Breaking News
ডিমের পুস্টি গূণ
ডিমের পুস্টি গূণ

পোল্ট্রি ডিম নিয়ে বিস্তারিত,যত জানবেন তত খাবেন। ডিম খান,সুস্থ থাকুন এবং পোল্ট্রি শিল্প কে বাঁচান

ডিমের পুস্টি গূণ

পোল্ট্রি ডিম নিয়ে ভ্রান্ত ধারণা ঃ

প্রোটিনের বায়োলজিক্যাল ভ্যালু

ডিমে   প্রায় ৯৫।দুধের ৮৫।মাংসের ৭০।

ডিম  দুধ ও মাংসের চেয়ে সস্তা ও সহজলভ্য।

ডিম সহজপাচ্য  খাদ্য যা  শিশু,বৃদ্ধ,মহিলা,পুরুষ,সুস্থ-অসুস্থ সব ধরনের মানুষের জন্য  ভাল।হাঁস,মুরগি ও কোয়েল এর ডিম সাধারণ মানুষের কাছে প্রিয় ।

বিভিন্ন পাখির ডিমের আকার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে।

যেমন-হাঁসের ডিমের ওজন-৭২-৮০গ্রাম,মুরগির ডিম:৫৫-৬৩ গ্রাম,

দেশি মুরগির ডিম ৪৫ গ্রাম,কোয়েল এর ডিম:১০-১২গ্রাম।

৫০ গ্রাম ওজনের একটি ডিমের পুষ্টিগুণ

১) এনার্জি পরিমাণ-৭৮ কিলো ক্যালরি
২) ফ্যাটের পরিমাণ-৫ গ্রাম
ক)স্যাচুরেটেড ফ্যাট-১.৬গ্রাম
খ)পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট-০.৭২ গ্রাম
গ)মনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট-২ গ্রাম
৩)কোলেস্টেরল -২৬০.৫ মিলিগ্রাম
৪)সোডিয়াম-৬২ মিলিগ্রাম
৫)পটাশিয়াম-৬৩ মিলিগ্রাম
৬) শর্করা  ০.৬গ্রাম
৭) আমিষ৬ গ্রাম
৮)ভিটামিন ‘ এ’ – ৫%
৯)ভিটামিন ‘ ডি ‘ – ১৬%
১০)ক্যালসিয়াম- ২ %
১১)ভিটামিন বি ১২- ১২ %
১২)ভিটামিন বি ৬ -৫ %
১৩)আয়রন – ৩ %
১৪)ম্যাগনেসিয়াম -১ %

একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের দিনে ক্যালোরির দরকার ২০০০-৩০০০ ক্যালোরি।

ডিমের ওজন ভেদে ক্যালোরির পরিমাণ:–

১)৩৩ গ্রামের ডিম (small )-৫৪ ক্যালোরি
২)৪৪ গ্রামের ডিম (medium  )-৬৩ ক্যালোরি

৩)৫৫ গ্রামের ডিম (large )-৭২ ক্যালোরি
৪)৬০ গ্রামের ডিম ( exta large ) -৮০ক্যালোরি
৫)৬৫-৭০ গ্রামের ডিম (jumbo  )-১০০ ক্যালোরি।

ডিমের বিষয়ে ভ্রান্ত ধারণা ঃ
১)ডিমের মধ্যে ক্যালোরি অনেক বেশি। তাই গ্রীষ্মকালীন সময়ে ডিম খাওয়া উচিত নয়।
অথচ একটি৬০ গ্রাম ওজনের ডিমের মধ্যে মাত্র ৮০ কিলো ক্যালরি এনার্জি রয়েছে।কিন্তু একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের জন্য  দিনে প্রায় ২২০০ কিলো ক্যালরি এনার্জি দরকার।

২)আজ কাল প্রায়শই রটনা শোনা যায় যে ,পোল্ট্রি ডিমের মধ্যে কোলেস্টেরল মাত্রা অনেক বেশি যা মানুষের হৃদরোগের জন্য দায়ী। ৫৮ গ্রামের ওজনের একটি ডিমের মধ্যে কোলেস্টেরল মাত্রা ২৭৫ মিলিগ্রাম কিন্তু একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের জন্য দৈনন্দিন ১৮০০ -২০০০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল দরকার। যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।

অন্যদিকে একজন পূর্ণ বয়স্ক ভেজেটারিয়ান তৈলাক্ত খাবার খেয়ে বেশি পরিমাণে কোলেস্টেরল গ্রহণ করে।The scientific study published in one “American Agriculture Journal “-says, egg contains only 275 mg of cholesterol and about 1800-2000 mg cholesterol is utilised daily by human body.

