🐔 এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা (Avian Influenza) – LPAI ও HPAI বিস্তারিত
🔑 Focus Keyword:
👉 এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা মুরগি
Secondary Keywords:
- বার্ড ফ্লু মুরগি
- Avian influenza poultry
- Bird flu disease
🦠 ১. লো প্যাথোজেনিক এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা (LPAI)
⚠️ প্রিডিস্পোজিং ফ্যাক্টর (Predisposing Factors)
এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা (Avian Influenza) রোগ হওয়ার ঝুঁকি বা তীব্রতা অনেকাংশে কিছু পরিবেশগত ও ব্যবস্থাপনাগত কারণে বৃদ্ধি পায়।
🦠 ১. কো-ইনফেকশন (Co-infection)
নিম্নোক্ত রোগগুলো থাকলে এ আই রোগের তীব্রতা অনেক বেড়ে যায়:
- ই-কোলাই (E. coli)
- মাইকোপ্লাজমা
- ইনফেকশাস ব্রংকাইটিস
- কলেরা
👉 বিশেষভাবে রানিক্ষেতের (ND) টাইটার কম থাকলে মুরগি এ আই-তে বেশি আক্রান্ত হয়
💉 ২. রানিক্ষেত (ND) টাইটার
- ND titer যদি কম থাকে → ইমিউনিটি কমে যায়
- ফলে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা সহজে আক্রমণ করে
- সঠিক ভ্যাকসিনেশন না হলে ঝুঁকি অনেক বাড়ে
👉 তাই নিয়মিত ND titer মনিটর করা জরুরি
🌡️ ৩. পরিবেশগত কারণ
- শীতকাল বা কম তাপমাত্রা
- অতিরিক্ত ধুলাবালি (Dust)
- অ্যামোনিয়া গ্যাস বেশি
- খারাপ ভেন্টিলেশন
👉 এসব অবস্থায় ভাইরাস বেশি সক্রিয় থাকে
🏠 ৪. ব্যবস্থাপনা (Management)
- বেশি ঘনত্বে মুরগি পালন
- বায়োসিকিউরিটি দুর্বল
- ভিজিটর ও যানবাহন নিয়ন্ত্রণ না করা
- পর্যাপ্ত downtime না রাখা
🦆 ৫. বাহক পাখি (Carrier Birds)
- হাঁস (Duck) → প্রধান রিজার্ভার
- বন্য পাখি
👉 এরা অনেক সময় লক্ষণ ছাড়াই ভাইরাস বহন করে
🍽️ ৬. পুষ্টির ঘাটতি (Nutrition)
- ভিটামিন ও মিনারেলের অভাব
- দুর্বল ইমিউনিটি
🧬 ৭. ইমিউনিটি স্ট্যাটাস
- দুর্বল ইমিউন সিস্টেম
- স্ট্রেস (heat stress / transport stress)
📌 প্যাথোজেনেসিস
লো প্যাথোজেনিক এ আই সাধারণত মৃদু হলেও:
- ট্রাকিয়ার মাধ্যমে ভাইরেমিয়া হয়ে
- শ্বাসতন্ত্র, পরিপাকতন্ত্র, প্রজননতন্ত্র ও কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমে ছড়িয়ে পড়ে
👉 ট্রাকিয়া ও ফুসফুসে:
- প্রদাহ (Inflammation)
- কনজেশন
👉 মাইল্ড/মডারেট ক্ষেত্রে:
- ট্রাকিয়া, সাইনাস, এয়ারস্যাক আক্রান্ত
- কনজাংটিভা আক্রান্ত
- Ovarian atresia
- Oviduct involution
👉 পরবর্তী লেশন:
- Congestive lesion
- Haemorrhagic lesion
- Transudative lesion
- Necrotic lesion
👉 অন্যান্য পরিবর্তন:
- এবডোমিনাল ক্যাভিটিতে ডিম (yolk) জমা
- ওভিডাক্টে inflammatory exudate
- Mucosal edema
- Sinusitis (বিশেষ করে হাঁস, কোয়েল, টার্কিতে)
👉 AI ভাইরাস RBC সেলের প্রতি আসক্তি রাখে
⚠️ লক্ষণ (Symptoms)
- কাশি, হাঁচি, ঠান্ডা
- ডিম উৎপাদন কমে যায়
- পানি বেশি খায়
- উস্কোখুস্কো পালক
- অনেক সময় লক্ষণ ছাড়াই ডিম কমে যায়
🫁 রেস্পিরেটরি লক্ষণ:
