টাইটারের জন্যএইচ এ এবং এইচ আই টেস্ট কিভাবে করতে হয়,১% আর বি সি কিভাবে বানাতে হয়(শর্ট টেকনিক সহ)

টাইটারের জন্যএইচ এ এবং এইচ আই টেস্ট কিভাবে করতে হয়,১% আর বি সি কিভাবে বানাতে হয়(শর্ট টেকনিক সহ)

এইচ এ টেস্ট প্রসিডিউরঃ

এটার জন্য লাগবে(P) পি বি এস,(A)এন্টিজেন,(R)আর বি সি(PAR) এই PAR মনে রাখলেই হবে।কোন টার পর কোন টা দিবো তা PAR মনে রাখলেই হবে।

১.৫০ মাইক্রোমিলি  পি বি এস ১২ ঘরে দিতে হবে।

২.৫০ মাইক্রোমিলি টিকা ১২ ঘরে ২ডাইলোশন করতে হবে এবং ১২ নাম্বার ঘর থেকে ৫০মিলি আউট করে দিতে হবে।

৩.৫০মাইক্রো মিলি ১% আর বি সি দিতে হবে ১২ ঘরে।

৩.৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে।৩০মিনিট পর বাটোনিং দেখতে হবে।

রুমের তাপমাত্রা হবে ২০-২৪ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট।নরমাল লাসোটা/ক্লোন টিকা দোকান থেকে কিনে ১০০০ ডোজ হলে তার সাথে ৫মিলি পিবিএস বা ডিস্টিল পানি মিশিয়ে নিতে হবে।

বাটোনিং থেকে ৪এইচ এ ৩ঘর দূরে থাকে ।বাটোনিং যদি ১০ নাম্বার ঘরে হয় তাহলে ৪এইচ এ হবে ৭নাম্বার ঘর।বাটোনিং বলতে আর বি সি জমা হয়ে লাল হওয়া কে বুঝায়।বাটোনিং গুনতে  হবে ১২ নাম্বার ঘর থেকে আর তা  জ্যামিতিক হারে বাড়তে থাকে যেমন ১নাম্বার ঘর থেকে ডান দিকে ২,৪,৮,১৬,৩২,৬৪,১২৮ হবে।৪এইচ ঘর পর্যন্ত যাব।

১নাম্বার ঘরকে ২ ধরে ২নাম্বার ঘর ৪,তারপর ৮,১৬,৩২,৬৪,১২৭.৭নাম্বার ঘর ১২৭ যা দিয়ে ৪৪০০কে ভাগ করে ভ্যাক্সিনের(এন্টিজেন) পরিমাণ বের করা হয়।

বিভিন্ন কোম্পানীর ক্ষেত্রে বাটোনিং বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে(ভ্যাক্সিনের ইফিকেসির উপর ভিত্তি করে) । বাটোনিং  যদি ৯ আসে তাহলে  ভ্যাক্সিন  লাগে ৬৮(৭০)মিলি।

১% আর বি সি বানানোর নিয়মঃ

এটার জন্য লাগবে ই ডি টি এ মিশ্রিত ডিস্টিল পানি, ১-২মিলি রক্ত,টেস্ট টিউব,সিরাম,সেন্টিফিউজ মেশিন,মাইক্রোপ্লেট,

রক্ত কালেকশনের আগে ই ডি টি এ পাউডার বা ই ডি টিএ  পাউডার মিশ্রিত  ১-২মিলি পানি টিউবে নিয়ে মুরগি থেকে ১মিলি রক্ত কালেকশন করতে হবে।এতে মোট ২-৪মিলি১-২মিলি রক্ত টিউবে জমা হবে।

কালেকশন কৃত ২-৪মিলি রক্তের সাথে আরো ৮-১০মিলি ডিস্ট্রিল পানি মিক্স করে সেন্ট্রিফিউজে  ৩০০০আর পি এমে ঘুরাতে হবে প্রায় ৩মিনিট।ঘুরানোর পর টিউবের উপর থেকে সাদা পানি ড্রপার দিয়ে বের করে ফেলে দিতে হবে কিন্তু টিউবের নিচে জমা হ ওয়া আর বি সি ফেলা যাবেনা।এভাবে ৩বার করতে হবে।৩বারের শেষে টিউবে যে আর বি সি জমা হল সেখান থেকে প্রতি টেস্টের জন্য ৫০ মাইক্রোমিলি আর বি সি ৫মিলি পি বি এসের সাথে মিক্স করলেই ১% আর বি সি হবে।সেটা দিয়ে টেস্ট করা হয়.২টি টেস্ট করলে ১০মিলি পি বি এসের সাথে ১০০মাইক্রোমিলি আর বি সি মিক্স করতে হবে।

