কোন এন্টিবায়োটিক কোন সিস্টেমে এবং কোন অর্গানিজমের বিরুদ্ধে কাজ করে,কিভাবে এন্টিবায়োটিক সিলেক্ট করবো।

কোন এন্টিবায়োটিক কোন সিস্টেমে এবং কোন অর্গানিজমের বিরুদ্ধে কাজ করে,এন্টিবায়টিক কিভাবে সিলেক্ট করবো।

গ্রাম নেগেটিভ অর্গানিজমঃ
ই কলাই,সাল্মোনেলা,কলেরা(পাস্টরেলা মাল্টোশিডা,এভিব্যাক্টেরিয়াম প্যারাগ্যালিনেরাম(করাইজা)
গ্রাম পজিটিভ অর্গানিজমঃ
ক্লোস্টিডিয়াম( এন্টারাইটিস),স্টেফাইলোকক্কাস,স্টেপ্টোকক্কাস
১।কোইনোলন
এনরোফক্সাসিলিন,লেভো,সিপ্রোফক্সাসিলিন গ্রাম পজিটিভ,নেগেটিভ ও মাইকোপ্লজমার বিরুদ্ধে কাজ করে।
সিস্টেমিক এন্টিবায়োটিক যা প্রায় সব সিস্টেমে কাজ করে।
পরিপাক,রেস্পিরটরী ও ইউরিনারী সিস্টেমে কাজ করে।
নরফক্সাসিলিন গ্রাম নেগেটিভ ও গ্রাম পজিটিভ অর্গানিজম এর বিরুদ্ধে কাজ করে।
যে কোন সমস্যায় একাই যথেস্ট।
২।টিয়ামোলিন,টালোসিন,টিল্কোসিন,এজথ্রোমাইসিন,এরাইথ্রোমাইসিন
মাইকোপ্লাজমা ও গ্রাম পজিটিভ কিছু ব্যাক্টেরিয়া্র বিরুদ্ধা কাজ করে।রেস্পিরেটরী সিস্টেমে কাজ করে তবে কিছু পরিপাক নালীতে কাজ করে।
মেইনলি মাইকোপ্লাজমার জন্য দেয়া হয়।
টিলভালোসিন মাইকোপ্লাজমা ও ক্সোস্টিডিয়ামের বিরুদ্ধা কাজ করে।রেস্পিরেটরী ও পরিপাক নালীতে কাজ করে।
৩।টেট্রাসাইক্লিন
ডক্সিসাইক্লিন মাইকোপ্লজমার বিরুদ্ধে রেপিরেটরী সিস্টেমে কাজ করে।
অক্সিটেট্রাসাইক্লিনঃকক্সি,মাইকোপ্লাজমা,গ্রাম পজিটিভ ও নেগেটিভ এর বিরুদ্ধে রেস্পিরেটরী সিস্টেমে কাজ করে।
অল্প সমস্যা ও প্রিভেন্টিভে দেয়া হয়।
সি টি সি
গ্রাম পজিটিভ ও গ্রাম নেভেটিভ অর্গানিজমের জন্য অল্প সমস্যায় প্রিভেন্টিভ হিসবে দেয়া হয়
সাল্মোনেলার বিরুদ্ধে ডাইজেস্টিভ সিস্টেমে কাজ করে।
৪।এম্পোলিয়াম,সালফাক্লোজিন,টল্টাজুরিল পরিপাক নালীতে কাজ করে।
সাল্ফাক্লোজিন কক্সির পাশাপাশি সাল্মোনেলা ও কলেরার বিরুদ্ধে কাজ করে।
এম্পোলিয়াম ও টল্টাজুরিল শুধু কক্সির জন্য কাজ করে তাই সাথে সেকেন্ডারী অর্গানিজম(ক্লোস্টিডিয়াম) এর জন্য এমোক্সিসিলিন,এনরো বা সিপ্রো বা অক্সিটেট্রা দেয়া যায়।
৫।এমাইনোগ্লাইকোসাইড
গাট এক্টিভ এএন্টিবায়োটিক যা লোকালি কাজ করে তবে ইঞ্জেকশন হলে সিস্টেমিক কাজ করে।
জেন্টামাইসিন গ্রাম নেগেটিভ অর্গানিজেমের বিরুদ্ধে কাজ করে তবে মাইকোপ্লজামার বিরুদ্ধেও কিছু কাজ করে।