Rather other oily vegetarian foods contain more cholesterol and cholesterol has negative feedback mechanism action in human body.

This also rules out misconception about cholesterol in egg. On the contrary, recent research says egg has anticancerous properties,therefore everybody should consume egg.

৩) পো্ল্ট্রি ডিম সংক্রান্ত সাধারণ মানুষের মধ্যে আরো বিতর্ক রয়েছে।

ডিম ভেজেটারিয়ান নাকি নন-ভেজেটারিয়ান ।

ফিমেল  পোল্ট্রির ডিম পাড়া প্রকৃতি প্রদত্ত একটি স্বাভাবিক  ও নিয়মিত শারীরিক প্রক্রিয়া যার জন্য মেল এর দরকার নেই।

শুধুমাত্র উর্বর ডিম  এর জন্য মেল  দরকার হয়। যা থেকে বাচ্চা ফোটানো হয়।তা’হলে ডিম হলো দু’ধরনের।

উর্বর ডিম (fertile egg) এবং অনুর্বর ডিম (non-fertile egg) ।

অনুর্বর ডিম অর্থাৎ non-fertile egg হলো ভেজেটারিয়ান ডিম (vegetarian egg)।
এই অনুর্বর ডিমকে কমার্শিয়াল ডিম বলা হয়ে থাকে।যার সাথে মেল পোল্ট্রির মিলন ঘটানো হয় না।

আর এই অনুর্বর ডিমকে  ভেজেটারিয়ান ডিম হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছেন মহাত্মা গান্ধী।

Mahatma Gandhi,who was a great admirer of principle of non-violence.

তো একজন পূর্ণ বয়স্ক সুস্থ মানুষ  দিনে দুই থেকে তিনটি ডিম অনায়াসে খেতে পারবে।

তবে যদি কারো হৃদরোগ বা ডায়াবেটিস রোগ থেকে থাকে তা’হলেও তিনি দৈনিক একটি সিদ্ধ ডিম অনায়াসে খেতে পারবেন।

ডিম সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য – সাদা ডিম অপেক্ষা লাল ডিমে পুষ্টি উপাদান রয়েছে বেশি।

এছাড়াও কমার্শিয়াল ডিমের চেয়ে মুক্তভাবে পালিত মুরগির ডিমে পুষ্টগুণ বেশি।

তবে মুক্তভাবে পালিত মুরগির ডিমে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতি বেশি। কারণ মুক্তভাবে পালিত মুরগি অনেক ধরনের বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ভক্ষণ করে থাকে। যা খাঁচায় পালিত মুরগির ক্ষেত্রে ভক্ষণ করা সম্ভব নয়। যদি খাঁচায় পালিত মুরগির খাদ্য ভেজাল মেশানো না থাকে।

Vegan : – A person who does not eat or use animal product. Like as milk and milk byproducts. They eat only plant source.
Vegetarian : – plant source and lacto source,they eat lacto-ovo sources.

ডিম সিদ্ধ করলে পুষ্টিগুণ কমে যায় না কিন্তু বেশি দিন সংরক্ষণ করলে ভিটামিন ‘এ ‘ এর পুস্টি গুণ কমে যায়।
কাঁচা ডিম ভক্ষণ করলে পৌরুষত্ব বেড়ে যায় কিন্তু সালমোনেলা জীবাণু সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে।
অনুর্বর ডিম অপেক্ষা উর্বর ডিমের পুষ্টিগুণ বেশি। কিন্তু যারা lacto-ovo vegetarian তারা fertile egg ভক্ষণ করতে রাজি নন।

কারণ fertile egg কে তারা জীবন্ত বস্তু মনে করেন। যেহেতু fertile egg থেকে বাচ্চা উৎপাদন হয়।