- Sneezing, coughing
- Ocular ও nasal discharge
- Infraorbital sinus ফুলে যায়
- চোখে কনজাংটিভাল congestion
🔴 অন্যান্য লক্ষণ:
- মাথা, গলা ও সাইনাস ফুলে যায়
- সাবকিউটেনিয়াস edema
- ঝুটি কালো হয়ে যায়
- সবুজ/নীল ডায়রিয়া
👉 Mortality: ৫–১০%
👉 Co-infection হলে বেশি
🥚 প্রডাকশন ইফেক্ট
- ডিম উৎপাদন অনেক কমে যায়
- পুনরায় উৎপাদন শুরু হতে ১–১.৫ মাস লাগে
- অনেক সময় ৬৫–৭৫% এর বেশি ওঠে না
👉 অনেক খামারি এই পর্যায়ে মুরগি বিক্রি করে দেয়
🧪 পোস্টমর্টেম (LPAI)
👉 সাধারণত মিক্স ইনফেকশন থাকে:
- E. coli
- Mycoplasma
- Cholera
- Staphylococcus
🔬 লেশন:
- Respiratory tract congestion
- Trachea ও lungs inflamed
🥚 লেয়ারে:
- Ova rupture (yolk abdominal cavity)
- Oviduct involution
- Mucosal edema
- Inflammatory exudate
👉 কখনো acute renal failure → visceral gout
🩸 অন্যান্য:
- এবডোমিনাল ফ্যাট ও মাংসে রক্তক্ষরণ
- পেটে গলিত ডিম
- লিভার বড় ও নরম, necrotic foci
- ওভিডাক্টে albumin
- ডিম্বাশয়ে hemorrhage
- সিকাম ও অন্ত্রে hemorrhage
- Proventriculus–gizzard junction-এ hemorrhage
☠️ ২. হাই প্যাথোজেনিক এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা (HPAI)
🌡️ ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য
- ০°C তাপমাত্রায় ৩০ দিনের বেশি বাঁচে
- ৫৬°C → ৩ ঘণ্টা
- ৬০°C → ৩০ মিনিটে ধ্বংস
🧬 প্যাথোজেনেসিস
👉 এটি একটি Systemic disease
- Fibrinous exudate:
- Air sac
- Oviduct
- Pericardial sac
- Peritoneum
👉 আক্রান্ত অঙ্গ:
- Skin, comb, wattle
- Liver, kidney, spleen, lungs
- Nervous system
👉 পরিবর্তন:
- Congestion
- Edema
- Hemorrhage (vascular damage)
👉 কিডনিতে:
- Urate জমা → gout
- Acute renal failure
👉 Muscle hemorrhage
⚠️ লক্ষণ (Symptoms)
⚡ Peracute:
- ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১০০% মৃত্যু
- কোন লক্ষণ ছাড়াই মৃত্যু
🔴 Acute:
- Cyanosis
- মাথা, comb, wattle ফুলে যায়
- Ischemic necrosis
👉 ১–২ দিনের মধ্যে মৃত্যু (Mortality ~100%)
🫁 অন্যান্য লক্ষণ:
- শ্বাসকষ্ট (Gasping)
- Facial swelling
- Bluish comb & wattle
- চোখ দিয়ে পানি পড়ে
👉 Muscle weakness ও paralysis
👉 Opisthotonus, torticollis
💩 পায়খানা:
- সবুজ ডায়রিয়া
- পা ফুলে যায়
- শ্যাংক লাল → কালো
🩸 লক্ষণ:
- Muscle hemorrhage
- Petechial & ecchymotic hemorrhage
- Blood-tinged oral & nasal discharge
👉 ডিম উৎপাদন হঠাৎ শূন্যে নেমে যায়
🧪 পোস্টমর্টেম (HPAI)
- ব্যাপক internal hemorrhage:
- Proventriculus
- Gizzard
- Liver
- Skin
- Heart
- Abdominal fat
- Sternum
- Ovary: hemorrhage ও inflammation
- Air sacculitis, sinusitis
- Liver, spleen, kidney, lungs-এ necrotic foci
- Proventriculus–gizzard junction hemorrhage
- Intestinal lymphoid tissue hemorrhage