নিওমাইসিন গ্রাম নেগেটিভ জীবাণূর বিরুদ্ধে কাজ করে পরিপাকনালীতে।
৬।পেনিসিলিন
এমোক্সিসিলিন ও এম্পিসিলিন ডাইজেস্টিভ ও রেস্পিরেটরী ও ইউরিনারী সিস্টেমে কাজ করে গ্রাম নেগেটিভ ও গ্রাম পজিটিভ অর্গানিজমের বিরুদ্ধে কাজ করে।
বাচ্চা মুরগির ইকলাই/নাভি কাচা,এয়ারস্যাক ইনফেকশনের জন্য দেয়া হয়।
তবে পেনিসিলিন জি/প্রপেইন পেনিসিলিন গ্রাম পজিটিভ অর্গানিজমের বিরুদ্ধে কাজ করে।
৬।সেফালোস্পোরিন
গ্রাম পজিটিভ ও গ্রাম নেগেটিভ অর্গানিজমের বিরুধে কাজ করে ইউরিনারী সিস্টেমে ও স্ফট টিস্যতে।।
৭।সালফার ড্রাগ
গ্রাম নেগেটিভ ও গ্রাম্পজিটিভ জীবাণুর বিরুদ্ধে কাজ করে ইউরিনারী.
অন্য এন্টিবায়োটিক দেয়া শেষ হয়ে গেলে তখন দেয়া হয়। করাইজাতে সাল্ফার ড্রাগ বেশি ভাল কাজ করে।
৮।ফ্লোরফেনিকল
গ্রাম নেগেটিভ অর্গানিজম ও মাইকোপ্লজমার বিরুদ্ধে কাজ করে পরিপাক ও রেস্পিরেটরী সিস্টেমে কাজ করে।
সাল্মোনেলা ও ইক্লাই এর জন্য ভাল কাজ করে।
ইন্টাসেলোলারে কাজ কাজ করে তাই ইফিকেসি বেশি হয়।
৯।লিংকোমাইসিন/ক্লিন্ডামাইসিন
পরিপাক নালীতে ক্লোস্টডিয়মারের বিরুদ্ধে কাজ করে।নেক্রোটিক এন্টারাইটিস এর জন্য নরনালী দেয়া হয়।
১০।পলিপেপ্টাইডঃ
#কলিস্টিন গ্রাম নেগেটিভ অর্গানিজমের বিরুদ্ধে পরিপাকনালীতে কাজ করে।
গ্রাম নেগেটিভ অর্গানিজমের বিরুদ্ধে ভাল কাজ করে। গাট এক্টিভ এন্টিবায়োটিক।
গ্রাম পজিটিভ অর্গানিজমের বিরুদ্ধে (ক্লোস্টিডিয়াম) পরিপাক নালীতে কাজ করে।
১১।গ্লাইকোপেপ্টাইপ( ভ্যাঙ্কোমাইসিন) গ্রাম পজিটীভ অর্গানিজমের বিরুদ্ধে কাজ করে।
নোটঃ১
এক এন্টিবায়োটিকই অনেক অর্গানিজমের বিরুদ্ধেই কাজ করে কিন্তু আমাদের সেখান থেকে গুরুত্ব বিবেচনা করে বাচাই করতে হবে।
কিসের উপর ভিত্তি করে চয়েস করবঃ
১।সিঙ্গেল ডিজিজ নাকি মিক্স ইনফেকশন
মিক্স হলে২টি এন্টাইবায়োটিক দিতে হবে।তাছাড়া সিনারজেস্টিক বিবেচনা করে ২টি দেয়া যায়।
২।বয়স
বয়স কম হলে এনরো ও নিওমাইসিন দেয়া ঠিক না কারণ নিওমাইসিন ভিটামিন শোষণে বাধা দেয়।বাচ্চা মুরগি এমনিতেই ডেফিসিয়েন্সি থাকতে পারে সেখানে নিওমাইসিন দেয়া হয় তাহলে আরো সমস্যা বাড়বে।
এনরোমাইসিন বাচ্চাতে দিলে ওভার ডোজ বা লংটাইম দিলে বাচ্চা প্যারালাইসিস হয় এবং ডিজ ব্যাক্টেরিওসিস হয়।