ডিম নিয়ে বিদেশী ও বাংগালীদের তুলনা

উন্নত দেশে বছরে গড়ে ডিম খায় ২০৪টি আর বাংগালী খায় ৯২টি।জাপান ,মালয়েশিয়া এসব দেশে বছরে ৩০০টির বেশি ডিম খায়।বাংগালী কম খায় কারণ ডিম সস্তা ।যদি ডিম বিদেশ থেকে আসত আর দাম যদি বেশি হত তাহলে বেশি খেত।

যেমন বিদেশি ফলঃআপেল,আংগুর,মাল্টা বেশি খায় কারণ এতে ফরমালিন আছে,দাম ও বেশি।পেয়ারা,কলা,কাঠাল,আমড়া,জাম্বোরা,আমলকির দাম কম,ফর্মালিন/প্রিজার্ভেটিভ নাই তাই আমরা বেশি খায় না।

এখন পর্যন্ত দেশে কেউ নকল ডিম পায়নি।গুজব ছাড়ানো হচ্ছে যাতে পোল্ট্রি শিল্প ধবংস হয় ,এতে হয়ত কারো লাভ হবে।অনেকে না জেনে কৌতূহলবশত ফেসবুকে শেয়ার দিচ্ছে।সব্জি এবং ফলমূল ও মাছে যেমন বিভিন্ন রোগের কারণে সাইজ ও কালারে পরিবর্তন হয় তেমনি ডিমেও হয়।এটা নরমাল,তাই বলে সাদা কালার,ছোট,আকাবাকা,খোসা পাতলা হলে এটা নকল ডিম তা সত্যি না।এই সমস্ত ডিম খাওয়া যাবে এবং কোন সমস্যা নাই।আমি নিজে  সব ধরণের ডিম খায় এবং আপনিও খেতে পারেন।

বাংলাদেশের মানুষ এমনিতে অপুস্টিতে ভুগে তাই এই সস্তা ডিম আমাদের জন্য আশীর্বাদ।আমাদের নিজেদের স্বার্থেই ডিম খাওয়া উচিত।এত সস্তায় এত পুস্টিগুণে ভরা দেশে কোন খাবার নাই।

@@

৮% টাকা খরচ করে একজন লোক তার চাহিদার ২০% পূরণ করতে পারে ১টি ডিম দিয়ে।স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের লোকেরা তাদের খাবারের প্রধান উপাদান শর্করা ( চাল ও গম )যা ডায়াবেটিক রোগ সৃস্টিতে সাহায্য করে।শর্করা থেকে  এনার্জি আসে ৫০-৬০% ,প্রোটিন থেকে ক্যালোরি আসে ২০-৩০%  যা দিয়ে ২৫০০ ক্যালোরি এনার্জির চাহিদা পূরণ করে।দিনে প্রোটিন দরকার ৬০-৬৫ গ্রাম।স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের লোকদের তেল জাতীয় খাবার পরিমাণ ১০% এর কম ফলে ভিটামিন এ ডি,ই , কে ও এসেন্সিয়াল ফ্যাটি এসিডের ঘাটতি থাকে।এর ফলে ইমোনিটি কম থাকে এবং স্নায়ু তন্ত্র ঠিক মত কাজ করতে পারেনা,প্রতিবন্ধী বেশি হয়।গুরুত্ব পূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।মিটিং এর পর মিটিং করে যায়।কারন ব্রেইন নেট ওয়াক পায়না পুস্টির ঘাটতির কারণে।

ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ডিম ও ফ্যাট থেকে যে ক্যালোরি আসে তা বেশি দরকার,তাই বেশি করে ডিম খাওয়া উচিত।শর্করা কমাতে হবে।উন্নত দেশের জনগণ ৪০% ক্যালোরি পায় ফ্যাট (তেল) থেকে আর শর্করা থেকে পায় অল্প।তাই আমাদের দেশের মত জনগণ কে  ডিমের ব্যাপারে উৎসাহিত করতে হবে।

যাদের হার্টের সমস্যা জটিল তাদের ক্ষেত্রে কিছুটা বাধা থাকতে পারে যাদের সংখ্যা  টোটাল জনগণের তুলনায় সামান্য  তাই ডিম নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করা উচিত।এই অপপ্রচার বাংগালি জাতির জন্য ক্ষতিকর হবে ।একজন লোকের জন্য দিনে ক্লোলেস্টেরল দরকার ১০০০-২০০০ এম জি ,এর মধ্যে ৯৫% শরীরে তৈরি হয় বাকি ৫% খাবারের মাধ্যমে পায়।আমাদের শরীরে ক্লোলেস্টেরলের ঘাটতি আছে  তাই আমাদের ডিম খাওয়া উচিত।