- Fibrinous enteritis, pericarditis
- ফুসফুসে পানি জমা
👉 Subcutaneous ecchymotic hemorrhage (feet & shank)
👉 Visceral organ-এ petechial hemorrhage
💊 চিকিৎসা (Treatment)
👉 চিকিৎসার সময় পাওয়া যায় না
👉 রেজাল্ট প্রায় শূন্য




প্রভেন্টিকোলাসের মিউকোসা এবং গ্লান্ডোলার ডাক্টে,গিজার্ডে,লিভারে ও ওভারীতে রক্ত পাওয়া যায়।এমন কি চামড়ার নিচে,হার্টে,স্টারনামে রক্ত ক্ষরণ হয়।পার একিউট থেকে বেচে যাওয়া মুরিতে Torticolis,opisthotonos,incoodination,paralysis and droop wing হয়।
ডিফারেনিয়াল ডায়াগ্নোসিস ঃ
কলেরা
রানিক্ষেত
তাছাড়া অনেক সময় মিক্স ইনফেকশন হয়।
তাই টেস্ট করে রোগ নির্ণয় করা উচিত।
অধিকাংশ সময় কলেরা বা রানিক্ষতকে ইনফ্লুয়েঞ্জা( এ আই) হিসেবে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে।
অনেকে মনে করে প্রতিদিন ১০-৩০ বা ১০০ মুরগি মারা গেছে মানে এ আই।এটা ভুল কলেরা,রানিক্ষেতের জন্যও এই রকম মর্টালিটি হতে পারে।
আরেক টি ভুল ধারণা আছে সেডের কোন একটি অংশ থেকে মারা গেলে ্তাকে বার্ড ফ্লু বলা হচ্ছে।এটাও সব সময় ঠিক না।
হিট স্টোকের সাথে অনেক সময় মিলে যায়।
রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতি ঃ
এইচ আই টাইটার টেস্ট
এলাইজা
আগারজেল প্রিসিপিটেশন
আর টি পি সি আর
এ আই রেপিড টেস্ট
চিকিৎসাঃ
উপস্থিত ডাক্তার রোগের উপর ভিত্তি করে চিকিৎসা দিবেন।
নিচে ধারনা মাত্র
এন্টিভাইরাল
লেভোফ্লক্সাসিলিন বা অন্য কোন এন্টিবায়োটিক
ইমোনোস্টিমুলেটর(লাইসোভিট বা নিউ্ট্রিল্যাক)
কফ পরিস্কারক(পালমোকেয়ার,রেস্পাইট)
লিভার টনিক( রেস্টোলিভ বা হেপারেনল)
মিক্স ইনফেকশন হলে ইরোকট বা মাইক্রোনিড দেয়া যায় ৫-৭ দিন,সব সময়।
বা কসুমিক্স-প্লাস + এনরোসিন দেয়া যায়।
এইচ ৯ এন ২ ভাল হতে অনেক সময় লাগে সেক্ষেত্রে রেনামাইসিন এল এ ইঞ্জেকশন দেয়া যায় প্রডাকশনের মুরগিতে ২কেজি ওজনের জন্য ০.৫মিলি মাংসে ২দিন পর ৩বার।
ইঞ্জেকশন দিলে প্যারাসিটামল দেয়া উচিত
জিংক
ভিটামিন সি
চিকিৎসা নির্ভর করে ওই সময়কার পরিস্থিতির উপর ।
লো এ আই ভাল হতে ২-৪ সপ্তাহ লাগে তাই তাড়াহুড়া করলে বা বেশি এন্টিবায়োটিক দিলে কোন লাভ হবেনা।
প্রতিরোধঃ
বন্য পাখি ও হাস থেকে দূরে থাকতে হবে।বাহিরের লোকজনের চলাচল বন্ধ করতে হবে।ফার্মে ঢুকার আগে হাত ধুতে হবে এবং রীতিমত স্প্রে করতে হবে পাখির উপর ও অন্য সকল জায়গায়।ছাড়া অবস্থায় বাহিরে দেশি মুরগি পালা যাবেনা।একই জায়গায় হাস ও শুকর পালা যাবেনা।দেশি হাস,মুরগি ও কবুতর রাখা যাবেনা।যেসব বন্য পাখি খাচায় পালা হয় সেখানে যাওয়া যাবেনা।কোন সমস্যা হলে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।যেসব দেশে ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছে সেসব দেশ থেকে গেম বার্ড,পোল্ট্রি প্রডাক্ট ,ব্রিডার ও বন্য পাখি যাতে না আসে সে ব্যবস্থা করতে হবে।ফার্ম পরিস্কার রাখতে হবে।লোকাল ফার্ম,লাইভ পোল্ট্রি মার্কেট থেকে দূরে থাকতে হবে।মুরগির বিষ্টা যেখানে সেখানে ফেলা বা রাখা যাবেনা।শীতকালে নিউট্রিল্যাক,বিটামিউন,লাইসোভিট,ই সেল,এডি৩ই,জিংক,টক্সিন বাইন্ডার ,সি ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে যাতে ইমোনিটি ভাল থাকে।বায়োসিকিউরিটি ভাল রাখতে হবে।