তাই বাচ্চায় এসব না দিয়ে দরকার হলে এমোক্সিসিলিন বা কসুমিক্স বা কলিস্টিন দেয়া যায়।
তাছাড়া যদি লেয়ার হয় তাহলে কম দামী বা কম পাওয়ারের এন্টিবায়োটিক দিতে হবে কারণ লেয়ার ২ বছর থাকে বিধায় অনেক এন্টিবায়োটিক এর দরকার হতে পারে।যদি ১ম দিয়ে দেই আর রেজিস্ট্যান্ট হয়ে যায় তাহলে পরে এন্টিবায়োটিক এ কাজ হবে না।
৩।আগে কোন এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়েছে।
হিস্ট্রি নিয়ে দেখতে হবে আগে কোন এন্টিবায়োটিক কতবার দিয়েছে।যেগুলো দিয়েছে বা রেজিস্ট্যান্ট হয়ে গেছে সেগুলো বাদ দিতে হবে।
৪।লাইফ টাইম কত সময়(ব্রয়লার হলে আপাতত রেজিস্ট্যান্ট হবার সুযোগ কম কারণ ১মাসের মধ্যে বিক্রি হয়ে যায়)
৫।খামারীর অর্থনৈতিক অবস্থা
কিছু খামারী আছে যারা বেশি দামের বা বেশি মেডিসিন চায় তাদের ক্ষেত্রে দামী এন্টিবায়োটিক দেয়া লাগতে পারে।
আবার কিছু খামারী আছে যারা কম দাম বা অল্প খরচে চিকিৎসা চায় তাদের কথা চিকিৎসা দিতে হবে।
৬।রোগ টি ভাল হতে কত সময় লাগবে সেটা বিবেচনা করতে হবে যেমন করাইাল/এইচ ৯ ভাল হতে প্রায় ১মাস লাগে তাই কম দামী এন্টিবায়োটিক দিতে হবে।লং এক্টিং এন্টিং এন্টিবায়টিক দেয়া ভাল ।
৭।রোগ টি সেলফ লিমিটিং কিনা যেমন কক্সি।
এইচ ৯,আই বি এসব ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক তেমন ইফেক্টিভ না তাই কম দামি নরমাল এন্টিবায়োটিক দিলেই হয়।
আমাশয়ের ডোজ ৫-৭দিন দেয়ার পর যদি ভাল না হয় তাহলে আর না দেয়াই ভাল।এমনিতে ভাল হবে।
খামারী যদি সব দায়িত্ব ডাক্তারকে দেয় তাহলে যা দরকার তা দিলেই হবে।
অনেক খামারীই নিজের মত করে চিকিৎসা চায়।
৮।অর্গানিজম কি(ব্যাক্টেরিয়া,ভাইরাস,প্রোটোজোয়া,কৃমি,ফাংগাস,মেটাবলিক)
রোগের ধরণ বুঝে এন্টিবায়োটিক হবে।ফার্মে গেলেই এন্টিবায়োটিক দিতে হবে এমন অভ্যাস থেকে সরে আসতে হবে।
৯।চিকিৎসা খরচ মানে এন্টিবায়োটিকের দাম,তাছাড়া কস্ট ইফিক্টিভ কিনা তা দেখতে হবে।
পোল্ট্রি ফার্ম মানে ব্যবসা।এখানে লাভ খুজতে হবে।
১০হাজার টাকার মেডিসিন দিয়ে ১২হাজার টাকার লাভ না হয় তাহলে দিবো না।
আগে দেখতে হবে লাভ হবে কিনা।রোগ টি ভাল হবে কিনা।
১০।প্রচলিত এন্টিবায়োটিক গুলোর নাম এবং কোন গুলো রেজিস্ট্যান্ট হয়ে গেছে।