নোটঃএক্টা টেস্টের জন্য ৫মিলির কম এন্টিজেন মিশ্রিত পি বি এস এবং  ৫০ মাইক্রোমিলি ১% আর বি সি মিশ্রিত পি বি এস লাগে।মানে প্রায় ১০মিলি পি বি এস লাগে।এক্টা টেস্ট বলতে ৮টি স্যাম্পলের একটা প্লেটের টেস্টকে বুঝায়।যা নরনালী ১০০০-২০০০ মুরগির জন্য করা হয়।

এই রক্ত গরমের সময় ৩০-৬০ মিনিট আর শীতের সময় ১-৩ ঘন্টা রেখে দিতে হবে সিরাম আলাদা হবার জন্য।আলাদা হয়ে গেলে ১টা মাইক্রো প্লেটে ঢেলে নিতে হবে।

সিরাম ফিজে রেখে ৭-১৪দিনপরেও টেস্ট করা যায়।ডিপে ও রাখা যায়।তবে সিরাম আলাদা করার পর রাখতে হবে।

১% আর বি সি ১দিনের বেশি রাখা যাবে না।প্রতিদিন করাই ভাল।

ইচ আই টেস্ট প্রসিডিউরঃ

এটার জন্য লাগবে পি বি এস, সিরাম,এন্টিজেন,আর বি সি।PSAR(PBS,Serum,Antigen,R B C)

১।৫০ মাইক্রো মিলি পিবিএস ১২ ঘরে দিতে হবে।

২।১ম ঘরে ৫০ মাইক্রো মিলি সিরাম দিয়ে পরে ২ফ্লোড ডাইলোশন করতে হবে ১১ ঘর পর্যন্ত।

৩।পরে ১১ ঘর থেকে  ৫০ মিলি ফেলে দিতে হবে।এরপর ৫০মাইক্রোমিলি ৪এইচ এ টিকা ১১ ঘরে দিয়ে ৩০-৪৫ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে।

৪.৩০-৪৫মিনিট পর ৫০মাক্রোমিলি ১% আর বি সি ১২ ঘরে দিতে হবে এবং ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে টিয়ারিং দেখতে হবে।প্লেট গুলোকে৩০-৪৫ডিগ্রি করে কাত করে টিয়ারিং কাউন্ট করতে হবে।টিয়ারিং মানে প্লেটের গর্তে আর বি সি হেলে যাওয়া।

কোন টার পর কোনটা দিবো তা মনে রাখা কঠিন হলে নিচের সূত্র মনে রাখলেই হবে।

PSAR(PBS,Serum,Antigen,R B C)

।নোটঃ৪এইচ এ টিকা হল পি বি এস এর সাথে মিশ্রিত টিকা ।কতটুকু ভ্যাক্সিন  পি বি এসের সাথে দিতে হবে তা এইচ এ টেস্ট করে বুঝা যায়।

১১ ঘর গুণ ৮ঃ৮৮টি ঘর।প্রতি ঘরে ৫০মিলি করে দিলে মোট লাগবে ৪৪০০মিলি। এর মধ্যে ভ্যাক্সিন থাকবে সামান্য বাকি অংশ হল পি বি এস।

আমরা ১১ ঘর ধরলাম কারণ ১২ নাম্বার ঘরে ভ্যাক্সিন মিশ্রিত পি বিএস দিবো না।

পি বি এস ট্যাব্লেট কিনতে পাওয়া যায় ১টা ৮০টাকা করে যা ১০০ মিলি ডিস্টিল পানির সাথে মিশাতে হয় ।এই পানি ফিজে রেখে ব্যবহার করা যায়।

পি বিএ এস পানি বিভিন্ন উপাদান কিনে বাসায় নিজেও বানানো যায় এতে খরচ কম পড়।

আবার ৪.৫০ গ্রাম ০.9% সোডিয়াম ক্লোরাইড ৫০০ মিলি  ডিস্ট্রিল পানির সাথে মিশিয়েও বানানো যায়।