নোটঃভাইরুস্নিপ(Virusnip) দিয়ে ৩-৫ দিন পর পর মুরগির উপর এবং ফার্মের সকল জায়গায় স্প্রে করলে সহজে মুক্ত থাকা যাবে
ভাইরুসিডঃ দিয়ে স্প্রে করা যেতে পারে ১ দিন পর পর মুরগির উপর এবং ফার্মের সকল জায়গায়(শীতের সময়)
টিকা শিডিউলঃ
ভ্যাক্সিন দেয়ার মূল উদ্দেশ্য মুরগির প্রডাকশন যাতে না কমে,জীবাণুর লোড কমানো।
ইমার্জেন্সি ভ্যাক্সিন সিডিউল ঃ
যে কোন বয়সে তবে ৪-৬ সপ্তাহ পর ব্রুস্টার দিতে হবে।
প্রাইমারী ভ্যাক্সিন ৩ সপ্তাহের আগে হলে ২য় ব্রুস্টার দিতে হবে ১৬-১৮ সপ্তাহ।
যে এলাকায় এ আই এর রিক্স বেশি সেক্ষেত্রে
এক দিনের বাচ্চায় 0.২৫ এম এল করে,পরে ২টি ব্রুস্টার ৪-৬ সপ্তাহ এবং ১৬-১৮ সপ্তাহ
৪০-৫০ সপ্তাহের দিকে আরেক টি দিতে হবে।
কম রিক্সের এলাকায় ৪ সপ্তাহে ০.5 এম এল করে প্রাইমারী ভ্যাক্সিন ,১৬-১৮ সপ্তাহে ব্রুস্টার।
ভ্যাক্সিন সাব কাট বা আই এম
অথবা
এইচ ৫ এন ১ স্টেইন
২ সপ্তাহ ০.25 ml
৮ সপ্তাহ
১৬ সপ্তাহ
০.৫ এম এল রানের মাংসে বা ঘাড়ের চামড়ায় ইনজেকশন
স্টেইনে্র সাথে মিলে গেলে কাজ করবে।
অনেক কোম্পানী ১দিনের বাচ্চাতে টিকা দিয়ে দেয়।দিলে আর লাগবেনা।
ইন্দোনেশিয়ার টিকার সিডিউল যা দিয়ে তারা পোল্ট্রি সেক্টরকে কন্টোলে রেখেছে।
বয়স H5N1 H9N2
২-৫ সপ্তাহ দিতে হবে লাগবে না
৮-১২ সপ্তাহ দিতে হবে দিতে হবে
১৬-২০ সপ্তা দিতে হবে দিতে হবে
৩০-৩৪ সপ্তাহে দিতে হবে দিতে হবে
ভ্যাক্সিনের কম্বিনেশন
H5N2
H5+ND = H5N2
H7N1
H7N7
H9N2
H9N2+ND=H9N2
আমাদের দেশে এ সি আই .৯ ) ৫ ভ্যাক্সিন,এডভান্স ৫ভ্যাক্সিন,এফ এন এফ ৯ ) ৫ ভ্যাক্সিন মার্কেটিং করে।
এ আই ভ্যাক্সিন যে ভ্যাক্সিনের সাথে কম্বাইন্ড করা হয়
রানিক্ষেত
পক্স
এইচ ভি টি
যেসব দেশে ভ্যাক্সিন না করে কালিং করা হয়
আমেরিকা
কানাডা
ইউরোপ
ব্রিটেন
রাশিয়া
যেসব দেশে ভ্যাক্সিন দেয়া হয়
ইন্ডোনেশিয়া
পাকিস্থান
মায়ানমার
মিশর
চীন
মেক্সিকো
কোরিয়া
এ সি আই কোম্পানীর H9N2+ND ভ্যাক্সিন সিডিউল ঃ
লেয়ার
৩-৪ সপ্তাহ মাংসে
৬-৮ সপ্তাহে ১ম বার
১৪ সপ্তাহে ২য়বার
প্রডাকশনের সময় ৩৫-৫০ সপ্তাহে দেয়া যায় তবে প্রডাক্সন কিছুদিন কমে যেতে পারে।
সোনালী/ব্রয়লার
৫-১০দিনে
প্রতিরোধে করণীয়
যে এলাকায় হবে তার করনীয়ঃ
Novement restriction
Disease investigation quickly
Stamping out of birds( তাড়াতাড়ি মুরগি কালিং করতে হবে)
Decontamination of affected area
Surveillance and close monitoring
Vaccination ( ring)
যারা আক্রান্ত হয়নি তারা কি করবে
Keep distance from the birds
keep clean
Do not bring infectious agents to farm or home
Should report sickness of birds to veterinarians
Should not contaminate the environments by sick or dead birds.