মার্কেটের এন্টিবায়োটিক গুলোর লিস্ট জানা লাগবে দাম সহ।রেজিস্ট্যান্ট এন্টিবায়োটিক গুলো কি কি আছে।
তবে ফিল্ডে রেজিস্ট্যান্ট হলেও নির্দিস্ট ফার্মে রেজিস্ট্যান্টা নাও হতে পারে।
১১।এন্টাগনিজম ও সিনারজেস্টিক কিনা দেখতে হবে
এটার উপর আর্টিকেল আছে সেটা পড়ে নিলেই হবে।।তবে সাথে সাথে মনে থাকতে হবে তা নয়। সময়ের সাথে সাথে এক সময় সব মনে থাকবে।
১২।রোগের তীব্রতা
১৩।প্রডাকশন / গ্রোয়িং
কিছু এন্টিবায়োটিক আছে যা দিলে প্রডাকশন কমে যেতে পারে যেমন সাল্ফার ড্রাগ,কোন কোন সময় জেন্টামাইসিনের জন্য ডিম কমে যেতে পারে।
এটা নির্ভর করে এন্টিবায়োটিকের ডোজ ও পিরিয়ডের উপর।এক নাগারে অনেক দিন ৭-১৪দিন দিলে লিভারের উপর প্রভাব পড়ে আবন ডিস ব্যাক্টেরিওসিস হয় এতে ভিটামিন মিনারলের ঘাটতি হয় ফলে ডিমকমে যায়।
তবে মেইন কারণ
অসুস্থ মুরগি খাবার ও পানি কম খাওয়া।তাছাড়া রিপ্রডাক্টিভ সিস্টেম ড্যামেজ হবার কারণে ডিম তৈরি হতে পারে না।
মেডিসিন গুলোও অনেক সময় তিতা হয় যার কারণে পানি কম খায় আর পানি কম খেলে ডিম কমে যাবে।
গ্রোয়িং এর সময় টিয়ামোলিন দেয়া যাবে না।
প্রডাকশন মুরগিতে এন্টিকক্সি দেয়ার দরকার নাই কারণ প্রডাকশন মুরগিতে অনেক স্পিসিস ই রেজিস্ট্যান্ট হয়ে যায় ,তাছাড়া লিটারে না থাকার কারণে কক্সির সম্বাবনাও কম থাকে,দিলেও এম্পোলিয়াম বা সালফাক্লোজিন দেয়া যাবে।অন্য গুলো দিলে ডিম কমে যায়,ডিমের কালার সাদা হয়,কুদুমের কালার ও স্বাদ পরিবর্তিত হয়ে যায়।
১৪।রুট(খাবারে,পানিতে বা ইঞ্জেকশন কিনা),ইঞ্জেকশন করার লোক আছে কিনা
১৫।এন্টিবায়োটিক ছাড়া ভাল হবে কিনা
করাইজাতে এন্টিবায়োটিক না দিয়ে সুস্থ করেছিলাম।তাছাড়া লেয়ারে ৬দিন কক্সির চিকিৎসা দেয়ার পর ও ভাল নি।পরে আরো অনেকদিন কক্সি ছিল কিন্তু আমি কক্সির চিকিৎসা আর করিনি।কিন্তু পরে ভাল হয়ে গিয়েছিল,সেলফ লিমিটিং এর নিয়ম অনুযায়ী।
১৬।খামারীর ইচ্ছা/চাহিদা।
খামারি যদি নিজের মত করে চালাতে চায় চালাক সমস্যা নাই কিন্তু ভিজিট টা দিতে হবে।নিজের মত চালালে সমস্যা হলে কথা বলার সুযোগ দেয়া যাবে না।
নোট ২।
পোল্ট্রিতে নরমালী ডাইজেস্টিভ সিস্টেমের উপর এন্টিবায়োটিক সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়,তারপর রেস্পিরটরী সিস্টেম,৩য় ধাপে ইউরিনারী সিস্টেম।
