সূচীপত্র
ক।ভাইরাল ডিজিজ 15
১।লেন্টোজেনিক রানিক্ষেত 15
২।আই বি (ব্রয়লার) 15
৩।ভ্যাক্সিন রিয়েকশন 16
৪।এলার্জি রিয়েকশন 16
৫।মেসোজেনিক রানিক্ষেত 16
৭।সাবক্লিকিনেল রানিক্ষেত 17
৮।গাম্বোরু 17
৯। আই বি এইচ 17
১০।গাউট 17
১১।আই বি(লেয়ার) 18
১২।এইচ ৯(লেয়ার/ব্রয়লার) 18
১৩।এইচ ৫ 18
১৪।এইচ ৭ 18
১৫।নিউমোভাইরাস 19
১৬।মারেক্স 19
১৭।লিউকোসিস 19
১৮।রিও ভাইরাস 20
১৯।পক্স 20
২০।ই ডি এস 20
২১।এভিয়ান এনসেফালোমাইলাইটিস 20
২২।আই এল টি 20
২৩।চিকেন ইনফেকশাস এনিমিয়া 21
২৪।ট্রান্সমিসিবল ভেন্টিকোলাইটিস ভাইরাস 21
খ।ব্যাক্টেরিয়াল ডিজিজ 21
২৫।ই-কলাই 21
২৬।টাইফয়েড/সালমোনেলা 22
২৭।কলেরা 22
২৮।অম্ফালাইটিস 22
২৯।পুলোরাম 22
৩০।নেক্রোটিক এন্টারাইটিস 23
৩১।গ্রেংগেনাস ডার্মাটাইটিস 23
৩২।করাইজা 23
অন্যান্য ডিজিজ/সমস্যা 23
৩৩।ব্রুডার নিউমোনিয়া 23
৩৪।মাইকোটক্সিকোসিস 24
৩৫।মাইকোপ্লাজমোসিস 24
৩৬।আমাশয় 24
৩৭।ফ্যাটি লিভার হেমোরেজিক সিনড্রোম 24
৩৮। হিটস্ট্রোক 24
৩৯।ওজন দেখে রোগ নির্ণয় 24
৪০।এগ বাউন্ড এ মৃত্যু 25
৪১।এসাইটিস 25
৪২।মোল্ট্রিং এর কারণে ডিম কমা 25
৪৩।কৃমির কারণে মৃত্যু 25
৪৪।ঠোঁটকাটার কারণে মৃত্যু 25
৪৫।খাঁচায় মৃত্যু 26
৪৬।প্যাচ লেগে মৃত্যু 26
৪৭।সাডেন ডেথ সিনড্রোম 26
৪৮।আমাশয় ভাল হবার পর মৃত্যু 26
৪৯।মুরগি ছোট বড় /লিটার ভিজে যায়।লিটার খায় 26
৫০।ব্রুডিং এ প্যারালাইসিস 26
৫১।ব্রুডিং এ মর্টালিটি 27
৫২।ব্রয়লারের স্বাভাবিক মর্টালিটি 27
৫৩।বিড়াল/বেজির আক্রমণে মৃত্যু 27
৫৪।স্ট্রেসে মৃত্যু 27
৫৫।টাইটার কমে গেলে মৃত্যু 27
৫৬।ব্রুডিং এ বাচ্চার পিছনে বিস্টা লেগে মৃত্যু 27
৫৭।ফল্ট ভ্যাক্সিনেশন(অস্বাভাবিক চোখ/মাথা ফোলা) 27
১মিনিটে রোগ নির্ণয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক আর্টিকেল 29
৫৮।কিভাবে সহজে রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা করা যায় এবং হিস্ট্রির ভূমিকা 29
৫৯।লিভারে নেক্রোটিক ফোকাই এবং বডিতে হেমোরেজ হবার বিভিন্ন কারণ 39
৬০।কোন সিজনে কোন রোগ বেশি হয় 40
৬০।পি এইচ এইচের উপর ভিত্তি করে রোগ 40
৬১।মুরগির কোন রোগ কোন অঞ্চলে হয় 41
৬২।ভি আই পি আর্টিকেল 41
৬৩।কিভাবে কনফার্ম ডায়াগ্নোসিস করবো 43
৬৪।পোল্ট্রিতে কি প্যাথোগ্নোমিক লেসন আছে,থাকলে কি কি 51
৬৫।মর্বিডিটি ও মর্টালিটি দিয়ে কিভাবে রোগ নির্ণয় করবো 52
৬৬।প্রোডাকশন % এবং খাবারের তথ্য দিয়ে রোগ নির্ণয় 52
৬৭।পি এম করে কোন রোগ নির্ণয় করা যায় না 52
৬৮।মুরগি কোন রোগে অসুস্থ হয় না কিন্তু মারা যায় 53
৬৯।কোন রোগের কারণে মুরগি তেমন মারা যায় না 53
৭০।কোন রোগ ফিল্ডে কম পাওয়া যায় 54
৭১।গ্রুপ ভিত্তিক রোগ নির্ণয় 55
৭২।মুরগি সুস্থ নাকি অসুস্থ সেটা আগে জানা উচিত কেন,কিভাবে জানবো 59
৭৩।গ্রোয়িং পিরিয়ডেই ব্যাপক হারে মর্টালিটি করে কিন্তু প্রোডাকশনে হয় না 60
৭৪।কোন ডিজিজের ক্ষেত্রে ব্রয়লারে বেশি মর্টালিটি হয়,লেয়ারে হয় না বা কম হয়। 60
৭৫।খাবারের সাথে জড়িত রোগ 61
৭৬।মর্টালিটি আর মর্বিডিটি প্রায় সমান হয় যে রোগে, মর্টালিটি কেন হয় 62
৭৭।কোন ডিজিজে সব চেয়ে বেশি (৪-৫টি)অর্গান/সিস্টেম আক্রান্ত হয় 62
৭৮।ডিমের রং,খোসা এবং আকার পরিবর্তন হয় কেন 62
৭৯।স্পোরাডিক কেস কি এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ 75
৮০।কোন রোগে মুরগি অসুস্থ হয় না কিন্তু মারা যায় 83
৮১।কোন রোগে মুরগি মরেনা কিন্তু খামারী মরে 83
৮২।হার্ডলিং,এসাইটিস,লালা পড়ে, পানি বেশি খায় এবং মাথা উচু করে নিশ্বাস নেয়ার কারণ 83
৮৩।কোন রোগে কত % ডিম কমে,মর্টালিটি ও মর্বিডিটি% 85
৮৪।পায়খানা বিভিন্ন কালার হবার কারণ 88
৮৫।মুরগির শরীরের পরিবর্তন এবং কারণ 90
৮৬।এন্টিবায়োটিক দিলে কি ডিম কমে 91
৮৭।ক্ষতির দিক দিয়ে রোগের প্রকারভেদ 92
৮৮।ইনডিভিজুয়াল কেস কি কি,আক্রান্ত মুরগিকে ভ্যাক্সিন দেয়া যায় কিনা,কোন রোগের চিকিৎসা নাই 93
৮৯।কোন কোন রোগের ক্ষেত্রে একটা আক্রান্ত হলে অনেক আক্রান্ত হতে পারে 95
৯০।কোন রোগ কন্টাজিয়াস এবং স্পোরাডিক উভয় হতে পারে 95