ACTIVE SURVEILLANCE – EFFICIENT
❓ FAQ: এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা (Avian Influenza)
1️⃣ এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা কি?
এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা (বার্ড ফ্লু) হলো মুরগির একটি ভাইরাসজনিত মারাত্মক রোগ, যা দ্রুত ছড়ায় এবং উচ্চ মৃত্যুহার ঘটাতে পারে।
2️⃣ এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা কয় ধরনের?
এটি মূলত ২ ধরনের:
- লো প্যাথোজেনিক (LPAI)
- হাই প্যাথোজেনিক (HPAI)
👉 LPAI মৃদু, HPAI অত্যন্ত মারাত্মক।
3️⃣ LPAI এবং HPAI এর মধ্যে পার্থক্য কি?
- LPAI: কম মৃত্যু, ধীরে ছড়ায়
- HPAI: দ্রুত ছড়ায়, ২৪–৪৮ ঘন্টার মধ্যে ১০০% মৃত্যু হতে পারে
4️⃣ এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা কিভাবে ছড়ায়?
এই রোগ ছড়ায়:
- আক্রান্ত পাখির পায়খানা
- নাক ও মুখের সেক্রেশন
- বাতাসের মাধ্যমে
- দূষিত খাবার, পানি ও সরঞ্জাম
5️⃣ এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রধান লক্ষণ কি?
- শ্বাসকষ্ট
- কাশি, হাঁচি
- ডিম উৎপাদন কমে যাওয়া
- মাথা ও ঝুটি ফোলা
- সবুজ ডায়রিয়া
6️⃣ HPAI এর লক্ষণ কেন বেশি মারাত্মক?
HPAI একটি systemic disease হওয়ায় এটি শরীরের প্রায় সব অঙ্গ আক্রান্ত করে, ফলে দ্রুত মৃত্যু ঘটে।
7️⃣ পোস্টমর্টেমে কি দেখা যায়?
- শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে রক্তক্ষরণ
- লিভার, স্প্লিন, কিডনিতে নেক্রোসিস
- ফুসফুসে পানি
- প্রভেন্টিকোলাস ও গিজার্ডে hemorrhage
8️⃣ এই রোগে চিকিৎসা আছে কি?
👉 কার্যকর চিকিৎসা নেই
👉 আক্রান্ত পাখি দ্রুত মারা যায়
9️⃣ এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়?
- শক্ত বায়োসিকিউরিটি
- খামারে বাইরের লোক প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ
- জীবাণুমুক্তকরণ
- আক্রান্ত পাখি দ্রুত অপসারণ
🔟 LPAI কি HPAI হতে পারে?
হ্যাঁ, LPAI ভাইরাস মিউটেশনের মাধ্যমে HPAI-তে রূপান্তরিত হতে পারে, যা অনেক বেশি মারাত্মক।
1️⃣1️⃣ কোন পাখি থেকে বেশি ছড়ায়?
👉 হাঁস (waterfowl) এই ভাইরাসের প্রধান রিজার্ভার এবং বেশি ছড়ায়
1️⃣2️⃣ এই রোগে অর্থনৈতিক ক্ষতি কত?
- উচ্চ মৃত্যুহার
- ডিম উৎপাদন কমে যায়
- খামারের বড় আর্থিক ক্ষতি হয়