যে অর্গানিজম যে সিস্টেমে থাকে এন্টিবায়োটিক সেই সিস্টেমেই কাজ করে।
পোল্ট্রিতে ডাইজেস্টিভ ও রেস্পিরেটরী সিস্টেমেই মেইনলি অর্গানিজম থাকে এবং রোগ তৈরি করে।
রিপ্রডাক্টিভ,নার্ভাস,ইমোন,কার্ডিওভাস্কোলার,স্কেলেটাল সিস্টেমের উপর ডিজিজ হয় কিন্তু সেখানে এন্টিবায়োটিক তেমন কাজ করে না।তাছারা এয়ারস্যাক ও ইয়ক স্যাকে ও এন্টিবায়োটিক আজ করে না।
 কোন ডিজিজে কোন এন্টিবায়োটিক দেয়া যায়(সব কিছু অবস্থার উপর নির্ভর করে,অনেক সময় মিক্স ইনফেকশন থাকে,তীব্রতা কম বেশি হতে পারে)
১.ব্যাক্টেরিয়াল
 সালমোনেলা,কলিব্যাসিলোসিস
Florfenicol/ Colistin /Neomycin/ Gentamicin. ৫দিন
এমন কি সিপ্রো।এনরো বা লেভো বা পিফকাসসিলিন দেয়া যায়
টাইফয়েডের ক্ষেত্রে জেন্টামাইসিন ইঞ্জেকশন 0.2ml ডিম পাড়া লেয়ারের জন্য ৩-৪দিন(১ম ১২ঘন্টা পর ২য় ডোজ পরবর্তীতে ১দিন পর পর )
নাভিকাচাঃ
এয়ারস্যাক,ইয়ক স্যাকে এন্টিবায়োটিক কাজ করে না তাই এন্টিবায়োটিক দিলেই কাজ করবে এমন না।
তবু আমরা এমোক্সিসিলিন,ফ্লোরফেনিকল বা কসুমিক্স প্লাস দিতে পারি ৪-৫দিন।
টাইফয়েডঃ
এটা প্রডাকশনের লেয়ারে বেশি হয়,এটা হলে প্রাথমিক স্টেজে হলে ফ্লোরফেনিকল বা জেন্টা বা কম্বাইন্ড বা লেভো/এনরো ৫-৭দিলে ভাল হয়ে যাবে কিন্তু দেরীতে হলে জেন্টা বা রেনামাইসিন এল এ ইঞ্জেকশন লাগবে।
নেক্রোটিক এন্টারাইটিসঃ
Lincomycin/Amoxicillin (combined with clavulanic acid (Augment,S K F Company)/ Cephalexin.
Zinc Bcitracin(Acilin).
এমন কি এনরোর সাথে এসিলিন দেয়া যায়।
৪-৫দিন
কলেরাঃ
Levofloxacin(লেভোলসিন,এসিলেভো)
/Gentamicin(জেন্টাব্যাক
Florfenicol(কলিফ্লোর,সুপারফ্লো
Sulfadiazine+Trimethoprim (combined preparation)(মাইক্রোনিড)
Norfloxacin(নরভেট)
৭দিন
৭দিন পর রেনামাইসিন ৫দিন।
মর্টালিটি বেশি হলে জেন্টা বা রেনামাইসিন এল এ ইঞ্জেকশনই সবচেয়ে ভাল ডিম পাড়া লেয়ারে ০.5 ml রেনামাইসিন ২দিন পর পর মাংসে ৩বার(0.2ml Genta ৩-৪দিন মাংসে)
করাইজাঃ
ভাল হতে ২-৪ সপ্তা লাগে।
Sulfa drugs(কসুমিক্স প্লাস,এটিভেট,সাল্প্রিম,রেনাট্রিম ৫-৬দিন
Tetracyclines (Doxycycline, CTC, OTC)  ৫-৭দিন.
