জীবাণুনাশক

GPC8(আদর্শ জীবাণুনাশক)-
নিয়মিত পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্তকরণ যা, বায়োসিকিউরিটির অন্তভূক্ত। পোলট্রি খামারগুলোতে ক্ষতিকর জীবাণুর পরিমাণ হ্রাস করতে সহায়তা করে। সেজন্য সব ধরণের ক্ষতিকর জীবাণুর (ব্যাকেটরিয়া,ভাইরাস,ছত্রাক) পরিমাণ হ্রাস এবং ধ্বংসের মাধ্যমে পোলট্রি খামারকে রোগমুক্ত রাখতে কার্যকর ও নিরাপদ জীবাণুনাশক জরুরী।
‌‌‌☞জীবাণুনাশক এর ধরণ ও তাদের কার্যকর উপাদানঃ

যথাক্রমে এসিড ও অ্যালকালি( ল্যাকটিক এসিড,কস্টিক সোডা); কোয়ার্টারনারি অ্যামোনিয়াম(বেনজাইলকোনিয়াম ক্লোরাইড); বিগুয়ানাইডস(ক্লোরহেক্সিডিন); হ্যালোজেনস(হাইপোক্লোরাইড, আয়োডোফোরস); পারঅক্সিজেনস(পারএসিডিক এসিড,হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড) ; ফেনোলিকস(অর্থফিনাইল অ্যালকোহল); অ্যালডিহাইডস (ফরমালডিহাইড,গ্লুটারেলডিহাইড)।
☞জীবাণুনাশক এর Efficacy নির্ভর করেঃ

কি ধরণের জীবাণুনাশক choice করা হয়েছে; দ্রবীভূত হার; প্রয়োগ; ডিটারজেনসি; সংস্পর্শে আসার সময়; তাপমাত্রা; অরগ্যানিক challenge এবং পানির ধরণ।
তবে সবচেয়ে বড় ফ্যাকটর হল জীবাণুনাশক এর formulation.
☞GPC8 এ রয়েছে-
১.গ্লুটারেলডিহাইড-১২%
২.কোয়ার্টারনারি অ্যামোনিয়াম কম্পাউন্ড ৪%
৩.নন- আয়োনিক সারফেকটেন্ট-৮%
৪.ফসফরিক এসিড-.৮%
৫.পানি-১০০%
✔গ্লুটারেলডিহাইড-১২%
⇨ব্যাকটেরিয়া ও ফাংগাল স্পোরএর বিরুদ্ধে কার্যকর
⇨এটি ভাইরাসের NSP9 প্রোটিন এর সাথে crosslinking করে,ফলে যথাযথভাবে RNA formation না হওয়ায় ভাইরাস মারা যায়
⇨এটি ব্যাকটেরিয়ার peptigo-glycan স্তরের সাথে crosslinking করে,ফলে nutrient এর প্রবেশের হার কমে যাওয়ায় কোষের দেয়ালের এনজাইমগুলো কার্যকারীতা হারায়
⇨এটি ফরমালডিহাইড এর চেয়ে ১০গুণ বেশি শক্তিশালী এবং কম ক্ষতিকর
⇨ এটি নন- কার্সিনোজেনিক
⊕সুবিধাসমূহ-
১.broad spectrum
২.organic materialsএর উপস্থিতিতে কার্যকর
৩.hard water এ কার্যকর
৪.কম তাপমাত্রায় কার্যকর
✔কোয়ার্টারনারি অ্যামোনিয়াম কম্পাউন্ড- ৪%
⇨এটি সেল মেমব্রেন এর উপর কাজ করে,ফলে ব্যাকটেরিয়া তার গঠনগত বইশিষ্ঠ্য হারায়।
⊕সুবিধাসমূহ-
১.ব্যাকটেরিয়সাইডাল
২.ব্যাকটেরিয়স্ট্যাটিক
৩.নন-টক্সিক
৪. non–irrirant
✔নন- আয়োনিক সারফেকটেন্ট-৮%
এতে “Alchohol Ethoxylate” surfectant রয়েছে।
⇨এটি উচ্চ মাত্রায় থাকার কারণে দেয়াল/ মেঝের জীবাণু খুব সহজেই ধ্বংস করে।
⇨এটি ময়লার মাঝে থেকেও জীবাণু ধ্বংস করে
✔ফসফরিক এসিড-.৮%
⇨ It allows dilution in hard (alkaline)water.
⇨এটি জীবাণুনাশক এর প্রক্রিয়া stable করে।
➤ব্যবহার-
পোলট্রি সেড; পোলট্রি খামারের যন্ত্রপাতি; পানি সরবরাহের লাইন; খামারের দেয়াল; বাচ্চা ফুটানোর ঘর(সেটার,হ্যাচার); খাদ্য প্রতি প্রস্তুতের ঘর।
➤ স্প্রে করার সাভাবিক মাত্রা- ৫মিলি/লিটার পানিতে।

লেখকঃডা আফসানা(রেনাটা লি)

Please follow and like us:

About admin

Check Also

এসিডিফায়ার :

এসিডিফায়ার :  পানি জীবাণু সংক্রমণের প্রধান উৎস।ই. কোলাই,সালমোনেলা,কম্পাইলোব্যাকটার এরা কিন্তু এই পানিতেই থাকে এবং এরাই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »
error: Content is protected !!