সামান্য অংশ যে ভ্যাক্সিন লাগবে তা এইচ আই টেস্টের  মাধ্যমে আমরা  উপরের এইচ এ টেস্টের মাধ্যমে বের করলাম ।

১টা সূত্র মনে রাখলে ভ্যাক্সিনের পরিমাণ জানা যায়।

বাটোনিং যদি ৭হয় তাহলে ভ্যাক্সিন  মিশাতে হবে ৪৪০০/১৬ঃ২৭৫(২৮০) মিলি বাকি অংশ পি বি এস.২টা মিলে হবে ৪৪০০।

বাটোনিং ৮ হলে ভ্যাক্সিন লাগবে ৪৪০০/৩২ঃ১৩৭.৫(১৪০)মিলি

বাটোনিং ৯ হলে ভ্যাক্সিন ৪৪০০/৬৪ঃ৬৮.৭৫(৭০)মিলি

বাটোনিং ১০ ঘরে হলে ৪৪০০/১২৮ঃ৩৪.৪(৩৫)বাটোনিং ১১ ঘরে হলে ভ্যাক্সিন ১৮ বা২০মিলি।

৩০-৪৫ মিনিট পর ১% আর বি সি দিতে হবে ১২ ঘরে,

৩০ মিনিট অপেক্ষা করার পর প্লেট কে ৩০-৪৫ ডিগ্রি কাত করে টিয়ারিং দেখতে হবে।

টিয়ারিং মানে হেলানোর পর প্লেটের দেয়া মিশ্রন নিচের দিকে হেলে যাবে ।এই হেলে যাওয়া ঘর গুনতে হবে ১টা  থেকে শুরু করে ১১ ঘর পর্যন্ত।

১২ নাম্বার ঘর কন্টোল ।এটা দেখতে হবে হেলচে কিনা যদি হেলে বুঝতে হবে ১% আর বি চি ঠিক আছে।

কোন টুলস কি কাজে লাগেঃ

মাইক্রো সিংগেল পিপেট দিয়ে ১% আর বি সি,পি বিএস,সিরাম মাপা যায় ।১০-১০০.১০০-১০০০ মাইক্রো পর্যন্ত আছে।

টিপসঃসাদা সিরাম রাখার জন্য

হলুদ টিপস দিয়ে পি বি এস ,এন্টিজেন,আর বি সি দেয়া হয়.১টা টেস্টে প্রায় ২৪-২৫টা টিপস লাগে।

প্লেটঃপাওয়ার টেস্ট/এইচ এ  এবং টাইটার ও এন্টিজেনের  জন্য কাজে লাগে

মাল্টি পিপেটঃপি বি এস,এন্টিজেন/ভ্যাক্সিন,আর বি সি,এটা ১০-১০০এ এবং ৩০-২০০ মাইক্রো পর্যন্ত আছে।

পি বি এস কেন দেয়া হয়ঃ

পি এইচ ঠিক রাখার জন্য

আর বি সির সেল ভাল রাখার জন্য।

সেন্টিফিউজ কেন করা হয়

আর বি সি আলাদা করার জন্য

রক্তের অপ্রয়োজনীয়  উপাদান,এন্টিবায়োটিক,ভ্যাক্সিন দূর করার জন্য।

১টা টেস্টের জন্য ৫০ মাইক্রোমিলি ১% আর বি সি লাগে।২টাস টেস্টের জন্য ১০০মাইক্রোমিলি  লাগে।তাই আর বি র জন্য ২-৩মিলি রক্ত আনলেই হবে।এই রক্তের সাথে ৩গুণ পি বিএসের পানি মিশিয়ে ৩বার ২৫০০-৩০০০ আর পি এমে ঘুরিয়ে সেন্টিফিউজ করা হয়।প্রতিবার সেন্টিফিউজ করার পর উপরের পানি ফেলে দিতে হয়।আবার নতুন পি বিএস দিয়ে আবার সেন্টিফিউজ করে পানি ফেলে দিয়ে আবার পানি দিয়ে সেন্টিফজ করে  টিউবের নিচে জমা হওয়া রক্তেই ১% আর বি সি।পিবিএসসে পানি দিয়ে ১০-১২ মিলি করে সেন্টিফিউজ করা হয়।১টা টিউবে ১২ মিলি নেয়া যায়।

টেস্টের জন্য প্রতি মুরগি থেকে০.৫ -১ মিলি রক্ত লাগে/১০০০ মুরগি থেকে ৮টি মুরগির নিতে হয়।

Scroll to Top