কসুমিক্স প্লাস আড়াই গ্রাম /লিটারে ৫দিন ২বেলা।সমস্যা দেখা দিলে আবার ৩দিন
মাইকোপ্লাজমোসিসঃ
Tiamulin(ডেনাগার্ড,রেনাগার্ড,টিয়াভেট,মাইকোগার্ড,মেগাগার্ড) (প্রডাকশনের লেয়ারে)+ Tetracycline.
Erythromycin+ Sulphadiazine+Trimethoprim(combined pre.(মাইক্রোনিড,ইরাইভেট,ফিরম্যাক প্লাস).
Tylosin + Tetracycline (usually Doxycycline)
 Tilmicosin(এভটিল,টিকোসিন,টিল্মিসিন + Tetracycline
Tylvalosin(টিল্ভাসিন,টিল্ভাভেট)
৩-৫দিন
 সি সি আর ডিঃ
 Florfenicol(কলিফ্লোর,সুপার ফ্লো+Neomycin
Colistin(লিস্টিন ভেট)+ Tetracycline
Levo,enro(ট্রেড নাম লেভোক্সিন,এসিলেভো,লিওভেট,লেভোব্যাক)
Micronid/Firmac plus
৪-৫দিন
ডার্মাটাইটিস/স্টেফাইলোকক্কাস(বাম্বল ফুট)
Cephalexin/Cipro/Amoxycilin
২। ভাইরাল
শুধু সেকেন্ডারী ইনফেকশনের জন্য এন্টিবায়োটিক দেয়া হয়।ভাল হওয়া বা না হওয়া,মর্টালিটি নর্ভর করে ভাইরাসের স্টেইন,স্ট্রেস,কোন ইনফেকশন ও ব্যবস্থাপ্নার উপর নির্ভর করে।
রানিক্ষেত,এ আই( এইচ৯)
Quinolones (levofloxacin, Norfloxacin etc.) + Neomycin/Colistin/Gentamicin
Cipro(সিপ্রো ২০,সিপ্রিল,সিপ্রোসিন)
৫-৬দিন
তারপর নিচের এন্টিবায়োটিক প্রয়োজন হলে ৪-৫দিন
Sulfa drugs(সুপারমেড টি এস,মিরামিড)
Florfenicol alone or with neomycin/colistin/gentamicin
৫-৭দিন।
খাবার কম খেলে বা মর্টালিটি বেশি হলে অক্সিটেট্রাসাইক্লিন এল এ ইঞ্জেকশন প্রডাকশন লেয়ারে ০.5মিলি করে ৩বার ২দিন পর পর মাংসে
রানিক্ষেতঃ
রানিক্ষেতের ধরণের উপর ভিত্তি করে চিকিৎসা হবে।
ভেলোজেনিক হলে আর ডি বি টিকা দিতে হবে।
লেন্টোজেনিক রানিক্ষেত হলে ্লাসোটা/ক্লোন টিকা দিতে হবে
রোলিং ইনফেক্সন(টাইটারের ইউনফর্মিটি খারাপ হলে) ক্লোন টিকা দিয়ে কিল্ড টিকা
টাইটার বেশি হলে কিল্ড টিকা
 গাম্বোরুঃ
নরমালি ৪-৫দিনেই ভাল হয়ে সেকেন্ডারী ইনফেকশনের জন্য এক্তা এক্টা এন্টিবায়োটিক দেয়া যায়।
Quinolones (levofloxacin,Ciprofloxacin, Norfloxacin etc.)
Florfenicol alone.
জেন্টা বা সালফার ড্রাগ না দেয়াই ভাল।
ব্রংকাইটিসঃ
আই বি ভাল হতে ১-২ মাস লাগে তাই সময় পার করতে হবে।শুধু নরমাল সাপোর্টিভ চিকিৎসা দিলেই হবে।
Quinolones/Tetracyclines/Macrolids.
