ইয়কসেক ইনফেকশন(নাভিকাচা/অম্ফালাইটিস)

ইয়কসেক ইনফেকশন(নাভিকাচা/অম্ফালাইটিস)

সি আর ডি ও আই বি ডির অন্যতম মূল কারণ হলো ইয়ক সেক ইনফেশন।

কারণঃ

হ্যাচারীঃ

পুরাতন হ্যাচারীঃপুরাতন হ্যাচারীতে জীবাণুর লোড বেশি থাকে।

হ্যাচারীর হ্যাচার ও ইনকিউবেটর যদি পরিস্কার না করা হয়।

অনেক সময় ধরে বাচ্চা যদি হ্যাচারীতে থাকে(বিক্রি করতে না পারলে)

ছোট ডিমের বাচ্চা হলে(২৪-২৭ সপ্তাহের ডিমের বাচ্চা)

হ্যাচারীতে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৯৯.৫% এর বেশি হলে এবং তাপমাত্রা ৩৭.৭ ডিগ্রি্র বেশি হয়;

নোংড়া ডিম মানে ডিম যদি সেডে বেশিক্ষণ থাকে( ফার্মে দিনে ৪-৫বার ডিম তোলা উচিত,বিস্টা দ্বারা ডিম নোংড়া হতে পারে)

হ্যাচারীতে যদি ফিউমিগেশন না করা হয়।

কোল্ড স্টোরেজে ডিম বেশি দিন সংরক্ষণ করলে।

ইঙ্কোকিউবেটর যদি রেস্টে না রাখা হয়।

ফার্মে সমস্যাঃ

অপরিস্কার,ব্রুডিং তাপমাত্রা কম,বাচ্চা যদি বেশি ঘন হয়।খাবার ও পানির পাত্র যদি কম হয়।

ধকল যদি বেশি পড়ে।

শীতকালে বাচ্চা যদি রাত্রে আসে।

শীতে সকালের তাপমাত্রা যদি ঠিক রাখা না যায় তাহলে ই-কলাই,ক্যাম্পাইলোব্যাক্টর,স্ট্যাফাইলোক্ককাস আক্রমণ করে।

ভেন্টিলেশন যদি ভাল না হয় ইনফেকশন হবার সম্বাবনা অনেক বেড়ে যায়।

ভেজা লিটার বা ব্রুডিং এর কারণে যদি কার্বন মনোক্সাইড বেড়ে যায় তাহলে ট্রাকিয়াতে ধকল পড়ে ফলে ই-কলাই হবার ঝুকি বেড়ে যায়।

যদি দীর্ঘ সময় বিদ্যু না থাকে তাহলে তাপের অভাবে নাভি শুকাতে পারেনা।

বাচ্চার ব্যবস্থাপনা

বাচ্চা আসার পর গুড় ১লিটারে ৫০গ্রাম(দেড় কেজি গুড় ১০০০বাচ্চাকে খাওয়ানো যেতে পারে ২বেলার পানতে) বা ইলেক্টোলাইট,

মাল্টি ভিটামিন ৪-৫দিন,মেগাভিট ১গ্রাম ৬লিটার পানিতে ১বেলা

সোডি বাইকার্ব ৪০গ্রাম( ১গ্রাম ২লিটার পানিতে ),

এমোনিয়াম ক্লোরাইড ৩০গ্রাম(১০০ বাচ্চার জন্য ২-৩দিন,১গ্রাম ২লিটার পানিতে)

যে বাচ্চা ই -কলাই দ্বারা আক্রান্ত হয় এবং ১ম সপ্তাহে ১৮০গ্রামের(ব্রয়লার) কম ওজন হয়,সেসব মুরগিতে গাম্বোরু হবার সম্বাবনা অনেক বেশি।ওজন ভাল আসবে না।

সমস্যা হলে এন্টিবায়োটিক দিতে হবে তবে কোন এন্টিবায়োটিকই কুসুম ভেদ করতে পারেনা।

লক্ষণঃ

ক্রপে খাবার থাকবে না।

গলব্লাডার বড় হয়ে যাবে।

নরমালী ৫-৭দিনের মধ্যে কুসুম শোষিত হয়ে যায়।

পেঠের উপর কালো দাগ ও পেঠ বড় হয়ে যায়,চামড়া কাটার পর কুসুম বের হয়।

মাঝে মাঝে ফুসফুস কঞ্জেস্টেড হয়।

বড় কুসুম থলি খারাপ ব্রুডিং ইন্ডিকেট করে।

লেশননাভিকাচা

(ই -কলাই  দ্বারা আক্রান্ত হলে কুসুম সবুজ কালার হবে,ফোলে যাবে,খারাপ গন্ধ হবে)

চিকিৎসা ঃ

ডাক্তার সব কিছু বিবেচনা করে চিকিৎসা দিবে।

নিচে ধারণা দেয়া হলো

কসুমিক্স ২গ্রাম ১লিটার পানিতে সব সময় ৪-৫দিন বা অন্যান্য এন্টিবায়োটিক দেয়া যায়।

ভিটামিন সি

ই- সেল

 

 

Scroll to Top