Breaking News

বিড়াল দিবস

পৃথিবীতে পোষা বিড়ালই আছে মোটামুটি ৫০০মিলিয়ন। এর মধ্যে আবার প্রতিবছর ৪মিলিয়ন বিড়াল এশিয়ানদের পেটে যায় । এর শোধ অবশ্য তুলে দেয় আমেরিকান বিড়ালেরা। প্রতিবছর ৪০,০০০ মানুষ বিড়ালের কামড় খায় আমেরিকায় । এই বিড়াল নিয়ে অনেক মজার তথ্য আছে। আজকে International Cat Day উপলক্ষ্যে ১০টি আপনাদের সাথে শেয়ার করছিঃ

১)মিউটেশনের কারণে বিড়ালের জিভে মিষ্টি স্বাদ পাওয়ার কোন রিসেপ্টর নেই। তাই বিড়াল মিষ্টি স্বাদ গ্রহণ করতে পারে না।
২)বিড়াল অন্ধকারেও দেখতে পারে, মানুষের চেয়ে ৭গুণ বেশি। অর্থাৎ মানূষ যে পরিমণ কম আলোতে দেখতে পারে, তার চেয়ে ৭গুণ কম আলো থাকলেও বিড়াল দেখতে পারে। কিন্তু মানুষের মতন রঙের পার্থক্য করতে পারেনা। বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন ঘাস, বিড়ালের কাছে লাল দেখায়।
৩)বিড়াল তার জীবনের ৩ভাগের ২ভাগ অংশই ঘুমিয়ে কাটায়। তারমানে ৯ বছর বয়সের একটি বিড়াল ৬বছর ঘুমিয়েই কাটিয়েছে।
৪) বিড়ালকে নাকি অনেক দূরে নিয়ে ফেলে দিয়ে আসলেও বিড়াল নাকি পথ চিনে চিনে ঠিক আবার ফিরে আসে! বিড়ালের বাড়ি চিনে ফিরে আসার এই ক্ষমতাকে “psi-traveling” বলা হয়। এক্সাপার্টরা ধারণা করেন, সূর্য্যের আলোর আপতন কোণের উপরনির্ভর করে রাস্তা চিনে, অথবা সূর্য্যের আলো তাদের মস্তিষ্কের কোষগুলোর মাঝে একধরণের চৌম্বকক্ষেত্র তৈরী করে কম্পাসের কাজ করে, এইভাবে রাস্তা চিনে বাড়ি ফিরে আসে।
৫)বিড়ালের মানুষের মতন কোন কলার বোন নাই। যার ফলে এরা এদের মাথার সমান কোন ফুটা পেলেই ওর মধ্যে দিয়েই গলে পার হয়ে যেতে সক্ষম।
৬)বিড়ালের ৩২টা মাংসপেশী আছে যা তার কানকে নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে একটা বিড়াল তার কানকে ১৮০ ডিগ্রি ঘোরাতে পারে।
৭) বিড়াল কখনো নিচের দিকে মুখ করে গাছ থেকে নামতে পারেনা। বিড়ালের নখের বিশেষ গঠনের কারণে এইরকম হয়। ফলে বিড়ালকে গাছ থেকে নামতে হলে উপরের দিকে মুখ করেই নামতে হবে। তাই দেখা যায় নামার সময় বিড়াল নখের সাহায্য না নিয়ে অল্প একটু নেমেই লাফ দেয়।
৮)প্রত্যেক বিড়ালের নাকের প্যাড অনন্য বৈশিষ্ট্যের। মানুষের ফিঙ্গারপ্রিন্টের মতন। অর্থাৎ দুটি বিড়ালের নাকের প্যাড কখনো এক প্যাটার্নের হবেনা।
৯)বিড়ালের মানুষের মতন পুরো শরীরে ঘর্মগ্রন্থি নেই। তারা ঘাম নিঃসরণ করে তাদের থাবা (Paw) দিয়ে।
১০)বিড়াল ভাইব্রেশনের প্রতি খুবই সংবেদনশীল। বলা হয়ে থাকে এরা ভূমিকম্প হওার ১০-১৫মিনিট আগে বুঝতে পারে।

Source: Internet
📷MD Touhidun Nur Shimulll…💚

Please follow and like us:

About admin

Check Also

বিলুপ্তপ্রায় পাঁচটি প্রাণী- রাজশকুন, ঘড়িয়াল, মিঠাপানির কুমির, নীলগাই এবং শুশুক

বর্তমান সময়ে জীববৈচিত্র্য পড়েছে মহা সংকটে। ইতোমধ্যেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে তালিকাভুক্ত অসংখ্য প্রজাতির উদ্ভিদ ও …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Translate »
error: Content is protected !!