হিউম্যান ডাক্তাররা ডিমের ব্যাপারে সচেতনচতা বাড়াতে পাড়ে।অনেকে ক্লোলেস্টেরলের ব্যাপারে বিভ্রান্তি ছড়ায় মানে ক্লোলেস্টেরল বেশি খেলে সমস্যা।যেখানে স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল  দেশের জনগণ তাদের চাহিদাই পূরণ করতে পারে না সেখানে ডিম নিয়ে এসব অপপ্রচার অর্থ হীন।সেক্স হরমোন মানে টেস্টোস্টেরনের চাহিদা পূরণ করতে প্রতিদিন ডিম খাওয়া উচিত।

বয়স,জেন্ডার ও কাজ কর্মের উপর ভিত্তি করে  চাহিদা  কম বেশি হতে পারে।

উন্নত অনেক দেশের মানুষ পনির ,ঘি,চকোলেট,চিপ্স,পিজ্জা খায় এবং ম্যাকডোনালস ও কে এফ সি বিভিন্ন রিচ ফুড খায়।তাছাড়া অনেক দেশে শুকরের হাই চর্বি যুক্ত  মাংস ও খাবার খায় তাই তাদের হার্টে বিভিন্ন সমস্যা বেশি দেখা যায়।আমাদের মত অপুস্টির দেশে অতিরিক্ত ডিম খেয়ে কলোস্টেরলে বেড়ে যাবে এমন ভাবার কোন কারণ নেই ।যার চাহিদাই পূরণ হয় না তার আবার অতিরিক্ত খেয়ে সমস্যা হবার সুযোগ নেই।আমরা এখন বছরে ১০৪টা তাই খাচ্ছি আরো বেশি খেতে হবে।

বাঙ্গালী কার্বোহাইড্রেড বেশি খায় তাই ক্লোলেস্টেরেল বেশি হবার সুযোগ নেই।

ডিম নিয়ে নেগেটিভ কোন কিছুর প্রচার হলে তা এড়িয়ে যাওয়াই আমাদের হেলথের জন্য  মংগল।যারা ডিমের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করে তা্রা  হয়ত এমন কিছু ব্যবসা নিয়ে ভাবতেছে যা ডিমের বিকল্প হবে।আমড়া,বরই ,তেতুল খাওয়ার পর নারকেল টকই লাগে তাই বলে নারকেল টক না।তাই কেউ কেউ  বিভিন্ন ক্লোলেস্টেরল যুক্ত খাবার খেয়ে পরে ডিমের দোষ দেয়।

ডিম খেলে কার লাভ?

যে খাবে তার লাভ কারণ ডিম দাম কম,সবাই কিনতে পারে,সব ভিটামিন মিনারেলস থাকে,হাজার  হাজার খামারীর পরিবার উপকৃত হবে,অর্থনৈতিকভাবে দেশের লাভ হবে।বেকার সমস্যা দূর হবে।এই শিল্পের সাথে জড়িত ৫০ লাখ লোকের জীবিকার সংস্থান হবে।আরো ৫০লাখ লোক জড়িত হবে।
একবার ভেবে দেখেন এমন  খাদ্য উপাদান আর আছে কিনা?আসুন সবাই বেশি করে ডিম খায় শরীরের চাহিদা পূরণ করি।

ডিমের ব্যবহা

শিল্পে

লেদার ট্যানিং(leather tanning),ফটোগ্রাফিক,রাবার,রেজিন ও গ্লো

শ্যাম্পো,ফেসিয়াল ক্রিম

মেডিকেল

সিমেন ডাইলোয়েন্ট(লাইভস্টোক),বার্ন্স এন্টিডট(Burns antidote)

টিকা,ফুড স্টাফ ইন্ডাস্টিস

ডিম খান সুস্থ থাকুন

ডিম কত প্রকার ও কি কি

১।অধিক পুস্টিগূণ সম্বৃদ্ধ ডিমঃ

ডিমের ওজন হবে ৬৫ গ্রাম,এতে বেশি ভিটামিন ও মিনারেলস থাকে,টক্সিন ,পেস্টিসাইড ও এন্টিবায়োটিক্স মুক্ত।

