ফার্মে কোন টা করবেন,কোন টা করবেন না।

কোন টা করবেন,কোন টা করবেন না।

ফার্মে এমন কিছু ঘটে যখন কোন টা করা উচিত  বা অনুচিত তা খামারী বুঝে না।

ফার্মের উদ্দ্যেশ্য লাভ ।যদি লাভজনক হয় তাহলে দিতে হবে।

১।ই ডি এস ভ্যাক্সিন দেয়ার পর ২৮-৩০ সপ্তাহের আগে ভ্যাক্সিন দেয়া ঠিক না কিন্তু খামারী তা মানতে রাজি না।

২।এন্টিবায়োটিক বিশেষ করে জেন্টা বা সালফার ড্রাগ দেয়া যাবে কিনা।

যদি সব এন্টিবায়োটিক দেয়া হয়ে যায় তখন বিকল্প কিছু না থাকলে দিতে হবে।

৩।মুরগির রানিক্ষেত হয়ে মারা যাচ্ছে

ভ্যাক্সিন দেয়া যাবে কিনা।

খামারী বলবে ভ্যাক্সিন দিলে যদি মারা যায় অথচ এমনিতে রানিখেতের জন্য মারা যাচ্ছে।

ভ্যাক্সিন দিলে লাভ ছাড়া লস নাই তাই ভ্যাক্সিন দেয়া উচিত।

৪।ইঞ্জেকশন দিলে খামারী বলে মুরগির ডিম কমে যাবে।

প্রতিদিন মুরগি মারা যাচ্ছে ।মুরগি থাকবে কিনা তার চিন্তা নাই।

এসব ক্ষেত্রে ইঞ্জেকশন দিতে হবে।ইঞ্জেকশনের জন্য ডিম তেমন কমে না,কিছু কিছু ক্ষেত্রে অল্প পরিমাণ কমে।

অল্প ক্ষতির মাধ্যমে বেশি লাভ হচ্ছে কিনা তা দেখতে হবে।

৫।গরমের সময় গ্লোকোজ দেয়া যাবে কিনা।

গ্লোকোজ কিছুটা তাপ প্রডাকশন করে তাই অনেকে দিতে চায় না কিন্তু গরমে খাবার কম খেয়ে এনার্জির ঘাটতি হয়।তাছাড়া খাবার খেলেও তাপ তৈরি হয় তাই গ্লোকোজ দেয়া যাবে।

৬।মুরগির ঠোট কাটা দরকার আবার ভ্যাক্সিন দেয়ার সময় হয়ে তখন যে কোন একটা করতে হয় ২টি এক সাথে করাযায় ।

আবার দেকা যায় মুরগি ঘ্ন হয়ে যাওয়ায় খাচায় উঠানো দরকার কিন্তু খাচায় উঠালে ভ্যাক্সিন দেয়া অনেক ক্টহিন হয়ে যায় তখন একটা ছাড় দিতে হয়।

যদি সব গুলো ভ্যাক্সিন দিতে হয় তাহলে ৫-৭দিন পর কিল্ড ভ্যাক্সিনের সিডিউল থাকে তখন মুরগি অনেক স্ট্রেস কন্টীশনে থাকে।তাই একটা করতে গেলে আরেকটা করা যায় না।

৭।শীতে ঠান্ডার জন্য পর্দা দিয়ে সব আটকে রাখে।আটকানোর জন্য এসাইটিসে অনেল মুরগি মারা যায়।াবার খোলা রাখলে শীতে বাচ্চা মারা যাবে।তাছাড়া বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হবে।নিয়ম হল তাপের ব্যবস্থা করা কিন্তু খামারীরা তাপের ব্যবথা না করে পর্দা দিয়ে আটকে রাখে।তাই এক সাথে ২টি পাওয়া যায় না,এক্টা করতে গেলে আরেকটি হারাতে হবে।

৮।মুরগি ক্যানাবলিজমের জন্য মারা যাচ্ছে।এখন ঠোট না কাটলে মুরগি মারা যাবে।খামারী বললে ঠোট কাটলে ডিম কমে যাবে।

ডিম পাইতে গেলে মুরগি হারাতে হবে।

৯।মুরগিতে কৃমিনাশক দিতে হবে।স্যার কৃমিনাশক দিলে ডিম কমে যায়।কিছু ডিম কমলেও দিতে হবে।

১০।মুরগি মারা যাচ্ছে ।

ডাক্তার চিকিৎসা দিয়ে চলে গেল,১-২দিন পর কল দিয়ে বলবে স্যার কি মেডিসিন দিলেন মুরগি আরো বেশী মারা যাচ্ছে।

মারা যাওয়া ডিজিজের স্টেজ(কয় দিন ধরে সমস্যা) তীব্রতা,স্ট্রেইন,স্ট্রেসের উপর নির্ভর করে।তাছাড়া প্রতিটা ডিজিজের একটা নির্ধারিত সময় আছে যে পর্যন্ত মুরগি মারা যাবে।

যেমন গাম্বোরু ৪-৫দিনে মারা যাবে

রানিক্ষেতে ৫-১০দিন

আই বি এইচে ৭-১০দিন

গাউটে ৭-১০দিন

মেরেক্সে ১-৬মাস

এ আই ৯ ৫-৭দিন

কলেরা ও টাই ফয়েডে চিকিৎসা না করলে মর্টালিটি বাড়তে থাকবে।

ডিম পাড়া মুরগিতে কলিব্যাসিলোসিস হলে কয়েক মাস থেকে আজীবন মারা যেতে পারে

কক্সিতে ৪-৫দিন মারা যেতে পারে,ভাল হয়ে যাবার পর আরো ৪-৭দিন অল্প করে শুকিয়ে মারা এতে পারে

এসব ক্ষেত্রে ডাক্তারকে প্রোগ্নোসিস করে আসতে হবে

১১।বয়সের কারণে,স্ট্রেসে বা মুরগির বডি কন্ডিশনের কারণে ডিম কমে যেতে পারে।এটা স্বাভাবিক কিন্তু এর জন্য বেশি কিছু করার নাই তবে যা কয়ার তা ডাক্তার অবশ্যই করবে।

১২।মুরগি অসুস্থ চিকিৎসা চলতেছে

খামারী বলবে স্যার এসব দেয়ার কারণে ডিম কমে যাচ্ছে।

অথচ করাইজাতে ২০-৪০%,আই বিতে ২০-৫০%,মাকোপ্লাজমা ও সাল্মোনেলায় ২-১০% ডিম কমে যেতে পারে।

১৩।মুরগি অসুস্থ ডাক্তার তাই ভ্যাক্সিন টা বাদ দিয়ে দিলেন।খামারী বলবে স্যার ভ্যাক্সিন দিতে না করেছিল তাই এখন সমস্যা।

আবার অসুস্থ অবস্থায় ভ্যাক্সিন দিলে সমস্যা হলে বলবে স্যারের কথায় ভ্যাক্সিন দিয়ে সমস্যা হয়েছে।

এসব ক্ষেত্রে খামারীকে দায়িত্ব নিতে হবে।

 

 

 

Please follow and like us:

About admin

Avatar

Check Also

সোনালী পালন সিডিউল

শিডিউল দেয়া ঠিক না ,অবস্থা অনুযায়ী ব্যবস্থা করতে হয়।মেডিসিন গুলো এমনিতে দেয়া আছে,প্রয়োজন অনুযায়ী দিতে ...

Translate »
error: Content is protected !!