১। মুরগির ডিম হঠাৎ কমে কেন?
সাধারণত এগ ড্রপ সিনড্রোম (EDS), রানীক্ষেত, এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা, ইনফেকশাস ব্রংকাইটিস (IB), ফাউল কলেরা, ফাউল পক্স এবং এভিয়ান এনসেফালোমায়েলাইটিস (AE) রোগে ডিম হঠাৎ কমে যেতে পারে।
২। মুরগির ডিম ধীরে ধীরে কমে কেন?
মাইকোটক্সিন, খাদ্য ও পানির ত্রুটি, আলোর ভুল ব্যবস্থাপনা, উকুন, কৃমি, কক্সিডিওসিস, এভিয়ান লিউকোসিস এবং কিছু এডেনোভাইরাস সংক্রমণে ডিম ধীরে ধীরে কমে।
৩। ইনফেকশাস ব্রংকাইটিস (IB) হলে ডিমে কী পরিবর্তন হয়?
IB হলে ডিমের সংখ্যা কমে যায় এবং খোসা পাতলা, সাদা বা বিকৃত হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে উৎপাদন আগের অবস্থায় পুরোপুরি ফিরে আসে না।
৪। EDS ও IB-এর মধ্যে পার্থক্য কী?
EDS মূলত ডিম উৎপাদন ও ডিমের খোসার মান নষ্ট করে, অন্যদিকে IB ডিম উৎপাদনের পাশাপাশি শ্বাসতন্ত্র ও ডিম্বনালীতেও প্রভাব ফেলে।
৫। কোন রোগগুলো পৃথিবীব্যাপী বেশি দেখা যায়?
মেরেক্স, গাম্বোরো (IBD), রানীক্ষেত, ইনফেকশাস ব্রংকাইটিস (IB) এবং এভিয়ান এনসেফালোমায়েলাইটিস (AE) বিশ্বের অধিকাংশ দেশে দেখা যায়।
৬। কোন রোগগুলো অঞ্চলভেদে বেশি দেখা যায়?
মাইকোপ্লাজমোসিস, করাইজা, কলেরা, সালমোনেলোসিস, ILT, EDS, ফাউল পক্স এবং এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা অনেক ক্ষেত্রে অঞ্চলভেদে বেশি দেখা যায়।
৭। ডিম কমলে কীভাবে রোগ নির্ণয় করা উচিত?
শুধু ডিম কমার উপর নির্ভর না করে হিস্ট্রি, ক্লিনিক্যাল লক্ষণ, পোস্টমর্টেম এবং প্রয়োজনে ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নিশ্চিত করা উচিত।
৮। ব্যবস্থাপনাগত কারণে কি ডিম কমতে পারে?
হ্যাঁ। খাদ্য, পানি, আলো, তাপমাত্রা, বায়োসিকিউরিটি, অতিরিক্ত স্ট্রেস এবং ঘনত্বের সমস্যা থাকলে ডিম উৎপাদন ধীরে ধীরে কমে যেতে পারে।