পশ্চিমা দেশগুলোতে এই ডিম পাওয়া যায়।

২।ডিজাইনারস ডিমঃ ভোক্তার চাহিদা অনুযায়ী তৈরি করা হয়।

গাড় হলুদ বা কমলা কালারের কুসুম,দেখতে লোকাল দেশি মুরগির ডিমের মত।

হাইয়ার এন্টিবায়োটিক যুক্ত ডিম:

This egg contains gamma globin bodies which are extracted from serum of horse and fed to hen.

এই ডিমে অনেক এন্টিবায়োটিক্স থাকে এবং ইমোনোমডোলেটর হিসেবে কাজ করে।

৩।ডায়াবেটিস ডিম

খাবারে হার্বস ,ভিটামিন ই ও সেলেনিয়াম দিয়ে যে  ডিম তৈরি করা হয়।

৪।মেমরী ডিম ডায়াবেটিক ডিমের মত

৫।স্টং বোন এগঃ

হাই ভিটামিন ডি যুক্ত ডিম ,যারা সূর্যের আলো ঠিক মত পায় না তাদের জন্য এই ডিম।

৬।অর্গানিক ডিম

মুক্তভাবে পালিত,পেস্টিসাইড,এন্টিবায়োটিকস,হেভি মেটাল  ও ডাইয়ক্সিন মুক্ত ডিম।

Egg is certified by accredited body and diet is approved by agency.

বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়াতে সম্বব না।

৭।ডিজাইনার এগঃ

ইনফার্টাইল,কম ক্লোলেস্টেরল,হাই ওমেগা ফ্যাটি এসিড,ভিটামিন ও মিনারেমস যুক্ত ডিম।

প্রতি ডিমের দাম ৮-১২ রুপি।

৮।কম ক্লোলেস্টেরল,হাই ওমেগা ৩ ফ্যাটি আসিড যুক্ত ডিমঃ

এটি রসুন ,হলুদ,এজোলা,অর্গানিক ট্রেস মিনারেলস,ফ্যাক্স সিড তেল,সার্ডিন ফিশ তেল দিয়ে তৈরি যা ক্লোলেস্টেরল ৩০০ এম জি থেকে ১৮০-১৫০ এম জি তে নিয়ে আসে।

৯।গন্ধ বিহীন ডিম

মুরগির খাবারে ইউকা প্ল্যান্ট এক্সাট (Yucca plant extract) যোগ করা হয় সাথে হার্বস দেয়া হয়.

ইন্ডিয়াতে পাওয়া যায়।

১০।কমলা কালার কুসুম ডিমঃ

খাবারে গাধা ফুলের পাপড়ি,আলফার পাতা,ক্যারুটিনয়েডস,জেন্থোফাইশিস ,মেইজ গ্লুটেন দিয়ে তৈরি করা হয়।

১১।জাম্বো ডিমঃ২ কুসুমের ডিম।

প্রতি মুরগি ১৫-২০ টা ডিম এমন পাড়তে পারে ,লুটিনাইজিং ও পিটোটাইরিং হরমোনের কারণে এমন হতে যদি এই হরমোন রেগুলেটেড না হয়।

