এইটা দিয়ে এরা একটু উপরের ডালের পাতা নামিয়ে খেতে পারে। 🌿☘️🍀

👉২) মাঝেমধ্যে বিপদ দেখলে লুকানোর জন্য পানিতে ডুব দিয়ে এরা এদের এই ছোট শুঁড়টা উপরে বের করে রেখে নিঃশ্বাসের কাজ চালায়। 😴

👉৩) বাংলাদেশে পাওয়া না গেলেও এশিয়ায় শুধু মালয়েশিয়ার দিকে, আর মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকায় এদের দেখা মেলে। তবে এরা পৃথিবীতে আছে প্রায় ২০-৩০ মিলিয়ন (@উইকি; কোন কোন সাইটে আরো বেশি বলা আছে) বছর ধরে। তাই এদেরকে জীবন্ত ফসিল হিসেবেও উল্লেখ করা হয়ে থাকে। 🤓

👉৪) থাইল্যান্ডে এদের নাকি P’som-sett (“mixture is finished”)বলে, যেইটা তাদের এক্টা বিশ্বাসের দিকে ইঙ্গিত করে যে অন্যান্য সকল প্রাণি সৃষ্টির পর এইটা তাদের অবশিষ্টাংশ দিয়ে তৈরী হয়েছে। বাস্তবে দেখলে থাই-দের এই বিশ্বাসের কারণ কিছুটা উপলব্ধি করা যাবে। এদের মুখটা কিছুটা শূকরের মত, নাকের কাছে আবার Anteater এর মত, নাকটা শুঁড়ের সাথে তুলনা করলে হাতির মত, পিছের দিকটা আবার কিছুটা গন্ডার/জলহস্তির মত, চামড়াও মোটা (তাপির শব্দটা এসেছেই একটা আদি ব্রাজিলিয়ান শব্দ থেকে, যার মানে হচ্ছে মোটা/পুরু)। 🥴

👉৫) এদের সামনের পায়ে ৪টা আঙ্গুল আর পিছের পায়ে ৩টা আঙ্গুল থাকে…🧐

👉৬) বর্তমানে জীবিত ৫প্রজাতির তাপিরের মধ্যে সাউথ এমেরিক্যান বা ব্রাজিলিয়ান তাপিরটা এমাজনের সর্ববৃহৎ স্থলচর স্তন্যপায়ী। বোঝাই যাচ্ছে প্রাণিটা উচ্চতায় কম হলেও একেবারে ছোটখাট না। এমনিতে ১৫০-৩০০কেজি পর্যন্ত হয়, আর দিনে প্রায় ৩৪-৩৫কেজি ঘাস-পাতা খায়। তবে প্রজাতি ভেদে ছোটও হয় (kabomani tapir/ Little black tapir)। ☺️

👉৭) এরা গাছপালার বংশবিস্তারে অনেক ভূমিকা রাখে। তাই এদের প্রাকৃতিক মালী (Gardener) বলে 🕊। ১৩৫টা তাপিরের পায়খানার স্যাম্পল নিয়ে পরীক্ষা করে ১২২টার মধ্যেই গাছের বীজ পাওয়া গেছে। 😍

👉৮) এরা ডাঙার গাছের পাতা তো খায়ই, পানির নিচে নেমে জলাশয়ের নিম্নস্থ উদ্ভিদও খায়। এমনিতেই এরা পানিতে দিনের বেশ কিছু সময় কাটায়, শরীর ঠান্ডা রাখার জন্য, তবে বিপরীত লিঙ্গের সাথে মিলন ঘটায়ও এরা পানিতেই। 🙃

👉৯) এদের পুং জননাঙ্গ দেহের তুলনায় কিছুটা অস্বাভাবিক বড় হয় (১৯ ইঞ্চি)। 🤐

👉১০) এদের বাচ্চাটা হয় বড় অদ্ভুত। মায়ের চেহারার সাথে কোন মিল নাই। দেখতে অনেকটা জেব্রার মত হয়, সাদা ডোরা থাকে। আর জন্মের কয়েকদিন পরেই সাঁতার কাটা শিখে যায়।😋😋

বনের অন্যান্য মাংসাশী প্রাণি ছাড়াও মাংস ও চামড়ার জন্য মেরে মেরে আর প্রাকৃতিক পরিবেশ, বনায়ন নষ্ট করে এদের আমরা বিপন্ন বানিয়ে ফেলেছি। 😣😣 তাই প্রতিবছর ২৭ এপ্রিল এদের সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করার জন্য বিশ্ব তাপির দিবস পালন করা হয়।👈

Source: Internet
Sohrab Ali Mollah

Please follow and like us:

About admin

Check Also

বিলুপ্তপ্রায় পাঁচটি প্রাণী- রাজশকুন, ঘড়িয়াল, মিঠাপানির কুমির, নীলগাই এবং শুশুক

বর্তমান সময়ে জীববৈচিত্র্য পড়েছে মহা সংকটে। ইতোমধ্যেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে তালিকাভুক্ত অসংখ্য প্রজাতির উদ্ভিদ ও …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Translate »
error: Content is protected !!