বিভিন্ন কারণে একজন ডাক্তারের অধীনে খামারীকে থাকা উচিত।
১।ব্রুডিং এ এন্টিবায়োটিক দিবো কিনা জানা যা্কসিক
২।খন এন্টিবায়োটিক দিতে হবে তা জানা যায়
৩।কোন সমস্যা বা রোগে চিকিৎসা করতে হবে তা জানা যায়
৪।প্রোগ্নোসিস মানে রোগের ভবিষ্যৎ জেনে সিদ্ধান্ত নেয়া যায়
৫।তাৎক্ষণিক ভাবে চিকিৎসা বা সিদ্ধান্ত নেয়া যায়
৬।খরচ কমানো যায় ৫০-৬০%
৭।অনেক কিছু শিখা যায়
৮।আপডেট তথ্য ও ব্যবস্থাপনা এবং চিকিৎসা পাওয়া যায়
৯।ঝুকি কমিয়ে নিরাপত্তা বাড়িয়ে চিন্তামুক্ত থাকা যায়।
১০।অযথা চিন্তা করে মানসিক ক্ষতির হাত থেকে বাচা যায়