ডা এস কে খান্না এবং ডা সোহরবা হুসাইন

আণ্ডা/ডিম্ব/ডিম খাওয়া না খাওয়া নিয়ে তুমুল বিতর্ক রয়েছে।

কেউ বলেন- প্রতিদিন ডিম খাবেন, কেউ বলেন- একদম ডিম খাবেন না, ডিম খেলে মৃত্যুঝুঁকি বাড়ে, আর কেউ বলেন- ডিমের কুসুম বাদ দিয়ে শুধু সাদা অংশ খাবেন, আবার কেউ বলেন- সপ্তাহে বেশি হলে দুটো ডিম খাবেন। এই #কেউরা হলেন আমাদের মিডিয়া, চিকিৎসক এবং অতি উৎসাহী পণ্ডিতরা।——-আমার প্রশ্ন হল, ডিম খাওয়া নিয়ে সমস্যা কি! প্রতিদিন একটি করে ডিম খেলে কি হয়?কোলেস্টেরল ও মৃত্যুঝুঁকি বাড়ে, মানুষ মারা যায়? রাবিশ!! ডিম আর দুধকে বলা হয় আদর্শ খাবার। আপনারা কি জানেন ডিমে কি কি আছে? বলি শুনুন।
ডিমে আছে- প্রোটিন, উপকারী ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট, কোলেস্টেরল ( ১০০ গ্রামে ৩৭৫ মিগ্রা), ভিটামিনের মধ্যে নিয়াসিন, রাইবোফ্ল্যাভিন, প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড, থায়মিন, পিরিডক্সিন, ফোলিক অ্যাসিড, ভিটামিন এ, ভিটামিন ই, ভিটামিন ডি, লিউটিন, জিয়াজেন্থিন, খনিজের মধ্যে রয়েছে- ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ফসফোরাস, পটাশিয়াম, জিঙ্ক, কপার, সেলেনিয়াম, ফ্যাটি অ্যাসিডের মধ্যে আছে- অলিক অ্যাসিড, লিনোলিক অ্যাসিড, লিনোলেনিক অ্যাসিড, আইকোসানোয়িক অ্যাসিড, ডকোহেক্সানোয়িক অ্যাসিড, পাল্মিটিক অ্যাসিড, স্টিয়ারিক অ্যাসিড, আরাচিডোনিক অ্যাসিড এবং ২১ টি গুরুত্বপূর্ণ অ্যামিনো অ্যাসিড।
এখন বলুন কোন খাবারে এতগুলো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে? কোন উপাদানটি শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় নয় বা ক্ষতিকর? কোলেস্টেরল ? কোলেস্টেরল শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী যৌগ। ডিম থেকে কোলেস্টেরল না নিলেও শরীর গ্লুকোজ বা অন্যান্য উৎস থেকে ঠিকই প্রয়োজন মতো পর্যাপ্ত কোলেস্টেরল সংশ্লেষণ করে নেবে। কোলেস্টেরলের মূল উৎস কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা, যা থেকে শরীর ৮৫-৯০ শতাংশ কোলেস্টেরল সিন্থেসাইজ করে এবং ১০-১৫ শতাংশ আসে কোলেস্টেরলসমৃদ্ধ খাবার থেকে। তাই আমাদের শর্করা কম খেয়ে কোলেস্টেরলসমৃদ্ধ খাবার বেশি খাওয়া উচিত। কোলেস্টেরলসমৃদ্ধ খাবার খেলে গ্লুকোজ বা অন্যান্য উৎস থেকে কোলেস্টেরল সংশ্লেষণ কম হবে। সেজন্য ডিম, দুধ, পনির, মাখন, কলিজা, মগজ, মাছ, মাংসের মতো কোলেস্টেরলসমৃদ্ধ সব খাবারই খাবেন। তবে পরিমিত। শুধু শর্করা বা চিনি এবং চিনি ভর্তি খাবার বর্জন করবেন, না হয় একদম কম খাবেন। শাকসবজি, ফলমূল এবং আঁশসমৃদ্ধ খাবার বেশি খাবেন আর ব্যায়াম করবেন। আমি বহু বছর ধরে প্রতিদিন একটি করে ডিম খাই (কখনো দুটো), কোলেস্টেরলসমৃদ্ধ খাবার খাই, ব্যায়াম করি, ভাত-রুটি একদম কম খাই,, চিনিজাতীয় খাবার বর্জন করি, প্রচুর শাকসবজি, ফলমূল খাই। আমার টোটাল কোলেস্টেরল ১২০, এলডিএল ৯৭, এইচডিএল ৩৫, ট্রাইগ্লিসারাইড ১০৫ মিগ্রা।

অধ্যাপক মুনিরউদ্দিন আহমেদ
ফার্মেসি বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Please follow and like us:

About admin

Check Also

পোল্ট্রির(ব্রয়লার) প্রসেস ফুড উৎপাদনকারী কোম্পানী ও তাদের প্রোডাক্টসের নাম ও দাম

পোল্ট্রির(ব্রয়লার) প্রসেস ফুড উৎপাদনকারী কোম্পানী ও তাদের প্রোডাক্টসের নাম ও দাম কোম্পানীর নাম ১।সিপি ২।কাজী …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Translate »
error: Content is protected !!