 জেন্টা বা সালফার ড্রাগ না দেয়াই ভাল
আই বি এইচঃ
এন্টিবায়োটিক না দেয়াই ভাল
তবে কিডনিটনিক,লিভার টনিক
ইসেল
৪-৬দিন তারপর নিচের গুলো ৫০৬দিন।এরপর এমনিতেই ভাল হয়ে যাবে।
এডিই
গ্লকোজ
সি
মেরেক্স,লিউকোসিসঃ
কোন চিকিৎসা নাই তবে
খামারিদের জন্য  রিফেন্স,এলিকম,কালোজিরা লিভার টনিক,কিডনি টনিক ধারাবাহিকভাবে ১-২ মাস দেয়া যায়।
★Use antibiotics according to co-infection of other bacteria( Respiratory or Digestive signs). Here supportive treatment is main.
জেন্টা বা সালফার ড্রাগ না আদেয়াই ভাল
পক্সঃ
পক্স ভাল হতে ১৫-৩০দিন লাগে তাই নরমাল চিকিৎসা দিয়ে সময় পাড় করতে হবে
Sulpha drugs
Cipro.levo,Enro
Amoxycillin
৫-৬দিন ।
তারপর সি ও এডিই ৪-৫দিন
জি ডি(গ্রেংগ্রেনাস ডার্মাটাইটিস)
Cipro,Enro,Amoxycillin
৩)মেটাবলিক ডিজিজ
গাউটঃ
চিকিৎসায় ভাল রিজাল্ট পাওয়া যায় না।খামারীদের চিকিৎসা করতে হবে
খাবার ৩-৪ ঘন্টা বন্ধ রাখতে হবে
টক্সিন বাইন্ডার
ভিনেগার
৪-৫দিন দিয়ে পরে নিচের গুলো ৩-৫দিন দিলে এমনিতেই ভাল হয়ে যাবে।
এলোরল ১মিলি ১লিটারে ৩-৪দিন
এডিই দেয়া যায় ৩-৪দিন
এন্টিবায়োটিক দেয়ার দরকার নাই কলিব্যাসিলোসিস হলে এমোক্সিসিলিন বা সেফালেক্সিন ৪-৫দিন দেইয়া যায়।
এসাইটিসঃ
চিকিৎসায় কাজ হবে না তবে খামারোদের চিকিৎসা দিতে হয়।
 এন্টিবায়োটিক দেয়ার দরকার নাই তবে কলিব্যাসিলোসিস হলে সেফালেক্সিন বা এমোক্সিসিন ৪-৫দিন
তারপর
ইসেল
নেফ্রোকেয়ার
৪-৫দিন
ফ্যাটি লিভারঃ
 টক্সল
ক্লোলিন ক্লোরাইড
৪-৫দিন
তারপর নিচের গুলো ৪_৫দিন
লিভার টনিক
ই সেল
কে
মাইকোটক্সিনঃ
টক্সিন বাইন্ডার
লিভারটনিক
৫-৬দিন
তারপর নিচের গুলো ৪-৬দিন
ভিটামিন মিনারেলস
নিউট্রিল্যাক
ব্রুডার নিউমোনিয়াঃ
টাইলোসিন +নিওমাইসিন
বা
এমোক্সিসিন(রেনামক্স)
বা এনরোসিন
তুতে
টক্সিন বাইন্ডার( টু প্লাস বা অরিগো প্লাস)
Please follow and like us:

About admin

Avatar

Check Also

AMR (Antimicrobial Resistance) নিয়ে আমাদের দায়বদ্ধতা ঃডা আবু বকর (এল ডি ডি পি)

AMR (Antimicrobial Resistance) নিয়ে আমাদের দায়বদ্ধতা বাস্তব পরিপ্রেক্ষিতঃ (১) অসচেতন সেবাগ্রহীতাঃ প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষি ও ...

Translate »
error: Content is protected !!